Rahman Cupping Therapy

Rahman Cupping Therapy A/S, This is Abidur Rahman. I am a Hijama & Ruqyah Expert, GD, R.M.P, Pharmacist, Reg: No-C-130259

11/04/2026

রুক্বইয়্যাহর ময়দানে বর্তমানে ছড়িয়ে পড়া এক ভয়াবহ ফিতনা ও নৈতিক অবক্ষয়ের দিকে ইঙ্গিত করছে। রুক্বইয়্যাহর নামে নারী রুগীদের (মা-বোনদের) ভিডিও বা ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রচার করা—এটি কেবল শার‘ঈ লঙ্ঘনই নয়, বরং এটি রুগীর ব্যক্তিগত মর্যাদা ও পর্দার চরম অবমাননা।

আমি একজন নগন্য খাদিম হিসেবে এই বিষয়ে ‘আলিম এবং অভিজ্ঞ রাক্বীদের অবস্থান বিস্তারিত তুলে ধরছি ইনশাআল্লাহ।

(১) পর্দার বিধান ও নারীর মর্যাদা :
ইসলামে একজন নারীর পর্দা কেবল সাধারণ অবস্থায় নয়, বরং অসুস্থ অবস্থায় আরও বেশি গুরুত্ব পায়।

— লঙ্ঘন : রুক্বইয়্যাহ করার সময় জ্বিন হাজির হলে অনেক সময় নারীর কাপড় এলোমেলো হয়ে যেতে পারে, তিনি অস্বাভাবিক অঙ্গভঙ্গি করতে পারেন বা তার আওয়াজ বদলে যেতে পারে। এই অবস্থায় তাকে ক্যামেরার সামনে আনা বা সেই ভিডিও ধারণ করে জনসম্মুখে প্রচার করা সম্পূর্ণ হারাম।

— সালাফদের নীতি : নবী করীম (ﷺ)-এর যুগে একজন নারী মৃগী রোগে আক্রান্ত হয়ে নিজেকে সামলাতে পারতেন না বলে দু‘আ চেয়েছিলেন। নবীজী (ﷺ) তাকে জান্নাতের সুসংবাদ দিয়েছিলেন এই শর্তে যে তিনি সবর করবেন এবং তার শরীর যেন অনাবৃত না হয়। সেই যুগেও পর্দার এত গুরুত্ব থাকলে আজ টেকনোলজির যুগে কেন মা-বোনদের ভিডিও ‘শো’ করানো হবে?

(২) কেন এটি বন্ধ হওয়া জরুরি?

ব্যক্তিগত গোপনীয়তা :
একজন রুগী সুস্থ হওয়ার পর যখন দেখেন তার সেই অস্বাভাবিক অবস্থার ভিডিও হাজার হাজার মানুষ দেখছে, তখন তিনি যে মানসিক ট্রমার শিকার হন, তা যাদুর চেয়েও মারাত্মক হতে পারে। এটি তার সামাজিক ও পারিবারিক জীবনে বিপর্যয় ডেকে আনে।

জ্বিনের প্রদর্শনী :
জ্বিন হাজির হওয়া কোনো সার্কাস বা বিনোদনের বিষয় নয়। এটি একটি ঈমানী যুদ্ধ। লাইভে বা শর্ট ভিডিওতে এগুলো প্রদর্শন করলে মানুষের মনে রুক্বইয়্যাহর প্রতি গুরুত্ব কমে যায় এবং এক ধরণের কৌতূহল তৈরি হয় যা ঈমানের জন্য ক্ষতিকর।

বানিজ্যিকীকরণ :
অনেক রাক্বী কেবল ভিউ বা ফলোয়ার বাড়ানোর জন্য নারীদের এই দুর্বল মুহূর্তগুলোকে সস্তা কন্টেন্ট হিসেবে ব্যবহার করেন। এটি চরম পর্যায়ের আমানতদারিতার খেয়ানত।

(৩) পর্দার সাথে থাকলেও কি জায়েয?

মনে রাখবেন, এটা অবশ্যই না-জায়েয; যতই না তা পর্দাসহিত নারী হোক! পর্দা থাকা সত্ত্বেও ভিডিও করা ঠিক নয় কারণ-

— নারীর কণ্ঠস্বর (বিশেষ করে জ্বিনের প্রভাবে অস্বাভাবিক কণ্ঠ) এবং তার শারীরিক নড়াচড়া ফেতনার কারণ হতে পারে।
— আধুনিক যুগে ভিডিও এডিট করে বা স্ক্রিনশট নিয়ে অপব্যবহার করার সুযোগ থাকে।
— এটি রুক্বইয়্যাহর মূল উদ্দেশ্য শিফা (সুস্থতা) থেকে সরিয়ে প্রদর্শনীবাদ-এর দিকে নিয়ে যায়।

(৪) অভিজ্ঞ রাক্বীদের পরামর্শ ও সমাধান :
উস্তায ওয়াহিদ বিন আব্দুস সালাম বালী এবং শায়খ আদিল মুক্ববিল (হাফিযাহুমুল্লাহ) এই ধরণের কর্মকাণ্ডকে কঠোরভাবে নিষেধ করেছেন। তাদের পরামর্শ হলো-

রেকর্ডিং নিষেধ :
রুক্বইয়্যাহ সেশনে ভিডিও রেকর্ডিং পুরোপুরি বন্ধ রাখা উচিত। যদি রুগীর নিরাপত্তার জন্য করতেও হয়, তবে তা কেবল রাক্বী এবং রুগীর মাহরামের কাছে সংরক্ষিত থাকবে, ইন্টারনেটে নয়।

অডিও রেকর্ড :
যদি শেখার উদ্দেশ্যে কিছু প্রচার করতেই হয়, তবে নাম-পরিচয় গোপন রেখে কেবল কণ্ঠ বা অভিজ্ঞতার বর্ণনা দেওয়া যেতে পারে, তাও রুগীর অনুমতি সাপেক্ষে।

সচেতনতা বৃদ্ধি :
রুগীদের এবং তাদের মাহরামদের সচেতন করতে হবে যেন তারা এমন রাক্বীর কাছে না যান যারা ভিডিও বা লাইভ করতে চায়।

More Information 01714-064655

11/04/2026

▌একজন মুখলিস রাক্বীর বৈশিষ্ট্য সমূহ!

মুখলিস তথা নিষ্ঠাবান রাক্বী হওয়া কেবল একটি পেশা নয়, এটি একটি আমানত এবং জিহাদ। রুক্বইয়্যাহর ময়দানে একজন রাক্বীর ঈমানী শক্তিই হলো তার আসল তলোয়ার। একজন মুখলিস রাক্বীর প্রধান বৈশিষ্ট্যগুলো অভিজ্ঞ আলিম ও রাক্বীদের বক্তব্যের আলোকে নিচে বিস্তারিত তুলে ধরা হচ্ছে ইনশাআল্লাহ।

(১) সহীহ ‘আক্বীদাহ ও ইখলাস :
এটিই একজন রাক্বীর সবচেয়ে বড় শক্তি।

— বৈশিষ্ট্য : তিনি বিশ্বাস করেন যে তিলাওয়াত বা তিনি নিজে কোনো ক্ষমতা রাখেন না; সুস্থতা কেবল আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে।
— লক্ষণ : তিনি রুক্বইয়্যাহর মাধ্যমে খ্যাতি বা মানুষের প্রশংসা খোঁজেন না। রুগী সুস্থ হলে তিনি শুকরিয়া আদায় করেন, আর সুস্থ হতে দেরি হলে নিজের আমলের ত্রুটি খোঁজেন।

(২) সুন্নাহর কঠোর অনুসরণ :
একজন মুখলিস রাক্বী কখনোই শরিয়ত বিরোধী কোনো কাজ করেন না।

— বৈশিষ্ট্য : তার রুক্বইয়্যাহ হবে কেবল কুরআন, সহীহ হাদীস এবং আল্লাহর গুণবাচক নাম দিয়ে।
— বর্জনীয় : তিনি কখনোই তাবীয দেন না, জ্বিনের কাছে সাহায্য চান না, রাশিফল দেখেন না এবং রুগীর কাছে তার মায়ের নাম বা কোনো ব্যবহৃত বস্তু (কাপড়/চুল) চান না। কারণ এগুলো যাদুকরদের আলামত।

(৩) পরহেযগারী ও তাক্বওয়া :
রাক্বীর জিহ্বায় তখনই তাসীর (প্রভাব) তৈরি হয় যখন সেই জিহ্বা হারাল এবং মিথ্যা থেকে পবিত্র থাকে।

— বৈশিষ্ট্য : তিনি নিয়মিত পাঁচ ওয়াক্ত নামায জামা‘আতের সাথে আদায় করেন এবং সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকির-আযকার কখনোই বাদ দেন না। তিনি যখন কথা বলেন না, তখন মনে মনে যিকির বা ইস্তিগফার করেন। তার মুখ থেকে অপ্রয়োজনীয় কথা, গীবত বা বাজে রসিকতা বের হয় না।
— গোপন আমল : মুখলিস রাক্বীদের একটি বড় বৈশিষ্ট্য হলো তাদের তাহাজ্জুদ এবং নির্জনে আল্লাহর কাছে কান্নাকাটি করা। রুগীর সুস্থতার জন্য তিনি নিজের পক্ষ থেকেও দু‘আ করেন।
— ফলাফল : এই নীরব সাধনার ফলে তার তিলাওয়াতে এমন এক নূর বা শক্তি তৈরি হয়, যা শোনার সাথে সাথে জ্বিন অস্থির হয়ে পড়ে। একে অভিজ্ঞরা বলেন রূহানিয়্যাত।

(৪) লোভহীনতা ও অদম্য ধৈর্য :
বর্তমানে রুক্বইয়্যাহর বাণিজ্যিকীকরণের যুগে এটি একটি বিরল বৈশিষ্ট্য।

— বৈশিষ্ট্য : তিনি রুক্বইয়্যাহকে ব্যবসার মাধ্যম বানান না। যদিও পারিশ্রমিক নেওয়া জায়েয, কিন্তু তিনি রুগীর অসহায়ত্বের সুযোগ নিয়ে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করেন না।
— ধৈর্য : জ্বিন বা যাদুর রুগীরা প্রায়ই খিটখিটে বা আক্রমণাত্মক হয়। একজন মুখলিস রাক্বী তাদের ওপর রাগ না করে পরম ধৈর্যের সাথে চিকিৎসা চালিয়ে যান।

(৫) পর্দা ও নৈতিকতা :
নারী রুগীদের ক্ষেত্রে একজন রাক্বীর চরিত্র ও আমানতদারিতা সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।

— বৈশিষ্ট্য : তিনি কখনোই কোনো নারীকে নির্জনে রুক্বইয়্যাহ করেন না। অবশ্যই রুগীর সাথে তার মাহরাম থাকতে হয়।
— পর্দা : তিনি রুগীর দিকে সরাসরি তাকানো থেকে দৃষ্টি অবনত রাখেন এবং অপ্রয়োজনে রুগীর শরীর স্পর্শ করেন না (প্রয়োজনে কাপড়ের ওপর দিয়ে বা মাহরামের মাধ্যমে ব্যবস্থা করেন)।

(৬) গভীর জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা :
রুক্বইয়্যাহতে শুধু সাধারণ কিছু তিলাওয়াত নয় বরং ডীপলি ডায়াগনোসিস করতে হয়। নতুবা অধিকাংশ কেস শুধু রহস্যই থেকে যায়।

— বৈশিষ্ট্য : একজন যোগ্য রাক্বী কেবল আয়াত পড়ে যান না, বরং তিনি রুগীর সমস্যাটি কি জ্বিন-যাদু নাকি মানসিক—তা বোঝার মতো জ্ঞান রাখেন। তিনি রুগীকে অপ্রয়োজনীয় ভয় দেখান না বরং তাকে আল্লাহর ওপর ভরসা করতে শেখান।

(৭) গোপনীয়তা রক্ষা করা :
রুগীর অনেক ব্যক্তিগত বা পারিবারিক গোপন বিষয় রুক্বইয়্যাহর সময় সামনে চলে আসে।

— বৈশিষ্ট্য : একজন মুখলিস রাক্বী রুগীর সেই গোপনীয়তা আমানত হিসেবে রক্ষা করেন। কারো নাম প্রকাশ করে তার সমস্যার কথা প্রচার করেন না।

(৮) সিদক্ব বা সত্যবাদিতা :
একজন মুখলিস রাক্বী কখনোই রুগীকে ভুল রিপোর্ট দেন না বা সমস্যা ধরা না পরলেও জ্বিন-যাদুর সমস্যা আছে বলে মিথ্যা বলেন না।

— বৈশিষ্ট্য : রুগীর সমস্যা যদি স্রেফ মানসিক বা শারীরিক হয়, তিনি স্পষ্ট করে তা বলে দেন এবং সংশ্লিষ্ট ডাক্তারের কাছে পাঠান।
— বর্জনীয় : আপনার ওপর ১০০টা জ্বিন আছে বা আপনার পুরো পরিবার ধ্বংস হয়ে যাবে—এমন আতঙ্ক ছড়িয়ে নিজের গুরুত্ব বাড়ানো বা প্যাকেজ বিক্রি করা থেকে তিনি শত হাত দূরে থাকেন।

