Ruku Medical Hall - রুকু মেডিকেল হল

Ruku Medical Hall - রুকু মেডিকেল হল pharmacy doctor mainor surgery

11/04/2024
21/11/2023

বাতজ্বর বা রিউম্যাটিক ফিভার শব্দটি আমাদের সমাজে বহুল প্রচলিত হলেও এটি নিয়ে সাধারনের মানুষের মাঝে রয়েছে দারুণ ভুল ধারনা।আবার এই বাতজ্বরকে কেন্দ্র করে গ্রামাঞ্চলে কোয়াকদের রয়েছে অপ্রয়োজনীয় এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের হিড়িক।
চেম্বারে প্রায় রোগী পাই যাদের A*O titre নামে একটা পরীক্ষার লেবেল বেশি দেখে তাদেরকে বাতজ্বরের রোগী হিসেবে সনাক্ত করে চিকিৎসা দেয়া হয়। রোগীরাও নিজেকে বাতজ্বরের রোগী মনে করে মানসিক দুশ্চিন্তায় ভোগেন। অথচ এর A*O titre বাতজ্বর ডায়াগনোসিসে তেমন কাজের কিছু না।

বাতজ্বর আসলে কি, কেন হয়?

সাধারণত মনে করা হয় গিরায় গিরায় কিংবা হাড়ে হাড়ে ব্যথা হলে সেটা বাতজ্বরের লক্ষণ। যদিও এটা সবসময় সঠিক নয়।
মানবদেহ একটি বিশেষ ব্যাকটেরিয়া (group A Streptococcus) দ্বারা আক্রান্ত হলে,এটি দিয়ে মানুষের গলায় ইনফেকশন (pharyngitis) হয়।

তখন দেহ রোগ প্রতিরোধ করতে গিয়ে এই দুষ্ট ব্যাকটেরিয়ার বিপক্ষে এন্টিবডি তৈরি করে।এন্টিবডি হচ্ছে রোগের বিরুদ্ধে মানবদেহের তৈরি একটি শক্তিশালী অস্ত্র।

সমস্যা হলো streptococcus জীবানুর প্রোটিনের সঙ্গে হার্টভাল্ব ও গিরার ভিতরে থাকা পাতলা পর্দার প্রোটিনের প্রচুর মিল রয়েছে। ফলে জীবানুর বিরুদ্ধে তৈরি হওয়া এন্টিবডি জীবানুর বিরুদ্ধে কাজ করার পাশাপাশি অনেকটা আত্মঘাতীভাবে নিজের শরীরের হার্টভাল্ব ও গিরার পর্দার প্রোটিনের বিরুদ্ধে কাজ করা শুরু করে। অনেকটা রাতের অন্ধকারে চোর মনে করে নিরীহ গ্রামবাসীকে পিটানোর মতো।নিজের এন্টিবডিই নিজের হার্ট ও গিরায় আক্রমণ করে,এগুলোর ক্ষতি শুরু করে।ফলে শুরু বাতজ্বরের নামের এক জটিল রোগ।

বাতজ্বর কাদের হয়?

অস্বাস্থ্যকর ঘনবসতিপূর্ণ পরিবেশে বসবাসরত শিশুরা এই ব্যাকটেরিয়া দিয়ে আক্রান্ত হয়ে থাকে।সাধারণত ৫ থেকে ১৫ বছর বয়সী বাচ্চাদের বাতজ্বর হয়ে থাকে। তবে এর পরেও হতে পারে। আমাদের দেশে এক লাখ শিশুর মধ্যে ১০০ জন বাতজ্বরে আক্রান্ত হয়। উন্নত দেশগুলোতে বাতজ্বরের প্রকোপ অনেক কম।অর্থনৈতিক উন্নতি আর চিকিৎসা পদ্ধতির আধুনিকতার সাথে সাথে আমাদের দেশেও এই রোগের হার ক্রমশ কমছে।

বাতজ্বরের লক্ষণ কি?

