Nursing & BcsTarget

Nursing & BcsTarget Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nursing & BcsTarget, Medical and health, Dhaka, Tongi.

24/01/2026
সোনার হরিণের মূল্য কি আরও বেড়ে যাবে...!পে-স্কেল চালু হলে নতুন বেতন কাঠামো হবে এরুপ:
21/01/2026

সোনার হরিণের মূল্য কি আরও বেড়ে যাবে...!

পে-স্কেল চালু হলে নতুন বেতন কাঠামো হবে এরুপ:

21/01/2026

শটকাট অংক

21/01/2026

ধর্ষণের স্বীকার।
মানুষের কাছে এই বোতলটি ও নিরাপদ না।

পেটে ব্যথার অবস্থান বোঝা জরুরি কারণ জেনে নিন।
18/01/2026

পেটে ব্যথার অবস্থান বোঝা জরুরি কারণ জেনে নিন।

15/12/2025

বিয়ে করলে প্রেম করে করবো কারন আমার অপরিচিত মানুষের সাথে ঘুমাতে লজ্জা লাগে..!!🤭😅

15/12/2025

নার্স মেয়েই পারফেক্ট বিয়ে জন্য। কারণ নার্সরা ধৈর্যশীল, পরিশ্রমী, মমতাময়ী, সাংসারিক🥰🥰

সংকোচ নয় সচেতন হোন,বয়স ৩০+ হলেই কোন সমস্যা না হলেও VIA পরিক্ষা করান.....জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাং...
06/12/2025

সংকোচ নয় সচেতন হোন,বয়স ৩০+ হলেই কোন সমস্যা না হলেও VIA পরিক্ষা করান.....

জরায়ু ক্যান্সারের রোগী দেশে হু হু করে বাড়ছে। বাংলাদেশেও এটি মৃত্যুহারের জন্য দায়ী রোগগুলোর তালিকায় রয়েছে। আমাদের দেশের অনেক নারীই জানেন না, বিনামূল্যে জরায়ু মুখের পরীক্ষা করানো যায়। সব সদর হাসপাতালে এবং সরকারি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে এ সেবা পাওয়া যায়। বয়স ত্রিশ পার হলে কোনো লক্ষণ ছাড়াই জরায়ু মুখ পরীক্ষা করানো উচিত। ক্যান্সার শুধু নিজেকে নয়, একটি পরিবারকে পথে বসিয়ে দেয়। আশার কথা পূর্ব লক্ষণ ধরা পড়লে ক্যান্সার থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

অপেক্ষার প্রহর শেষ সবার😌😌
16/11/2025

অপেক্ষার প্রহর শেষ সবার😌😌

আমি দরজায় পা রাখতেই স্ত্রী চিৎকার করে উঠলো, — “কোথায় ছিলে আজ সারাদিন? অফিসেও খোঁজ নিয়েছি, ওরা বলেছে তুমি আজ যাওনি!”আমি এ...
03/11/2025

আমি দরজায় পা রাখতেই স্ত্রী চিৎকার করে উঠলো,
— “কোথায় ছিলে আজ সারাদিন? অফিসেও খোঁজ নিয়েছি, ওরা বলেছে তুমি আজ যাওনি!”

আমি একটু ইতস্তত করে বললাম
— “মানে… আমি আসলে…”

স্ত্রী আমার কথা শেষ করতে না দিয়েই চিৎকার করে উঠল,
— “কথা ঘুরিও না! আমি সব বুঝি! আর এই ব্যাগটা? পুরোনো কাপড়ভর্তি ব্যাগ আবার কোথা থেকে আনলে?”

আমি দীর্ঘশ্বাস ফেলে তারপর শান্ত কণ্ঠে বললাম
— “আমি গ্রামে গিয়েছিলাম… মা’কে আনতে।”

স্ত্রীর মুখের রঙ মুহূর্তেই পাল্টে গেল। চোখ বড় বড় করে তাকিয়ে রইল আমার দিকে, তারপর বিস্ময় আর বিরক্তির মিশ্র সুরে বলল,
— “কি বললে? তোমার মা? তুমি ওনাকে এখানে নিয়ে এসেছ?”

তার চোখে তখন যেন আগুন জ্বলছে।
— “তোমার ভাইয়ের বাড়িতে তো ছিলেন, ওখানেই থাকতে পারতেন! এখানে আবার কেন? এই ছোট ফ্ল্যাটে, যেখানে জায়গা হয় না বাচ্চার পড়ার বই রাখার!”

আমি আস্তে বললাম
— “ওখানে রাখা আর সম্ভব নয়।”

আমার স্ত্রী রাগে কাঁপতে কাঁপতে বলে উঠল,
— “এখানে কি স্বর্গরাজ্য নাকি? সাত হাজার টাকায় সংসার চালাই, বাচ্চার স্কুল, বাজার, বিল—সব কিছুর চাপ আমার উপর! এখন আবার এক জন বৃদ্ধা?”

স্ত্রীর কথার সঙ্গে সঙ্গে ঘরের কোণে বসা সাদা শাড়ি পরা আমার বৃদ্ধা মা" কাঁপা হাতে মুখ ঢেকে কাঁদছিলেন।
তার চোখে জল, মুখে লজ্জা ও অসহায়তার ছাপ।

আমি নিচু গলায় বললাম
— “ওনাকে আমার ভাই আর ভাবি বাড়ি থেকে তাড়িয়ে দিয়েছে। তাই নিজে গিয়ে এনেছি।”

স্ত্রী তখনও কিছুটা রাগে ফুঁসছে, কিন্তু হঠাৎই বৃদ্ধ মায়ের মুখটা দেখতে গিয়ে থমকে গেল।
চোখ বড় হয়ে গেল, ঠোঁট কেঁপে উঠল—
— “মা… তুমি?”

বৃদ্ধা মুখ তুলে তাকালেন। চোখে ক্লান্তি, মুখে বেদনা। ধীরে বললেন,
— “হ্যাঁ মা, তোর ভাই আর ভাইয়ের বৌ বলেছে আমি নাকি বোঝা হয়ে গেছি। কোথায় যাব বল?”

স্ত্রীর মুখে আর কথা নেই। হাত কাঁপছে, চোখে জল।
সে আমার দিকে তাকিয়ে ফিসফিস করে বলল,
— “তুমি আগে বললে না কেন? মা তো মা, তোমার হোক বা আমার—মা তো একজনই!”

ঘরের বাতাস যেন এক মুহূর্তে থেমে গেল।
বৃদ্ধা "মা" ধীরে ধীরে বললেন,
— “না মা, আমি থাকব না এখানে। আমাকে বৃদ্ধাশ্রমেই রেখে আসো।”

সবাই একসাথে চমকে উঠলাম, আমার স্ত্রী অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে বলল,
— “মা! তুমি এমন কথা বলছ কেন?”

বৃদ্ধা কেঁপে কেঁপে বললেন,
— “যে ঘরে এক মা ঠাঁই পায় না, সেখানে অন্য মা’য়েরও থাকা উচিত নয়।
আমি জানি, আমি যেমন একজন সন্তান জন্ম দিয়েছি, তেমনি একটা কন্যাও জন্ম দিয়েছি—যে এখন নিজের মায়ের জায়গা বোঝে না। তাই আমার থাকার জায়গা বৃদ্ধাশ্রমেই মানায়।”

তার কণ্ঠে ছিল না কোনো রাগ, শুধু গভীর শান্তি আর তীব্র বেদনা।
তিনি আরও বললেন,
— “কিন্তু একটাই কথা মনে রেখো মা, সময় বড় কঠিন বিচারক।
আজ যেভাবে আমি বোঝা হয়েছি, একদিন হয়তো তুমিও কারও চোখে বোঝা হয়ে যাবে। তখন বুঝবে, এক মায়ের হৃদয় কতটা বড় হতে হয় সন্তানকে ক্ষমা করতে।”

স্ত্রীর চোখ থেকে অঝোরে জল পড়তে লাগল।
সে মাটিতে বসে পড়ল, বৃদ্ধার পায়ের কাছে মাথা রাখল, কাঁদতে কাঁদতে বলল,
— “মা, আমায় ক্ষমা করো। আমি বুঝতে পারিনি—একটা মা শুধু সন্তান জন্ম দেয় না, সে ঘরটাকেও বাঁচিয়ে রাখে।”

বৃদ্ধা তার মাথায় হাত রাখলেন, কাঁপা গলায় বললেন,
— “ক্ষমা করার কিছু নেই মা। সময়ই সব শেখায়।
মা তো শেষ পর্যন্ত মাই থাকে—তোর সুখই চাই।”

ঘরে তখন শুধু কান্নার শব্দ।
বাইরে বৃষ্টি পড়ছে টুপটাপ, যেন আকাশও কাঁদছে এক ভুলে যাওয়া মায়ের জন্য।

আসলে
যে ঘরে মা’য়ের জন্য জায়গা হয় না, সেই ঘর কখনো শান্তি পায় না।
মা শুধু মানুষ নন—তিনি আশীর্বাদ, তিনি ঘরের প্রাণ।
❣️❣️

আবাসিক হোটেলে ঢুকলাম। আমার দু' মিনিট আগেই কোথায় থেকে এসে এক মেয়ে(বয়স ২০/২২ বছর) হোটেলের ভেতরে ঢুকলো।এই ভোরবেলায় একা একটা...
01/11/2025

আবাসিক হোটেলে ঢুকলাম।
আমার দু' মিনিট আগেই কোথায় থেকে এসে এক মেয়ে(বয়স ২০/২২ বছর) হোটেলের ভেতরে ঢুকলো।
এই ভোরবেলায় একা একটা মেয়ে হোটেলে ঢুকছে। অনুমান করছি হোটেলের পরিবেশ কেমন হতে পারে।
কিন্তু আশে পাশেতো আর নেইও আবাসিক হোটেল। আত্মীয়'র বাসায় যেতে হলে এ মুহূর্তে গাড়িও পাবো না। তাছাড়া তারা ফোনও ধরে না।

হোটেল ম্যানেজারকে বললাম- আমি জাস্ট তিন চার ঘন্টা থাকবো। এখন ভোর। ইন্টারভিউ সকাল ১০ টায়। শহরে এই ভোরবেলা কোনো আত্মীয়স্বজনকে বিরক্ত করতে চাই না।

ম্যানেজার আমার দিকে ভ্রু বাঁকিয়ে তাকালেন। যেন এমন হাবা গোবা এই হোটেলে এর আগে কেউ আসেনি।
কিম্বা হতে পারে সবাই এই স্টাইলেই কথা বলে। পরে ঠিকই আনন্দ ফূর্তি চায়।
আমাকে একটা রুম দিলেন তিনি। চার তলায়।

রুমটা খুবই ছোট।
মেঝেটা ভয়ানক নোংরা। যাক কোনোরকম একটু ঘুমাতে পারলেই হবে।

আমার ব্যাগে অল্প কিছু টাকা আছে।

একটু নিরাপত্তাহীনতায়ও ভুগছিলাম।
ঘুমিয়ে পড়লে কী হবে? ঘুম থেকে উঠে ব্যাগ পাবোতো। কিম্বা দেখা গেলো পুলিশ এসে রেইড এলার্ট দিয়েছে ।
তখন খবরের কাগজে ছাপা হবে-

"রাজধানীর আবাসিক হোটেল থেকে তিন নারীসহ এক যুবক আটক"

নিজস্ব প্রতিনিধি: রাজধানীর এক আবাসিক হোটেল থেকে অনৈতিক, অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগে ২৭ বছরের এক যুবক আটক হয়েছে। সাথে ৩ নারীকেও আটক করেছে পুলিশ।

যুবকের ব্যাগে প্রায় এক হাজার পিস ইয়াবা ট্যাবলেটও পাওয়া গেছে। জানা যায় যুবকটির ব্যাগে হাফকেজি গাজাও ছিল...। পুলিশ যুবককে তেরো দিনের রিমান্ডে নিতে চাইলে আদালত তিনদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করে। যুবকের অসামাজিক কাজের ভিডিও ফুটেজ আমাদের কাছে আছে৷

আমার ব্যাগে এইসব কিছু না থাকলেও কিছু আন্ডারগ্রাউন্ড 'সাংবাদিক হয়তো এভাবেই লিখতেন বা লেখেন। বিরাট অনুসন্ধানী রিপোর্ট।

যাহোক এমন সাত পাঁচ ভাবতে ভাবতে ঘুমিয়ে পড়ি।

কিছুক্ষণ পর ঘুম ভেঙে যায়।

দরজা ধাক্কাচ্ছে কেউ একজন। জানালা খুলে দেখি বাইরে মাত্র কিছুটা আলো ফুটেছে। এই সময়ে দরজায় কে ধাক্কা দেবে?

আতংক নিয়ে দরজা খুললাম। পুলিশ নয়তো ?

দেখি এক মেয়ে। শাড়ি পরা। ফর্সা। বেশ উচু এবং লম্বা। বললাম কী চাই ?

বলল- দরজা খুলেন। আমি রুম পরিস্কার করি এই হোটেলেই।

মেয়েটাকে কোনোভাবেই মনে হয় না কাজের মেয়ে। একেবারে ভদ্র গোছের গৃহিণী হবে।
বললাম- লাগবে না। আপনি পরে আসেন।

সে ধমক দিয়ে বলল-
"আপনি বললে হবে না। ম্যানেজার পাঠাইছে আমারে।"

কী আজব। যে হোটেলের মেঝে নোংরায় কিছু দেখা যায় না সেখানে কিনা ভোরবেলায় হাজির পরিচ্ছন্নতা কর্মী!

আমার মাথা খুব ব্যাথা করছে। টানা ১৯ ঘন্টা জার্নি করেছি।

বিছানায় বসে আছি। কখন তার মেঝে পরিস্কার করা হবে। সে মেঝে পরিস্কার করছে।

তবে মেঝের দিকে তার চোখ নেই। চোখ আমার দিকে।

আমার কিছুটা আশংকা হতে লাগলো। বুঝে গেছি এই মহিলা কাজের বেটি নয়।
শ্রেফ হোটেল ম্যানেজারের কূটকৌশল। এ অবশ্যই পতিতা।

সে আমার দিকে তাকিয়েই তার বুক থেকে আঁচল খুলে ফেললো।
মুচকি হাসি দিলো। আমি লজ্জিত হলাম। এমনটা আগে দেখিনি। তবে শিউরে উঠলাম কিছুটা।
পুরুষের কাম মনোভাবে হয়তো এই শিউরে ওঠার বহি:প্রকাশ।

বলল- মামা কিছু লাগবে আপনার?

কথা শেষ না করেই এসে আমার বিছানায় বসে পড়লো।

আমি একটু সরে বসলাম।

- "মামা বেশি লাগবো না। অল্প টাকায় কাজ হবে। আপনি যেভাবে চান।"

পৃথিবীতে সবচেয়ে বেশি অপরাধ সংগঠিত হয় নারী পুরুষের এই অবাধ মেলামেশায়। নারীর প্রতি পুরুষের, পুরুষের প্রতি নারীর এই আকর্ষণে।

ঠিক আমি যে পরিবেশে আছি তাতে করে এহেন পাপকম্ম ঘটতে খুব একটা সময়ও লাগবে না।

নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা বড্ড কঠিন।

আমি প্রায় লাফ দিয়ে বাইরে এলাম।

পাশের রুমগুলোতেও আরো সব মেয়ে ঢুকে গেছে। বেশ কয়েকজন লোককে বারান্দায় অপেক্ষা করতে দেখলাম।

দেখতে সবাই ভদ্রলোক।

তাদের একজন বারান্দায় দাঁড়িয়ে এক মেয়ের সাথে হাসি ঠাট্টা করছে। গায়ে হাত দিচ্ছে। খুব অশ্লীল সে ঠাট্টা।

এদের বাড়িতে নিশ্চয় স্ত্রী সন্তান আছে। আছে মা বাবা।

আমার মোবাইল বেজে উঠলো। ফোন করেছেন মা।

"তুই ঠিকমতো ঢাকায় গেছিস তো বাপ..."

বললাম - মা তুমি ঘুমাও নাই ? এখনো জেগে?

কথা শেষ করতেই আমার ভেতরে কেমন একটা অনুভূতি আসলো।

আমি এক মায়ের সন্তান। যে মা আমাকে জন্ম দিয়েছেন সে মা আজ অবধি কষ্ট করে চলেছেন...
শুধু মাত্র মানুষের মতো মানুষ হবো এই কামনায়...

আমি অল্প কিছু মুহূর্তের আনন্দের জন্য তার সারাজীবনের কষ্টকে ধুলিস্মাত করবো?
হতেই পারে না।

আমি এক মুহূর্ত দেরি না করে হোটেল কক্ষ থেকে বেরিয়ে এলাম।

রাস্তায় এসে এক চা স্টলে বসলাম...

সৃষ্টিকর্তার অশেষ রহমত। পাপে লিপ্ত হবার মুহূর্তে মায়ের ফোন পেয়েছিলাম বলে হয়তো বেঁচে গেছি। বিবেক নাড়া দিয়েছে...

আমার সামনে এক মা কোলে বাচ্চাকে নিয়ে বসে চা খাচ্ছেন। ইনি হয়তো ফুটপাতে কোথাও থাকেন।
তবুও সন্তানকে বুকে আগলে রেখেছেন।
এ সন্তান একদিন মানুষ হবে। চরিত্রবান হয়ে বেড়ে উঠবে...। তবেই না মায়ের কষ্ট সফল...
এই সফলতা আনতে, নিজেকে পাপ থেকে দূরে রাখতে সন্তানেদেরকেও চাই একটু বুঝে শুনে চলা...

সকাল হয়ে গেছে। সূর্যের মিষ্টি আলো গায়ে এসে পড়ছে।। নতুন পবিত্র একটি দিনের শুরু এভাবেই...

Address

Dhaka
Tongi

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nursing & BcsTarget posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram