Medical Education

Medical Education Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Medical Education, Tangail.

মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।
16/12/2025

মহান বিজয় দিবসে সকল শহীদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা।

18/10/2024

বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে মানুষের উদাসীনতা নতুন নয়। এমনকি মানসিক রোগ নিয়ে রয়েছে নানা অসচেতনতা, ভ্রান্ত ধারণা এবং ভুল বিশ্বাস। মানসিক সমস্যাকে কেউবা আবার পাগল, উদ্ভট বা বিকৃত মানসিকতার সাথেও তুলনা করেন।

মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সাধারণভাবে দেখা যায়, যিনি এর মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন তার নিজের মধ্যেও এক ধরনের ‘স্টিগমা’ কাজ করে।

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সস্টিটিউটের ২০১৮ সালের এক গবেষণায় দেখা গেছে, বাংলাদেশে ১৮ শতাংশ মানুষ কোন না কোন মানসিক রোগে আক্রান্ত।

এর মধ্যে শুধু এক শতাংশ মানুষ জটিল মানসিক রোগে আক্রান্ত বলে বলছেন চিকিৎসক এবং মনোবিদরা।

চিকিৎসক এবং মনোবিদেরা বলছেন, ক্রমে বাংলাদেশে মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে একটু একটু করে সচেতনতা বাড়ছে, এবং আগের তুলনায় বেশি মানুষ সমস্যা নিয়ে বিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

যদিও মানসিক সমস্যা এমনিতেই ঠিক হয়ে যাবে এমন ভ্রান্ত ধারণা থেকে মনোচিকিৎসকের কাছে যায় না বেশিরভাগ মানুষ।

এবং সে সমস্যার শারীরিক উপসর্গ দেখা দিলে মনোচিকিৎসকের পরামর্শ নেন অধিকাংশ মানুষ।

কিন্তু বাংলাদেশে ঠিক কী কী সমস্যা নিয়ে মনোচিকিৎসকের শরণাপন্ন হয়ে থাকেন?

বিবিসি বাংলা এ নিয়ে মনোচিকিৎসক মোহিত কামাল, জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইন্সটিটিউটের ডা. মেখলা সরকার এবং সাভারের এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ডা. মো. ফারুক হোসেনের সাথে কথা বলেছে - তাদের মতামতের ওপর ভিত্তি করেই এ প্রতিবেদন তৈরি করা হয়েছে।

05/08/2024

MassAllah

05/04/2024

পানিদূষণ ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি:

২০১২ সালে ডায়াবেটিসকে বৈশ্বিক মহামারি ঘোষণা করে আন্তর্জাতিক ডায়াবেটিস ফেডারেশন (আইডিএফ)। পৃথিবীর অধিকাংশ দেশেই ডায়াবেটিক রোগীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে লাগামছাড়া। যদিও কিছু উন্নত দেশ এ বৃদ্ধির হারকে কিছুটা লাগাম পরাতে পেরেছে। আফ্রিকার পর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দেশগুলোতেই সবচেয়ে বেশি হারে বাড়ছে ডায়াবেটিক রোগী। বাংলাদেশের চিত্র মোটেও সুখকর নয়। আইডিএফের ২০২১ সালের সমীক্ষা মোতাবেক, পাকিস্তানের পর বাংলাদেশে ডায়াবেটিক রোগীর হার সবচেয়ে বেশি। ডায়াবেটিসের উচ্চঝুঁকির আরও বহুবিধ কারণের সঙ্গে সঙ্গে পরিবেশদূষণও জড়িত।

পানিদূষণ ও ডায়াবেটিসের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে অনেক গবেষণা ও অনুসন্ধান হয়েছে। বিশেষত পানির গুণমানের অবনতি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে। ডায়াবেটিসের ওপর পানিদূষণের মারাত্মক প্রভাব সম্পর্কে কিছু তথ্য এখানে দেওয়া হলো—
পরিষ্কার পানির অভাব: পরিবেশে পরিচ্ছন্ন পানির অভাব বা দুর্গন্ধযুক্ত দূষিত পানি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করে।