বাতজ্বরের প্রথম ধাক্কাটা শুরু হয় গলা ব্যথা দিয়ে। প্রথমে কিছুদিন গলা ব্যথা, হালকা কাশি, জ্বর। তারপর ২ থেকে ৩ সপ্তাহ বিরতি।এরপর শুরু হয় গিরায় গিরায় ব্যথা। প্রথমে একটি বড় গিরা (হাঁটু,কনুই,কব্জি,গোড়ালির গিরা ইত্যাদি ) ব্যথা হয়ে ফুলে যাওয়া, কয়েক দিনের মধ্যে সেটি ভাল

30/03/2023

বাতজ্বর ও প্রাথমিক চিকিৎসা

বাতজ্বর ও প্রাথমিক চিকিৎসা

বাতজ্বরের ডায়াগনোসিস রোগীর মূখ্য ও গৌণ লক্ষনের মাধ্যমে করা যায়। এর মধ্যে যদি মূখ্য লক্ষণ ২টি ও গৌণ লক্ষন ১টি কিংবা গৌণ লক্ষণ ২টি ও মূখ্য লক্ষণ ১টি পাওয়া যায় তাহলে বাতজ্বরের ডায়াগনসিস নিশ্চিত করা সম্ভব হয় । সাথে অবশ্যই বিটা হিমোলাইটিক স্ট্রেপটোকক্কাসের প্রদাহজনিত গলাব্যথার ইতিহাস থাকতে হবে । মুখ্য লক্ষণ রয়েছে ৫টি । যেমনঃ

হৃৎপিণ্ডের প্রদাহ, যা হলে রোগীর জ্বর, বুকে ব্যথা, বুক ধড়ফর করা, নাড়ীর গতি বেড়ে যাওয়া, শ্বাসকষ্ট ইত্যাদি সমস্যা হয় ।

গিরায় ব্যথা, যা হলে মূলত বড় গিরায় যেমন হাঁটু, গোড়ালি, হাতের কবজি, কনুই ও কোমরে ব্যথা হয়, ফুলে যায় ও লালচে বর্ণ ধারণ করে। প্রথমে যেকোনো একটি গিরায় ব্যথা ও ফোলা থাকে, তার সেই গিরার ব্যথা ও ফোলা ২-৩ দিন পর কমে গিয়ে আরেকটি গিরাকে আক্রান্ত করে। এভাবে প্রদাহ এক গিরা থেকে অন্য গিরায় ছড়িয়ে পড়ে ।

ইরিথেমা মারজিনেটাম অর্থাৎ বুকে ও পিঠের বিভিন্ন অংশ বিভিন্ন আকৃতির লাল বর্ণের চাকা দেখা দেয়া, যেগুলোতে কোনো ব্যথাও হয় না, আবার চুলকায়ও না, তবে একটু ফুলে ওঠতে পারে এবং নিজে নিজেই ধীরে ধীরে ভালো হয়ে যায় ।

সিডেনহ্যাম কোরিয়া, যা মস্তিষ্কের এক ধরনের সমস্যা। এর ফলে রোগীর মেজাজ খুব খিটখিটে হয়। হাত-পা বা শরীরের কোনো অংশ নিয়ন্ত্রণহীনভাবে অযথা কাঁপতে থাকে।

চামড়ার নিচে ছোট দানা, যেগুলো সিমের বীচির মতো আকৃতির, শক্ত ও ব্যথাযুক্ত। এগুলো সাধারণত কনুই, ঘাড়, কবজি বা পায়ের সামনের দিকে দেখা যায় ।



বাতজ্বরের চিকিৎসা নিন



বাতজ্বরের আক্রমণের সংখ্যা যত বাড়বে, বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হওয়ার আশঙ্কা তত বেশি হবে। তাই এব্যাপারে কোন অবহেলা করা যাবেনা। বাতজ্বরের চিকিৎসা সহজ ও সস্তা। কিন্তু এ চিকিৎসা ব্যবস্থা দীর্ঘমেয়াদি। মোট পাঁচ বছর অথবা ২২ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে। এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হবে, সেটিই প্রযোজ্য হবে। যেমন যার বয়স ১০ তাকে নিতে হবে বার বছর, আর যার বয়স ২০, তাকে নিতে হবে পাচ বছর। যাদের হৃদযন্ত্র আক্রান্ত হয়েছে, তাদের কমপক্ষে ১০ বছর অথবা ৩০ বছর বয়স হওয়া পর্যন্ত নিতে হবে (এর মধ্যে যেটি দীর্ঘতর হয়)। অন্যদিকে যাদের বাতজ্বরজনিত হৃদরোগ হয়েছে, এমনকি যারা ভাল্বের অস্ত্রোপচার করেছে, তাদের আজীবন নিতে হবে।



বাত জ্বর নিয়ে কিছু কথা জেনে রাখা জরুরী:

গিরাব্যথা ও জ্বর হলেই বাতজ্বর নয়ঃ গিরা ফোলা বা ব্যথাসহ জ্বর আরও বেশ কি

30/03/2023

শ্বাস কষ্ট, হাঁপানি বা এ্যাজমায় প্রাথমিক চিকিৎসা

পাঠ - ১

এই শীতে শ্বাসকষ্ট একটি যন্ত্রণাদায়ক উপসর্গ এবং একটি শারীরিক সমস্যা। শ্বাসকষ্ট মানেই রোগ নয়, একটি রোগের লক্ষণ। একটু দৌড়ায়ে এলে বা পরিশ্রম করলে সবারই অল্পবিস্তর শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত চলতে থাকে। কিন্তু শ্বাসকষ্ট হলে ধরে নিতে হয় যেকোনো রোগের আলামত প্রকাশ পাচ্ছে। অনেকে শ্বাসকষ্ট মানেই হাঁপানি মনে করেন এবং হাঁপানি ভেবে এই রোগের সনাতন চিকিৎসা শুরু করে দেন। হাঁপানি হলে অবশ্যই শ্বাসকষ্ট হয়। তবে সব শ্বাসকষ্টই হাঁপানি নয়। ফুসফুসের হাঁপানি হলো একটি বিশেষ ধরনের শ্বাসকষ্ট।

সাধারণত হঠাৎ করে শুরু হয় এবং এই শ্বাসকষ্ট শুরু হওয়ার পর বুকের ভেতরে বাঁশির মতো শব্দ হয় এবং সাথে কাশিও বুকের ভেতর শ্বাস বন্ধ তার অনুভব হয়। এ তো গেল ফুসফুসের হাঁপানির কথা। এ ছাড়া হৃৎপিণ্ডের বাম দিকের অংশ অকেজো হয়ে পড়লেও তীব্র শ্বাসকষ্ট শুরু হয়ে থাকে হৃদযন্ত্রের হাঁপানি বলে। ফুসফুসের হাঁপানি ও কার্ডিয়াক (হৃদযন্ত্রের) হাঁপানি উভয় রোগেই শ্বাসকষ্ট থাকে। তবে একজন চিকিৎসক রোগীর বয়স, লক্ষণ ও বুক পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অনায়াসেই বলে দিতে পারেন যে, রোগী কোন ধরনের হাঁপানিতে ভুগছেন।

বয়স্ক মানুষের হাঁপানি হলে

হাঁপানি কোনো নির্দিষ্ট বয়সের রোগ নয়। এই রোগে যে কোনো বয়সের মানুষই আক্রান্ত হতে পারে। তবে শিশু, প্রাপ্ত বয়স্ক ও বৃদ্ধদের মধ্যে হাঁপানি ভিন্নভাবে আত্মপ্রকাশ করতে পারে। শিশুদের মধ্যে কাশি ও শ্বাসকষ্ট, প্রাপ্তবয়স্কদের মধ্যে হঠাৎ শ্বাসকষ্টের আক্রমণ এবং বৃদ্ধদের মধ্যে হঠাত্ শ্বাসকষ্ট ছাড়াও সামান্য পরিশ্রমে হাঁপিয়ে পড়ার লক্ষণ প্রকাশ পায়।

গ্লুকোমা, উচ্চ রক্তচাপের ওষুধ বয়স্কদের হাঁপানির উপসর্গকে বৃদ্ধি করে। আবার হজমের ওষুধ, ডিসপেপসিয়ার ওষুধ, অ্যান্টাসিড হাঁপানির উপসর্গকে কিছুটা কমাতে পারে। তাই বৃদ্ধ বয়সে যারা হাঁপানিতে কষ্ট পান তাদের চিকিত্সা খুব সাবধানে করতে হয়। স্টেরয়েড জাতীয় ওষুধ একনাগাড়ে বেশিদিন ব্যবহার করা ঠিক নয়। এ ধরনের ওষুধ ব্যবহার করার ফলে কাজ হয় ম্যাজিকের মতো কিন্তু শরীরের অস্থিগুলো খুব নরম হয়ে যায়। এতটাই হাড়গোড় নরম হয়ে যায় যে, খুব সামান্য কারণেই শরীরের যে কোনো স্থানের হাড় ভেঙ্গে যেতে পারে। আবার খুব জোরে কাশলে বুকের পাঁজরের হাড়ও ভেঙ্গে যাওয়ার আশঙ্কা খুবই বেশি থাকে। আবার যারা স্টেরয়েড ব্যবহার করেন তাদের যক্ষ্মা রোগ হওয়ার আশঙ্কা থাকে।

পাঠ ২

রোগীকে ধরে নিয়

08/01/2023

চোখের সমস্যা ও প্রাথমিক চিকিৎসা

লক্ষণ ও উপসর্গ-

১। কঞ্জাঙ্কটিভার সবরকম প্রদাহের ক্ষেত্রেই চোখের সাদা অংশ লাল হয়ে ওঠে। অন্যান্য লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে:

২। কঞ্জাঙ্কটিভার প্রদাহ যখন ব্যাকটেরিয়া দ্বারা উৎপন্ন হয়

৩। চোখ থেকে পুজের মতো ঘন পদার্থ নিসৃত হয় এবং সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর চোখের পাপড়িগুলো শক্ত এবং জড়সড় হয়ে ওঠে।

৪। কঞ্জাঙ্কটিভার প্রদাহ যখন ভাইরাস দ্বারা উৎপন্ন হয়

৫। চোখ থেকে পানির মতো ঘন পদার্থ বের হওয়া, প্রায়শই যেকোন একটি চোখ থেকে এই নি:সরণ ঘটা এবং

৬। মাঝে মধ্যে চোখের পাতা যুক্ত হয়ে যাওয়া।

৭। কঞ্জাঙ্কটিভার প্রদাহ যখন এ্যলাজির দ্বারা উৎপন্ন হয়

৮। চোখের চারপাশের ত্বকগুলো ফুলে ওঠে

৯। চোখে চুলকানির মতো হয়

১০। চোখে জ্বলা-পোড়া হয় এবং পানি পড়তে থাকে

১১। নাক দিয়ে পানি পড়া, এবং হাঁব্জি হওয়া

১২। কঞ্জাঙ্কটিভার প্রদাহ যখন পরিবেগত প্রভাবক দ্বারা উৎপন্ন হয়

১৩। চোখের ভেতর কিছু ঢুকেছে বলে মনে হওয়া

১৪। চোখে জ্বলা-পোড়া হয় এবং পানি পড়তে থাকা

কী করা উচিত ?

ডায়াবেটিস ও চোখের ছানি :

চোখের লেন্স বা এর আবরণ (ক্যাপসুল) ঘোলা হয়ে যাওয়াকেই বলা হয় ছানি বা ক্যাটার্যাক্ট। আমাদের দেশে অন্ধত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হচ্ছে চোখের ছানি। ছানির প্রথম অবস্থায় লেন্সের কিছু অংশ ঘোলাটে হয় এবং খুব ধীরে ধীরে দৃষ্টির প্রখরতা কমতে থাকে। প্রাথমিক অবস্থায় চশমার পাওয়ার পরিবর্তন করলে দৃষ্টির প্রখরতা বাড়ানো সম্ভব। তবে ক্রমে ক্রমে লেন্স আরও ঘোলাটে হতে থাকে এবং ২-৩ বছরের মধ্যে প্রায় সম্পূর্ণ লেন্সই ঘোলা হয়ে যায়। সাধারণ মানুষ এ অবস্থাকে ‘ছানি পাকা’ বলে অভিহিত করেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় বলা হয় ম্যাচিওর ক্যাটার্যাক্ট। সাধারণত ৬০ থেকে ৮০ বছর বয়সের মধ্যে এ ধরনের ছানি পড়তে দেখা যায়। অবশ্য অনেকের বংশগত কারণে এ বয়সের আগে বা পরে ছানি পড়তে পারে। এই বয়সজনিত ছানিকে বলা হয় সেনাইল ক্যাটার্যাক্ট। বয়সজনিত ছানি ছাড়া ডায়াবেটিস, চোখের বিভিন্ন প্রদাহ ও অসুখে, গর্ভাবস্থায় মায়ের রুবেলা বা অন্য কোনো জীবাণুর প্রদাহ, শারীরিক কিছু অসুখ ইত্যাদি নানা কারণে চোখে যে কোনো বয়সে ছানি পড়তে পারে।

ডায়াবেটিসে ছানি পড়ার ঝুঁকি বেশি :

ডায়াবেটিসে সন্দেহাতীতভাবে ছানি পড়ার ঝুঁকি খুব বেশি। ‘ফ্রামিংহাম আই স্টাডি’ নামের একটি গবেষণায় দেখানো হয়েছে, নন-ডায়াবেটিকের তুলনায় ডায়াবেটিক রোগীদের ৪০-৫০ বছর বয়স পর্যন্ত ছানি হওয়ার হার কিছুটা বেশি। কি

26/12/2022

জ্বর হলে প্রাথমিক চিকিৎসা

যদি প্রচণ্ড জ্বরএ কম্বলের ভিতরে গিয়ে ঠক ঠক করে কাঁপুনি আসে। আবার জ্বরে শরীর পুড়ে যাচ্ছে। তিনি লেবু, শসা টমেটো কে পাতলা চাক চাক করে স্লাইস করে ঐ স্লাইস গুলো একের পর এক (যেমন লেবুর পর শসা শসার পর টমেটো স্লাইস) কপাল থেকে শুরু করে মাথার চার পাশের বসিয়ে লম্বা রুমাল বা গজব্যান্ডিজ দিয়ে বেধে রাখতে পারেন সাময়িক আরামবোধের জন্য। এমতবস্থায় ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া জরুরী।

সাধারণ সর্দি জ্বর

সর্দি জ্বর আমাদের দেশের অত্যন্ত পরিচিত একটি রোগ । একে ঠাণ্ডাজনিত সাধারণ সর্দি বলা যায়৷ এ রোগটি সাধারণত ভাইরাসের আক্রমণে হয়ে থাকে৷ যাদের শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকে (যেমন- অপুষ্টিতে ভোগা শিশু) তাদের এই রোগ হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে৷ এই রোগ ঠাণ্ডা-গরমের হঠাৎ পরিবর্তন, ঋতু পরিবর্তনের সময় বেশি দেখা যায়৷ একটানা অতি বর্ষণ, স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ, খুব ঠাণ্ডা, খুব গরম এ ধরনের অবস্থায়ও এ রোগ হতে পারে । এ রোগ একজনের শরীর থেকে অন্যের শরীরে খুব সহজেই ছড়ায় ।



প্রাথমিক চিকিৎসা :

রোগীকে বিশ্রামে থাকতে হবে৷ ঠাণ্ডা জাতীয় সব কিছু এড়িয়ে চলতে হবে৷ গরম খাবার ও পানীয় বেশি বেশি খেতে হবে

পুষ্টিকর খাবার ও প্রচুর পানীয় গ্রহণ করতে হবে

ভিটামিন-সি জাতীয় খাবার যেমন লেবু, আনারস, পেয়ারা, আমলকি ইত্যাদি প্রচুর পরিমাণে খেতে হবে

এই রোগটি ছোঁয়াচে হওয়ায় রোগীর সাথে অন্যান্য সুস্থ মানুষের মেলামেশা সাবধানে করতে হবে৷ রোগীর ব্যবহৃত তোয়ালে, গামছা, রুমাল ইত্যাদি ব্যবহার করা যাবে না৷ রোগী হাঁচি দেয়ার সময় মুখে রুমাল দিতে হবে এবং যেখানে সেখানে কফ, থুথু বা নাকের শ্লেষ্মা ফেলবেন না

প্রয়োজনে চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে

ঔষুধ সেবন ও ব্যবহারের ক্ষেত্রে রেজিষ্টার চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

26/12/2022

জেনে রাখা ভালো‼️যতটা সম্ভব চেষ্টা করা উচিৎ।

১. আপনি যখন মোবাইলে কোন নাম্বার ডায়াল করেন, তখন কানেকশন পাওয়ার আগ পর্যন্ত মোবাইল তার সর্বোচ্চ শক্তি ব্যাবহার করে। এসময় মোবাইল থেকে সর্বোচ্চ রেডিয়েশন বের হয়, যা মানব দেহের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।তাই এই রেডিয়েশন থেকে বাঁচতে এসময় মোবাইল কানের কাছে না ধরে রাখাই ভালো।

২. চা পানের পরেই পানি পান করা উচিত নয়। এতে দাতেঁর মধ্যকার ফাঁক বেড়ে যায়।

৩. দরজার পাশে দাঁড়িয়ে কান খুঁচাবেন না।
অপরপাশ থেকে যে কারো ধাক্কা লেগে বিপদ হতে পারে৷

৪. একই টুথব্রাশ তিন মাসের বেশি ব্যবহার করা উচিত নয়।প্রতি তিন মাস অন্তর টুথব্রাশ বদলানো দরকার।
তাছাড়া মাঝে মধ্যে গরম পানি দিয়ে টুথব্রাশ ভালো করে ধুয়ে রাখা উচিৎ।

৫. খালি পেটে কলা খাওয়া উচিত নয়৷ এটি গ্যাসের জন্য ক্ষতিকর৷

৬. টি.ভি দেখার সময় লাইট বন্ধ করা উচিৎ নয়।
লাইট বন্ধ থাকলে টি.ভি হতে নিক্ষিপ্ত ইলেকট্রন সোজা-সুজি চোখে আঘাত করে, যা চোখের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর।

৭. ঔষধ নয়...মুখের দাগ দূর করতে শশা অথবা আলু চাক, চাক করে কেটে আক্রান্ত স্থানে লাগিয়ে রাখুন ৩০ মিনিট।ধীরে ধীরে দাগ দুর হবে।

৮. গবেষণায় দেখা গেছে, আদা ক্যান্সার কোষের অনিয়ন্ত্রিত বৃদ্ধি কমাতে সাহায্য করে। তাইতো প্রতিদিন কিছুটা হলেও আদা খাওয়া উচিত।

৯. একটি সাদা চুল তুললে, সেখান থেকে দুটি সাদা চুল গজায় এমন ধারনা একেবারেই ভুল।

১০. কানে তেল দেওয়া,খুঁচাখুঁচি করা,একেবারেই অনুচিত।এতে উপকার তো হয়-ই না,বরং ক্ষতির সম্ভাবনা প্রচুর।

আমাদের মনে রাখা উচিৎ কান এমনই একটা জায়গা,যেখানে পরিস্কার করার কোন প্রয়োজন নাই। নিজের থেকেই তা পরিস্কার হয়ে যায়।

◾ Collected ◾

20/11/2022

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস হলে কি করবেন?



হেপাটাইটিস বি ভাইরাস হলে কি করবেন?

পাঠ - ১

আপনি কি জানেন হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এইডস তথা এইচআইভির চেয়ে ক্ষতিকারক! হ্যা, এটাই বাস্তবতা! হেপাটাইটিস বি ভাইরাস এইচআইভির চেয়ে প্রায় ১০ গুন বেশি সংক্রামক!! শুধু তাই নয়, আপনি নিজেও হয়তো জানেন না আপনি হেপাটাইটিস বি ভাইরাসে আক্রান্ত! সবার অজান্তে আপনার ভিতর বসত গড়েছে এই মরন ব্যাধি এবং নিজের অজান্তে ছড়াচ্ছেন সেই ব্যাধি অন্যের ভিতর!!

এক হিসাবে দেখা গেছে, সারা পৃথীবিতে প্রায় দুই বিলিয়ন মানুষ কোন না কোন সময় এই ব্যাধিতে আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ পৃথিবীর এক তৃতীয়াংশ মানুষ এই রোগে আক্রান্ত হয়!! এর ভিতর ২৪০ মিলিয়ন মানুষ ক্রনিক সংক্রমনের শিখার হয় যা পরবর্তিতে যকৃত ক্যানসার হয়ে মানুষ মারা যায়!! যা প্রায় ৬ লক্ষ প্রতি বছর!!!

হেপাটাইটিস বি কি ? What is Hepatitis B ?

হেপাটাইটিস বি একটি সংক্রামক রোগ। হেপাটাইটিস বি ভাইরাস সংক্রমণের মাধ্যমে হেপাটাইটিস বি দেখা দেয় যা যকৃতে মারাত্মক সংক্রমণ ঘটায়। রক্ত, বীর্য অথবা শরীরের অন্যান্য তরল পদার্থের মাধ্যমে এই রোগ ছড়ায়। বড়দের ক্ষেত্রে এর সংক্রমণ ভালো হয়ে গেলেও শিশুদের ক্ষেত্রে এর সংক্রমণ দীর্ঘস্থায়ী হয়।

হেপাটাইটিস বি হয়েছে কি করে বুঝবেন ?

হেপাটাইটিস বি ভাইরাস দ্বারা সংক্রমণের দুই থেকে তিন মাস পর এর লক্ষণ ও উপসর্গগুলো দেখা দেয় । হেপাটাইটিস বি এর লক্ষণ ও উপসর্গ গুলো হাল্কা থেকে মারাত্মক হয়ে থাকে।

হেপাটাইটিস বি’ হলে সাধারণত যেসব লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়-

পেট ব্যথা

গাঢ় রংয়ের প্রস্রাব

অস্থিসন্ধিতে ব্যথা

ক্ষুধা মন্দা

ক্লান্ত এবং অবসাদ অনুভব করা

শরীরের চামড়া হলুদ হয়ে যাওয়া এবং চোখ সাদা ফ্যাকাশে হওয়া

কখন ডাক্তার দেখাবেন ?

রোগের লক্ষণ ও উপসর্গ দেখা দেয়া মাত্র ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

কোথায় চিকিৎসা করাবেন- ?

জেলা সদর হাসপাতাল

মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়

বিশেষায়িত সরকারী ও বেসরকারী হাসপাতাল

কি ধরণের পরীক্ষা-নিরীক্ষার প্রয়োজন হতে পারে - ?

শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা

রক্তের বিভিন্ন পরীক্ষা

যকৃতের পরীক্ষা

কি ধরণের চিকিৎসা আছে | Hepatitis B Treatment ?

হেপাটাইটিস বি প্রতিষেধক গ্রহণ

জীবাণুনাশক ঔষধ সেবন

যকৃত প্রতিস্থাপন

আক্রান্ত হবার পর জীবন যাপন

27/10/2022

বয়স বাড়ার সাথে সাথে দুটো জিনিস নিয়মিত চেক করুন।
১) ব্লাড প্রেসার।
২) ব্লাড সুগার।

🔸চারটি জিনিস একেবারেই ভুলে যান৷
১) বয়স বাড়ছে এটা নিয়ে দুশ্চিন্তা করা,
২) অতীত নিয়ে সর্বদা অনুশোচনা করা,
৩) সবসময় দুঃখে কাতর হয়ে থাকা,
৪) মানসিক উৎকণ্ঠা বা উদ্বেগ।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবার থেকে যত পারুন এড়িয়ে চলুন।
১) লবন,
২) চিনি,
৩) অতিরিক্ত চর্বি জাতীয় খাবার ।
৪) অতিরিক্ত ভাজা ভূজি খাবার
৫) বাইরের কেনা খাবার বা প্রসেসেড ফুড।

🔸পাঁচটি জিনিস খাবারে যত পারুন বাড়িয়ে নিন।
১) সব রকমের সবুজ শাক
২) সব রকম সবুজ সব্জি, সীম বা মটরশুটি ইত্যাদি
৩) ফলমূল,
৪) বাদাম,
৫) প্রোটিন জাতীয় খাবার।

🔸মানসিক শান্তি বা সুখী হতে সাতটি জিনিস সবসময় সাথে রাখার চেষ্টা করুন।
১) একজন প্রকৃত ভালো বন্ধু,
২) নিজের সমগ্ৰ পরিবার,
৩) সবসময় সুচিন্তা,
৪) একটি নিরাপদ ঘর কিংবা আশ্রয়,
৫) অল্পেতে খুশি হওয়ার চেষ্টা,
৬) অতিরিক্ত অর্থ চিন্তা থেকে নিজেকে দূরে রাখা,
৭) কিছু সময় আধ্যাত্মিক চর্চায় বা সৎসঙ্গ দেওয়া।

🔸ছয়টি জিনিষের চর্চা রাখুন।
১) অহংকার না করা,
২) সবার সাথে হাসিমুখে কথা বলা,
৩) মানুষের সাথে ভালো আচরণ করা,
৪) নিয়মিত শরীর চর্চা করা ।কিছুক্ষণ হাঁটা নিয়মিত ।
৫) ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
৬) সরল ও সৎ জীবন যাপন

🔸সাতটি জিনিস এড়িয়ে চলুন।
১) কর্য,
২) লোভ,
৩) আলস্য,
৪) ঘৃণা,
৫) সময়ের অপচয়,
৬) পরচর্চা,পরনিন্দা
৭) কোনো রূপ নেশা বা আসক্তি

🔸পাঁচটি জিনিষ কখনোই করবেন না।
১) অতিরিক্ত ক্ষুধা নিয়ে খেতে যাওয়া,
২) অতিরিক্ত পিপাসায় কাতর হয়ে জল পান করা,
৩) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে ঘুমোতে যাওয়া,
৪) অতিরিক্ত দূর্বল হয়ে বিশ্রাম নেওয়া,
৫) একেবারে অসুস্থ হয়ে ডাক্তারের কাছে যাওয়া,

সব সময় নিজেকে সুস্থ রাখতে সচেতন হোন

“সুস্থ্য থাকুন - ভাল থাকুন - ভাল রাখুন”।

Address

66 Nurani Bon Kolapra Subid Bazar.sylhet
Sylhet
3100

Telephone

+8801711962827

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruku Medical Hall - রুকু মেডিকেল হল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruku Medical Hall - রুকু মেডিকেল হল:

Share

Category