(৯) রুগীর প্রতি রহম ও দয়া :
রুক্বইয়্যাহ কেবল আয়াত পড়া নয়, এটি একটি সেবা।

— একজন রাক্বীর নিয়ত হওয়া উচিত—মজলুমকে (রুগী) সাহায্য করা এবং জালেমের (জ্বিন) জুলুম নিস্ক্রিয় করা।
— লক্ষণ : রুগী সুস্থ হওয়ার পর তিনি আনন্দিত হন, আর রুগী কষ্ট পেলে তার জন্য ব্যথিত হন। রুগীর আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে তিনি অনেক সময় একদম বিনামূল্যে বা নামমাত্র মূল্যে চিকিৎসা দেন।

(১০) গবেষণাধর্মী গভীর জ্ঞান :
একজন সফল রাক্বী রুগীর চোখের ভাষা এবং আচরণের পরিবর্তন বুঝতে পারেন।

— বৈশিষ্ট্য : তিনি জানেন কখন রুগী জ্বিনের প্রভাবে কথা বলছে আর কখন নিজের অবদমিত কষ্টের কারণে বলছে। তিনি রুগীর বডি ল্যাঙ্গুয়েজ দেখে যাদুর ধরণ (যেমন পুতুল যাদু না খাওয়া যাদু) আন্দাজ করতে পারেন।
— বিয়োজন : তিনি কেবল পড়লাম আর ফুঁ দিলাম—এই তত্ত্বে বিশ্বাসী নন, বরং তিনি রুগীর কাউন্সেলিং-এর ওপর সমান জোর দেন।

(১১) নিজের পরিবার ও আমল গোপন রাখা :
এটি ইখলাসের একটি বড় মাধ্যম। এখানেই থাকে ব্যক্তিত্ব ও বিচক্ষণতা।

— বৈশিষ্ট্য : একজন মুখলিস রাক্বী নিজের ব্যক্তিগত জীবন, ইবাদতের পরিমাণ বা পরিবারের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় বা রুগীর সামনে প্রদর্শন করেন না।
— কারণ : যাদুকররা অনেক সময় রাক্বীকে ঘায়েল করতে না পেরে তার পরিবার বা সন্তানদের ওপর আক্রমণ করে। তাই তিনি নিজেকে আড়ালে রেখে কেবল আল্লাহর কালামকে সামনে রাখেন।

More Information 01714-064655

Call now to connect with business.

06/04/2026

📌 আমাদের সেবা সমূহ

🟢 ১. এপয়েন্টমেন্ট ও এসেসমেন্ট
প্রথমে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী রোগীকে প্রাথমিক মূল্যায়ন (Assessment) এর জন্য নিয়ে আসা হয়।

🟢 ২. লাইভ রুকইয়া সেশন
রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সরাসরি (Live) রুকইয়া সেশন পরিচালনা করা হয়।

🟢 ৩. হিজামা (প্রয়োজনে)
রোগীর শারীরিক ও মানসিক অবস্থার ভিত্তিতে হিজামা করানো হয় অথবা প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেওয়া হয়।

🟢 ৪. লাইফস্টাইল গাইডলাইন
সুস্থতা বজায় রাখতে রোগীর জন্য শরীয়াহসম্মত লাইফস্টাইল গাইডলাইন প্রদান করা হয়।

🟢 ৫. কাউন্সেলিং (প্রয়োজনে)
প্রয়োজন অনুযায়ী মানসিক ও আধ্যাত্মিক কাউন্সেলিং প্রদান করা হয়।


📞 যোগাযোগ করুন
📱 01714064655 (Call / WhatsApp)

06/04/2026

হিজামা কী? কেন করা উচিত? রুকইয়ার সাথে এর সম্পর্ক কী?হোমপেজ»রুকইয়াহ শারইয়াহ ব্লগ»পরিশিষ্ট»হিজামা কী? কেন করা উচিত? রুকইয়ার সাথে এর সম্পর্ক কী? #হিজামাঃঅনেকেই প্রশ্ন করেন হিজামা কি? রুকইয়াহ এর সাথে হিজামা র সম্পর্কে কি? আজকের লেখাটি তাদের জন্য।দীর্ঘদিন রুকইয়াহ্ করার পরেও প্রয়োজন অনুযায়ী হিজামা করার দরকার হয়ে থাকে। রুকইয়াহ ছাড়াও শারিরীক সুস্থতার জন্য হিজামা গ্রহণ করা যায়।রুকইয়াহ মূলত জ্বিন, যাদু, বদনজর, ওয়াসওয়াসা এসব সমস্যার জন্য ইসলাম সম্মত উপায়ে কুরাআন হাদিসের আয়াত, দুয়া পড়ে ঝাড়ফুক করার নাম।হিজামা মুলত মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতার জন্য নববী এক চিকিৎসার ব্যবস্থার নাম। আর জ্বীনযাদু/যাদুর/সিহরের চিকিৎসার জন্য রুকইয়াহ এর সাথে সাথে হিজামা ও খুব গুরত্বপূর্ণ কার্যকরী ভুমিকা রাখে। তাই রুকইয়াহ এর সাথে সাথে হিজামার সম্পর্কও খুবই গুরত্বপূর্ণ।বদনজরের সমস্যার ক্ষেত্রে যেমন রুকইয়াহ করতে হয় বদনজর নষ্টের। আবার যাদুর জন্যও রুকইয়াহ্ করতে হতে পারে। সেক্ষেত্রে শারিরিক মানসিক আরো অনেক ধরনের চেইঞ্জ আসে। লক্ষনগুলো চেক করে তবে তার জন্যও রুকইয়াহ করতে হবে।📖 #হিজামা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনাঃ📖📝1 #📌হিজামা কী?হিজামা অন্যতম একটি সুন্নাহ চিকিৎসা যা বিজ্ঞান সম্মত। যাতে মানুষের সকল প্রকার শারীরিক, মানসিক ও আধ্যাত্মিক সুস্থতা বিদ্যামান রয়েছে।ইউনানী ও আয়ুর্বেদ চিকিৎসারও অন্তর্ভুক্ত। যাকে বাংলায় শিঙ্গা এবং ইংরেজিতে Cupping Therapy ও বলা হয়। ইউনানীতে হাজামাৎ আর আয়ুর্বেদিকে রক্তমোক্ষণ নামে বেশ পরিচিত।📌হিজামার পদ্ধতি:এই চিকিৎসা ব্যবস্থা বহু প্রাচীণ। আগে বাঁশ কিংবা প্রাণীর শিং ব্যবহার করে এই চিকিৎসা করা হত। কিন্তু বর্তমানে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে সাধারণত গ্লাস কিংবা প্লাস্টিক কাপের সাহায্যে রক্ত বের করে ফেলে দেয়া হয়। এর দ্বারা ভেতরের দূষিত রক্ত দূর হয়ে যায়। যার ফলে মানুষ প্রশান্তি অনুভব করে।📌কেন হিজামা করাবেন?সুস্থ লোকেরাও হিজামা করাতে পারেন। এতে সুস্থতার সাথে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও বাড়ে। আপনার রোগ হলে যেমন ডাক্তারের কাছে যান। তারপর প্রয়োজন পড়লে অস্ত্রপোচারও করান। তেমনি আপনার শারিরীক রোগ যাদু/সিহরের সমস্যার জন্য হিজামা করাবেন। তাহলে ফায়দা স্বরূপ রোগ থেকে মুক্তি পাবেন এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর একটি সুন্নাতের উপরও আমল করা হবে ইনশাআল্লাহ।📌আচ্ছা প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞান কি হিজামাকে সমর্থন করে? প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থা কিংবা প্রচলিত চিকিৎসা বিজ্ঞান এটাকে বাতিল, অকার্যকর বা ক্ষতিকর বলে না, বরং সমর্থন করে। প্রচলিত চিকিৎসা ব্যবস্থার সহযোগী হিসেবে এই চিকিৎসা গ্রহণ করা যায়।সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য হচ্ছে এই যে, হিজামার ব্যপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হিজামাকে বলেছেন সর্বশ্রেষ্ঠ চিকিৎসা ব্যবস্থা।📝2 #📌 হিজামা সংক্রান্ত উল্লেখযোগ্য কয়েকটি হাদীস দেখেন নিতে পারেন। এছাড়াও আরও হাদিস রয়েছে।ক) হযরত জাবির রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, নিশ্চয় হিজামায় শেফা রয়েছে।” সহীহ মুসলিম, হাদীছ নম্বর: ২২০৫খ) হযরত আবদুল্লাহ্ বিন আব্বাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “হিজামাকারী কতইনা উত্তম লোক। সে দূষিত রক্ত বের করে মেরুদন্ড শক্ত করে ও দৃষ্টিশক্তি প্রখর করে।” সুনানে তিরমিযী, হাদীছ নম্বর: ২০৫৩গ) হযরত আবু হুরাইরা রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “জিবরীল আমাকে জানিয়েছেন যে, মানুষ চিকিৎসার জন্য যতসব উপায় অবলম্বন করে, তম্মধ্যে হিজামাই হল সর্বোত্তম।” আল-হাকিম, হাদীছ নম্বর: ৭৪৭০ঘ) হযরত আবদুল্লাহ বিন উমর রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, খালি পেটে হিজামাই সর্বোত্তম। এতে শেফা ও বরকত রয়েছে এবং এর মাধ্যমে বোধ ও স্মরণশক্তি বৃদ্ধি পায়।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৭ঙ) হযরত আনাস রাঃ থেকে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওযাসাল্লাম বলেছেন, কেউ হিজামা করতে চাইলে সে যেন আরবী মাসের ১৭, ১৯ কিংবা ২১ তম দিনকে নির্বাচিত করে। রক্তচাপের কারণে যেন তোমাদের কারো মৃত্যু না হয়, সেদিকে লক্ষ্য রাখবে।” সুনানে ইবনে মাজা, হাদীছ নম্বর: ৩৪৮৬চ) ইবনু আব্বাস (রাঃ) এর সূত্রে নবী (সাঃ) থেকে বর্নিত, “তিনি বলেন রোগমুক্তি তিন জিনিসের মধ্যে রয়েছে। হিজামা লাগানো, মধু পাণ করা এবং আগুন দিয়ে দাগ দেয়ার মধ্যে। তবে আমি আমার উম্মতকে আগুন দিয়ে দাগ দিতে নিষেধ করি”ছ) কালো যাদু বা কুফুরী বিনষ্ট করার উদ্দেশ্যেঃইবনুল কাইয়্যূম (রহঃ) মন্তব্য করেন, রাসুলুল্লাহ রাসুলুল্লাহ আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন যাদু দ্বারা পীড়িত হন তখন তিনি মাথায় সিঙ্গা লাগান এবং এটাই সবচেয়ে উত্তম ঔষধ যদি সঠিকভাবে করা হয়। (যাদ আল মাআদঃ ৪/১২৫-১২৬)📝3 #📌হিজামা কিভাবে কাজ করে?বদ-রক্ত, রোগের জন্য দায়ী জীবাণু প্লাজমা বা ফ্লুইডের সাথে বের করে নিয়ে আসা হয়। যা শরীর থেকে রোগের জন্য দায়ী জীবাণু সরিয়ে ফেলে। এর মাধ্যমে বর্তমানে সংক্রামক সকল রোগের চিকিৎসা করা হচ্ছে। এছাড়া অসংক্রামক অনেক রোগও ভালো হয় নিয়মিত হিজামা করালে। এটি শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করে, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে ও রক্ত পরিষ্কার রাখে, শরীর থেকে টক্সিন বা বিষাক্ত জৈব-রাসায়নিক বর্জ্য নিষ্কাশন করে।হিজামা একটি চিকিৎসা যাতে অন্যান্য মেডিক্যাল ড্রাগসের মত কোন সাইড ইফেক্ট নেই। কেবল নিরাময় আছে (সুবহানাল্লাহ)। রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর নিজের জন্য এ চিকিৎসাটি করিয়েছিলেন।📝4 #📌হিজামাতে যে সকল সমস্যায় উপকার হয়:(১) রক্তদূষণ, উচ্চরক্তচাপ, (২) ঘুমের ব্যাঘাত, স্মৃতিভ্রষ্টতা, মানসিক সমস্যা, (৩) মাইগ্রেন জনিত দীর্ঘমেয়াদী মাথা ব্যাথা, অস্থি সন্ধির ব্যাথা, পিঠে ব্যাথা, হাঁটু ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী সাধারণ মাথা ব্যাথা, ঘাড়ে ব্যাথা, কোমর ব্যাথা, পায়ে ব্যাথা, মাংসপেশীর ব্যাথা, দীর্ঘমেয়াদী পেট ব্যথা, হাড়ের স্থানচ্যুতি জনিত ব্যাথা।(৪) সাইনুসাইটিস (৫) ব্রণ (৬) কোলেস্টেরল (৭) হাঁপানি (৮) গ্যাস্ট্রিক পেইন, গ্যাস্ট্রিক আলসার (৯) বিষক্রিয়া (১০) দীর্ঘমেয়াদী চর্মরোগ (১১) ত্বকের নিম্নস্থিত বর্জ্য নিষ্কাশন (১২) ফোঁড়া-পাঁচড়া (১৩) চুল পড়া (১৪) স্পোর্টস ইঞ্জুরি (১৫) হরমোনাল সমস্যা (১৬) ইরেক্টিল ডিসফাংশন [ই.ডি], (১৭) মাদকাসক্ত এবং আরও অনেক সমস্যার জন্য হিজামা কার্যকরী ইনশাআল্লাহ।📝 #5📌 শিঙা নিয়ে সতর্কতাঃআমাদের দেশে পূর্ব থেকে এই শিঙা লাগানোর একটা প্রথা প্রচলিত আছে, যা কিনা বেদে সম্প্রদায়ের মানুষজন করে থাকে, বিশেষ করে বেদে মহিলারা। এরা শিঙা লাগানোর কথা বলে বাড়ি বাড়ি মহল্লায় ডাকাডাকি করে বেরায়। শিঙা লাগানোর পাশাপাশি কৌশলে পরিবারের সার্বিক অবস্থা জেনে নানারকম কথার চাতুরতায় আপনাকে ধোকাবাজি করে:- নগদ অর্থ, স্বর্ণ অলংকার এবং ঘরের চাল, ডাল,তেল, ফ্রিজে থাকা সংরক্ষিত মাছ গোস্তও এমনি কাপড় চোপড়ও হাতিয়ে নিতে বেশ পটু। এরা শিঙা লাগানোর সময়ে ও আগে-পরে কিছু বাক্য উচ্চারণ/মন্ত্র পড়ে থাকে। অর্থাৎ যাদুর মন্ত্র পড়ে শয়তানের সাহায্য নিয়ে সে রোগিকে সাময়িকভাবে উপকার করে। সুতরাং এদের কাছে না যাওয়া, তাদের কাছ থেকে শিঙা না লাগানো জন্য সর্বোচ্চ সতর্ক থাকা তথা ঈমান হেফাজত করা।📝 #6📌 হিজামার খরচ সম্পর্কিত ধারণাঃএবার আসি হিজামা করাতে কোথায় কেমন খরচ হয় এবং এই খরচগুলি হওয়ার কারণ কি?হিজামার খরচ টা নির্ভর করে মূলত স্থান-কাল, পরিবেশ-পরিস্থিতি এবং হিজামা কারানে ওয়ালার যোগ্যতা, অভিজ্ঞতা ও দক্ষতার উপর নির্ভর করে।📝7 #হিজামা খরচ সম্পর্কে হাদিস এবং হিজামার বিনিময় নেয়াটা জায়েজ কিনা?📌 আনাস বিন মালিক (রাঃ) এর নিকট হিজামা বৃত্তির উপার্জন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) নিজ শরীরে হিজামা লাগিয়েছেন, আবু তায়বা তাকে হিজামা করিয়েছেন। তাকে ২সা পরিমাণ (প্রায় ৫কেজি) খাদ্যবস্তু দেয়ার নির্দেশ দেন এবং তার মালিকের সাথে আলোচনা করেন, এতে তার উপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে দেয়। এবং তিনি আরো বলেন তোমরা যেসব পদ্ধতিতে চিকিৎসা করাও হিজামা হচ্ছে সেই সব এর চেয়ে উত্তম ব্যবস্থা।[সহী মুসলিম, হা/৩৯৩০ (হাদীস একাডেমী) সহীহুল বুখারী, হা/২১০২ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স)]📌 আমর বিন মালিক (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, আমি আনাস (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, “নবী করিম (সাঃ) হিজামা লাগাতেন এবং কোন লোকের পারিশ্রমিক কম দিতেন না”।[সহীহুল বুখারী, হা/২২৮০ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স) সহী মুসলিম, হা/১৫৭৭, মাসনাদে আহমাদ, হা/১২২০৭]📌 ইবনে আব্বাস রা. হতে বর্ণিত, তিনি বলেন নবীজী সা. হিজামা করালেন এবং যে তাকে হিজামা করেছে তাকে তিনি মজুরী দিয়েছিলেন। যদি তিনি তা অপছন্দ করতেন তবে তাকে পারিশ্রমিক দিতেন না।[সহীহুল বুখারী, হা/২১০৩, ২২৭৯ (তাওহীদ পাবলিকেশন্স)]অতএব, হিজামা করিয়ে পারিশ্রমিক নেয়ার অবৈধতা সংক্রান্ত বিধান পরবর্তিতে রাসূলুল্লাহ সা.-এর আমল ও নির্দেশ দ্বারা বাতিল/মানসুখ হয়ে গেছে।🔖আশা করি, এই লেখাটি হিজামা নিয়ে প্রশ্নকারীদের উত্তর হিসেবে যথেষ্ট হবে।পরামর্শগুলো ফলো করতে পারেন আর হিজামা করানোর জন্য নিজ দায়িত্বে জেনে বুঝে যথেষ্ট অভিজ্ঞতা সম্পন্ন ডাক্তার/হাজ্বম (যিনি হিজামা করায়)/থেরাপিস্ট/স্পেশালিস্ট/এক্সপার্ট এর নিকট হিজামা গ্রহণ করতে পারেন, এতে দুনিয়া ও আখিরাতের জন্য কল্যানকর হবে ইনশাআল্লাহ। আর এটাও স্বরণ রাখা জরুরী যে, হারিয়ে যাওয়া গুরত্বপূর্ণ একটি সুন্নাহ কে পুনর্জাগরণ আপনিও একজন অংশীদার।আল্লাহ তায়ালা আমাদের বুঝার তাওফিক দিন। সবাইকে সুস্থ ও নিরাপত্তার জীবন দান করুন। আমিন।

Call For Appointment 01714064655

29/03/2026

ইবনুল কাইয়্যিম রাহিমাহুল্লাহ তার তিব্বুন নাবাউই বইতে যাদুর চিকিৎসা দুই শ্রেণীতে ভাগ করেছেন। একটি হলো, যাদু কে মূল থেকে তুলে ফেলে যাদুকে নষ্ট করা। দ্বিতীয় পদ্ধতি হলো, যেই অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে যাদু প্রভাব বিস্তার করেছে তা পরিষ্কার করা। অর্থাৎ যেই স্থানটি যাদু প্রভাবিত করেছে।

যখন কোনো অঙ্গ যাদুর মাধ্যমে আক্রান্ত হয় তখন ঐ অঙ্গ পরিষ্কার করে দূষিত উপাদান বের করে নিয়ে আসা আবশ্যক। এই চিকিৎসার মাধ্যমে অকল্পনীয় উপকারীতা পাওয়া যায়।

ইমাম আবু উবাইদা আল-কাসিম রহ. নিজ গ্রন্থ গারিবুল হাদিস-এ আবদুর রহমান ইবনু আবু ইয়ালা রহ.-এর বর্ণনাসূত্রে একটি হাদিস বর্ণনা সংকলন করেছেন। হাদিসটি হলো,

أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ احْتَجَمَ عَلَى رَأْسِهِ بِقَرْنٍ حِينَ طُبَّ.

"যখন রাসুল ﷺ কে যাদু করা হয়েছে তখন তিনি নিজের মাথায় হিজামা ব্যবহার করেছেন।

ইমাম আবু উবাইদাহ আল-কাসিম রহ. হাদিসে উল্লেখিত «طب» শব্দের অর্থ করেছেন, "سُحِرَ« শব্দের মাধ্যমে। যার অর্থ হলো, যাদু করা হয়েছে।

এক শ্রেণির গবেষকদের মতামত হলো, রাসুল ﷺ যখন যাদুগ্রস্ত হলেন তখন এর প্রতিক্রিয়া হিসাবে দেখা গেল, তিনি ধারনা করছেন একটি কাজ করেছেন, অথচ তিনি তা করেননি। রাসুল ﷺ ভেবেছেন, হয়ত এই অবস্থার সৃষ্টি, মূলত রক্তের উপাদান বা এ ধরনের কোনো সমস্যার কারণে হয়েছে। যা দেমাগ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এর ফলে তার মেযাজের স্বাভাবিক অবস্থায় পরিবর্তন দেখা দিয়েছে। তাই চিকিৎসা হিসাবে এই সময় হিজামার ব্যবহারই সর্বোত্তম ছিল। তাই তিনি হিজামা লাগিয়েছেন।

আবু ইবরাহীম হুসনাইন তার Diaries of an exorcist এ লিখেছেন,

যেকোনো অসুস্থতার জন্যই আপনি কাপিং করতে পারেন। ক্যান্সারের জন্য কাপিং করতে পারেন। জ্বীনের সমস্যার জন্যও কাপিং করতে পারেন। কেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

'নিশ্চয়ই শয়তান আদম সন্তানের শিরা-উপশিরায় রক্তের মত চলাচল করে।' (বুখারী)

আর কাপিং এর মাধ্যমে দেহের দূষিত রক্ত অপসারণ করা হয়। তাই কাপিং করার সময় দেহের কিছু অংশ কেটে রক্ত টেনে বের করা হয়। এতে শয়তান চলাচলের ক্ষেত্র সংকুচিত হয়ে আসে। অনেক সময় রক্তের সাথে শয়তান রোগীর দেহত্যাগ করতে বাধ্য হয়। উদাহরণস্বরূপ- হয়তো কোনো রোগীর পিঠে জ্বীন অবস্থান করছে। তখন যদি আপনি পিঠে কাপিং করেন এবং সেই রক্ত টেনে বের করে আনেন, তখন শয়তান ঐ রোগীর দেহত্যাগ করতে বাধ্য হয়।

কাপিং এর মাধ্যমে যাদুর চিকিৎসাও করা যায়। আপনি কোনো রোগে আক্রান্ত হন কিংবা নাই হন, সকলের জন্যই কাপিং অনেক উপকারী। সর্বোপরি, এটি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম-এর সুন্নাহ। তাই আমি সকল মুসলিম ভাই-বোনদের বলছি, জীবনে অন্তত একবার হলেও কাপিং করান। এর অনেক স্বাস্থ্যগত উপকারিতা আছে।
Call For Appointment 01714064655

23/03/2026

যে চিকিৎসার কথা ফেরেশতারা বলেছেন!.রাসূলুল্লাহ ﷺ মিরাজের রাতে ফেরেশতাদের সামনে দিয়ে গেলে ফেরেশতারা একটি চিকিৎসার কথা বলেন। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যেন তাঁর উম্মতকে এই চিকিৎসা করার নির্দেশ দেন।.এটা এমন এক চিকিৎসা, যে ব্যাপারে বেশিরভাগ মানুষই জানে না। বেশিরভাগ মুসলিম জীবনে এই চিকিৎসা নেয়নি। অনেকেই তো মনে করে এই চিকিৎসা এই যুগে প্রয়োজন না।.সেই চিকিৎসা হলো হিজামা।.রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এই চিকিৎসা গ্রহণ করেন, সাহাবীরা এই চিকিৎসা নেন, আলেমগণ এই চিকিৎসা গ্রহণ করেন।.রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “তোমাদের সর্বোত্তম চিকিৎসা-মাধ্যম হলো হিজামা।”.অথচ এটা নিয়ে আমরা কিছুই জানি না! কীভাবে এই চিকিৎসা করতে হয়, এই চিকিৎসার ফযিলত কী, এই চিকিৎসা করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়, কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা খুবই কার্যকর এগুলো অনেকেই জানেন না।.হিজামা একটি সম্পুর্ণ সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। হিজামায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। আসুন আমরা সবাই হিজামা নিয়ে সুস্থ থাকি। সেরা চিকিৎসা নিতে এপয়েন্টমেন্ট নিন আজই: 01714064655

07/03/2026

Hijama Cupping Therapy

22/02/2026

যে চিকিৎসার কথা ফেরেশতারা বলেছেন!.রাসূলুল্লাহ ﷺ মিরাজের রাতে ফেরেশতাদের সামনে দিয়ে গেলে ফেরেশতারা একটি চিকিৎসার কথা বলেন। তারা বলেন, রাসূলুল্লাহ ﷺ যেন তাঁর উম্মতকে এই চিকিৎসা করার নির্দেশ দেন।.এটা এমন এক চিকিৎসা, যে ব্যাপারে বেশিরভাগ মানুষই জানে না। বেশিরভাগ মুসলিম জীবনে এই চিকিৎসা নেয়নি। অনেকেই তো মনে করে এই চিকিৎসা এই যুগে প্রয়োজন না।.সেই চিকিৎসা হলো হিজামা।.রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে এই চিকিৎসা গ্রহণ করেন, সাহাবীরা এই চিকিৎসা নেন, আলেমগণ এই চিকিৎসা গ্রহণ করেন।.রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, “তোমাদের সর্বোত্তম চিকিৎসা-মাধ্যম হলো হিজামা।”.অথচ এটা নিয়ে আমরা কিছুই জানি না! কীভাবে এই চিকিৎসা করতে হয়, এই চিকিৎসার ফযিলত কী, এই চিকিৎসা করলে কী কী উপকার পাওয়া যায়, কোন কোন রোগের ক্ষেত্রে এই চিকিৎসা খুবই কার্যকর এগুলো অনেকেই জানেন না।.হিজামা একটি সম্পুর্ণ সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। হিজামায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। আসুন আমরা সবাই হিজামা নিয়ে সুস্থ থাকি। সেরা চিকিৎসা নিতে এপয়েন্টমেন্ট নিন আজই: 01714-064655

13/02/2026

হিজামা একটি সম্পুর্ণ সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। হিজামায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। আসুন আমরা সবাই হিজামা নিয়ে সুস্থ থাকি।
সেরা চিকিৎসা নিতে এপয়েন্টমেন্ট নিন আজই: +88 017 140 646 55
হিজামা কি কি রোগের কাজ করে?
১, উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure) ২, কিডনির সমস্যা(Kidney Disease)
৩, লিভারের সমস্যা ৪, ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)
৫, যে কোন রকমের চর্মরোগ (Chronic Skin Diseases) ৬, আরথ্রাইটিস ৭,জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ৮,বাতের ব্যথা (Arthritis) ৯, পায়ের তালুর ব্যথা
১০, রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ১১,হাঁটু ব্যথা (Knee Pain ১২, ঘাড়ে ব্যথা (Neck Pain) ১৩,কোমড় ব্যথা (Waist Pain) ১৪,ব্যথায় পায়ের পাতা ফেলতে সমস্যা ১৫,মাংসপেশীর ব্যথা (muscles spasm) ১৬,প্যারালাইসিস বা কোন অংগ অবশ হয়ে যাওয়া(Paralysis) ১৭, ডায়াবেটিস (Diabetes) ১৮, চুল পড়া (Hair fall) ১৯,মোটা সমস্যা (obesity) ২০, হরমোনাল সমস্যা ২১,মাইগ্রেনের ব্যথা (Migraine) ২২, স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease) ২৩, মনোযোগ বৃদ্ধি ২৪, দীর্ঘকালীন মাথা ব্যথা (Headache) ২৫, থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ২৬, সাইনুসাইটিস (Sinuses problem) ২৭, এজমা/ হাপানি (Asthma) ২৮,রক্তসংবহন তন্ত্রের ইনফেকশন(Blood circulation system) ২৯, গ্যাস্ট্রিক / আলসারের সমস্যা (Gastric/Ulcer) ৩০, ব্রণ (Acne)
৩১, শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন, খোস/পাচড়া (Remove toxin from body) ৩২, পিঠে বা সারা শরীরের যে কোন রকমের ব্যথা ৩৩,হাড় ক্ষয় বা সরে যাওয়ার ফলে ব্যথা
৩৪, মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক কিংবা মেয়েদের অন্যান্য সমস্যা ৩৫, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে প্রচলিত রোগ দূরীকরণে সাহায্য করা ৩৬, রক্তজমাট বাঁধা (Varicose Vein) ৩৭,দূষিত রক্ত পরিষ্কারকরণ ৩৮, সার্জারির পরবর্তী ব্যথা ৩৯,চিকুনগুনিয়ার ব্যথা
৪০, মানসিক সমস্যা (Psychological disorder) সহ ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যায় হিজামা করুন। এছাড়াও সুন্নাহ হিজামা যা সুস্থ থাকা অবস্থাতেও করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা (Develop Immune Power) । এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত অসাধারণ ইসলামিক চিকিৎসা।

রাসূল (সা.) বলেন, আল্লাহ্‌ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি। (বুখারি হা/৫৬৭৮)
অন্য হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, নিশ্চয় হিজামা/কাপিং এর মধ্যে রয়েছে নিরাময়।
(সহীহুল বুখারি, হা/৫৬৯৭ তা.পা.)

আলহামদুলিল্লাহ্‌। মানুষ হিজামার মাধ্যমে উপকার পাচ্ছে। এ পর্যন্ত আমরা যতজন রোগিকে হিজামা করিয়েছি ২-৪ জন বাদে প্রায় ৯৫% মানুষই হিজামা করে পজিটিভ রিভিউ দিয়েছেন। এখন মানুষ মেডিসিন খেতে খেতে তেমন ফল পাচ্ছে না। দিন দিন অসুস্থ রোগির সংখ্যা বেড়েই চলছে। ইদানীং ডাক্তার ও গবেষকরা জানাচ্ছেন যে মানুষের শরীরে এখন আর এন্ট্রিবায়োটিক কাজ করছে না। সেদিন এক নিউজে দেখলাম একজন রোগিকে ২৯ টা এন্ট্রিবায়োটিক ঔষধ দেওয়া হয়েছিল এর মধ্যে ২৮ টা উনার শরীরে কাজ করছে না । মেডিসিন জগতের অবস্থা আপনাদের চোখের সামনেই। তাই আসুন সাইড এফেক্টমুক্ত রাসূল (সা.)এর রেখে যাওয়া সুন্নতি এই চিকিৎসা হিজামা/কাপিং গ্রহণ করি এবং অন্যদের জানাতে সাহায্য করি।

#হিজামা



#হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।
এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।
আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)।
হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করা হয়।
এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
হিজামা বা Wet Cupping অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে আরব বিশ্বে জনপ্রিয়। এ হিজামা থেরাপী ৩০০০ বৎসরেরও পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে উৎপত্তি হ’লেও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু পূর্বে থেকেই এটি প্রচলিত ছিল। ১৮ শতক থেকে ইউরোপেও এর প্রচলন রয়েছে।
হিজামা বা Cupping Therapy এখন বিশ্বের জনপ্রিয় চিকিতৎসা গুলোর মধ্যে একটি। এটিতে কোন ধরনের ঔষধের প্রয়োজন হয় না।
আনাস_রাঃ_থেকে_বর্ণিত #রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন-
#আমি_মিরাজের_রাতে_ফিরিস্তাদের_মাযখান_দিয়ে_গিয়েছি_তাদের_সবাই_বলেছেন_আপনার_উম্মতকে_হিজামার_আদেশ_দিবেন।
সুনান তিরমিযী হ/২০৫৩.

Contact us :
●+8801714064655

#শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিতে পারেন...
can with others...

10/02/2026

হিজামা একটি সম্পুর্ণ সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। হিজামায় কোন পার্শপ্রতিক্রিয়া নেই। আসুন আমরা সবাই হিজামা নিয়ে সুস্থ থাকি।
সেরা চিকিৎসা নিতে এপয়েন্টমেন্ট নিন আজই: +88 017 140 646 55
হিজামা কি কি রোগের কাজ করে?
১, উচ্চরক্তচাপ (High Blood Pressure) ২, কিডনির সমস্যা(Kidney Disease)
৩, লিভারের সমস্যা ৪, ঘুম জনিত সমস্যা (insomnia)
৫, যে কোন রকমের চর্মরোগ (Chronic Skin Diseases) ৬, আরথ্রাইটিস ৭,জয়েন্টের ব্যথা (Gout Pain) ৮,বাতের ব্যথা (Arthritis) ৯, পায়ের তালুর ব্যথা
১০, রক্ত জমাট বাধা বা অবস ভাব ১১,হাঁটু ব্যথা (Knee Pain ১২, ঘাড়ে ব্যথা (Neck Pain) ১৩,কোমড় ব্যথা (Waist Pain) ১৪,ব্যথায় পায়ের পাতা ফেলতে সমস্যা ১৫,মাংসপেশীর ব্যথা (muscles spasm) ১৬,প্যারালাইসিস বা কোন অংগ অবশ হয়ে যাওয়া(Paralysis) ১৭, ডায়াবেটিস (Diabetes) ১৮, চুল পড়া (Hair fall) ১৯,মোটা সমস্যা (obesity) ২০, হরমোনাল সমস্যা ২১,মাইগ্রেনের ব্যথা (Migraine) ২২, স্মৃতিহীনতা (Parkinson's disease) ২৩, মনোযোগ বৃদ্ধি ২৪, দীর্ঘকালীন মাথা ব্যথা (Headache) ২৫, থাইরয়েডের সমস্যা (Thyroid Problem) ২৬, সাইনুসাইটিস (Sinuses problem) ২৭, এজমা/ হাপানি (Asthma) ২৮,রক্তসংবহন তন্ত্রের ইনফেকশন(Blood circulation system) ২৯, গ্যাস্ট্রিক / আলসারের সমস্যা (Gastric/Ulcer) ৩০, ব্রণ (Acne)
৩১, শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন, খোস/পাচড়া (Remove toxin from body) ৩২, পিঠে বা সারা শরীরের যে কোন রকমের ব্যথা ৩৩,হাড় ক্ষয় বা সরে যাওয়ার ফলে ব্যথা
৩৪, মেয়েদের অনিয়মিত মাসিক কিংবা মেয়েদের অন্যান্য সমস্যা ৩৫, রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি করে প্রচলিত রোগ দূরীকরণে সাহায্য করা ৩৬, রক্তজমাট বাঁধা (Varicose Vein) ৩৭,দূষিত রক্ত পরিষ্কারকরণ ৩৮, সার্জারির পরবর্তী ব্যথা ৩৯,চিকুনগুনিয়ার ব্যথা
৪০, মানসিক সমস্যা (Psychological disorder) সহ ইত্যাদি বিভিন্ন সমস্যায় হিজামা করুন। এছাড়াও সুন্নাহ হিজামা যা সুস্থ থাকা অবস্থাতেও করে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা (Develop Immune Power) । এটি একটি বিজ্ঞানসম্মত অসাধারণ ইসলামিক চিকিৎসা।

রাসূল (সা.) বলেন, আল্লাহ্‌ এমন কোন রোগ পাঠাননি যার আরোগ্যের ব্যবস্থা দেননি। (বুখারি হা/৫৬৭৮)
অন্য হাদিসে রাসূল (সা.) বলেন, নিশ্চয় হিজামা/কাপিং এর মধ্যে রয়েছে নিরাময়।
(সহীহুল বুখারি, হা/৫৬৯৭ তা.পা.)

আলহামদুলিল্লাহ্‌। মানুষ হিজামার মাধ্যমে উপকার পাচ্ছে। এ পর্যন্ত আমরা যতজন রোগিকে হিজামা করিয়েছি ২-৪ জন বাদে প্রায় ৯৫% মানুষই হিজামা করে পজিটিভ রিভিউ দিয়েছেন। এখন মানুষ মেডিসিন খেতে খেতে তেমন ফল পাচ্ছে না। দিন দিন অসুস্থ রোগির সংখ্যা বেড়েই চলছে। ইদানীং ডাক্তার ও গবেষকরা জানাচ্ছেন যে মানুষের শরীরে এখন আর এন্ট্রিবায়োটিক কাজ করছে না। সেদিন এক নিউজে দেখলাম একজন রোগিকে ২৯ টা এন্ট্রিবায়োটিক ঔষধ দেওয়া হয়েছিল এর মধ্যে ২৮ টা উনার শরীরে কাজ করছে না । মেডিসিন জগতের অবস্থা আপনাদের চোখের সামনেই। তাই আসুন সাইড এফেক্টমুক্ত রাসূল (সা.)এর রেখে যাওয়া সুন্নতি এই চিকিৎসা হিজামা/কাপিং গ্রহণ করি এবং অন্যদের জানাতে সাহায্য করি।

#হিজামা



#হিজামা (حِجَامَة ) একটি নববী চিকিৎসা ব্যবস্থা।
এটি আরবী শব্দ ‘আল-হাজম’ থেকে এসেছে। যার অর্থ চোষা বা টেনে নেওয়া।
আধুনিক পরিভাষায় Cupping (কাপিং)।
হিজামার মাধ্যমে দূষিত রক্ত (Toxin) বের করা হয়।
এতে শরীরের মাংসপেশী সমূহের রক্ত প্রবাহ দ্রুততর হয়। পেশী, চামড়া, ত্বক ও শরীরের ভিতরের অরগান সমূহের কার্যকারিতা বৃদ্ধি পায়। ফলে শরীর সতেজ ও শক্তিশালী হয়।
হিজামা বা Wet Cupping অতি প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে আরব বিশ্বে জনপ্রিয়। এ হিজামা থেরাপী ৩০০০ বৎসরেরও পুরাতন চিকিৎসা পদ্ধতি। মধ্যপ্রাচ্য থেকে উৎপত্তি হ’লেও চিকিৎসা পদ্ধতি হিসাবে চীন, ভারত ও আমেরিকায় বহু পূর্বে থেকেই এটি প্রচলিত ছিল। ১৮ শতক থেকে ইউরোপেও এর প্রচলন রয়েছে।
হিজামা বা Cupping Therapy এখন বিশ্বের জনপ্রিয় চিকিতৎসা গুলোর মধ্যে একটি। এটিতে কোন ধরনের ঔষধের প্রয়োজন হয় না।
আনাস_রাঃ_থেকে_বর্ণিত #রাসূলুল্লাহ (স:) বলেছেন-
#আমি_মিরাজের_রাতে_ফিরিস্তাদের_মাযখান_দিয়ে_গিয়েছি_তাদের_সবাই_বলেছেন_আপনার_উম্মতকে_হিজামার_আদেশ_দিবেন।
সুনান তিরমিযী হ/২০৫৩.

Contact us :
●+8801714064655

#শেয়ার করে অন্যকে জানিয়ে দিতে পারেন...
can with others...

21/12/2025

Combining Ruqyah (Islamic spiritual healing) and Hijama (wet cupping) offers a holistic approach to wellness, addressing both spiritual afflictions and physical ailments. Ruqyah provides spiritual fortification, while Hijama physically detoxifies the body.

Call For Appointment 01714064655

Address

Beanibazar
Sylhet
3170-75

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Rahman Cupping Therapy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Rahman Cupping Therapy:

Share