পানিতে উচ্চমাত্রায় কার্বনেটের উপস্থিতি: কৃত্রিম পানিতে অধিক পরিমাণে কার্বনেট থাকলে তা ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়ায়।

পানিতে জীবাণু বা কীটাণুর উপস্থিতি: পরিবেশে উচ্চমাত্রার জীবাণু বা কীটাণুর উপস্থিতি ডায়াবেটিস ও ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বৃদ্ধি করতে পারে।

পানিতে জৈব রাসায়নিক বা মেটালিক ধাতু: পানিতে উচ্চ মাত্রার জৈব রাসায়নিক বা মেটালিক ধাতুর উপস্থিতি ডায়াবেটিসের ঝুঁকি বাড়াতে পারে।

30/04/2023

Love yourself.....

20/05/2021
29/09/2017

এ ছবিটি একটি ফেসবুক পেইজ থেকে পেয়েছি যা চায়নার বিখ্যাত হারবিন প্রভিন্সিয়াল হসপিটাল থেকে তোলা। একজন ক্যান্সার রুগী ব্যাগ ভর্তি টাকা নিয়ে আসে এবং কর্তব্যরত ডাক্তারকে বলে তার জীবন রক্ষা করার জন্য। ডাক্তার সব কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করে বুঝতে পারলেন অনেক দেরি হয়ে গেছে কারণ তখন ক্যান্সার অলরেডি ফাইনাল স্টেজ এ চলে গিয়েছে।

ডাক্তারের মুখে এ কথা শুনবার পর রুগী অনেক বেশী হতাশ হন এবং রেগে যান। রেগে গিয়ে তার ব্যাগ ভর্তি টাকা হসপিটালের করিডোরে ছুড়ে ফেলে দেন এবং চিৎকার করে বলতে থাকেন,

"কি হবে এই ব্যাগ ভর্তি টাকা দিয়ে?"

"এই অর্থ যদি আমার জীবন বাঁচাতে না পারে এর কি মূল্য আছে?"

#জীবনে বেঁচে থাকতে গেলে অর্থের প্রয়োজন অপরিসীম কিন্তু নিজের স্বাস্থ্য খারাপ করে টাকা উপার্জন বুদ্ধিমানের কাজ বলে আমার মনে হয় না।

#টাকা দিয়ে আপনি কখনো সময় কিনতে পারবেন না, সুস্বাস্থ্য বা একটি জীবন কিনতে পারবেন না।

আমাদের একটা মাত্রই জীবন তাই আমরা যাই কিছু করিনা না কেন সব সময় যেন নিজের প্রতি একটু খেয়াল রাখি এবং সব সময় সুস্বাস্থ্য বজায় রেখে চলতে পারি। মনে রাখবেন "স্বাস্থ্যই সকল সুখের মূল"

ধন্যবাদ সবাইকে কষ্ট করে পড়ার জন্য।
আল্লাহ্‌ পাক আপনাদের সকলকেই সুস্থ রাখুক নিরাপদে রাখুক এই প্রত্যাশায়।
Collected Post.

23/08/2017

১. ভুলঃ কোমর ব্যথা মানে কিডনি রোগ!
নির্ভুলঃ কিডনি রোগে প্রস্রাব কমে যায়, খাওয়ার রুচি কমে যায়, বমি বমি লাগে, মুখ ফুলে যায়!

২. ভুলঃ ঘন ঘন প্রস্রাব মানেই ডায়াবেটিস বা বহুমূত্র রোগ!!
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হলে প্রথম অনুভূতি হল- এতো খেলাম, তবুও কেন শক্তি পাইনা, এছাড়া ওজন কমে যায়, মুখে দুর্গন্ধ হয়, ঘা শুকাতে চায়না!

৩. ভুলঃ ঘাড়ে ব্যথা মানেই প্রেসার!
নির্ভুলঃ প্রেসার বাড়লে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কোন উপসর্গ পাওয়া যায় না! একটু অস্বস্তিকর অনুভুতি হয় মাত্র।

৪. ভুলঃ বুকের বামে ব্যথা মানে হার্টের রোগ!
নির্ভুলঃ হার্টের রোগে সাধারণত বুকে ব্যথা হয় না। হলেও বামে নয়তো বুকের মাঝখানে ব্যথা হয়... হার্টের সমস্যায় সাধারণত বুকের মাঝখানে চাপ চাপ অনুভূতি হয়, মনে হয় বুকের মাঝখানটা যেন কেউ শক্ত করে ধরে আছে!!

৫. ভুলঃ মিষ্টি খেলেই ডায়াবেটিস হয়।
নির্ভুলঃ ডায়াবেটিস হরমোনাল অসুখ। অগ্ন্যাশয় ঠিকমত কাজ না করলে ডায়াবেটিস হয়। তাই মিষ্টি খাওয়ার সাথে এই রোগ হবার সম্পর্ক নেই। কিন্তু ডায়াবেটিস হয়ে গেলে মিষ্টি খেতে হয় না।

৬. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে বেশি পানি খেলে পায়ে পানি আসে।
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে প্রোটিন কম খেয়ে, কার্বোহাইড্রেট বেশি খেলে পায়ে পানি আসে। তাই প্রোটিন বেশি বেশি খেতে হয়।

৭. ভুলঃ এক্সক্লুসিভ ব্রেস্ট ফিডিং করাকালীন বেবির (৬মাসের আগে পানিও খাওয়ানো যায় না একারণে) ডায়রিয়া হলে, মা স্যালাইন খেলেই বেবিরও চাহিদা পূরণ হয়ে যায়।
নির্ভুলঃ মা খেলেই বাচ্চার চাহিদা পূরণ হয় না... বেবিকেও স্যালাইন খাওয়াতে হয়।

৮. ভুলঃ দাঁত তুললে চোখের আর ব্রেইনের ক্ষতি হয়।
নির্ভুলঃ দাঁত তোলার সাথে চোখের আর ব্রেইনের কোনো সম্পর্ক নেই। দাঁত, চোখ, মাথার নার্ভ সাপ্লাই সম্পূর্ণ আলাদা।

৯. ভুলঃ মাস্টারবেশন করলে চোখের জ্যোতি কমে যায়!
নির্ভুলঃ ভিটামিন এ জাতীয় খাবার না খেলে চোখের জ্যোতি কমে যায়।

১০. টক/ ডিম/ দুধ খেলে ঘা দেরীতে শুকায়।
নির্ভুলঃ টক/ ডিমের সাদা অংশ/ দুধ খেলে ঘা তাড়াতাড়ি শুকায়।

১১. ভুলঃ অস্বাভাবিক আচরন, ভাংচুর, পাগলামি মানেই জ্বিন ভুতে ধরা!!!
নির্ভুলঃ এটা বাইপোলার ডিসঅর্ডার, সিজোফ্রেনিয়া, হ্যালুসিনেশন।

১২. ভুলঃ তালু কাটা, এক চোখ, কপালে চোখ, বাঘের মত ডোরাকাটা দাগ নিয়ে জন্ম গ্রহন করা বাচ্চা কিয়ামতের আলামত, আল্লাহর গজব, বাঘের বাচ্চা।
নির্ভুলঃ মানুষের পেট থেকে বাঘের বাচ্চা হয় না আর কিয়ামতের আলামত বা গজব বাচ্চাদের উপর আসে না। এসব জিনগত রোগ বা জন্মগত রোগ।

১৩. ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম এসব খেলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়। তাই গাইনী ডাক্তার সিজার করার জন্য এগুলা প্রেসক্রাইব করে....
নির্ভুলঃ প্রেগন্যান্ট মহিলা আয়রণ, ক্যালসিয়াম না খেলে গর্ভস্থ বেবির নিউরাল টিউব ডিফেক্ট হয়।

১৪. ভুলঃ প্রেগন্যান্সিতে সাদাস্রাব হলে ফ্লুইড কমে যায়।
নির্ভুলঃ White discharge এবং Amniotic fluid সম্পূর্ণ আলাদা দুটো ফ্লুইড.. একটার সাথে আর একটার কোনো সম্পর্ক নেই।
১৫. বাচ্চা না হওয়া মানেই বন্ধ্যা নারী।
নির্ভুলঃ বন্ধ্যা, নারী এবং পুরুষ উভয়ই হতে পারে।।
__________________________________________
এ ধরণের আরো অনেক ধরণের গুজব বা কুসংস্কার আমাদের সমাজে প্রচলিত, যেগুলোর কোনো ভিত্তি বা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা নেই।

21/08/2017

'ইয়াবা' সম্পর্কে ভয়াবহ তথ্য

'ইয়াবা' মূলত মায়ানমারের শান প্রদেশে পাহাড়ে ঘোড়াদের খাওয়ানো হতো।কেননা ঘোড়া পাহাড়ে কোন গাড়ি সহজে টানতে চাইত না, পরে ঘোড়াকে পাগলা করে দিতে বার্মিজরা এই ড্রাগ তৈরি করে।
থাইল্যান্ডে এর নাম ম্যাড ড্রাগ, ইন্ডিয়াতে নাম ভুলভুলাইয়া আর বাংলাদেশে বাবা এছাড়াও নাজি, স্পিড, হিটলার্স ড্রাগ, চকোলি নামেও এটি পরিচিত। এই ঘোড়ার ট্যাবলেট পরবর্তীতে প্রচন্ড কায়িক শ্রম করে এমন মানুষরা নেয়া শুরু করে এবং এরপর এটা থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের প্রষ্টিটিউটরা নিতে শুরু করে। বার্মা এর মূল তৈরির স্থান হলেও তারা কেবল এক্সপোর্ট করে, সেবনকারীর সংখ্যা সেখানে কম কারন তারা জানে জিনিসটা কি এবং কতটা খারাপ।
ইয়াবা তৈরিতে ভয়াবহ রাসয়নিক উপকরণঃ
ইয়াবার মূল উপাদান মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন। মেথামফেটামিন জিনিসটা দিয়ে তৈরি একটা ট্যাবলেট দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় সৈন্যদের জাগিয়ে রাখতে ব্যাবহার করা হত এবং ১৯৫০ এর দিকে জাপানে মেথামফেটামিন ব্যাপক ভাবে ব্যাবহৃত হয়েছে। বর্তমানে যে ইয়াবা ট্যাবলেট বিক্রি হয় তাতে মেশানো হয় হাইড্রোক্লোরিক এসিড, এসিটোন (যা মূলত নেইল পলিশ রিমুভার), রেড ফসফরাস, ব্যাটারির লিথিয়াম ও সালফিউরিক এসিড। আশা করি কেমিক্যাল গুলোর নাম শুনে কিছুটা ভয়াবহতার আঁচ পাওয়া যাচ্ছে।
ইয়াবার এ্যাকশন কেন ভয়াবহ?
মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন হল দুটি মস্তিস্কের উত্তেজক পদার্থ। ইয়াবা সেবনে মুলত এই মেথামফেটামিন ও ক্যাফেইন সেবনকারীকে বেপরোয়া করে দেয়।
তালপাতার সেপাই নিজেকে মহাবীর আলেকজান্ডার ভাবা শুরু করে এবং যে কোন অপরাধ করার সিদ্ধান্তে যেতে তার বিবেক বাধা দেয়না।
ইয়াবার ভয়ানক সাইড ইফেক্টঃ
বলা হয় যে একটা দুইটা ইয়াবা সেবন করলেই মস্তিস্কের কিছু ছোট রক্তনালী নষ্ট হয় এবং নিয়মিত করলে, খুব অল্প বয়সে ব্রেইন ষ্ট্রোক করে প্যারালাইজড বা চলাচলে অক্ষম হওয়ার সম্ভাবনা ৯৫%। এছাড়া ওজন কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, অনিদ্রা, হ্যালুসিনেশন, উন্মাদের মত আচরন, গোয়ার্তুমি এবং পুরুষত্ব হারানো ও বন্ধ্যত্ব হওয়ার প্রবল সম্ভাবনা থাকে। যে সব কেমিক্যালের কথা বললাম যা বাবাতে আছে তাতেই বোঝা যায় একশন কি হবে।
পরিচিত কেউ সেবন করলে তাকে বলে দিতে হবে ৩৫-৪৫ এর মধ্যে একটা ষ্ট্রোক আর তিলেতিলে নিজের দেহ নিঃশেষ হওয়া দেখার জন্য তৈরি হতে থাকুন।
[সংগৃহীত]

11/10/2016

পেটের মেদ কমানোর উপায়:-

আমরা যারা দীর্ঘ সময় ডেস্কে বসে কাজ করি। তাদের শরীরে ক্যালোরি কমার বদলে জমতে থাকে। দীর্ঘদিন একভাবে বসে কাজ করলে আমাদের ওজন বেড়ে যায়। মোটা হলে এমনিতেই দেখতে খারাপ লাগে। আর সবচেয়ে বেশি মেদ জমে আমাদের পেটে। যার ফলে আমাদের ফিগারের সৌন্দর্য নষ্ট হয়ে বেঢপ দেখায়। অনেক সময় আমরা পেটের চর্বি কমানোর জন্য খাবার খাওয়া প্রায় বন্ধই করে দেই। আবার অনেকে জিমে গিয়ে কয়েক দিন খুব ব্যায়াম করতে শুরু করি। না বুঝে এমন করার জন্য দেখা যায়, উল্টো ফল হয়েছে।

আসলে পেটের মেদ ঝেড়ে ফেলার কোনো সহজ পথ নেই, যার মাধ্যমে আমরা রাতারাতি ওজন কমিয়ে স্লিম হতে পারি। এর জন্য প্রয়োজন সঠিক জ্ঞান, ধৈর্য ও সাধনা।মূল কথা হলো, কম ক্যালরিযুক্ত খাবার খেতে হবে এবং অতিরিক্ত ক্যালরি বার্ন করার জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে। পেটের মেদ কমিয়ে আকষর্ণীয় হতে যা করতে হবে:

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

হাঁটা হলো সব চেয়ে ভালো ব্যায়াম, এমনভাবে হাঁটুন যাতে শরীর ঘামে, শ্বাস-প্রশ্বাস দ্রুত হয়।
পেটের চর্বি কমাতে পেটে চাপ পড়ে এমন ব্যায়াম করুন।
বুক ডাউন পদ্ধতি বেশ কাজে দেয়।
শুয়ে হাঁটু বাঁকা করে মাথার পেছনে হাত দিয়ে যতদূর সম্ভব কাঁধ ওপরের দিকে তুলে কিছুক্ষণ অপেক্ষা করুন। এভাবে ১২ বার করুন
মেয়েরা বিছানায় শুয়ে দুই পা কমপক্ষে ১০ বার করে ১৫ মিনিট ধরে ওপরে তুলুন আর নামান।
দুই পা একসঙ্গে ওপরে তুলতে পারেন, এভাবে প্রতিদিন ব্যায়াম করুন।
তবে পিরিয়ডের সময় পেটে অনেক চাপ পড়ে এমন ব্যয়াম করবেন না।
খাদ্য তালিকা থেকে চর্বিযুক্ত খাবার বাদ দিন।
রান্নায় জলপাই তেল বা অলিভ অয়েল ব্যবহার করুন।
ফাস্ট ফুডের পরিবর্তে চিড়া, মুড়ি, খৈ খেতে পারেন।
ভাত, রুটি এবং মিষ্টি জাতীয় খাবার পরিমাণে কম খান।
ছোট মুরগি, ছোট মাছ, শাক-সবজি, ফল বেশি খেতে পারেন।
ডিমের কুসুম না খেয়ে সাদা অংশ খান।
নিজের কাজ নিজে করার চেষ্টা করুন।
বাইরের কোমল পানীয়ের পরিবর্তে সাধারণ পানিই পান করুন
দুধ চা বা কফির পরিবর্তে এন্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ গ্রিন টি পান করুন।
ধূমপানসহ সব ধরনের মাদক পরিহার করুন।

ব্যায়াম বা ডায়েটিং শুরু করে ধৈর্য হারিয়ে ফেললে হবে না। নিয়মিত চেষ্টা করলেই ধীরে ধীরে আমরা কাঙ্ক্ষিত ফিগার পেতে পারি। মনে রাখতে হবে, হয়তো কয়েক বছর ধরে যে বাড়তি মেদ আমাদের শরীরে জমেছে, এটা কমাতে তো একটু সময় লাগবেই।

22/05/2016

চিরকাল হাড় মজবুত রাখবে যে “অসাধারণ” খাবার গুলো । আমাদের দেহের সঠিক পরিচালনার জন্য হাড়ের গুরুত্ব অনেক বেশি। আমাদের দেহকে ধারণ করে রাখে আমাদের দেহের ভেতরে হাড়ের তৈরি কঙ্কাল। হাড়ের গঠন একটু ভিন্ন হলেই আমরা হতে পারতাম জড় পদার্থ।

কিন্তু আমরা ভেবে দেখেছি কি, এই হাড়ের সুস্থতায় আমরা কতোটা সতর্কতা পালন করি? আমরা দেহের সুস্থতার জন্য অনেক কাজ করি, অনেক ধরণের খাবার খাই। সতর্ক থাকি আমাদের হৃদপিণ্ড, মস্তিষ্ক, কিডনি, লিভার সহ সকল অঙ্গপ্রত্যঙ্গের। কিন্তু ভুলে যাই হাড়ের যত্নের কথা।

ছোটবেলা থেকে হাড়ের যত্ন নেয়ার অভ্যাস না হলে হাড়ের ভঙ্গুরতা বৃদ্ধি পায়। হাড় হয় দুর্বল এবং নরম। বয়স বাড়তে না বাড়তেই হাঁটাচলার ক্ষমতা কমে যেতে শুরু করে, হয় নানান রকমের রোগ। তাই আমাদের প্রত্যেকের হাড়ের সুস্থতা মাথায় রেখে কাজ করতে হবে। খেতে হবে হাড় মজবুত রাখার জন্য কার্যকরী খাবারগুলো।

চিরকাল হাড় মজবুত রাখবে দুধ

হাড়ের সুস্থতায় ক্যালসিয়াম বেশ কার্যকরী উপাদান। এবং দুধ সব চাইতে ভালো ক্যালসিয়ামের উৎস। দুধের ক্যালসিয়াম খুব সহজে আমাদের দেহ হজম করে পুষ্টি গ্রহন করতে পারে। ছোটবেলা থেকেই দুধ খাওয়ার অভ্যাস করা উচিৎ। শুধুমাত্র ছোটোদের নয় বড়দেরকেও হাড়ের সুস্থতায় প্রতিদিন দুধ পান করার অভ্যাস করতে হবে।

দই হাড় মজবুত রাখবে

দই প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন সমৃদ্ধ একটি খাবার। এছাড়াও দইয়ে রয়েছে দেহের জন্য ভালো ব্যাকটেরিয়া। এই ব্যাকটেরিয়া হাড়ের জয়েন্টের সুরক্ষায় কাজ করে। মাত্র ১ কাপ দইয়ে রয়েছে ৪০০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম যা হাড় মজবুত করতে বেশ কার্যকরী।

প্রতিদিন না হোক সপ্তাহে অন্তত ৩/৪ দিন ফ্যাট ছাড়া দই খাবার অভ্যাস করুন হাড়ের গঠনের জন্য। এছাড়া দুগ্ধজাত খাবারের মধ্যে চীজও আমাদের হাড়ের গঠনে বেশ ভালো ভূমিকা রাখে।

অসাধারণ খাবার ডিম

ডিমকে বলা হয় ‘সুপারফুড’। ডিমে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন এবং মিনারেলস। প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস হচ্ছে ডিম। যা হাড়ের গঠন মজবুত করে। এবং এতে ক্যালোরিও থাকে বেশ কম।তাই হাড়ের সুস্থতায় দিনে অন্তত ১ টি ডিম খাওয়ার অভ্যাস করুন।

সবুজ শাকসবজি

পালং শাক, সবুজ শাক, বাঁধাকপি, ব্রকলি, লেটুস, শালগম ইত্যাদি উদ্ভিদ প্রোটিনের সব চাইতে ভালো উৎস। হাড়ের সুরক্ষায় প্রতিদিনের খাবার তালিকায় এই খাবারগুলো রাখার চেষ্টা করুন। এবং ছোটোদের এই সব খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলুন। এতে হাড় হবে মজবুত।

কমলালেবু

কমলালেবু এবং লেবু জাতীয় ফলমূলে রয়েছে ক্যালসিয়াম এবং ভিটামিন ডি। ভিটামিন ডি দেহে ক্যালসিয়াম হজম এবং গ্রহনে সহায়তা করে। সকালের নাস্তায় কিংবা বিকেলে কমলালেবু কিংবা কমলালেবুর তাজা রস খাবার অভ্যাস করুন।

তৃণ এবং মশলা

দারুচিনি, রসুন, পুদিনা পাতা ইত্যাদি শুধুমাত্র রান্নায় স্বাদ বাড়ানোর কাজে ব্যবহার করা হয় বলেই আমরা জানি। কিন্তু এই সকল মশলা এবং তৃণ জাতীয় খাবারে রয়েছে প্রচুর ক্যালসিয়াম যা আমাদের হাড়ের সুরক্ষায় কাজ করে।

07/08/2015

৬০ সেকেন্ডেই ঘুম

বিভিন্ন কারণে অনেকেই ঘুমের সমস্যায় ভোগেন। অনেক চেষ্টায়ও অনেকের ঘুম আসে না। বিছানায় এপাশ-ওপাশ করাই সার। অনেকে আবার ঘুমের ওষুধে অসক্ত হয়ে পড়েন। যুক্তরাষ্ট্রের এক চিকিৎসক নিয়ে এসেছেন এর সহজ সমাধান। নিঃশ্বাস নেওয়ার একটি ব্যায়াম নিয়মিত করে মাত্র ৬০ সেকেন্ডেই ঘুম আনা সম্ভব বলে দাবি করা হচ্ছে।

৬০ সেকেন্ডে ঘুম আনার ব্যায়ামটি উদ্ভাবন করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের হার্ভার্ড মেডিকেল স্কুলের চিকিৎসক অ্যান্ড্রু ওয়েল। নিজের ওয়েবসাইটে তিনি বলেন, গভীরভাবে নিঃশ্বাস মন ও চিন্তার প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে। অন্য কোনো কিছুর দিকে না ভেবে শুধু নিঃশ্বাস নেওয়া দিকে মনোযোগ দিয়ে পরিবর্তন আনা সম্ভব। এতে শরীরেও আসে প্রশান্তি।

অ্যান্ড্রু ওয়েলের উদ্ভাবিত পদ্ধতিটিকে বলা হয় ‘৪-৭-৮ নিঃশ্বাস ব্যায়াম’। আবার একে ‘প্রশান্তির নিঃশ্বাসও’ বলা হয়। ব্যায়ামটি করতে এই ধাপগুলো পালন করতে হবে।

মুখ দিয়ে জোরে শ্বাস ছাড়তে হবে। শ্বাস ছাড়ার সময় হুঁশ শব্দ হবে।
নাক দিয়ে ধীরে ধীরে শ্বাস নিতে হবে। শ্বাস নেওয়ার সময় এক থেকে চার পর্যন্ত গুনতে হবে।
শ্বাস বন্ধ রেখে এক থেকে সাত পর্যন্ত গুনতে হবে।
মুখ দিয়ে শ্বাস ছাড়তে হবে। শ্বাস ছাড়ার সময় এক থেকে আট পর্যন্ত গুনতে হবে।

উল্লিখিত প্রক্রিয়ায় একবার ব্যায়ামটি করা হলো। পুরো প্রক্রিয়া মোট চারবার করতে হবে।

Address

Tangail
1900

Opening Hours

Monday 08:00 - 20:00
Tuesday 08:00 - 20:00
Wednesday 08:00 - 20:00
Thursday 08:00 - 20:00
Friday 15:00 - 20:00
Saturday 08:00 - 20:00
Sunday 08:00 - 20:00

Telephone

+8801912388355

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Medical Education posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Medical Education:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram