20/01/2026
PCOD (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ) এবং PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম) প্রায়শই একই অর্থে ব্যবহৃত হলেও, PCOD বলতে ডিম্বাশয়ে সিস্ট জমা হওয়া বোঝায়, যা একটি বিস্তৃত অবস্থা; আর PCOS হলো একটি আরও গুরুতর হরমোনজনিত ব্যাধি, যেখানে পুরুষ হরমোনের (অ্যান্ড্রোজেন) মাত্রা বেড়ে যায়, অনিয়মিত পিরিয়ড এবং বন্ধ্যাত্বের মতো লক্ষণ দেখা দেয়, এবং এটি PCOD-এর চেয়ে বেশি ব্যাপক। PCOD সাধারণত খাদ্যাভ্যাস ও ব্যায়ামের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রণ করা গেলেও, PCOS-এর জন্য হরমোন ও বিপাকীয় ভারসাম্য পুনরুদ্ধার জরুরি, কারণ এটি শরীরের অন্যান্য সিস্টেমকেও প্রভাবিত করে।
PCOD (পলিসিস্টিক ওভারিয়ান ডিজিজ)
সংজ্ঞা: এটি ডিম্বাশয়ে ছোট ছোট সিস্ট তৈরি হওয়াকে বোঝায়, যা অপরিণত ডিম বা ডিম্বাণু তৈরি করতে পারে।
প্রধান সমস্যা: ডিম্বাশয় সিস্টে পূর্ণ থাকে, কিন্তু হরমোনের ভারসাম্যহীনতা ততটা গুরুতর নাও হতে পারে।
ব্যবস্থাপনা: স্বাস্থ্যকর জীবনধারা, যেমন সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়ামের মাধ্যমে এটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।
PCOS (পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম)
সংজ্ঞা: এটি একটি হরমোনজনিত সিনড্রোম, যা PCOD-এর চেয়ে বেশি ব্যাপক এবং এতে উচ্চ অ্যান্ড্রোজেন (পুরুষ হরমোন), অনিয়মিত পিরিয়ড এবং ডিম্বাশয়ে সিস্ট থাকে।
প্রধান সমস্যা: হরমোনের ভারসাম্যহীনতা গুরুতর, যা অনিয়মিত ডিম্বস্ফোটন, ওজন বৃদ্ধি, অবাঞ্ছিত লোম ও বন্ধ্যাত্বের কারণ হতে পারে।
ব্যবস্থাপনা: জীবনযাত্রার পরিবর্তনের পাশাপাশি, হরমোন থেরাপি এবং বিপাকীয় চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে, কারণ এটি শরীরের অন্যান্য সিস্টেমকেও প্রভাবিত করে।
মূল পার্থক্য
PCOD: মূলত ডিম্বাশয়ের একটি কাঠামোগত সমস্যা (সিস্ট)।
PCOS: PCOD-এর চেয়েও গুরুতর, এটি একটি সিনড্রোম যেখানে হরমোন এবং বিপাকীয় সমস্যাগুলো প্রধান, যা বন্ধ্যাত্ব ও অন্যান্য জটিলতা সৃষ্টি করে।
সহজ ভাষায়, PCOD হলো একটি অবস্থা যেখানে সিস্ট থাকে, আর PCOS হলো এমন একটি সিনড্রোম যা সিস্টের পাশাপাশি হরমোনের গুরুতর ভারসাম্যহীনতা এবং বিপাকীয় সমস্যা নিয়ে আসে।