Dr. Nafia Sharmin

Dr. Nafia Sharmin MBBS, DGO (BSMMU), BCS (Health)
Shaheed Ahsan Ullah Master General Hospital, Tongi, Gazipur- 1710

21/07/2025

আপনি স্বেচ্ছায় রক্ত দিতে আগ্রহী হন, অনুগ্রহ করে এখনই চলে আসুন এই হাসপাতাল গুলোতে

1. ঢাকা মেডিক্যাল বার্ন ইউনিট
2. কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল
3. উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ
4. কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল
5. উত্তরা উইমেন্স মেডিক্যাল কলেজ
6. মনসুরআলী মেডিকেল কলেজ

প্রচুর রক্ত লাগতে পারে।

05/11/2023

সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া

সাদা স্রাব বা লিউকোরিয়া নির্গত হওয়া নারীদের একটি সাধারণ ও স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। সাধারণত একজন মেয়ের প্রথম মাসিক হওয়ার সময় থেকেই যোনিপথ থেকে স্রাব শুরু হয় এবং চলতে থাকে মেনোপজ পর্যন্ত।

স্রাব কি?
স্রাব একটি স্বচ্ছ তরল, যা যোনিকে আর্দ্র ও পিচ্ছিল রাখে এবং যোনিতে জীবাণুর সংক্রমণে বাধা দেয়। যোনিপথ থেকে নিঃসৃত সাদা স্রাব জরায়ু, যোনিপথ এবং যোনির সকল মৃত কোষ, ব্যাকটেরিয়া এবং সবধরনের নিঃসরণ নিয়ে গঠিত। এটি বের হবার মাধ্যমে যোনি ও মূত্রনালী সংক্রমণ মুক্ত থাকে।

স্রাব দেখতে কেমন?
পরিষ্কার বা সাদা রঙ, সামান্য গন্ধ থাকে কিন্তু তীব্র গন্ধ নয়, অন্তর্বাসে একটি হলুদ আভা ধারণ করে, মাসিক চক্রের ওপর নির্ভর করে এর ধরণ পরিবর্তন হয়।
গর্ভাবস্থায় শরীর স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি পরিমাণে যোনি স্রাব তৈরি করতে পারে। বয়স বাড়ার সাথে সাথে পরবর্তীতে শরীর কম স্রাব উৎপন্ন করে এবং আস্তে আস্তে তা বন্ধও হয়ে যায়।

স্বাভাবিকভাবেই অতিরিক্ত সাদা স্রাব হয়
- মাসিকের ঠিক আগে
- দুই মাসিকের মধ্যবর্তী সময়ে
- গর্ভবতী অবস্থায়
- যৌন উত্তেজনার সময়ে
- জন্মবিরতিকরণ পিল সেবন করলে

অস্বাভাবিক স্রাব
তবে হঠাৎ সাদা স্রাব অস্বাভাবিক পরিমাণে বেড়ে গেলে তা মাসিকের রাস্তায় ইনফেকশনের লক্ষণ হতে পারে। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে জরায়ুসহ অন্যান্য অঙ্গে নানান জটিলতা দেখা দিতে পারে। নিচের পাঁচ ধরনের স্রাবের ক্ষেত্রে দ্রুত ডাক্তার দেখানো প্রয়োজন।

১. সাদা রঙের চাকা চাকা স্রাব: দেখতে দই অথবা পনিরের মতো সাদা ও চাকা চাকা হয়।

২. ধূসর স্রাব: যোনিপথের ইনফেকশনে ধূসর বা ছাই রঙের স্রাব দেখা যায়। এক্ষেত্রে স্রাবে তীব্র দুর্গন্ধ থাকে। তবে কোনো ব্যথা অথবা চুলকানি থাকে না।

৩. সবুজ স্রাব: গনোরিয়া রোগে সবুজ রঙের ঘন স্রাব যেতে পারে।

৪. সবুজাভ হলুদ স্রাব: পরজীবী ঘটিত ইনফেকশনে এমন সবুজের সাথে হলুদ মেশানো রঙের হতে পারে।

৫. লালচে স্রাব: লালচে স্রাব কখনো কখনো স্বাভাবিক হতে পারে। আবার অনেক সময় ইনফেকশন ও ক্যান্সারের মতো মারাত্মক রোগের লক্ষণ হতে পারে।

_
ডা: নাফিয়া শারমিন
এমবিবিএস, ডিজিও (বিএসএমএমইউ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

23/11/2022
19/10/2022

অনিয়মিত মাসিক

যেকোনো বয়সী নারীর অনিয়মিত মাসিক হতে পারে। সাধারণত মাসিক চক্র বা পিরিয়ড সাধারণত ২৮ দিন পরপর হয়। যদি ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পরে হয়ে যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি স্থায়ী হয়, তখন তাকে অনিয়মিত হিসেবে ধরা হয়।

অনেক কারণে অনিয়মিত মাসিক হতে পারে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য গুলো নিন্মরূপ:

● অতিরিক্ত মানসিক চাপ
● শরীরের ওজন বেড়ে যাওয়া
● হঠাৎ ওজন কমা
● মাত্রাতিরিক্ত শরীরচর্চা
● পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম
● জরায়ুর টিউমার ও এন্ডোমেট্রিওসিস
● থাইরয়েডের সমস্যা
● জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল এবং কপার টি ব্যবহার
● সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ালে
● ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরন হরমোনের তারতম্যের কারণে।

অনিয়মিত মাসিক: যেসব সমস্যা হতে পারে
● এক মাসে রক্তপাত বেশি তো অন্য মাসে একেবারে কম হতে পারে।
● বেশি সময় ধরে রক্তপাত হওয়া এবং পরিমাণে বেশি রক্ত যাওয়া।
● সন্তান ধারণের ক্ষমতা কমে যাওয়ার ঝুঁকি।
● কিছু ক্ষেত্রে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ।
● মানসিক অশান্তি এবং মেজাজ খিটখিটে হওয়া।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন
● ২১ দিনের আগে বা ৩৫ দিনের পর মাসিক হলে।
● দুই মাসিক চক্রের মধ্যবর্তী সময়ের ব্যবধান দিন দিন পরিবর্তিত হতে থাকলে।
● পিরিয়ডের স্থায়িত্ব যদি ৩ দিনের কম বা ৭ দিনের বেশি হয়।
● অতিরিক্ত রক্তপাত এবং পেটে অসহ্য ব্যথা অনুভব করলে।
● বছরে তিনবার বা তার কম মাসিক হলে।

প্রতিরোধে করণীয়:
● স্বাস্থ্যকর জীবনাচরণে গুরুত্ব দিতে হবে।
● মানসিক চাপমুক্ত থাকুন, অতিরিক্ত উদ্বেগ পরিহার করা।
● ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা।
● নিয়মিত ব্যায়াম করা। ।
● ফাস্ট ফুড বা জাঙ্ক ফুড এড়িয়ে চলা। পুষ্টিকর ও অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া।

_
ডা: নাফিয়া শারমিন
এমবিবিএস, ডিজিও (বিএসএমএমইউ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

14/10/2022

মেয়েদের হরমোনজনিত সমস্যা

শারীরবৃত্তীয় জটিল প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই শরীর থাকে সুস্থ। শরীরে কখন কী পরিবর্তন হচ্ছে বা শরীরের মধ্যে কি চলছে তা সহজে ধরা পড়ে না। অনেক সময় শরীর আমাদের সমস্যার কথা জানান দিলেও আমরা উপেক্ষা করে যাই। শরীরের মধ্যে রয়েছে বিভিন্ন গ্রন্থি আর এইসব গ্রন্থি থেকেই প্রয়োজনীয় হরমোন নিঃসৃত হয়। এসব হরমোন শরীরের একাধিক ক্রিয়াকর্ম ঠিক রাখে, ডায়াবেটিস, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে, ঘুম এবং মন ভাল রাখে। এইসব হরমোনের ক্রিয়াকর্মে যদি কোনও গলদ দেখা যায় সেখান থেকে আসতে পারে একাধিক সমস্যা।

মেয়েদের শরীরে এইসব হরমোনের অসামঞ্জস্যতা অনেক বেশি বুঝতে পারা যায়। চুল পড়ে যাওয়া, ত্বক খসখসে হয়ে যাওয়া, ব্রণ, ওজন বেড়ে যাওয়া, শরীরে লোমের আধিক্য এসব হরমোনের সমস্যা থেকেই হয়। সাধারণত ১৮ বছর বয়স থেকেই মেয়েদের মধ্যে বাড়তে শুরু করে এইসব সমস্যা। এছাড়াও মেয়েদের PCOS/ PCOD-এর সমস্যায় মূলেও রয়েছে হরমোনের অসামঞ্জস্যতা। খিদে কমে যাওয়া, ওজন কমে যাওয়া, খিটখিটে মেজাজ এসবের পিছনেও রয়েছে হরমোনের ভূমিকা।

কখন চিকিৎসকের কাছে যাবেন?
দিনের পর দিন যদি মানসিক অবসাদে ভোগলে, হজম শক্তি কমে গেলে, ঘুমের সমস্যা হলে, ব্রণ হলে, অকারণে মাথা গরম-বিরক্তি… এই সব সমস্যায় দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

_
ডা: নাফিয়া শারমিন
এমবিবিএস, ডিজিও (বিএসএমএমইউ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
উপজিলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম। এটি সারা বিশ্বের নারীদের একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীরা এ...
12/10/2022

পিসিওএস বা পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম।

এটি সারা বিশ্বের নারীদের একটি বড় স্বাস্থ্য সমস্যা। ১৫ থেকে ৪৫ বছর বয়সী নারীরা এ সমস্যায় বেশি আক্রান্ত হন। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতি ১০ জন নারীর মধ্যে ১ জনের এ সমস্যা আছে। পিসিওএস আক্রান্ত নারীরা অনিয়মিত মাসিক, ত্বক কালচে হয়ে যাওয়া, ওজন বৃদ্ধি, ব্রণ ও আঁচিল, মুখে অবাঞ্ছিত লোম, চুল পড়ে যাওয়াসহ নানা বিব্রতকর শারীরিক সমস্যার শিকার হন।

কেন হয়
এটি বংশগত এবং হরমোনাল সমস্যা। নারীর শরীরে পুরুষ হরমোন এন্ড্রোজেন স্বাভাবিকের তুলনায় বেড়ে গেলে এ সমস্যা দেখা দেয়।

জটিলতা
পিসিওএস একটি মেটাবলিক সমস্যা। চিকিৎসা না করা হলে দীর্ঘ মেয়াদে টাইপ-২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদ্‌রোগ, ফ্যাটি লিভার ডিজিজ, এন্ডোমেট্রিয়াল ক্যানসার বা জরায়ুর ক্যানসার ইত্যাদি জটিলতা হতে পারে। বন্ধ্যাত্বের একটি অন্যতম কারণও হলো পিসিওএস।

সন্তানধারণ
পিসিওএস আক্রান্ত নারীদের ডিম্বাশয় থেকে প্রতি মাসে ডিম্বস্ফোটন বা ওভুলেশনে সমস্যা হয় বলে তাঁরা বন্ধ্যত্বের শিকার হন। পিসিওএসে আক্রান্ত অনেকেরই ধারণা, তাঁদের কখনো সন্তান হবে না। কিন্তু ওজন কমিয়ে এবং চিকিৎসার মাধ্যমে মাসিক নিয়মিত করে আবার ডিম্বস্ফোটন সম্ভব, ফলে সন্তান জন্মদানের সম্ভাবনাও বাড়ে।

কীভাবে জীবনাচরণ পাল্টাবেন
- নিয়মিত ৩০ মিনিট থেকে ১ ঘণ্টা হাঁটার অভ্যাস।

- সুষম খাদ্য- শর্করা বা কার্বোহাইড্রেট কমিয়ে প্রোটিন ও আঁশযুক্ত খাবার বেশি খাওয়া।

- প্রচুর পরিমানে তাজা ফল ও শাকসবজি খাওয়া।

- দিনে ৮ থেকে ১০ গ্লাস তরল জাতীয় খাবার/পানি পান করা।

- জাংক ফুড, ফাস্ট ফুড, উচ্চ ক্যালরিযুক্ত খাবার পরিহার করা।

- ঘুমানোর অন্তত চার ঘণ্টা আগে রাতের খাবার খাওয়া।

- রাতজাগা যাবে না। জীবনযাপনে শৃঙ্খলা মেনে চলতে হবে।

_
ডা: নাফিয়া শারমিন
এমবিবিএস, ডিজিও (বিএসএমএমইউ), বিসিএস (স্বাস্থ্য)
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, মির্জাপুর, টাঙ্গাইল।

Address

Uttarkhan Mazar Road
Uttar Khan
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nafia Sharmin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram