SHEFA DAWAKHANA

SHEFA DAWAKHANA Ayurvedic & Unani doctor �

 #যৌন_শক্তি_বৃদ্ধিতে_কিসমিস কিসমিসে যৌ,নশক্তি বৃদ্ধির উপকারিতা। আর্জিনিন (Arginine) সমৃদ্ধ। কিসমিসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসি...
10/11/2025

#যৌন_শক্তি_বৃদ্ধিতে_কিসমিস

কিসমিসে যৌ,নশক্তি বৃদ্ধির উপকারিতা। আর্জিনিন (Arginine) সমৃদ্ধ। কিসমিসে থাকা অ্যামিনো অ্যাসিড আর্জিনিন পুরুষদের শুক্রাণুর সংখ্যা ও গতিশক্তি বৃদ্ধি করে। এটি সহবাসের সময় স্থায়িত্ব ও উত্তেজনা বজায় রাখতে সাহায্য করে।
রক্তসঞ্চালন বৃদ্ধি করে। কিসমিসে থাকা আয়রন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট শরীরে রক্তপ্রবাহ বাড়ায়, ফলে যৌ,নাঙ্গে অক্সিজেন সরবরাহ ভালো হয়। এর ফলে পুরুষদের উত্থান ক্ষমতা (er****on) উন্নত হয়।
শরীরের শক্তি ও সহনশক্তি বাড়ায়
প্রাকৃতিক গ্লুকোজ ও ফ্রুক্টোজ দ্রুত শক্তি দেয়, ফলে ক্লান্তি কমে এবং যৌ,ন কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
হরমোন ব্যালান্স করে
কিসমিসে থাকা বোরন টেস্টোস্টেরন হরমোনের উৎপাদনে সহায়ক, যা যৌন ইচ্ছা (libido) বৃদ্ধি করে।

যৌ,নশক্তি বাড়াতে খাওয়ার নিয়মঃ

➡️পদ্ধতি–১ঃ
রাতে ঘুমানোর আগে ৮–১০টি কিসমিস এক গ্লাস পানিতে ভিজিয়ে রাখেন। সকালে খালি পেটে সেই ভেজানো কিসমিস খাও এবং পানি খেয়ে ফেলুন। নিয়মিত ১৫–২০ দিন খেলে ফল মিলবে ইনশাআল্লাহ।

➡️পদ্ধতি–২ঃ
৮–১০টি কিসমিস দুধে সেদ্ধ করে খান. এটি হজমযোগ্য ও শক্তিবর্ধক, যৌ।ন শক্তি বাড়াতে দারুণ কার্যকর।

ধন্যবাদান্তে
শেফা দাওয়াখানা।
স্বাস্থ্য সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য ও চিকিৎসা পেতে এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 097346 62007 ফোন অথবা
হোয়াটসঅ্যাপ। মেসেঞ্জারে নক দিবেন না। সকাল ৮টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত কথা বলতে পারবেন ইনশাআল্লাহ
যেসকল রোগের স্থায়ী চিকিৎসা করা হয় 👇
#যৌন_সকল_রোগ
#অশ্ব_গেজ_পাইলস_ফিস্টুলা
#আমাশয়
#এলার্জি
#বাত
#ডায়বেটিকস
#বন্ধাত্ব
#গ্যাষ্টিক
#সাদাস্রাব
#অনিয়মিত_মাসিক
#স্বাস্হ্যহীনতা
#হাঁফানি

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস!হিজরির ২য় সনে ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে স...
18/03/2025

আজ ১৭ রমজান ঐতিহাসিক বদর দিবস!

হিজরির ২য় সনে ১৭ রমজান (১৭ মার্চ ৬২৪ খ্রিষ্টাব্দ) মদিনার মুসলিম ও মক্কার কুরাইশদের মধ্যে সংঘটিত হয় ইসলামের ইতিহাসে প্রথম প্রধান যুদ্ধ। এটি বদর নামক উপত্যকায় সংঘটিত হয়েছিল বলে একে গজওয়ায়ে বদর বলা হয়। হুজুর পাক ﷺ তাঁর ৩১৩ জন সাহাবাদের নিয়ে মক্কার হাজারোধিক কাফেরদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করে বিজয় লাভ করেছিলেন। এ যুদ্ধে মোট ১৪ জন সাহাবা শহীদ হন অপর পক্ষে ৭০জন মুশরিককে হত্যা ও আরো ৭০জনকে বন্দী করা হয়। বদরের যুদ্ধে মহান আল্লাহ তাআলা সরাসরি ফেরেস্তা প্রেরণের মাধ্যমে মুসলমানদের সাহায্য করেন। এ সম্পর্কে পবিত্র কোরআনুল কারিমে এরশাদ হচ্ছে,

'‘বদরের যুদ্ধে যখন তোমরা হীনবল ছিলে, আল্লাহ তো তোমাদের সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় করো, যাতে
তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করো।’'

(সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ১২৩-১২৫)

বদরের যুদ্ধে শহীদকৃত সাহাবাদের নামঃ

১. হযরত ওবায়দা ইবনে হারিছ (রাঃ) - মোহাজের।
২. হযরত ওমায়ের ইবনে আবু ওয়াক্কাস (রাঃ) - মোহাজের।
৩. হযরত যুশ-শিমালাইন (রাঃ) - মোহাজের।
৪. হযরত আকিল ইবনে বুকাইল (রাঃ) - মোহাজের।
৫. হযরত মাহজা ইবনে সালেহ (রাঃ)- মোহাজের।
৬. হযরত সাফওয়ান ইবনে বায়দা (রাঃ) - মোহাজের।
৭. হযরত সাদ ইবনে খায়সামা (রাঃ) - আনসার।
৮. হযরত মুবাশ্বর ইবনে আবদুল মুনযির (রাঃ) - আনসার।
৯. হযরত ওমায়ের ইবনে হুমাম (রাঃ) - আনসার।
১০. হযরত ইয়াযিদ ইবনে হারিছ (রাঃ) - আনসার।
১১. হযরত রাফি ইবনে মুয়াল্লাহ (রাঃ) - আনসার।
১২. হযরত হারিছা ইবনে সুরাকা (রাঃ) - আনসার।
১৩. হযরত আওফ ইবনে হারিছ (রাঃ) - আনসার।
১৪. হযরত মুআওবিয ইবনে হারিছ (রাঃ) - আনসার।

হে আল্লাহ! আজকের এই বিশেষ দিনে আপনার প্রিয় হাবীব ﷺ ও বদরী সাহাবাদের উসিলায় আমাদেরকে ক্ষমা করুন।

*আমিন*

 #গভীর_রাত... মুয়াজ্জিন মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে, "প্রিয় এলাকাবাসী.. ঘুম থেকে উঠুন, সাহরী খান, আজকে সাহরীর শেষ সময় ৪টা বেজে ২৫...
13/03/2025

#গভীর_রাত... মুয়াজ্জিন মাইকে ঘোষণা দিচ্ছে, "প্রিয় এলাকাবাসী.. ঘুম থেকে উঠুন, সাহরী খান, আজকে সাহরীর শেষ সময় ৪টা বেজে ২৫ মিনিট।"

পাশ ফিরে উঠতে যাবো, তখনই খেলাম বড় ধরনের একটা ধাক্কা..! আবছা আলোতে দেখলাম আমার মত দেখতে পাশে একজন শুয়ে আছে। এইটা আবার কে..? ভয়ে ভয়ে তাকে নাড়া দিলাম, দেখলাম অচেতন।
কোনো কথা বলছে না, শরীর ঠান্ডা।

কিছুক্ষণ পরেই মনে হলো একজন মারা গেছেন। চিন্তা করলাম এই লাশটা এখানে কেন..? আবার দেখতে পুরোপুরি আমার মত..! স্বপ্ন দেখছিনা তো..?
না.. সত্যিই তো...
অনেকক্ষণ চিৎকার করে সবাইকে ডাকার চেষ্টা করলাম। কিন্তু এ কি! কেউই আসছেনা..

একটু পর দেখলাম বোন রুমের লাইট জালালো এবং ওই লাশটার কাছে এসে বললো,ভাইয়া সেহরী খাবি না? ওঠ, সময় হয়েছে।"

আমিতো পুরোই অবাক, এইসব হচ্ছেটা
কি..? ওর কাছে গিয়ে বললাম, "অই.. তোর কি মাথা খারাপ হইসে? লাশটা এই রুমে আসলো কিভাবে? এইটা কার লাশ?"

দেখলাম, সে আমার কথায় কোন কর্ণপাতই করলো না। সেও লাশটা ধরে অবাক হলো এবং চিৎকার করে উঠলো..

মুহুর্তেই পাশের রুম থেকে আম্মু-আব্বু এসে স্তব্ধ। ধপ করে খাটে বসে লাশটাকে ধরে ঝাঁকাতে লাগলো এবং চিৎকার করতে লাগলো, "বাবা কি হইসে তোর..? কথা বলছিস না কেনো..? কথা বল...।" আম্মু ব্যাপারটা বোঝার সাথে সাথেই বেহুঁশ।

চিৎকারের আওয়াজে চাচা-চাচিরা, ভাবি, কাজিনরা সবাই জড়ো হলো। লাশটা দেখেই সবাই ইন্নালিল্লাহ পড়তে লাগলো। আশেপাশে কান্নার রোল পরে গেছে।

মুয়াজ্জিন বেচারা সেহরীর জন্য ডাকতে ডাকতে এমনিতেই হয়রান হয়ে গেছে, এখন আবার নতুন এলান করতে হবে..

মুয়াজ্জিন যখন আমার বাবার নাম নিয়ে বললো অমুকের ছেলে অমুক ইন্তেকাল করছে, তখন মনে হলো হাই ভোল্টেজের শক খেলাম।

সবাই আমাকে বাদ দিয়ে লাশটা নিয়েই ব্যস্ত হয়ে পরলো। কাউকেই বুঝাতে পারলাম না যে আমি বেঁচে আছি। মনে হলো সবাই পাগল হয়ে গেছে। এক কাজিনকে ক্ষেপে গিয়ে একটা ধাক্কাও মেরেছিলাম, সে দেখলাম বিন্দু পরিমাণ প্রতিবাদ করেনি।

ফজরের পর লাশটা গোসল দেয়ার ব্যবস্থা করা হলো। মুয়াজ্জিন সাহেব আরেক জনকে নিয়ে আসলেন। আর দুইজন বলাবলি করতে লাগলেন, "আরে.. মৃত্যু কার কখন আসে বলা যায় না। এইরকম তাগরা মানুষ মারা যাইবো কে ভাবছে, কাল বিকালেই নাকি সবার সাথে হাসিখুশী ভাবে কত কথা বলেছে।" আমি লাশটার পাশেই ছিলাম, দাঁড়িয়ে উনাদের কথা শুনছিলাম।

গোসল দেয়ার পর কাফনের কাপড় পরিয়ে খাটাইয়ের ওপর লাশটা রাখা হয়েছে। লাশ ঢাকবার জন্য মসজিদ থেকে কালো রঙের কাপড়টা আনা হলো। সবাইকে শেষবারের মতো লাশ দেখার সুযোগ করে দেয়া হলো।

এখনো আমার কাছে সবকিছু পরিষ্কার না, কিছুই বুঝতে পারছি না। বাসার আশেপাশে প্রচুর মানুষের ভিড়। আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব সবাই এসেছে লাশটাকে দেখতে। কত পরিচিত মানুষ কান্নাকাটি করছে। কিন্তু কাউকেই বুঝাতে পারলাম না, আমি মারা যাই নি, আমি বেঁচে আছি, এটা অন্য কারো লাশ। কেউ আমার কথা শুনতেই পারছে না।

যোহরের পর জানাজা। আযান হয়ে গেছে। লাশ নিয়ে যাওয়ার মুহূর্তে আম্মু আর বোন লাশ ধরে সেকি কান্না। আত্মীয়রাও কেঁদে উঠলো। আহা! হৃদয়স্পর্শী এক দৃশ্য।

অবাক ব্যাপার.. একদিন আগেও ঠান্ডা-সর্দী লেগে ছিলো, হাল্কা জ্বরও ছিলো, দু-এক দিন যাবৎ ঠিকমত তারাবীও আদায় করতে পারছিলাম না। কিন্তু আজ কিছুই মনে হচ্ছে না, আমি পুরোপুরি সুস্থ, আর শরীরটাও তুলার মত হালকা মনে হচ্ছে।

যাইহোক.. লাশ ঈদগাহ মাঠে জানাজার জন্য নিয়ে যাওয়া হলো। ঈদগাহ মাঠ লোকে লোকারণ্য, একটুও জায়গা খালি ছিলো না। বাবা হালকা একটু কথা বলার পর ইমাম সাহেব একটু বয়ান করে জানাজা পড়ালেন।

জানাজা শেষে লাশ কবরস্থানে নিয়ে যাওয়া হলো। সেখানে গিয়ে দেখলাম দাদাভাই এর কবরের পাশেই একটা কবর খনন করা হয়েছে। ঠিকঠাক ভাবে লাশ দাফন করে সবাই আত্মার মাগফিরাতের জন্য দু'আ পড়তে লাগলো। মুনাজাত শেষে সবাই যার যার মত চলে গেলো কিন্তু বাবা বসে থাকলো। তাকেও জোর করে নিয়ে যাওয়া হলো।

অবশেষে আমার কাছে সব পরিষ্কার হতে লাগলো যে আসলেই আমি আর এই জগতে নেই। আহ! যদি আরেকটা সুযোগ পেতাম, তাহলে কত যে আমল করতাম, সব সময় মাদ্রাসাতেই পড়ে থাকতাম... কিন্তু তাতো আর হবার নয়।

একটু পর দেখি আমি ওই বডিটার মধ্যে যাচ্ছি। আমি পুরোপুরি নিজেকে ফিরে পেলাম। এ কি..! চারদিকে অন্ধকার আর অন্ধকার। অনেক ভয়ে আছি। হয়তো একটু পরই মুনকার-নাকির আসবে, বিভিন্ন প্রশ্ন জিজ্ঞাস করবে, না পারলেই শুরু হবে আযাব।

শুয়ে শুয়ে অন্ধকার ঘরে পুরো ঘটনাটা চিন্তা করলাম, ভাবলাম এগুলা হচ্ছেই, একদিন তো হবেই। হঠাৎ শোয়া থেকে উঠে বসলাম, শরীরের প্রতিটা লোম দাঁড়িয়ে গেছে।

প্রতিটা মানুষের এভাবেই প্রতিদিন মৃত্যুকে স্মরণ করা উচিৎ।
তাহলে আশা করা যায় গুনাহ থেকে মনকে বিরত রাখা যাবে এবং কবরের প্রস্তুতি নেয়া যাবে..

দয়াময় মহান আল্লাহ আমাদের সকলকে হেদায়েত দান করুক। (🤲🤲🤲আমিন🤲🤲)

 #সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের ...
13/02/2024

#সম্রাট আওরঙ্গজেব ৪৯ বছর ধরে ভারত শাসন করেছেন। তাঁর সাম্রাজ্যের আয়তন ছিল ৪০ লক্ষ বর্গ কিলোমিটার। বলতে গেলে, ভারতবর্ষের প্রায় সম্পূর্ণ এলাকা ছিল তার রাজ্যের অন্তর্ভূক্ত। প্রজার সংখ্যা ছিল ১৫ কোটি ৮০ লক্ষ।

আওরঙ্গজেব বছরে রাজস্ব আদায় করতেন ৪৫০ মিলিয়ন ইউ এস ডলার সমমূল্যের। ঐ সময়ে ফ্রান্সের সম্রাট ছিলেন চতুর্দশ লুই। লুই এর চেয়ে আওরঙ্গজেব এর রাজ্যে দশগুণ বেশি রাজস্ব আদায় হত। তাঁর অধীনে ভারতবর্ষের অর্থনীতি ছিল পৃথিবীর সবচেয়ে বড় অর্থনীতি। ১৭০০ সালে তিনি ভারতবর্ষের অর্থনীতিকে ৯০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের সমমূল্যের উন্নীত করেন। ভারতবর্ষের জিডিপি ছিল পুরো পৃথিবীর জিডিপির চার ভাগের এক ভাগ।

১৭০৭ সালে বিশ্বের সবচেয়ে ধনী রাষ্ট্রের রাষ্ট্রপ্রধান আওরঙ্গজেব ৮৮ বছর বয়সে নিজের সম্পত্তির একটা উইল তৈরী করলেন। মৃত্যুর পরে উইলে দেখা গেল- তাঁর কাছে ১৪ রুপি আর নিজ হাতে বোনা কিছু টুপি আছে। এগুলো বিক্রি করে তাঁর জানাযা আর দাফনে খরচ করতে বলেছেন। আর সারাজীবন কুরআন শরীফ নকল করে ৩০০ রূপি জমিয়েছেন - এই টাকাগুলো গরীবদের মাঝে দান করে দিতে বলেছেন।

দরবার আর রাজকোষে খোঁজ নিয়ে দেখা গেল- উইলের বাইরে সম্রাটের কোথাও কোনো সম্পদ নেই।

F. D পোস্ট থেকে কপিকৃত।

আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়লে বোঝা যায়, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এমন কি নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের কাছে নিজের অবস্থা...
03/12/2023

আর্থিক ভাবে পিছিয়ে পড়লে বোঝা যায়, আত্মীয়-স্বজন, বন্ধু-বান্ধব এমন কি নিজের স্ত্রী-সন্তান ও পরিবারের কাছে নিজের অবস্থান টা কোথায় ?

30/11/2023
হেকিমি চিকিৎসার বিশ্বাস্থ প্রতিষ্ঠান,শেফা দাওয়াখানা ✆ 097346 62007
07/07/2023

হেকিমি চিকিৎসার বিশ্বাস্থ প্রতিষ্ঠান,
শেফা দাওয়াখানা ✆ 097346 62007

Address

Baduria

Telephone

+919734662007

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when SHEFA DAWAKHANA posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram