Homeopathic Treatment for FREE

Homeopathic Treatment for FREE This page delivers prescriptions for free. You may need to buy medicines from your local store.

উল্লেখ্য, ঔষধ নির্দেশনা নেওয়ার পর ঔষুধের ব্যবহার বিধি মেনে চলবেন। ভুল ঔষুধ, ভুল মাত্রা কিংবা কোন ঔষুধ অপব্যবহারের দায় উক্ত ব্যক্তির/ব্যবহারকারীর উপর বর্তাবে। এই পেজ কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার দায়ভার নিতে সম্মত নয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রের বাংলা ভাষার সেরা বই, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পিডিএফ (PDF) ফাইল Download করুন এক্ষুনি!লিঙ্ক কম...
29/12/2024

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা শাস্ত্রের বাংলা ভাষার সেরা বই, সম্পূর্ণ বিনামূল্যে পিডিএফ (PDF) ফাইল Download করুন এক্ষুনি!

লিঙ্ক কমেন্টে:

#কম্পারেটিভ_মেটিরিয়া_মেডিকা

হার্টের প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করতে পারেনঅধূমপায়ী: LAUROCERASUS 30ধূমপায়ী: Crataegus Q.প্রায় সব ধরনের হার্টের সমস...
19/08/2024

হার্টের প্রাথমিক চিকিৎসায় ব্যবহার করতে পারেন

অধূমপায়ী: LAUROCERASUS 30
ধূমপায়ী: Crataegus Q.

প্রায় সব ধরনের হার্টের সমস্যায় উপকার পাওয়া যায়। এটি হার্টে বেদনা বা যন্ত্রণা থাকলে প্রতি ৩০ মিনিট পর পর ১০ ফোঁটা করে সেবন করতে পারেন। ব্যাথা চলে গেলেও একবারে বন্ধ করে দিবেন না, আস্তে আস্তে ছাড়বেন। ধুমপান ও মদ্যপান থেকে বিরত থাকুন।

বিঃদ্রঃ এটি সম্পুর্ণ বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা দানকারী পেজ। এখান থেকে বিনা খরচে ঔষুধ নির্দেশনা দেওয়া হয়। উল্লেখ্য, ঔষধ নির্দেশনা নেওয়ার পর ঔষুধের ব্যবহার বিধি মেনে চলবেন। ভুল ঔষুধ, ভুল মাত্রা কিংবা কোন ঔষুধ অপব্যবহারের দায় উক্ত ব্যক্তির উপর বর্তাবে। এই পেজ কর্তৃপক্ষ কোন প্রকার দায়ভার নিতে সম্মত নয়।

ছবি: royalty free
তথ্য: উইকিপিডিয়া, এন.সি ঘোষ ও এডমিন প্যানেল।

এপেন্ডিসাইটিস - Appendicitis=======================Belladonna - ডান কুচকির উর্দ্ধাংশে তলপেটে ফোলা ও ভীষণ স্পর্শকাতরতা বে...
12/07/2023

এপেন্ডিসাইটিস - Appendicitis
=======================
Belladonna - ডান কুচকির উর্দ্ধাংশে তলপেটে ফোলা ও ভীষণ স্পর্শকাতরতা বেদনা, প্রদাহের প্রথমাবস্থায় (আক্রান্ত স্থানে স্পর্শকাতরতা, বেদনা - Heper Sulf... অধিক বেদনা না থাকিলে- Merc Sol খেতে দিবেন)।
Iris Tenax/Tanex - কোষ্ঠবদ্ধ, পিত্ত বমি, অবসাদ, দুর্বলতা এ্যপেন্ডিসাইটিসের স্থানে ভয়ানক বেদনা, পা ছড়াইতে পারে না। এপেন্ডিসাইটিস এর গুরুতর অবস্থায় এই ঔষুধ কয়েক ঘণ্টার মধ্যে আশ্চর্যজনক ফলাফল দিতে পারে।

শক্তি: ৩০/২০০

Graphites (গ্রাফাইটিস) এর কার্যকারিতা ====================================গৌরবর্ণ, দেখিতে বলবান, যাহাদের প্রায়ই কোষ্ঠবদ...
29/05/2022

Graphites (গ্রাফাইটিস) এর কার্যকারিতা
====================================

গৌরবর্ণ, দেখিতে বলবান, যাহাদের প্রায়ই কোষ্ঠবদ্ধ স্থূলকায়া, মাংস থলথলে, সদাই দুঃখিতা ও বিমর্ষ, মনে নিয়ত অমঙ্গলের আশঙ্কা করে, এইজন্য সর্ব্বদাই উদ্বিগ্ন, কেবলমাত্র মৃত্যুর বিষয় ভাবে, কোন এক বিষয়ের উপর মনঃসংযোগ করিতে পারে না, কিছুই মনে থাকে না, সমস্তই ভুলিয়া যায় ; শীত-শীতবোধ করে, সহজেই ঠাণ্ডা লাগে, গীতবাদ্যাদিতে কান্না পায় ; একপ্রকার মুদ্রাদোষ—কোন কার্যে নিযুক্ত থাকিলেও হাত-পা নাচায়, পুরুষ সহবাসে অনিচ্ছা, ঋতু বিলম্বে প্রকাশিত হয়, তাহাদের পীড়ায় গ্র্যাফাইটীস উপযোগী। গ্র্যাফাইটীস ধাতুর ৩টী “এফ (F)" সর্ব্বদা স্মরণ যারাখিবেন, যথা—Fair, Fatty & Flabby স্ত্রীলোকদের যৌবনকালে যে সমস্ত পীড়ায়—পলসেটিলা, ঋতুবন্ধের বয়সে (প্রায় ৪৫ বৎসর হইতে) সেই সকল পীড়ায়—গ্র্যাফাইটীস উপযোগী

চরিত্রগত লক্ষণ :

চৰ্ম্মপীড়া—ফাটা-ফাটা কিম্বা দেখিতে কাউর-ঘায়ের মত, তাহা হইতে চটচটে রস নির্গমন, চোখের পাতায় একজিমা— পাতা লালবর্ণ, পাতার ধারগুলিতে মাছের আঁসের মত পদার্থ জমা কিম্বা মাড়ি পড়া; ২। অতিরিক্ত রতিক্রিয়া কিম্বা শুক্রক্ষয়ের নিমিত্ত জননেন্দ্রিয়ের দুর্ব্বলতা; ৩। মাথার উপর কোনও এক গোলাকার সীমাবদ্ধ স্থানে জ্বালা; ৪। গায়ের চামড়া দেখিতে অস্বাস্থ্যকর, প্রত্যেক আহত স্থান পাকে, পূঁয্ হয়, পুরাতন ক্ষতচিহ্নও পুনরায় পাকিয়া উঠে; ৫। হাত-পায়ের আঙুলের নখের বিকৃতি ও নখ কোঁড়াইয়া যায়, ঘা হয়, পুরু ও মোটা হয়; ৬। স্তনের ফোড়া আরোগ্য হইবার পর শক্তভাব ও ক্ষতের দাগ থাকে, পুনরায় উহার প্রদাহ হয়, এইরূপ পুনঃ পুনঃ ক্ষত হইয়া শেষে ক্যানস্যারে পরিণত হয়, স্তন হইতে দুগ্ধ নিঃসৃত হয় না; ৭। ঋতুর পূর্ব্বে ও পরে প্রদরস্রাব, হাজাকারক স্রাব দিনরাত্রি নির্গত হয় (ঋতুর পূর্ব্বে স্রাব—সিপিয়া, পরে—ক্রিয়োজোট); ৮। কোষ্ঠবদ্ধ—মল খুব শক্ত, গাঁট গটি, বড়, (খুব বড়—সল্ফার), তাহার গায়ে আম জড়িত, অতি কষ্টে নির্গত হয়, বাহ্যের পর মলদ্বারে ক্ষতের মত টাট্যানি-বেদনা; ৯। স্ত্রী ও পুরুষ উভয়েরই রতিক্রিয়ার অনিচ্ছা; ১০। মুখের ইরিসিপেলাস, তাহাতে জ্বালা ও হুলফোটার মত বেদনা, পীড়ার গতি ডানদিকে আরম্ভ হইয়া বামদিকে যায়।

চর্মরোগ ( Eczema)—দেহের প্রায় সকল স্থানে বিশেষতঃ মাথায়, মুখে, কাণের পশ্চাতে, কাণের উপরে, চক্ষুর পাতায় ও জননেন্দ্রিয়ে—ফুস্কুড়ির মত কিম্বা কাউর-ঘায়ের মত কোনও প্রকার উদ্ভেদ হইতে মধুর ন্যায় খুব ঘন চটচটে রস নিঃসৃত হইলে ইহা অব্যর্থ মহৌষধ। আমরা অনেক ছোট ছোট শিশুর মাথায়, কপালে ঘাড়ে এবং কাণে একপ্রকার চর্মরোগ (Eczema) দেখিতে পাই, তাহাতে গ্র্যাফাইটীস বিশেষ উপকারী হইলেও লক্ষণভেদে উহার আরও কতকগুলি ঔষধের আবশ্যক হয়। একজিমার উপর মাছের আঁশের মত কোন পদার্থ দ্বারা আবৃত থাকিলে এবং কাণে একজিমা হইয়া ক্রমশঃ রস-লাগিয়া মাথাটী জুড়িয়া যাইলে—গ্র্যাফাইটীস উপকারী।

গ্র্যাফাইটীস—শরীরে সকল স্থানের একজিমায় উপযোগী হহলেও dorsal region of the fore arm and hands, অর্থাৎ হাতের চেটোর উল্টাপৃষ্ঠের একজিমায় সম্ভবতঃ অধিক ফলপ্রদ, আক্রান্ত স্থানের চামড়া মোটা হয়, ফাটে, অনেকের আঙুল ও নখ মোটা হয়, বিশ্রী দেখায়। যাহাদের গায়ের চামড়া ফাটে, তাহারা গ্র্যাফাইটীস বাহ্যিক প্রয়োগ করিলেও বিশেষ উপকার পাইবেন। ভ্যাসেলিন—১ আউন্স, গ্র্যাফাইটীস—বিচূর্ণ (ক্রুড) ৮/১০ গ্রেণ মিশাইলেই মলম প্রস্তুত হইবে।

প্রাণিরাজ্যোৎপন্ন ঔষধাদি সম্বন্ধে দুটি কথা———————————————————————ওষুধের উৎপত্তি ও বিশেষ লক্ষণ সম্পর্কে প্রথম খন্ডরূপে যে...
23/03/2022

প্রাণিরাজ্যোৎপন্ন ঔষধাদি সম্বন্ধে দুটি কথা
———————————————————————
ওষুধের উৎপত্তি ও বিশেষ লক্ষণ সম্পর্কে প্রথম খন্ডরূপে যে বইটি প্রকাশিত হয়েছে তার মধ্যে আছে প্রাণিরাজ্যোৎপন্ন ঔষধাবলীর উৎপত্তির ইতিহাস ও গুণাবলীর সংক্ষিপ্ত কাহিনী । ঐ খন্ডটি প্রকাশিত হবার সঙ্গে সঙ্গেই হোমিওপ্যাথির প্রিয় ভক্তগণ আমায় যেভাবে এই পুস্তকটির চার খন্ডই অতি শীঘ্র শেষ করে সমগ্র মেটিরিয়া মেডিকাটি প্রকাশ করবার জন্য ব্যাকুলভাবে উৎসাহ ও অনুরোধ জানাচ্ছেন, তাতে সত্যই আমার সহস্র কাজ সত্ত্বেও এবং সময়ের অতি অভাব ঘটলেও তিলার্ধ বিলম্ব করা উচিত নয় মনে করি। সমগ্র প্রাণিজগতোৎপন্ন ওষুধগুলিকে আমি নিম্নোক্তরূপে শ্রেণীবিভাগ করেছি, যথা :

এই ছয়টি শ্রেণীতে তাদের বর্ণনা করা হয়েছে। ফলে ওষুধগুলির উৎপত্তি স্মরণ আর বেগ পেতে হবে না এবং একবার উৎপত্তির ইতিহাসটি স্মরণ হলেই তার সংক্ষিপ্ত বিশেষ লক্ষণগুলি একের পর এক আপনিই মনে উদিত হবে, অন্তত স্মরণ করবার সুবিধাও হবে।

ইতিমধ্যেই দুএকজন মফঃস্বলের ডাক্তার পরম কৌতুহল ও আশ্চর্যভাব প্রকাশ করে আমায় জানিয়েছেন যে, হ্যানিম্যানের মারফত আমার বর্ণিত ওষুধের উৎপত্তিবিষয়ক ব্যাপারগুলি জেনে তাঁরা অত্যন্ত অবাক হয়ে গেছেন। তাঁরা বলেন যে, চিকিৎসা তাঁরা বহুদিন করছেন এবং ওষুধগুলির ব্যবহারের ক্ষেত্রেও তাঁরা জেনেছেন কিন্তু তা উৎপত্তির যে এমন কৌতূহলপূর্ণ ইতিহাস আছে বা তা যে এমন অদ্ভুত অদ্ভুত জীব থেকে পাওয়া গেছে তা তাঁরা জানতেন না। বলেন কি? শামুক আর জোঁক থেকে আমাদের ওষুধ পেয়েছি? একা মাছরাজ্য থেকেই তের চৌদ্দটি ওষুধ পেয়েছি? যমের দক্ষিণদ্বারের অধিকারিসম যে চিতি সাপ (Kroit), তা থেকেও ওষুধ পেয়েছি? উত্তর ত আমার বইতেই আছে—হ্যাঁ পেয়েছি। শুধু জোঁক, শামুক, চিতি সাপ কেন, আমরা ওষুধ পেয়েছি মাথার উকুন, ঘুণপোকা, মশা, মাকড়সার জাল, এমন কি অতি ঘৃণ্য ও ভয়ঙ্কর শুঁয়োপোকা থেকেও। আশ্চর্য হবেন না। এখানেই হোমিওপ্যাথির বিজয় বৈজয়ন্তী, এখানেই তার সত্যের দুন্দুভিনিনাদ। শুধু ওষুধ পাওয়া নয়, হোমিওপ্যাথরা সেগুলিকে যথারীতি প্রুভিং করে, তাদের বিশিষ্ট লক্ষণ ও

জীবজ ঔষধাবলী : (ক) স্তন্যপায়ী জাতি; (খ) সর্প ও গিরগিটি জাতি; (গ) মৎস্য জাতি; (ঘ) প্রবাল, শামুক, জোঁক, ব্যাঙ জাতি; (ঙ) কীটপতঙ্গ জাতি (চ) মাকড়সা জাতি।
প্রয়োগপ্রণালী নিরূপণ করে সেগুলিকে মেটিরিয়া মেডিকায় স্থান দিয়েছেন এবং জগতের মাঝে উচ্চ কণ্ঠে গুণকীর্তন করে তাকে তুলে ধরেছেন। অন্য কোন প্যাথির সাধ্য নেই যে তার কমা, ফুলস্টপটিও বদলায়। ওষুধগুলির লক্ষণ ও প্রয়োগক্ষেত্র তাদের সৃষ্টির আদিম সময় থেকে আজ পর্যন্ত একইভাবে অচল ও অটল। কেন চিরদিন একইভাবে থাকবে না? সত্যের রূপ কি কখনও বদলায়? হোমিওপ্যাথি যে সত্যের সুদৃঢ় ভিত্তির উপর প্রতিষ্ঠিত সে যে চির সত্য, চির অক্ষয়, চির অব্যয়। আগুনে জল দিলে আগুন নিবে যায়। চিরদিনই নিববে, এর কি আর ব্যতিক্রম আছে? তেমনি আন্দাজের ভিত্তির উপর নির্ভর করে লক্ষণসমষ্টি ও প্রয়োগক্ষেত্র লিপিবদ্ধ করা হয়নি, রীতিমতো প্রুভিং করে তবে স্থান পেয়েছে। প্রুভিং যে অগ্নিপরীক্ষা। সেই পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েই ত তার সিদ্ধিলাভ। অন্যান্য প্যাথির ঔষধাবলীর আজ একরকম গুণ বের হচ্ছে, কাল আবার সেটা হয়ে যাচ্ছে অবগুণ; আজ এক রোগে এক ওষুধের ব্যবস্থা হচ্ছে, কাল আবার তার বদলে অন্য ওষুধের ব্যবস্থা হচ্ছে। এমনি নিত্য পরিবর্তন। রোগ নিরূপণের পরিবর্তন, ওষুধ ব্যবহার প্রণালীর পরিবর্তন, মাত্রার পরিবর্তন। নিত্য নূতন মত, নিত্য নূতন পথ—মাথা ঘুরে যায়। চিরকালের মতো নিশ্চিত সত্য আবিষ্কার করবার সাধ্য অন্য কোন প্যাথির নেই। কিন্তু ল্যাকেসিসের নিদ্রান্তে বৃদ্ধি, বাচালতা, তরল দ্রব্য পানের অক্ষমতা, বাঁ পাশে বৃদ্ধি, কোমরে বা গলায় সামান্য চাপও অসহ্য—এসব কি হেরিংয়ের সময় হতে আজ পর্যন্ত ঠিক একই নেই ? এপিসের হুলবেঁধা ব্যথা, ফুলা, তৃষ্ণাহীনতা ও শৈত্যপ্রিয়তা কি একটুও বদল হয়েছে? ট্যারেনটুলা হিম্পার মাথাঘোরা, মাথায় চিরুনি ও বুরুশ দিবার সদা ইচ্ছা, নিস্ফোম্যানিয়া, অস্থিরতা ও হাত পায়ের নর্তন আবিষ্কারের দিন থেকে আজ পর্যন্ত একইভাবে নেই কি? মিউরেক্সের অস্বাভাবিক কামোদ্রেক, পেটের ডান দিক থেকে ডান বা বাম বক্ষ পর্যন্ত যন্ত্রণা (স্ত্রী) –এ সব কি এক বিন্দুও কেউ বদলাতে পেরেছে? না পারেনি, পারবার নয় বলেই।

হেলোডার্মা ওষুধটিকে আপনারা প্রায়ই ব্যবহার করছেন। রোগীর অসাধ্য অবস্থায় ও মৃত্যুকালীন কোলাপ্স ও শীতলতায় এই ওষুধটির অদ্ভূত অলৌকিক ক্রিয়া বোধ হয় অনেকেই দেখেছেন এবং অবাক হয়ে গেছেন নিশ্চয়। কিন্তু যাঁরা হামেশা এটি প্রয়োগ করেন, তাঁদের মধ্যে অনেকেই এঁর কি থেকে উৎপত্তি তা জানেন না । জানবার ইচ্ছা হয় না কি? এক এক সময় এই অদ্ভুত ওষুধের উৎপত্তি জানবার জন্যে মনের কোণে চাঞ্চল্য ও শিহরণ নিশ্চয়ই খুব জাগে। আচ্ছা, এখন বলুন দেখি, যদি • বলি যে, এই হেলোডার্মার উৎপত্তি হয়েছে গিলা মনস্টার (gila monster) নামক এক প্রকার বিষাক্ত ও বৃহৎ গিরগিটির মতো জন্তু থেকে এবং এর সম্যক লক্ষণ জানবার পূর্বে আমাদের কেবলমাত্র জানা ছিল যে, ঐ জন্তুর দংশনে এক রকম পক্ষাঘাত (benumbing paralysis) জনো। ঐ জন্তুটির কামড়ানোর বিষময় ফলস্বরূপ ঐ পক্ষাঘাতের কথাটিই জানা ছিল। পরে আরম্ভ হলো প্রুভিং, তারপর তার নিশ্চিত প্রয়োগলক্ষণগুলি নিরূপিত হলো। আজ ঐ বিষাক্ত জন্তুটির বিষ পান করে শতসহস্র নরনারী পুনর্জীবন লাভ করছে, শত গৃহে উঠছে হাসির কল্লোল, শত প্রাণে জাগছে শান্তির লহরী। কত বাবা কোলে ফিরে পাচ্ছেন তাঁর হারানো প্রায় মানিক, কত সতী ফিরে পাচ্ছেন তাঁর হারানো সত্যবানের জীবনরতন। কত ঘরে শ্মশানকলরোল উঠবার কালে বাজালো মিলন শঙ্খ, জাগলো প্রেমপ্রীতি ভালোবাসা।

প্রাণিরাজ্য হতে প্রাপ্ত ওষুধগুলির কথা পাঠ করলে আর একটি বিষয়ের সত্যতা সম্বন্ধে একবিন্দুও সন্দেহ থাকবে না। সেটি হচ্ছে হোমিওপ্যাথির শক্তির সমস্যা। এখন অবশ্য শক্তির কথা শুনে লোকে আর হাসে না। কিন্তু এমন একদিন ছিল যেদিন শক্তিকৃত ওষুধের কথা শুনলে সাধারণ লোকে ত তাঁকে ঢিল মারতই এমন কি স্বয়ং গভর্নমেন্টও এক সুদূর নিভৃত পাগলাগারদবাসের জন্য স্থির করত। বলত, আরে বলে কি? পঞ্চাশ গ্রেন কুইনিন দিয়েও ম্যালেরিয়া আমরা বন্ধ করতে পারছি না, আর ওরা বলে কিনা ক্ষুদ্রতম মাত্রায় সেই জ্বর বন্ধ হবে! তা পঞ্চাশ গ্রেনের জায়গায় পনর গ্রেন দাও না হয় পাঁচ গ্রেন দিয়েও পরীক্ষা কর; তা না একেবারে কুইনিন ৬ শক্তি, ৩০ বা ২০০, ১০০০, ১০ হাজার, লক্ষ শক্তি। পাগল আর কাকে বলে? তাও আবার মাত্র এক দাগ। এতে লোক হাসবে না ত হাসবে কিসে? মোতাহার হোসেন তালুকদার হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ এন্ড হসপিটাল, সিরাজগঞ্জ, বাংলাদেশ

এমনি করে বিপক্ষদল আমাদের সমালোচনা করত, গাল দিত, পাগল সাজাতো ও ঢিল মারতো। কিন্তু কারলাইল বলে গেছেন ঃ সবুর কর, সত্য নিজেই তার পরিচয় দেবে (allow time and truth will come out)। আমাদের পক্ষেও তাই হলো। সত্য নিজেই নিজেকে প্রকাশ করতে শুরু করল, তার অমল ধবল জ্যোতিতে বিপক্ষের চোখের তারা ঝলসে যেতে লাগল। কিন্তু বাক্যে বা তর্কে এই সত্যতা স্থিরীকৃত হলো না। সে দেখা দিল ক্রিয়ার মধ্যে, যেখানে তর্কের বা বাক্যের স্থান নেই। শক্তিকৃত ওষুধের মন্ত্রফল দেখে পুরো অবিশ্বাসীও ভয়চকিত প্রাণে স্বীকার করলো তাদের লজ্জাজনক অজ্ঞানতা ও বিষাদময় পরাজয়।

- নোসডস, ডাঃ রাধামরণ বিশ্বাস

মুখের ব্রণের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা=========================================ব্রণের হোমিও চিকিৎসা একটি কার্যকরী ও যুগোপযোগী...
27/02/2022

মুখের ব্রণের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা
=========================================
ব্রণের হোমিও চিকিৎসা একটি কার্যকরী ও যুগোপযোগী চিকিৎসা। উঠতি বয়সের তরুণ-তরুণীদের জন্য ব্রণ দারুণ এক মন কষ্টের কারণ। সুন্দর মুখশ্রী নষ্ট হয়ে অসুন্দর, ক্ষত ও অবাঞ্ছিত দাগই তাদের দুশ্চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়ায়। বিশেষকরে সুন্দরী ললনাদের জন্য বয়ে আনে এক দুঃসহ যাতনা। ব্রণ বা একনি হচ্ছে সিবেসাস গ্লান্ডের গোলযোগ সংক্রান্ত ত্বকের একটি খুব প্রচলিত রোগ। সিবেসাস গ্লান্ডগুলো মাথা ও মুখসহ মানব দেহের সর্বত্র ত্বকের নিচে হেয়ার ফলিকল বা কেশ গর্ভের গায়ে অবস্থান করে। এরা সিরাম নামে এক প্রকার তৈলাক্ত পদার্থ ক্ষরণ করে, যা লোমকূপ দিয়ে দেহের বাইরে এসে মুখ ও গাত্র ত্বককে মসৃণ ও তৈলাক্ত করে এবং চুলকে ও তৈলাক্ত রাখে। এর ফলে ব্রণের হোমিও চিকিৎসা ত্বকের কোষগুলো নরম থাকে এবং অকালে শুকিয়ে বা কুচকে যায় না। ত্বকের যেসব ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ছিদ্র বা লোমকূপ দিয়ে যে সিরাম বের হয় সেগুলো কোনো কারণে বন্ধ হয়ে গেলে সিরাম বাইরে আসতে পারে না। তা জমতে থাকে এবং এক সময় চামড়া ঠেলে ওপরে ওঠে। ফলে পিমপেল বা ফুসকুড়ির মতো দেখায় অনেক সময় ব্যাক্টেরিয়াল ইনফেকশন হয়ে পুঁজ ও জমে এগুলোকেই ব্রণ বলে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা করতে হলে জানতে হবে কখন ব্রণ হয়? সাধারণত ১২-১৪ বছর বয়স হতে ২৮-৩০ বছর বয়স পর্যন্ত মুখে ব্রণ দেখা দেয়। ২০-২২ বছর বয়সেই সবচেয়ে বেশি থাকে;

(১) জন্মগত বা পূর্বপুরুষের ধারা অনুসারে ব্রণ হতে পারে।
(২) হরমোন অ্যান্ড্রোজেন, এস্ট্রোজেন সিরাম ও ত্বকে বসবাস কারী জীবাণুদের ইন্ট্রারঅ্যাকশন বা ভারসাম্যের গোলযোগ হেতু। বিশেষ করে বয়সন্ধিকালে সেক্স/ঝবী হরমোন ক্ষরণ বৃদ্ধির ফলে সিবেসাম গ্লান্ড আকারে বেড়ে যায় এবং কর্মতৎপরতাও বৃদ্ধি পেয়ে বেশি করে সিরাম বা তেল উৎপন্ন হয়ে ব্রণ ডেকে আনতে সাহায্য করে।
(৩) অধিক মসলাযুক্ত বা গরম মসলা বেশি খেলে এই রোগ হতে পারে এবং এলার্জিটিক খাবারে বেড়ে যেতে পারে।
(৪) যাদের কোষ্ঠকাঠিন্য সর্বদা অবস্থান করে।
(৫) অনিয়মিতভাবে দুই-চার দিন পরপর পায়খানা হয় তাদের ব্রণ দেখা দেয়।
(৬) অতিরিক্ত ইন্দ্রিয় সেবাই ব্রণের অন্যতম কারণ হতে পারে এবং রাত জাগরণ, অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ, নোংরা জীবন যাপন, আলো- বাতাসহীন ঘরে থাকা।
(৭) লিভারের ক্রিয়ার গোলযোগ, পেটের পীড়ায় ভোগা।
(৮) উত্তেজক বস্তুর ব্যবহার, অতিরিক্ত কসমেটিকস ব্যবহারের কুফল এবং অত্যন্ত গরম ঠাণ্ডা থেকে।
(৯) বিসদৃশ ওষুধ সেবনের ফলে এবং জন্ম নিয়ন্ত্রণের বড়ি খাওয়ার ফলে ব্রণ হতে পারে।
(১০) অতিরিক্ত আবেগের ফলে।
(১১) মহিলাদের মাসিক ঋতুস্র্রাব দেখা দেয়ার আগে/পরে/সময়ে এবং গোলযোগের ফলে।

ব্রনের প্রকারভেদঃ
মুখের ব্রণ এক প্রকার চর্মরোগ। এই পীড়া সাধারণত চার প্রকার-

১। একনি ভালগারিস (Acne Vulgaris) অথবা সামান্য বয়ঃব্রণ: এইগুলি দুই আঙ্গুল দিয়ে চাপ দিলে এদের মধ্য হতে ভাতের মত মেদ বের হয়। এইগুলির আকারও ক্ষুদ্র হয়।

২। একনি ইন্ডুরেটা (Acne Indurata) অর্থাৎ কঠিন বয়ঃব্রণ: এইগুলি সাধারণ বয়ঃব্রণ অপেক্ষা কঠিন এবং অতি ধীরে ধীরে বর্ধিত হয়। এগুলিতেও পুঁজ সঞ্চার হয় এবং সময়ে সময়ে ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র স্ফোটকের আকার ধারণ করে। এইগুলি হতে পুঁজ বের হয়ে গেলে দাগটি থেকে যায়।

৩। একনি রেজিওলা (Acne Regiola) বা আরক্ত বয়ঃব্রণ: এই ব্রণগুলি উজ্জ্বল লালবর্ণ হয় এবং আশপাশের শিরাগুলি স্ফীত হয়। এই রোগ সহজে আরোগ্য হতে চায় না।

৪। একনি টিউবারকুলেটা (Acne Tuberculata): অপেক্ষাকৃত পরিণত বয়সে ২৫ হতে ৫০ বৎসর মধ্যে আর এক প্রকার বয়ঃব্রণ জন্মে। এদেরকে একনি টিউবারকুলেটা বলে। এগুলো আকারে গুটিকার ন্যায় বড় হয় বলে এদের এরুপ নাম দেয়া হয়েছে। একনি টিউবারকুলেটা সাধারণত পুরুষদেরই হয়ে থাকে। তবে জরায়ু ও ডিম্বকোষের ক্রিয়ার বৈলক্ষণে স্ত্রীলোকদেরও হতে পারে।
ব্রণের হোমিও চিকিৎসা এবং সর্বাধিক কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিম্নে আলোচনা করা হল –
বার্বেরিস একুইফোলিয়াম Q
বয়ঃব্রণ রোগ দীর্ঘদিনের হলে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরিকভাবে “বার্বেরিস একুইফোলিয়াম” ঔষধটি বিশেষ উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

Dr. Dewey বলেন, “যেখানে চামড়া কর্কশ হয়ে যায় এবং বয়ঃব্রণ কিছুতেই আরোগ্য হতে চায় না, সেখানে বার্বেরিস একুইফোলিয়াম উপযোগী। ডাঃ বোরিকও ঔষধটির বিশেষ প্রশংসা করেছেন। ঔষধটির মূল অরিস্ট ১ থেকে ২ বিন্দু মাত্রায় দিনে ২ বার খেতে হবে । বাহ্যিকভাবে তুলায় করে লাগাতে হবে।

ডাঃ ডাব্লিউ. এ. ডিউই নিম্নলিখিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন-
সালফার ২০০ – পুরাতন রোগীদের জন্য উপযোগী।
স্যাঙ্গুইনেরিয়া ৩০ – যে সকল নারীদের অল্প ঋতুস্রাব হয় এবং যাদের রক্ত সঞ্চালন ক্ষীণ তাদের জন্য প্রয়োজন।
ক্যালকেরিয়া কার্ব ২০০ – শীতকাতর ও ঘর্মপ্রধান রমনীদের যৌন সম্ভোগপ্রবৃত্তি দমন করে রাখার কারণে বয়ঃব্রণ হলে ভাল কাজ করে।
অরাম মিউর নেট্রোনেটাম ৩X – বাত-ব্যথা ও জরায়ুপীড়াগ্রস্থ স্ত্রীদের চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে।
কেলি ব্রোম ৩০ – এই ঔষধটি মুখমন্ডল, গ্রীবাদেশ ও স্কন্ধে বয়ঃব্রণ সৃষ্টি করে থাকে। সাধারণ মুখের ব্রণ ও চর্মস্ফীতিযুক্ত বয়ঃব্রণের পক্ষে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। কেলি ব্রোমেটাম অতিরিক্ত কামচর্চা ও হস্তমৈথুনকারী ব্যক্তদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরি একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

ডাঃ এ. এম. কাশিং বলেছেন- আর্সেনিক ব্রোমেটাম ৪X অপর একটি অত্যুৎকৃষ্ট ঔষধ।
থুজা অক্সিডেন্টালিস ২০০ – মুখের ব্রণ -এর একটি ভাল ঔষধ।
ক্যালকেরিয়া পিক্রটা ৩X – যুবকদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরী। মুখে পুঁজযুক্ত বা রক্তের ছিটযুক্ত ফুস্কুড়ি জন্মাতে থাকলে ক্যালকেরিয়া সালফ ১২X ভাল কাজ করে।
এন্টিম ক্রুড ৩০ – বয়ঃব্রণগুলি লাল বর্ণ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র। ঐগুলো মুখমন্ডলের উপরেই বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। মাতালদের ও পাকাশয়িক গোলযোগযুক্ত ব্যক্তি যাদের জিহ্বায় ঠিক দুধের মত সাদা লেপ থাকে । তাদের মুখের ব্রণ চিকিৎসায় অধিক কার্যকারিতার সাথে ব্যবহার হয়।
নেট্রাম মিউর ২০০– শুষ্ক চেহারা, কাঁচা লবণ খেতে ভালবাসে এবং স্নানে উপশম পায় এরুপ ব্যক্তির পক্ষে উপকারী।
ব্রণের হোমিও চিকিৎসা করতে হলে রোগীর প্রকৃতি, তার উপশম, উপচয়, সাধারণ লক্ষণগুলির দিকে স্থানীয় লক্ষণ অপেক্ষা অধিক দৃষ্টি দিতে হবে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসায় রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিশ্চিত আরোগ্যকারী হোমিও চিকিৎসা গ্রহণ করা। ব্রণ সমস্যায় ভুগলে ভালো একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিন।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা এবং সর্বাধিক কার্যকরী হোমিওপ্যাথিক ঔষধ নিম্নে আলোচনা করা হল –
বার্বেরিস একুইফোলিয়াম Q

বয়ঃব্রণ রোগ দীর্ঘদিনের হলে বাহ্যিক ও আভ্যন্তরিকভাবে “বার্বেরিস একুইফোলিয়াম” ঔষধটি বিশেষ উপযোগী বলে প্রমাণিত হয়েছে।

Dr. Dewey বলেন, “যেখানে চামড়া কর্কশ হয়ে যায় এবং বয়ঃব্রণ কিছুতেই আরোগ্য হতে চায় না, সেখানে বার্বেরিস একুইফোলিয়াম উপযোগী। ডাঃ বোরিকও ঔষধটির বিশেষ প্রশংসা করেছেন। ঔষধটির মূল অরিস্ট ১ থেকে ২ বিন্দু মাত্রায় দিনে ২ বার খেতে হবে । বাহ্যিকভাবে তুলায় করে লাগাতে হবে।

ডাঃ ডাব্লিউ. এ. ডিউই নিম্নলিখিত হোমিওপ্যাথিক ঔষধগুলি ব্যবহারের নির্দেশ দিয়েছেন-
সালফার ২০০ – পুরাতন রোগীদের জন্য উপযোগী।
স্যাঙ্গুইনেরিয়া ৩০ – যে সকল নারীদের অল্প ঋতুস্রাব হয় এবং যাদের রক্ত সঞ্চালন ক্ষীণ তাদের জন্য প্রয়োজন।
ক্যালকেরিয়া কার্ব ২০০ – শীতকাতর ও ঘর্মপ্রধান রমনীদের যৌন সম্ভোগপ্রবৃত্তি দমন করে রাখার কারণে বয়ঃব্রণ হলে ভাল কাজ করে।
অরাম মিউর নেট্রোনেটাম ৩X – বাত-ব্যথা ও জরায়ুপীড়াগ্রস্থ স্ত্রীদের চিকিৎসায় কাজে লাগতে পারে।
কেলি ব্রোম ৩০ – এই ঔষধটি মুখমন্ডল, গ্রীবাদেশ ও স্কন্ধে বয়ঃব্রণ সৃষ্টি করে থাকে। সাধারণ মুখের ব্রণ ও চর্মস্ফীতিযুক্ত বয়ঃব্রণের পক্ষে একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। কেলি ব্রোমেটাম অতিরিক্ত কামচর্চা ও হস্তমৈথুনকারী ব্যক্তদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরি একটি শ্রেষ্ঠ ঔষধ।

ডাঃ এ. এম. কাশিং বলেছেন- আর্সেনিক ব্রোমেটাম ৪X অপর একটি অত্যুৎকৃষ্ট ঔষধ।

থুজা অক্সিডেন্টালিস ২০০ – মুখের ব্রণ -এর একটি ভাল ঔষধ।
ক্যালকেরিয়া পিক্রটা ৩X – যুবকদের বয়ঃব্রণ চিকিৎসায় কার্যকরী। মুখে পুঁজযুক্ত বা রক্তের ছিটযুক্ত ফুস্কুড়ি জন্মাতে থাকলে ক্যালকেরিয়া সালফ ১২X ভাল কাজ করে।
এন্টিম ক্রুড ৩০ – বয়ঃব্রণগুলি লাল বর্ণ, ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র। ঐগুলো মুখমন্ডলের উপরেই বিশেষভাবে প্রকাশ পায়। মাতালদের ও পাকাশয়িক গোলযোগযুক্ত ব্যক্তি যাদের জিহ্বায় ঠিক দুধের মত সাদা লেপ থাকে । তাদের মুখের ব্রণ চিকিৎসায় অধিক কার্যকারিতার সাথে ব্যবহার হয়।
নেট্রাম মিউর ২০০– শুষ্ক চেহারা, কাঁচা লবণ খেতে ভালবাসে এবং স্নানে উপশম পায় এরুপ ব্যক্তির পক্ষে উপকারী।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসা করতে হলে রোগীর প্রকৃতি, তার উপশম, উপচয়, সাধারণ লক্ষণগুলির দিকে স্থানীয় লক্ষণ অপেক্ষা অধিক দৃষ্টি দিতে হবে।

ব্রণের হোমিও চিকিৎসায় রোগীর ব্রণ আক্রান্তের গুরুত্ব বিবেচনা করে চিকিৎসা পদ্ধতি নির্ধারণ করতে হয়। তাই সবচেয়ে ভালো হয় নিশ্চিত আরোগ্যকারী হোমিও চিকিৎসা গ্রহণ করা। ব্রণ সমস্যায় ভুগলে ভালো একজন হোমিওপ্যাথের সাথে যোগাযোগ করে চিকিৎসা নিন।

কৃতজ্ঞতা: bd,healthretina,com
ছবি: royalty free

কয়েকটি সাধারণ রোগের হোমিওপ্যাথিক প্রেসক্রিপশন: ************************************************* ১। জ্বর, সর্দি, কাশি, ...
09/02/2022

কয়েকটি সাধারণ রোগের হোমিওপ্যাথিক প্রেসক্রিপশন:
*************************************************

১। জ্বর, সর্দি, কাশি, মাথা ব্যথা, পেট ব্যথা, পেটের গোলমাল,ইত্যাদি, রোগ যাই হোক না কেন যদি দেখেন... জিভটা পুরো মোটা সাদা কোটিং, যেন মোটা দুধের সর লেপে দেওয়া... চোখ বন্ধ করেই এন্টিম ক্রুড দিবেন। ৩০ পাওয়ার কয়েকটি ডোজ, না হলে ২০০ পাওয়ার ২ ডোজ।

২। রোগ যাই হোক না কেন... জিভটা যদি পরিষ্কার এবং লাল টকটকে থাকে, সাথে non-stopping বমি বমি ভাব, জল পিপাসা নেই,... চোখ বন্ধ করে ইপিকাক দিবেন।

৩। ডায়েরিয়া, ডিসেন্ট্রি, পেটের গন্ডগোল, ঘা পাঁচড়া, শুকাচ্ছে না , জিভ ভিজা, মোটা, থলথলে, পাশে দাঁতের দাগ, মুখ দিয়ে লালা গড়িয়ে পড়ছে, পিপাসা বেশি --মার্ক সল

৪। ব্লাড ডিসেন্ট্রী, যার আসল নাম - ব্যাসিলারি ডিসেন্ট্রী, -মার্ক সলের মতন সব সিমপটমস আছে , কিন্তু মলে রক্তের পরিমান খু্ব বেশী - মার্ক কর,

৫। বাচ্চাদের বা বড়দেরও... পাতলা পায়খানা, বা ডায়েরিয়া, বা ডিসেন্ট্রি, বা সামান্য জ্বরেও পায়খানাতে অসম্ভব পচা গন্ধ, মুখে অসম্ভব পচা গন্ধ, জিভে ঘা, জিভ বের করলে মুখের গন্ধে পাশে থাকা যাচ্ছে না, --- চোখ বন্ধ করে ব্যাপটিসিয়া

৬। যেখানেই আঘাত লাগুক না কেন, সর্বপ্রথমেই আর্নিকা ৬, বা ৩০, বা ২০০

৭। আর্নিকা দেওয়ার কয়েকদিন পরে মাংসপেশীর ব্যথা কমে গেল, কিন্তু তারপরে হাড়ের মধ্যে ব্যথা অনুভব করলে ----রুটা ৬ বা ৩০, আর তাতেও পুরোপুরি না গেলে কিছুদিন পরে সিমফাইটম ৬ বা ৩০

৮। চোখের মধ্যে যে কোন আঘাতে যদি খোঁচা লেগে হয় --লিডাম, আর যদি খোঁচা না লেগে অন্যভাবে আঘাত লাগে, তাহলে --সিমফাইটাম

৯। জ্বরে, বা মাথাব্যথায় চোখ মুখ লাল থমথম করছে, হাসিখুশি আমোদের বাচ্চা ছিল, কিন্তু এখন কি রকম ভীত-সন্ত্রস্ত, ফ্যাল ফ্যাল করে তাকাচ্ছে --বেলেডোনা,

১০। হঠাৎ ফিটের রোগে বা অন্য যে কোন কারনে অজ্ঞান হয়ে গেলে অর্থাৎ সেন্সলেস হয়ে পড়ে গেলে সেই অচৈতন্য রোগীকে দুই ভ্রুর উপরে কপালে বাইরে থেকে ভিতরের দিকে দুটো বুড়ো আঙ্গুল দিয়ে জোরের চাপবেন দেখবেন... রোগী সাথে সাথে লাফিয়ে উঠবে, এবং তার জ্ঞান ফিরে আসবে। আর যদি সম্ভব হয় এমিল নাইট্রেট মাদার হ্যাপকো বা জার্মান কোম্পানিীর কিনে রাখতে হবে৷। দাম বেশী। আলোতে নষ্ট হয়। দেখবেন কোম্পানি থেকে যখন ওষুধটা কিনবেন ভালো করে লাইট না লাগে সেইরকম কাগজে মুড়িয়ে দেবে। ১০ মিলি কিনে রাখলেই হবে। একটু তুলাতে ২/৩ ফোঁটা লাগিয়ে নাকে ধরবেন, দেখবেন রোগী লাফিয়ে উঠে পড়বে।

১১। যে কোন এ্যাপেনডিক্সের ব্যথা মনে হলে , অর্থাৎ নীচ পেটের ডান দিকে, বা নাভি বরাবর মাঝখানে ব্যথা হলে, প্রথম ঔষধ --আর্নিকা, অর্থাৎ, সর্বপ্রথম আর্নিকা প্রেসক্রিপশন করবেন । কারন মনে করতে হবে , বাচ্চা লাফালাফি বা খেলাধুলা করতে গিয়ে বা দুই বাচ্চাতে মারামারি করতে গিয়ে তলপেটে আঘাত লেগে থেকে হতে পারে । নরেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের বইয়ের শেষ পৃষ্ঠায় লেখা আছে... অ্যাপেন্ডিসাইটিসের তরুণ অবস্থায় আর্নিকা খুবই ভালো, তারপর রোগীর চরিত্র মিলাইয়া ধাতুগত দোষের চিকিৎসা করাই সমুচিত ।

১২। যে কোন খিঁচুনি, বা তড়কায় , হাত পায়ের আঙুলগুলি যদি ভিতরের দিকে ঢুকে যায় --কুপ্রাম মেট

১৩। যে কোনো খিঁচুনি, বা তড়কায় রোগী যদি একবার এদিক, একবার ওদিক, একবার মাথাটা সামনে, একবার মাথাটা পিছনদিকে নিয়ে যাচছে , শরীর একেবারে বাঁকিয়ে চুরিয়ে ফেলছে -- সিকুটা ভিরসা,

১৪। পেট ব্যাথা পিছনে হেলে বসলে বা শুয়ে থাকলে যদি কমে --ডায়োস্কোরিয়া, হাই পোটেনসি দিতে হবে,

১৫। পেটব্যথা সামনে ঝুঁকে বসলে কমলে কলোসিন্থ , 30, 200 তে কমবে না, হাই পোটেনসি দিতে হবে 10 M, 50 M, C M.

১৬। পেট ব্যথায় কি করবে বুঝে পাচ্ছে না,পাগলের মতন একবার এদিক, একবার ওদিক, একবার হাত তুলছে, একবার পা তুলছে, একবার একটা পা ভাঁজ করছে, অন্য পা ছড়িয়ে দিচ্ছে, ইত্যাদি... ইংরেজিতে বলা হয় বিজার পোশচার , --প্লাম্বাম মেটালিকাম

১৭। অন্য সময় হয় না, কিনতু খিঁচুনি বা তড়কার সময় মুখ দিয়ে খুব লালা বের হলে -- ওনেন্থা ক্রোকেটা

১৮। রাতের পর রাত জাগার পর থেকে যে কোন রোগ হলে --ককুলাস ইন্ডিকা, অন্য ২/১ টি সিমপটমস দেখতে হবে, কারন নাকস ভমও আছে

১৯। ছেলেদের অন্ডকোষে কোনরকম আঘাত লাগলে প্রথম ঔষধ--- কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম

২০।মেয়েদের ব্রেস্টে কোন রকম আঘাত লাগলে প্রথম ওষুধ --বেলিস পেরেনিস, পরে জায়গাটা যদি শক্ত হয়ে যায়, তাহলে --কোনিয়াম ম্যাকুলেটাম

২১। বাচ্চার তড়কা, জ্বর, খিঁচুনি, পেট খারাপ, ইত্যাদি হলে জানতে হবে এসব আরম্ভ হওয়ার আগে তার মা কারুর সাথে খুব ঝগড়া গন্ডগোল করেছিল কি না, আর সেরকম কিছু করার পরে তাকে বুকের দুধ দিয়েছিল কি না, আর তারপর থেকে এইসব উপসর্গ দেখা দিয়েছে কি না, যদি তাই হয়, তাহলে বাচ্চার মাকে দিতে হবে --ক্যামোমিলা,

২২। বহু ক্ষেত্রে ছোট নবজাতককে ঔষধ দেওয়া লাগে না, বাচ্চার সিমপটম নিয়ে যে ঔষধ আসবে, সেই ঔষধ তার মাকে দিতে হবে। কারন, মায়ের বুকের দুধের মধ্য দিয়ে বাচ্চার কাজ হবে।

সৌজন্যে: ন্যাশনাল হোমিও ফার্মেসী

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। মানুষের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্ট একটু ভিন্ন ভাবে কাজ...
04/12/2021

সম্প্রতি করোনা ভাইরাসের নতুন একটি ভ্যারিয়েন্ট খুঁজে পেয়েছেন গবেষকরা। মানুষের শরীরে এই ভ্যারিয়েন্ট একটু ভিন্ন ভাবে কাজ করছে। লক্ষণ অনুসারে যে ঔষধ ব্যবহার করে উপকৃত হতে পারেন তা নিচে দেওয়া হল:
1. Bryonia Alb
2. Kali Iod
3. Gelsemium
4. Carbo Veg

বিঃদ্রঃ এই ঔষধগুলো এ পর্যন্ত প্রাপ্ত তথ্য বিশ্লেষণ করে দেওয়া হয়েছে। যেকোন পরিবর্তন ও পরিবর্ধন হতে পারে। আমাদের সাথেই থাকুন।

ঔষধ নির্দেশ: ডাঃ রুমি আকরাম
Photo: boston24news .com

Tags:

জরায়ুর স্থানচ্যুতিঃ------------------------------------লজ্জা, ভয় ও কুসংস্কারের কারণে আমাদের দেশের অনেক নারীরা তাদের শারী...
20/11/2021

জরায়ুর স্থানচ্যুতিঃ
------------------------------------
লজ্জা, ভয় ও কুসংস্কারের কারণে আমাদের দেশের অনেক নারীরা তাদের শারীরিক অসুখের কথা গোপন রাখেন। তারা এসব অসুখের কথা কারো সাথে শেয়ার করেন না বা ডাক্তার দেখান না।
মূলতঃ নারীদের বস্তিদেশ অর্থাৎ Pelvis থেকে প্রজনন তন্ত্রের অংশ যেমন জরায়ু ও যোনি স্বাভাবিক অবস্থান থেকে নিচে নেমে আসাকে Ge***al Prolapse বলা হয়ে থাকে আর যখন জরায়ু নেমে আসে তখন তাকে Uterine Prolapse বা জরায়ুর স্থানচ্যুতি বলা হয়।

একটা পর্যায়ে গিয়ে রোগ ভয়াবহ আকার ধারণ করে। যখন বেশীরভাগ ক্ষেত্রে আর রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়না। তেমনি একটি সমস্যা প্রোলেপ বা নারীর জরায়ু মুখ বের হয়ে যাওয়া। দুটা বয়সে নারীর প্রোলেপস হয়। একটা হলো নারীর যখন মাসিক পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায় বা মেনোপজ হয়ে যায় ঐ সময়টাতে প্রোলেপস হয়। আরেকটা হলো বাচ্চা প্রসবের সময় যখন জরায়ুর মুখ খুলে নি তখন অপ্রশিক্ষিত দাঈমা অতিরিক্ত চাপ প্রয়োগের ফলে। এছাড়াও নানা কারণে জরায়ুর স্তানচ্যুতি হতে পারে।
দুশ্চিন্তার কোন কারণ নেই। হাজার হাজার টাকা খরচ করে ডাক্তার দেখানোর চাইতে দুই- একশত টাকার হোমিওপ্যাথি ঔষধ খেয়ে সম্পুর্ণ আরোগ্য লাভ করবেন।

ঔষধের নামঃ ক্যালকেরিয়া ফ্লোর ১২x তিনটা বড়ি দিনে দুই বার খেয়ে হালকা গরম পানি খেতে হবে।
সাথে লক্ষণ অনুযায়ী আরো কিছু ঔষধ প্রয়োজন হতে পারে। এছাড়াও Graphites 1M এক সপ্তাহ পরপর সকাল ৬টায় ৫ ফোঁটা করে সেবনে উত্তম ফল পাওয়া যায়। ধন্যবাদ❤️

#হোয়িওপ্যাথি #চিকিৎসা
#জরায়ু #স্থানচুতি #জয়ায়ুরস্থানচুতি #জরায়ুনিচেনেমেআসা

ছবি ও লেখাঃ
১.স্বল্প মূল্যে হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা সেবা কার্যক্রম
২. dr.delowar,com

Corn (কড়া) রোগে হোমিওপ্যাথি:***********************************************Corn (কড়া): আমাদের চামড়ার কিছু  কিছু স্থানে চ...
05/09/2021

Corn (কড়া) রোগে হোমিওপ্যাথি:
***********************************************

Corn (কড়া): আমাদের চামড়ার কিছু কিছু স্থানে চামড়া মরে যাওয়ার পর এই চামড়া গুলো একটি স্থানে মিলিত হয়ে ভুট্টা দানার সমান শক্ত একটি প্রলেব সৃষ্টি হয়, এই শক্ত প্রলেবকে আমরা Corn (কড়া) বলে থাকি। Corn শব্দটি ভুট্টা দানার ইংরেজি শব্দ থেকে এসেছে।ভুট্টা দানা যেমন বাহিরে শক্ত ভিতরে নরম হয়ে থাকে ঠিক তেমনি Corn (কড়া) এমনি হয়ে থাকে।

Corn (কড়া) সাধারনত পায়ের তলায় ও হাতের আঙ্গুল বা পাতায় হয়ে থাকে।কিছু কিছ ব্যথা যুক্ত আবার কিছু কিছু ব্যথা বিহীন হয়ে থাকে।

কারনঃ Corn (কড়া) হওয়ার প্রকৃত কারন এখনো অজানা,তবে যারা র্দীঘ সময় দাড়িয়ে থাকে, যেমন- ট্রাফিক পুলিশ, শিক্ষক, সেলসম্যান এদের ক্ষেত্রে বেশি হয়ে থাকে।
লক্ষণঃ উপরে শক্ত ও অনুভুতিহীন, ভিতরে ব্যথাযুক্ত।খসখসে চামড়া। উপরের অংশ ব্রেট দিয়ে কাটলেও ব্যথা অনুভব হয়না। তবে চলাচলে ব্যথা অনুভব হয়, Corn (কড়া) এর কারনে অনেক লোক স্বাভাবিক চলাচল করতে পারেনা।

অনলাইন পরামর্শে "ফি" প্রযোজ্য নয়।

হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধঃ
থুজা (Thuja. O.): আমাদের শরীরে অতিরিক্ত কোন চামড়ার বৃদ্ধিতে থুজা খুবই কার্যকারী, Corn (কড়া) এর ক্ষেত্রে তাই।
এন্টিম ক্রুডঃ আমাদের শরীরের চামড়ায় ময়লা বা মোটাংশ বৃদ্ধি পেলে এন্টিম ক্রুড কার্যকারী।
তাছাড়া লক্ষণানুসারে পেট্রোলিয়াম, এসিড নাইট, এনাকার্ডিয়াম অক্সি, এসিটিক এসিড প্রয়োগ করা যেতে পারে।
তাছাড়া থুজা মাদার টিনচার লাগানো যেতে পারে।

কৃতজ্ঞতা:
ডা: ওমর ফারুক
বাংলাদেশ

হস্তমৈথুনের কুফল থেকে বাঁচার উপায় এবং এর সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।********************************************হস্তমৈথুন...
13/07/2021

হস্তমৈথুনের কুফল থেকে বাঁচার উপায় এবং এর সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা।
********************************************
হস্তমৈথুন কী এ বিষয়ে প্রাপ্ত বয়স্করা সবাই কমবেশি জানে এ অংশে আমি হস্তমৈথুন থেকে বাঁচার উপায় এবং হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিয়ে আলোচনা করব।
হস্থমৈথুন বা হাত দিয়ে বির্যপাত করা যে কতটা ক্ষতি তা আমাদের অজানা নয়।তারপরও আমরা এই ভুলটি করে থাকি।ফলে ভবিষ্যতে পরতে হয় নানাবিধ সমস্যায়।
হস্তমৈথুন এর প্রধান সমস্যা হলোঃ-
** দ্রুত বীর্যপাত খুব অল্প সময়ে বীর্যপাত ঘটে। ফলে স্বামী তার স্ত্রীকে সন্তুষ্ট করতে অক্ষম হয়।
*অতিরিক্ত হস্তমৈথুন পুরুষের যৌনাঙ্গকে দুর্বল করে দেয়।
**চোখের ক্ষতি হয় স্মরণ শক্তি কমে যায়।
** আরেকটি সমস্যা হল Leakage of semen।অর্থাৎ সামান্য উত্তেজনায় যৌনাঙ্গ থেকে তরল পদার্থ বের হওয়া।
*শারীরিক ব্যথা কোমর এবং মাথা ঘোরা।
**যৌন ক্রিয়ার সাথে জড়িত স্নায়ুতন্ত্র দুর্বল হওয়া অথবা ঠিক মত কাজ না করার পরিস্থিতি সৃষ্টি হওয়া।
**শরীরের অন্যান্য অঙ্গ যেমন: হজম প্রক্রিয়া এবং প্রসাব প্রক্রিয়ায় সমস্যা সৃষ্টি করে। দ্রুত বীর্যস্থলনের প্রধান কারণ অতিরিক্ত হস্তমৈথুন
**হস্তমৈথুনের ফলে অনেকেই কানে কম শুনতে পারেন এবং চোখে ঘোলা দেখতে পারেন।

Rx
হস্তমৈথুন অভ্যাস দূর করতে এবং হস্তমৈথুন সংক্রান্ত কুফল সমূহ দূর করতে একমাত্র হোমিওপ্যাথি ছাড়া আর কোনো চিকিৎসা বিজ্ঞান আজও ততটা সাফল্য দেখাতে পারে নি। তাই ভালো কোনো হোমিওপ্যাথের কাছ থেকে প্রপার ট্রিটমেন্ট নিন। আশা করি আবার আপনার জীবন স্বাভাবিক হয়ে উঠবে।

Staphisagria : স্টেফিসেগ্রিয়া পুরুষদের যৌন দুর্বলতা দূর করার ক্ষেত্রে একটি শ্রেষ্ট ও অব্যর্থ ঔষধ। বিশেষভাবে অতিরিক্ত যৌনকর্মে লিপ্ত হওয়ার কারণে বা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুনের অভ্যাস থাকার কারণে যাদের ধ্বজভঙ্গ হয়ে গিয়েছে, তাদের ক্ষেত্রে এই ঔষধটি বেশী প্রযোজ্য। এটি Q, ৩, ৬, ৩০, ২০০ ইত্যাদি যে-কোন শক্তিতে খাওয়া যেতে পারে; কিন্তু যত নিম্নশক্তি থেকে খাওয়া শুরু করা যায় ততই উত্তম। প্রতিদিন পাঁচ ফোটা করে সকালে এবং সন্ধ্যাবেলা দু’বার। বিয়ের প্রথম দিকে কিছুদিন মেয়েদের প্রস্রাব বা যৌনাঙ্গ সম্পর্কিত কোন সমস্যা হলে নিশ্চিন্তে স্টেফিসেগ্রিয়া নামক ঔষধটি সেবন করা যেতে পারে। কারণ স্টেফিসেগ্রিয়া একই সাথে যৌনাঙ্গ এবং আঘাতজনিত রোগে সমান কাযর্করী ভূমিকা পালন করে।

Moschus Moschiferus : যে সকল ধ্বজভঙ্গ রোগীর ডায়াবেটিস আছে এটি তাদের জন্য ভালো কাজ করে। ক্ষুদ্রাকৃতি পুরুষাঙ্গকে পূর্বের অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে এই ঔষধটি সহায়তা করে।

Salix nigra : স্যালিক্স নাইগ্রা হোমিওপ্যাথিতে একটি শ্রেষ্ট ঔষধের কাতারে আসে। যাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম, হস্তমৈথুন করার অভ্যাস ছাড়াও স্বপ্নদোষ নিয়মিত ভাবে হয় তারা এই ঔষধ ব্যবহার করতে পারেন। উক্ত কারণসমূহে সৃষ্ট পুরুষদের যৌনকর্মে দুর্বলতা বা অক্ষমতা তৈরি হয়েছে এবং এসব কারণে যাদের ওজন কমে গিয়েছে, এই ঔষধ যৌনদূর্বলতা সারানোর পাশাপাশি তদের ওজনও বাড়াতেও সহায়তা করবে। আবার অবিবাহিত যুবক-যুবতী বা যাদের স্বামী-স্ত্রী দেশের বাইরে থাকেন অথবা ইহকাল ত্যাগ করেছেন, এই ঔষধ তাদের মাত্রাতিরিক্ত যৌন উত্তেজনা কমিয়ে দিয়ে স্বাভাবিক অবস্থায় জীবনযাপনে সাহায্য করবে।

Lycopodium clavatum : লাইকোপোডিয়াম পুরুষাঙ্গ ধ্বজভঙ্গের একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। যাদের মাত্রাতিরিক্ত ধূমপানের অভ্যাসের কারণে ধ্বজভঙ্গ হয়েছে তারা এটি খেতে পারেন। লাইকোপোডিয়ামের প্রধান লক্ষণ হলো এদের পেটে প্রচুর গ্যাস তৈরি হয়, এদের মাথার ব্রেন খুব ভালো কিন্তু স্বাস্থ্য খুব জীর্ণ শীর্ণ, এদের প্রস্রাব অথবা পাকস্থলী সংক্রান্ত কিছু না কিছু সমস্যা থাকবেই, অকালে বার্ধক্য, সকাল বেলা বেশি দুর্বলতা ইত্যাদি।

Natrum carbonicum : পুরুষরা যে-সব নারীদেরকে আলিঙ্গন করলেই বীযর্পাত হয়ে যায় (সহবাস ছাড়াই) অর্থাৎ অল্পতেই তাদের আত্মতৃপ্তি হয়ে যায় এবং পরে আর কোন সঙ্গমে আগ্রহ থাকে না, তাদের জন্য নেট্রাম কার্ব একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ। এবং এই কারণে যদি তাদের কোন সন্তানাদি না হয় (অর্থাৎ বন্ধ্যাত্ব দেখা দেয়), তবে নেট্রাম কার্বে সেই বন্ধ্যাত্বও সেরে যাওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।

Caladium seguinum : যে সকল ব্যক্তিগণ যৌনমিলনে কোন ধরণের আনন্দ পান না বা যৌনমিলনের পরও বীরয নির্গত হয় না এবং যাদের বীরয অতি দ্রুত নির্গত হয়ে যায় বা যারা মাত্রাতিরিক্ত হস্তমৈথুন করার কারণে দুর্বল হয়ে পড়েছেন, তাদের জন্য এই ঔষধটি অনেক কার্যকরী।

Agnus Castus : কিছু কিছু মানুষের গনোরিয়া রোগের পরে এই ধরনের যৌন দুর্বলতা দেখা দিলে এই ঔষধটি ভালো কাজ করে। পুরুষাঙ্গ আকারে ছোট এবং খুবই নরম হয়ে যায়, পায়খানা এবং প্রস্রাবের আগে-পরে নিয়মিতভাবে আঠালো পদার্থ নির্গত হয়, এবং ঘনঘন স্বপ্নদোষ হওয়ার অভ্যাস আছে তাদের জন্য এই ঐষধটি কার্যকর।

Nux Vomica : যৌন শক্তি বৃদ্ধিতে নাক্স ভমিকা ঔষধটি একটি উৎকৃষ্ট ঔষধ বিশেষত যারা শীতকালে কাতর, যাদের পেটের যে কোন সমস্যা বেশী হয়, সারাক্ষণ শুয়ে-বসে থাকতে ইচ্ছা করে, কায়িক পরিশ্রম কম করে এবং মানসিক পরিশ্রম বেশী করার অভ্যাস আছে ইত্যাদি। নিম্নশক্তিতে এই ঔষধটি ঘনঘন খেলে ভালো ফল পাওয়া যায়।

Phosphoricum Acidum : সাধারণত টাইফয়েড জাতীয় মারাত্মক কোন রোগে ভোগার কারণে, স্বপ্নদোষ, মাত্রাতিরিক্ত যৌনকর্ম ও হস্তমৈথুন ইত্যাদি কারণে যৌন ক্ষমতা কমে গিয়েছে অথবা যৌনক্ষমতা একেবারে নষ্ট হয়ে গিয়েছে (এবং সাথে অন্য যে-কোন ধরণের সমস্যা হউক না কেন) এসিড ফস উত্তম।

একজন রেজিস্টার্ড হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকের পরার্মশ নিয়ে মেডিসিন খাবেন, নিজে নিজের ডাক্তারি করবেন না,কারন রোগীর রোগের লক্ষন মিলতে হবে। রোগীর লক্ষন,রোগের লক্ষন ব্যাতীত ঔষুধ প্রয়োগ করা অনুচিত।

কৃতজ্ঞতা: জার্মান হোমিও কেয়ার
ছবি: cyberspaceandtime.com (royalty free)

tags: *x ********on *x *xual_weakness *xproblemsolution

Address

Birbhum

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Homeopathic Treatment for FREE posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram