Hanif Homoeo Hall

Hanif Homoeo Hall Help other to help your self �

যুক্তরাজ্যে এক ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তি গাড়ি চালানোর সময় হাঁচি আটকাতে গিয়ে নিজের শ্বাসনালিতেই ছিদ্র করে ফেলেন!  ফিভারে ভোগার ...
17/11/2025

যুক্তরাজ্যে এক ৩০ বছর বয়সী ব্যক্তি গাড়ি চালানোর সময় হাঁচি আটকাতে গিয়ে নিজের শ্বাসনালিতেই ছিদ্র করে ফেলেন! ফিভারে ভোগার সময় তিনি হাঁচি আটকাতে একসাথে নাক চেপে ধরেন ও মুখ বন্ধ করেন। এরপর থেকেই গলা ব্যথা শুরু হয়।
চিকিৎসকরা পরীক্ষা করে দেখতে পান, তার গলায় অস্বাভাবিক "ক্র্যাক্লিং" শব্দ হচ্ছে। এক্স-রে ও সিটি স্ক্যানে ধরা পড়ে, গলার চামড়ার নিচে বাতাস আটকে আছে এবং তার শ্বাসনালিতে (ট্রাকিয়াতে) ২x২ মিমি আয়তনের একটি ছিদ্র হয়ে গেছে!
ভাগ্য ভালো, তার শ্বাস বা কথাবার্তায় সমস্যা ছিল না। চিকিৎসকরা পেইন কিলার ও হে ফিভারের ওষুধ দিয়ে দুই দিন হাসপাতালে রেখে পর্যবেক্ষণ করেন। কোনো সার্জারি ছাড়াই পাঁচ সপ্তাহের মধ্যে পুরোপুরি সেরে ওঠেন তিনি।
চিকিৎসকদের মতে, হাঁচি আটকে রাখার ফলে শরীরের ভেতরে অস্বাভাবিক চাপ তৈরি হয়, যা এমন ভয়াবহ জটিলতা ডেকে আনতে পারে। ইতিহাসে এই প্রথমবার কারও শ্বাসনালিতে এমনভাবে ছিদ্র হওয়ার ঘটনা প্রত্যক্ষ করলেন চিকিৎসকরা।
তাই মনে রাখবেন — একটি হাঁচি মুক্ত করাই হতে পারে জীবনের নিরাপদ সিদ্ধান্ত। হাঁচি চেপে নয়, হাঁচি ছাড়ুন নিরাপদে।

#হাঁচি_থামাবেন_না

🌬️ Asthma / ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা🔹 রোগের সংক্ষিপ্ত ধারণা:Asthma হলো একধরনের ব্রঙ্কিয়াল ট্র্যাক্টের দ...
28/10/2025

🌬️ Asthma / ব্রঙ্কিয়াল অ্যাজমা ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা

🔹 রোগের সংক্ষিপ্ত ধারণা:

Asthma হলো একধরনের ব্রঙ্কিয়াল ট্র্যাক্টের দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহজনিত রোগ, যেখানে শ্বাসনালী সংকুচিত হয়, নিঃশ্বাস কষ্ট হয়, সর্দি-কাশি বা এলার্জি ও শ্বাসে ঘিঞ্জি শব্দ (wheeze) দেখা দেয়।
এটি সাধারণত এলার্জি, ধুলো, ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস, মানসিক চাপ, শীতল পানি বা ধূমপান থেকে হয়।

⚠️ প্রধান লক্ষণসমূহ:

নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট, বিশেষ করে রাতে ও ভোরে

শ্বাসের সময় হুইজিং বা ফিসফিস শব্দ

বুক চেপে ধরা, হাঁচি, কাশি

অ্যালার্জি (ধুলো, ধোঁয়া, ফুলের পরাগ) বৃদ্ধি

ক্লান্তি, ঘুমের সমস্যা

দীর্ঘমেয়াদে, শ্বাসনালী সংকুচিত হওয়ায় শারীরিক কার্যক্রমে অসুবিধা

২০টি কার্যকর হোমিওপ্যাথিক ঔষধ

1️⃣ Arsenicum Album 200 – রাতের দিকে শ্বাসকষ্ট, হুইজিং, ঠান্ডা বাতাসে বেড়ে যায়।
2️⃣ Antimonium Tartaricum 30 – শ্বাসে কফ জমা, কফ বের করা কঠিন, শ্বাস কষ্ট।
3️⃣ Ipecacuanha 30 – শুকনো কফ, বমি ভাব, শ্বাস বন্ধের মতো অনুভূতি।
4️⃣ Kali Bichromicum 30 – ঘন কফ, শ্বাসনালীতে আঠালো কফ জমা।
5️⃣ Hepar Sulphuris 200 – সংক্রমণ বা শীতল বাতাসে শ্বাসকষ্ট, ঘন কফ।
6️⃣ Spongia Tosta 30 – শুষ্ক কাশি, রাতের দিকে বেড়ে যায়, শ্বাস নেয়ার সমস্যা।
7️⃣ Bryonia Alba 200 – নড়াচড়া করলে শ্বাসকষ্ট বৃদ্ধি, বুক চাপা লাগে।
8️⃣ Sambucus Nigra 30 – রাতে শ্বাস বন্ধ, নিঃশ্বাসে হুইজিং।
9️⃣ Natrum Sulphuricum 30 – শ্বাস নেয়ার সমস্যা, জন্ডিস বা লিভার সমস্যা যুক্ত অ্যাজমা।
🔟 Blatta Orientalis 30 – দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসনালী সংকোচন ও শুকনো কফ।
11️⃣ Lobelia Inflata 30 – শ্বাসে চাপ, হাঁচি, শ্বাসনালীর সংকোচন কমায়।
12️⃣ Phosphorus 200 – ঠান্ডা বাতাসে শ্বাস কষ্ট, হুইজিং, অল্প পরিশ্রমে ক্লান্তি।
13️⃣ Chelidonium Majus 30 – ডান পাশে বুক চাপা, শ্বাস নিতে কষ্ট।
14️⃣ Carbo Vegetabilis 30 – ফাঁপা বা গ্যাসযুক্ত বুক, শ্বাস নেয়ার অসুবিধা।
15️⃣ Magnesia Carbonica 30 – অল্প হাঁটলেই শ্বাস কষ্ট, বুক ভারি।
16️⃣ Rumex Crispus 30 – ঠান্ডা বাতাসে কাশি ও শ্বাসকষ্ট, হুইজিং।
17️⃣ Kali Carb 30 – শ্বাস নেয়ার সমস্যা, বুক চেপে ধরা।
18️⃣ Aconitum Napellus 30 – হঠাৎ শ্বাস বন্ধ, ভয় বা ঠান্ডা বাতাসের কারণে অ্যাজমা।
19️⃣ Badiaga 30 – দীর্ঘমেয়াদী শ্বাসকষ্ট ও কফ, শ্বাসনালী প্রদাহ।
20️⃣ Reckeweg R7 (Combination drops) – Chronic & Allergic Asthma-এর জন্য কার্যকর।

🩺 চিকিৎসা নির্দেশিকা ও জীবনধারা পরামর্শ

✅ ধূলা, ধোঁয়া, ঠান্ডা বাতাস ও ধূমপান এড়িয়ে চলুন।
✅ রাতের খাবার হালকা রাখুন।
✅ শ্বাসনালী সুস্থ রাখতে হালকা ব্যায়াম ও প্রাকৃতিক ভেজা বাতাস।
✅ নিয়মিত ঘুম, মানসিক প্রশান্তি বজায় রাখা জরুরি।
✅ দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা হলে অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

⚕️ বিশেষ দ্রষ্টব্য

হঠাৎ শ্বাস বন্ধ বা খুব তীব্র অ্যাজমা হলে, অবিলম্বে জরুরি চিকিৎসা নিন।

22/10/2025

#অতিরিক্ত ঘামের হোমিও ঔষধ। ঘামের বিভিন্নতায় হোমিওপ্যাথিক ওষুধ নির্বাচন।
-----------------------------------------------------------------------

⬛ অতিরিক্ত ঘাম ও ঘামের দুর্গন্ধের জন্য পরিচিত হোমিওপ্যাথিক ওষুধসমূহ :

⬛ Calcarea Carb
লক্ষণ: সহজেই ঘাম হয়, বিশেষ করে মাথা ও ঘাড়ে। ঠাণ্ডা ঘাম হয়।
ব্যবহার: শিশুদের মাথায় ঘাম হলে, বা অতিরিক্ত ওজনদার ব্যক্তির ক্ষেত্রে কার্যকর।

⬛ Silicea
লক্ষণ: হাত-পা ঘামে এবং দুর্গন্ধযুক্ত হয়। ঘাম ঠাণ্ডা ও পিচ্ছিল হয়।
ব্যবহার: দুর্বলতা, অতিরিক্ত ঘাম ও সংবেদনশীল ত্বকের ক্ষেত্রে।

⬛ Sulphur
লক্ষণ: সারা শরীরে ঘাম হয়, বিশেষ করে রাতে। দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম হয়।
ব্যবহার: গা ময়লা থাকে এমন অনুভূতি, চুলকানি ও গরম স্বভাবের রোগীদের জন্য।

⬛ Mercurius Solubilis
লক্ষণ: অতিরিক্ত ঘাম হয়, বিশেষ করে রাতে। ঘামে গন্ধ হয় এবং শরীরে দুর্বলতা লাগে।
ব্যবহার: সংক্রমণ বা ইনফ্ল্যামেশন সংক্রান্ত ঘাম হলে।

⬛ Thuja Occidentalis
লক্ষণ: পায়ের তলায় ঘাম ও গন্ধ; নখ দুর্বল ও ভঙ্গুর হয়ে পড়ে।
ব্যবহার: শরীরে বিষাক্ত উপাদান জমে গেলে ঘাম হয় এমন ক্ষেত্রে।

⬛ Psorinum
লক্ষণ: খুব দুর্গন্ধযুক্ত ঘাম, চুলকানি সহকারে হয়।
ব্যবহার: দীর্ঘদিনের চর্মরোগ ও ধাতুজনিত দুর্বলতার কারণে ঘাম হলে।

⬛ Lycopodium
লক্ষণ: একপাশে বেশি ঘাম হয় (ডান দিক বেশি)। গ্যাস ও হজমের সমস্যাসহ ঘাম হয়।
ব্যবহার: মানসিক চাপ ও আত্মবিশ্বাসের অভাবে ঘাম হলে উপকারী।

⬛ Phosphorus
লক্ষণ: ঘাম পাতলা ও মিষ্টি গন্ধযুক্ত হয়। রাতে বেশি ঘাম হয়।
ব্যবহার: দুর্বল ও সংবেদনশীল ব্যক্তিরা যারা সহজেই ক্লান্ত হন।

⬛ Natrum Muriaticum
লক্ষণ: মুখে ঘাম হয়, গরমের মধ্যে শুকনো মুখ ও অতিরিক্ত তৃষ্ণা থাকে।
ব্যবহার: মানসিক চাপ বা কষ্টজনিত কারণে ঘাম হলে কার্যকর।

⬛ Hepar Sulph
লক্ষণ: ঘাম আঠালো ও টক গন্ধযুক্ত। ঠান্ডা পরিবেশেও ঘাম হয়।
ব্যবহার: সংক্রমণপ্রবণ ও অ্যালার্জিক ব্যক্তিরা উপকৃত হতে পারেন।

⬛ নির্দিষ্ট লক্ষণে নির্দিষ্ট ঔষধ:

⬛ ঘুমের সময় ঘাম, মাথার ঘামে বালিশ ভিজে যায়?
Cal. Carb, Sanicula, Silicea, Cal. Phos

⬛ পায়ের তলায় ঘাম, আঙুলের ফাঁকে ঘা?
Sanicula, Psorinum, Silicea

⬛ ঘামের দুর্গন্ধ (পচা/মাছ/রসুন/মিষ্টি)?
Asafoetida, Caladium, Cantharis, Thuja, Bovista

⬛ খাবারের সময় মুখে ঘাম?
Natrum Phos 12x, Ignatia, Natrum Mur.

⬛ রাতে ঘাম, দুর্বলতা বা নিদ্রাকালে অতিরিক্ত ঘাম?
Natrum Sulph, Cal. Hypophos, Sambucus, Psorinum

⬛ শিশুর ঘামে বালিশ ভিজে যাচ্ছে?
Cal. Phos, Cal. Carb, Sanicula

⬛ ঘামের গন্ধে পোশাকে হলুদ দাগ?
Carbo Animalis, Ferrum Met.

⬛ ঘামের প্রকৃতি তেলতেলে, আঠালো, ঠাণ্ডা?
Mere Sol, Tabacum, Veratrum Album

⬛ ঘাম এত বেশি যেন গোসল করেছে!
Acid Citric, Castorium Q, Jaborandi Q

বোনাস টিপস:

⬛ অতিরিক্ত ঘামের পাশাপাশি যদি পিপাসার অসামঞ্জস্যতা থাকে (যেমন মুখ শুকনো কিন্তু পানি খেতে ইচ্ছা নেই, বা রাতে প্রচণ্ড পিপাসা), তবে ওষুধ নির্বাচন হবে ভিন্নভাবে যেমন: Cantharis, Puls, Rhus Tox, Bryonia, Mere Sol।
⬛ বিশেষ দ্রষ্টব্য:
উক্ত ওষুধসমূহ একজন হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী গ্রহণ করা উচিত। উপসর্গভিত্তিক সঠিক ওষুধই দিতে পারে স্থায়ী সমাধান।
আপনার হোমিও চর্চা ও লক্ষন অনুযায়ী ঔষধ নির্বাচন এর সুবিধার্থে নোট হিসেবে দেয়া হয়েছে।
cp

#অতিরিক্ত_ঘামের_হোমিও_চিকিৎসা
#অতিরিক্ত_ঘামের_হোমিও_ঔষধ
#ঘামের_হোমিওপ্যাথিক_ঔষধ

22/09/2025

✔️🎍 টিউমারের জন্য ১০০টি হোমিও ঔষধ ও লক্ষণ।
শরীরের বিভিন্ন স্থানে টিউমার (Tumor / Neoplasm / Growth / Swelling) এ ব্যবহৃত প্রায় ১০০টি হোমিও ঔষধ ও তাদের মূল লক্ষণ তালিকা আকারে দিচ্ছি।

১–২০

1. Thuja Occidentalis – আঁচিল, ফাইব্রোমা, গ্রন্থি টিউমার; নরম, আঁচিল-জাতীয় বৃদ্ধি।

2. Calcarea Fluorica – কঠিন, হাড়ের উপর টিউমার, গ্লান্ড টিউমার।

3. Calcarea Carbonica – ধীরগতির, ঠাণ্ডা, শক্ত টিউমার; স্থূল রোগী।

4. Conium Maculatum – স্তন/গ্লান্ড টিউমার, ধীরে বৃদ্ধি পায়, স্পর্শে ব্যথা।

5. Silicea – ফোড়া জাতীয়, পুঁজ জমা হওয়া টিউমার।

6. Baryta Carbonica – শিশু/বৃদ্ধদের গ্রন্থি টিউমার।

7. Phytolacca Decandra – স্তনের টিউমার, শক্ত ও বেদনাযুক্ত।

8. Cistus Canadensis – ঘাড়ের গ্রন্থি টিউমার।

9. Graphites – নরম, আঠালো, চর্ম ও গ্রন্থি টিউমার।

10. Nitric Acid – আঁচিল, গুটি জাতীয় টিউমার, ব্যথা কাঁটার মত।

11. Arsenicum Album – ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, জ্বালাধরা ব্যথা।

12. Carbo Animalis – স্তনের ক্যান্সার জাতীয় টিউমার।

13. Carbo Vegetabilis – চর্ম টিউমার, গ্যাস, দুর্বলতা।

14. Lapis Albus – গ্রন্থি টিউমার, থাইরয়েডে।

15. Cundurango – পাকস্থলীর টিউমার, ক্যান্সার জাতীয় বৃদ্ধি।

16. Hydrastis Canadensis – পাকস্থলীর পলিপ ও টিউমার।

17. Iodum – থাইরয়েড টিউমার, অতিভোজন করেও রোগা হয়।

18. Kali Iod – সিফিলিটিক গ্লান্ড টিউমার।

19. Spongia Tosta – থাইরয়েড টিউমার, কাশি সহ।

20. Bromium – শক্ত থাইরয়েড টিউমার।

২১–৪০

21. Sabina – জরায়ু টিউমার, অতিরক্তস্রাব।

22. Sepia – জরায়ু ফাইব্রয়েড, শুষ্কতা।

23. Belladonna – লাল, গরম টিউমার, হঠাৎ ব্যথা।

24. Apis Mellifica – ফুলে যাওয়া, ফোলা, জ্বালা টিউমার।

25. Bryonia – শক্ত টিউমার, সামান্য নড়লেই ব্যথা।

26. Rhus Tox – ফোলা টিউমার, নড়াচড়ায় আরাম।

27. Ruta Graveolens – হাড়ে টিউমার।

28. Symphytum – হাড় টিউমার, ফ্র্যাকচার পরবর্তী বৃদ্ধি।

29. Fluoric Acid – হাড়ের টিউমার, দাঁত ক্ষয়।

30. Kali Bichromicum – নাক/সাইনাস পলিপ টিউমার।

31. Teucrium Marum – নাকের পলিপ।

32. Sanguinaria Canadensis – স্তনের টিউমার, ডান দিকে।

33. Chimaphila Umbellata – স্তন ও প্রোস্টেট টিউমার।

34. Scrophularia Nodosa – গ্লান্ড টিউমার (neck nodes)।

35. Aur. Mur. Natron – জরায়ু টিউমার।

36. Plumbum Met – পেটের ভেতর টিউমার, শুকিয়ে যাওয়া।

37. Mercurius Sol – লালা পড়ে, গলার গ্রন্থি টিউমার।

38. Hecla Lava – চোয়াল ও হাড় টিউমার।

39. Staphysagria – টেস্টিস টিউমার।

40. Clematis Erecta – টেস্টিস টিউমার, শক্ত ও ব্যথাহীন।

৪১–৬০

41. Mezereum – হাড় টিউমার, আলসার সহ।

42. Asafoetida – হাড় টিউমার, ব্যথা ভেতর থেকে বাইরে।

43. Colocynthis – পেটের ভেতরে টিউমার, তীব্র পেটব্যথা।

44. Nux Vomica – পাকস্থলী ও লিভার টিউমার।

45. Lycopodium – ডান দিকের লিভার, পেটের টিউমার।

46. Chelidonium Majus – লিভার টিউমার, জন্ডিস।

47. Carduus Marianus – লিভার টিউমার, অ্যালকোহলজনিত।

48. China (Cinchona) – প্লীহা টিউমার, রক্তাল্পতা।

49. Ferrum Phos – প্রদাহজনিত টিউমার।

50. Natrum Mur – জরায়ু/ডিম্বাশয় টিউমার।

51. Borax – মুখের টিউমার, আলসার।

52. Sulphur – চর্ম টিউমার, আলসার প্রবণতা।

53. Psorinum – ম্যালিগন্যান্ট টিউমার, পুঁজ/দুর্গন্ধ।

54. Syphilinum – সিফিলিটিক টিউমার।

55. Medorrhinum – গ্লান্ড টিউমার, বংশগত।

56. Tuberculinum – টিউবারকুলার টিউমার।

57. Carcinosinum – ক্যান্সার প্রবণতা, ফ্যামিলি হিস্ট্রি।

58. Crotalus Horridus – ম্যালিগন্যান্ট, রক্তক্ষরণ টিউমার।

59. Lachesis – বাম দিকের স্তন টিউমার, গরমে বাড়ে।

60. Tarentula Cubensis – ব্যথাযুক্ত, নীলচে টিউমার।

৬১–৮০

61. Arnica Montana – আঘাতজনিত টিউমার।

62. Bellis Perennis – গভীর টিস্যুর আঘাত টিউমার।

63. Hamamelis – ভেনাস টিউমার।

64. Phosphorus – রক্তক্ষরণ টিউমার, ফুসফুস ক্যান্সার।

65. Antimonium Crudum – গ্যাস্ট্রিক টিউমার।

66. Antimonium Tart – ফুসফুস টিউমার, শ্বাসকষ্ট।

67. Ipecac – পাকস্থলী টিউমার, বমি।

68. Veratrum Album – অন্ত্রের টিউমার, দুর্বলতা।

69. Digitalis – হৃদযন্ত্র টিউমার।

70. Cactus Grandiflorus – হৃদ টিউমার, চাপ।

71. Spigelia – স্নায়বিক টিউমার, মাথা/চোখে।

72. Cicuta Virosa – মস্তিষ্ক টিউমার, খিঁচুনি।

73. Helleborus Niger – মস্তিষ্ক টিউমার, অজ্ঞান।

74. Zincum Met – স্নায়বিক টিউমার।

75. Kali Carb – ফুসফুস টিউমার, দুর্বলতা।

76. Kali Phos – স্নায়বিক টিউমার, ক্লান্তি।

77. Causticum – স্নায়বিক/গ্রন্থি টিউমার।

78. Ignatia – হিস্টেরিক টিউমার, আবেগপ্রবণ।

79. Coffea Cruda – টিউমারের ব্যথায় ঘুম যায় না।

80. O***m – মস্তিষ্ক টিউমার, অবশ ভাব।

---

৮১–১০০

81. Secale Cornutum – শুকনো গ্যাংরেন জাতীয় টিউমার।

82. Ustilago – জরায়ু টিউমার, অতিরিক্ত রক্তস্রাব।

83. Trillium Pendulum – জরায়ু ফাইব্রয়েড, রক্তপাত।

84. Murex Purpurea – জরায়ু টিউমার, যৌন উদ্দীপনা।

85. Kreosotum – জরায়ু ক্যান্সার জাতীয় টিউমার।

86. Petroleum – চর্ম টিউমার, শুষ্ক চামড়া।

87. Cocculus Indicus – নার্ভ টিউমার, মাথা ঘোরা।

88. Eupatorium Perfoliatum – হাড় টিউমার, শরীর ব্যথা।

89. Euphorbium Officinale – জ্বলন্ত ব্যথাযুক্ত টিউমার।

90. Cantharis – মূত্রথলী টিউমার, প্রস্রাবে রক্ত।

91. Pareira Brava – মূত্রাশয় টিউমার, কষ্টে প্রস্রাব।

92. Berberis Vulgaris – কিডনি টিউমার।

93. Solidago Virgaurea – কিডনি/ইউরিনারি টিউমার।

94. Sarsaparilla – মূত্রনালী টিউমার।

95. Onosmodium – চোখ/অপটিক টিউমার।

96. Natrum Phos – হাড় টিউমার, অ্যাসিডিটি সহ।

97. Natrum Sulph – লিভার/স্প্লিন টিউমার।

98. Ammonium Carb – চর্ম টিউমার, দুর্বল হৃদপিণ্ড।

99. Ammonium Mur – গ্রন্থি টিউমার।

100. Sulphur Iod – গ্লান্ড টিউমার, প্রদাহ।

⚠️ নোট:

এই তালিকা রেপার্টরি ও ক্লিনিকাল অভিজ্ঞতা অনুযায়ী সাজানো হয়েছে।

কোন ওষুধ বেছে নেওয়া হবে, তা রোগীর সম্পূর্ণ উপসর্গ, মানসিক অবস্থা, শারীরিক প্রকৃতি ইত্যাদির উপর নির্ভর করবে।

সঠিক ঔষধ নির্ধারণের জন্য অভিজ্ঞ হোমিও চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

🤷‍♂️🌷সঠিক হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা পেতে হলে জানতে হবে তবে চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ সেবন করা উচিৎ নয়।

🔹 ক্যান্হারিস (Cantharis) এর ১০০টি লক্ষণ১–২০ : প্রস্রাব ও মূত্রতন্ত্র 1. প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালা। 2. ঘন ঘন প্রস্রাবের ত...
17/09/2025

🔹 ক্যান্হারিস (Cantharis) এর ১০০টি লক্ষণ

১–২০ : প্রস্রাব ও মূত্রতন্ত্র
1. প্রস্রাবে প্রচণ্ড জ্বালা।
2. ঘন ঘন প্রস্রাবের তাগিদ।
3. অল্প অল্প প্রস্রাব হওয়া।
4. প্রস্রাবের সময় ভয়ানক ব্যথা।
5. প্রস্রাব আটকে যাওয়া।
6. প্রস্রাব করতে না পেরে যন্ত্রণায় কাতর হওয়া।
7. প্রস্রাবের সঙ্গে রক্ত আসা।
8. প্রস্রাবের রঙ গাঢ় লাল।
9. মূত্রথলি ফোলা।
10. কিডনির এলাকায় ব্যথা।
11. মূত্রথলিতে প্রদাহ।
12. প্রস্রাব না হওয়ার কারণে খিঁচুনি।
13. প্রস্রাব শুরু হওয়ার আগে যন্ত্রণা।
14. প্রস্রাবের সময় যন্ত্রণা।
15. প্রস্রাব শেষ হওয়ার পরও যন্ত্রণা থাকে।
16. প্রস্রাব করতে গিয়ে পেট চেপে ধরা লাগে।
17. মূত্রথলিতে টান টান ভাব।
18. প্রস্রাবে জ্বালা এত তীব্র যে রোগী পানি খেতে ভয় পায়।
19. প্রস্রাব ফোঁটা ফোঁটা করে আসা।
20. প্রস্রাবে পুঁজ মিশ্রিত।

২১–৪০ : ত্বক ও পোড়া
21. হঠাৎ গরমে পোড়া ব্যথা।
22. পোড়ার জায়গায় তীব্র জ্বালা।
23. পোড়ার পর ফোস্কা ওঠা।
24. ফোস্কা ভরা ঘা।
25. পোড়ার পর ক্ষত ধীরে শুকানো।
26. সূর্যের তাপে জ্বালা।
27. গরম পানিতে হাত-পা পুড়ে যাওয়া।
28. ফোসকার চারপাশ লাল হয়ে ফোলা।
29. চামড়া চুলকানি।
30. গরমে চামড়ায় ফোসকা।
31. পানি পড়লেই পোড়ার জায়গায় ব্যথা বাড়ে।
32. শরীরে অসহ্য জ্বালা, পানি ঢালতে ইচ্ছা হয়।
33. শরীরে ছোট ছোট পানিভরা ফোসকা।
34. ফোসকা ভেঙে পুঁজ হওয়া।
35. ব্যথার কারণে শরীর ছটফট করা।
36. পোড়ার জায়গায় ঠান্ডা লাগলেই আরাম।
37. সূর্য পোড়ার কারণে মাথা ব্যথা।
38. গরমে সারা শরীর লাল হয়ে যাওয়া।
39. পোড়া জায়গায় স্পর্শ সহ্য হয় না।
40. পোড়া জায়গায় পানি পড়লে জ্বালা কমে।

৪১–৬০ : হজম ও পেট
41. পেটে জ্বালা।
42. পেটের ভেতর টান টান ভাব।
43. অন্ত্রে প্রদাহ।
44. রক্তমিশ্রিত পাতলা পায়খানা।
45. পায়খানা করার সময় ব্যথা।
46. অর্শ্বরোগের ব্যথা।
47. পেট ফাঁপা।
48. পেটে কুঁচকানো ব্যথা।
49. তীব্র গ্যাসের ব্যথা।
50. পেট ব্যথা প্রস্রাবের সাথে সম্পর্কিত।
51. পেটে জ্বালা এত বেশি যে পানি খেলেও বাড়ে।
52. বমি বমি ভাব।
53. টক ঢেকুর।
54. বমিতে রক্ত।
55. খাওয়ার পর জ্বালা বাড়ে।
56. খাওয়ার সময় পানি খেলেই ব্যথা।
57. মুখ শুকনো।
58. মুখের ভেতর ফোসকা।
59. জিভে সাদা আস্তরণ।
60. মুখে পুড়ার মত অনুভূতি।

৬১–৮০ : নারীদের উপসর্গ
61. যোনিতে তীব্র জ্বালা।
62. প্রস্রাবের সাথে যোনি ব্যথা।
63. জরায়ু অঞ্চলে টান টান ব্যথা।
64. যোনিতে প্রদাহ।
65. মাসিকে তীব্র ব্যথা।
66. মাসিকের সময় প্রস্রাবের জ্বালা বাড়ে।
67. জরায়ু থেকে রক্তপাত।
68. যোনিপথে ফোসকা।
69. গর্ভাবস্থায় মূত্রথলির ব্যথা।
70. প্রসবের পর প্রস্রাব আটকে যাওয়া।
71. যোনিতে পানি পড়লে আরাম লাগে।
72. সাদা স্রাবের সময় জ্বালা।
73. জরায়ুর প্রদাহ।
74. যোনি শুকিয়ে যাওয়া।
75. ডিম্বাশয়ে ব্যথা।
76. যৌন সম্পর্কের সময় ব্যথা।
77. যৌন সম্পর্কের পর প্রস্রাবে জ্বালা।
78. মাসিক বেশি হওয়া।
79. মাসিকের রক্ত গাঢ়।
80. মেয়ে শিশুর প্রস্রাব আটকে যাওয়া।

৮১–১০০ : অন্যান্য উপসর্গ
81. পুরুষদের যৌনাঙ্গে প্রদাহ।
82. পুরুষদের যৌন উত্তেজনা অস্বাভাবিক বেড়ে যাওয়া।
83. পুরুষদের প্রস্রাবে রক্ত।
84. পুরুষাঙ্গে ফোসকা।
85. স্নায়বিক উত্তেজনা বেড়ে যাওয়া।
86. খিঁচুনি জাতীয় অবস্থা।
87. শরীরে অস্থিরতা।
88. রোগী পানি দেখতে পারে না।
89. রোগী পানি খেলেই কষ্ট বেড়ে যায়।
90. প্রচণ্ড তৃষ্ণা।
91. আলো সহ্য হয় না।
92. শব্দে অসহ্যতা।
93. শরীর গরম থাকে।
94. জ্বরের সময় শরীরে জ্বালা।
95. মাথায় গরম অনুভূতি।
96. মাথা ঝিম ঝিম।
97. মাথায় ব্যথা।
98. চোখে জ্বালা।
99. কানে টান টান ব্যথা।
100. অস্থির হয়ে ছটফট করা।



👉 সারসংক্ষেপ:
ক্যান্হারিস মূলত প্রস্রাবের জ্বালা-ব্যথা, মূত্রথলির প্রদাহ, কিডনির সমস্যা, পোড়া ফোসকা, এবং যেকোনো তীব্র জ্বালা জাতীয় সমস্যায় কার্যকর।

16/09/2025

গাউট বা গিটে বাতে আর্টিকা

দুই বছর আগের একটি কেস হঠাৎ মনে পড়লো।
রোগি নিজে ও একজন হোমিওপ্যাথ ( চেম্বারে আসলে আমার এসিস্ট্যান্টগন তাকে পৈতাল রোগী বলতো, ভদ্রলোক সিরিয়াল দিলেই এসিস্ট্যান্টরা বলতো স্যার আজকে আপনার খবর আছে সেই পৈতাল রোগি আসবে 😀😀😀, যাই হোক রোগি ত রোগি ই , যদিও তাকে পার্সোনালি আমি অনেক বার বকা ঝকা করেছি, যদি এতোই বুঝেন আমার কাছে আসার দরকার কি?)

ভদ্রলোকের গাউট এর সমস্যা ছিলো বিশেষ করে ছোট জয়েন্ট গুলোতে তীব্র ব্যথা ছিলো , বাইল্যাটেরাল অর্থাৎ দুই পাশে একসাথে ব্যথা হয়।

ইউরিক এসিড এর পরিমান অনেক বেশি, কোন ভাবেই ইউরিক এসিড কমে না।

এর সাথে তার কিডনীতে কিছু দিন পরপর পাথর হয়,
মূলতো ইউরিক এসিড বেড়ে যাওয়ার কারনে , ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল ফরমেশন হয়ে পাথর তৈরী করে।

ভদ্রলোক এমন কোন মেডিসিন নাই যা খান নাই।
আমার লিখা পোষ্ট পড়ে ,আমার কাছে চিকিৎসা নিতে আসেন, চিকিৎসা নিবেন কি নিজের গুনকৃত্তন করেই সময় শেষ করে ফেলছেন।
এই রোগি ভালো করছেন সেই রোগি ভালো করছেন।
এলাকার এম পি তাকে ফোন দিয়ে বাসায় নিয়ে চিকিৎসা করান ইত্যাদি।

তার কথায় পাত্তা না দিয়ে Urtica U Q লিখে দিলাম বললাম ব্যথা বাড়ুক বা কমুক ২ মাস পর দেখা করবেন।

ভদ্রলোক মনে হয় কিছু টা বিরক্ত হলেন , জোর গলায় বললাম মেডিসিন চেম্বার থেকে নিয়ে যাবেন নিজের গুলো খাবেন না, কিছুটা বিরক্ত হয়ে ১ আউন্স আর্টিকা নিয়ে গেলেন।

১ মাস পর আসলেন ডাক্তার সাহেব মনে হয় আর্টিকা কাজ করবে , জার্মানীর মেডিসিন ত , তাই কাজ করছে 😀😀
যাক ক্যাডিট জার্মান মেডিসিন এর।

বললাম আরো এক মাস খান ,

আলহামদুলিল্লাহ গত দুই বছরে গিটে বাত ও কিডনী পাথর দুটোর কোনটি আর হয় নাই।
ভদ্রলোক আমাকে প্রায় রোগি পাঠায় এবং রোগি নিয়ে ও আসেন,

✍️✍️✍️ মূল কথায় আসি গাউটে আমি কেনো আর্টিকা ব্যবহার করি।
স্টুডেন্ট লাইফে আমার পছন্দের বই ছিলো ক্লার্ক মেটেরিয়া মেডিকা,
ক্লার্কের বই থেকে আর্টিকা পড়ছিলাম তখন তার ভিতর বার্নেটের একটি কেস পেলাম, Henry Clarke–এর Materia Medica–উল্লেখ রয়েছে যে, বার্নেট এই ওষুধ দিয়ে রোগীরা অনেকবার “large quantities of gravel” প্রস্রাবে বের করেছেন।
বার্নেটের বই পড়ে কেসের সত্যতা পেলাম।
খোজা শুরু করলাম ঘটনা কি?
কিভাবে Gravel বা দানাদার পাথর বের হয়ে আসে আর্টিকার ইউরেন্সে বেরিয়ে সাথে ইউরিক এসিড কমে??

✍️✍️ কিছু ইনফরমেশন পেলাম আর্টিকা নিয়ে যা আমাকে আর্টিকা ইউরেন্স ব্যবহারে কনফিডেন্স বাড়িয়ে দেয় তা হলো।

Urtica urens গাছের ভেতরে আছে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ফাইটোকেমিক্যাল — যেমন formic acid, histamine, acetylcholine, flavonoids, tannins ইত্যাদি। এরা মিলে মূত্রতন্ত্র ও রক্তে ইউরিক এসিড কমাতে সাহায্য করে।

1. Purine metabolism pathway তে প্রভাব
Urtica urens এর কিছু flavonoids ও phenolic compounds আছে যেগুলো xanthine oxidase enzyme কে হালকা inhibit করতে পারে।
এর ফলে hypoxanthine থেকে xanthine থেকে uric acid রূপান্তর কিছুটা কম হয় ফলে ইউরিক এসিডের অতিরিক্ত production থেমে যায়।

2. Renal clearance বাড়ায়
Urtica urens একটি mild diuretic। এতে থাকা formic acid, flavonoids ও potassium salts প্রস্রাবের flow বাড়ায়।
Tubular secretion of uric acid বাড়ে ফলে uric acid blood থেকে বেরিয়ে যায়।
এর ফলে রক্তে জমে থাকা ইউরিক এসিড ধীরে ধীরে কমে।

3. Anti-inflammatory effect:
ইউরিক এসিড ক্রিস্টাল জমে গেলে joint বা renal tissue তে inflammatory cytokines (IL-1β, TNF-α, prostaglandins) বেড়ে যায়। Urtica urens এর flavonoids (quercetin, kaempferol) COX pathway inhibit করে → prostaglandin synthesis কমে।
ফলে gouty pain বা renal colic অনেকটা হালকা হয়।

যারা হোমিওপ্যাথি গ্রাজুয়েশন পড়ছেন ফিজিওলজিতে ব্লাড চেপ্টারে একটি শব্দ পাবেন Blood plasma Composition এর ভিতরে Others substance : Xanthin, Hypoxanthin , Creatinine.

সত্যি করে বলেন ত Xanthin বা হাইপোজেনথিক কোথা থেকে আসে বা এর কাজ কি? ইত্যাদি কখনো জানার চেষ্টা করেছিলেন কি?
অথচ এর ভিতর কত মেডিসিন এর একশন লুকিয়ে আছে।
দয়া করে এইসব বিষয়ে জোর দেন 🙏🙏🙏

হোমিওপ্যাথি অনেক জনপ্রিয় হচ্ছে দিনে দিনে আপনারা যদি পিছিয়ে যান হোমিওপ্যাথি পিছিয়ে যাবে।

 #মেরুদণ্ড (Spine) ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সংযোগ।Spinal অংশ স্নায়ু (Nerves) কোথায় যায় কোন অঙ্গ/অংশ নিয়ন্ত্রণ করেCervical (...
29/08/2025

#মেরুদণ্ড (Spine) ও অঙ্গপ্রত্যঙ্গের সংযোগ।

Spinal অংশ স্নায়ু (Nerves) কোথায় যায় কোন অঙ্গ/অংশ নিয়ন্ত্রণ করে

Cervical (C1–C8) -মাথা, গলা, কাঁধ, হাতের স্নায়ু শ্বাসপ্রশ্বাসের জন্য Diaphragm (C3–C5), ঘাড়, কাঁধ, বাহু ও হাতের নড়াচড়া ও অনুভূতি

Thoracic (T1–T12) -বুকে ও পেটের স্নায়ু হৃদপিণ্ড (T1–T4), ফুসফুস (T2–T7), লিভার, পাকস্থলী, অন্ত্র (T6–T12)

Lumbar (L1–L5) -কোমর, পেলভিস ও পায়ের স্নায়ু কিডনি (L1–L2), মূত্রাশয় আংশিক, প্রজনন অঙ্গ, কোমর ও পায়ের নড়াচড়া

Sacral (S1–S5) -পেলভিক অঙ্গ ও পা মূত্রাশয় (S2–S4), প্রজনন অঙ্গ (S2–S4), পায়ের নড়াচড়া ও অনুভূতি

Coccygeal (Co1) লেজের হাড়ের চারপাশে ত্বক ও পেলভিসের কিছু অংশের সংবেদনশীলতা

---

আরও বিস্তারিতভাবে সম্পর্ক

1. মস্তিষ্ক → মেরুরজ্জু → স্নায়ু → অঙ্গপ্রত্যঙ্গ

মস্তিষ্ক থেকে বার্তা আসে মেরুরজ্জুতে।

মেরুরজ্জু থেকে নির্দিষ্ট স্তর অনুযায়ী স্নায়ু বের হয়ে অঙ্গপ্রত্যঙ্গে কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।

2. উদাহরণ

C3–C5 → "Phrenic nerve" → Diaphragm → শ্বাস নিতে সাহায্য করে।

T1–T4 → Sympathetic nerve → হৃদপিণ্ড → হৃদস্পন্দন নিয়ন্ত্রণ।

T6–T9 → পাকস্থলী ও লিভার → হজম নিয়ন্ত্রণ।

L1–L2 → কিডনি ও ইউরেটার → প্রস্রাব নিয়ন্ত্রণ।

S2–S4 → মূত্রাশয় ও প্রজনন অঙ্গ → মূত্রত্যাগ ও যৌন কার্য নিয়ন্ত্রণ।

3. Spine ক্ষতিগ্রস্ত হলে সমস্যা

Cervical injury → শ্বাস নিতে সমস্যা, হাত-পা অবশ হতে পারে।

Thoracic injury → বুকের পেশি দুর্বল, ফুসফুসে সমস্যা।

Lumbar injury → হাঁটা, দাঁড়ানো কষ্টকর।

Sacral injury → প্রস্রাব-পায়খানা নিয়ন্ত্রণ হারানো (Incontinence)।

---
সহজভাবে বললে:
মেরুদণ্ড হলো একটা বিদ্যুতের তারের মতন (Main cable line), আর প্রতিটি স্তর থেকে ছোট ছোট তার (Nerves) বের হয়ে আলাদা আলাদা অঙ্গপ্রত্যঙ্গে গিয়ে তাদের কাজ নিয়ন্ত্রণ করে।
Cp

লবঙ্গের জাদু: শরীরের জন্য অপরিহার্য উপকারিতা ও খাওয়ার সঠিক নিয়ম‼️যাদের দ্রুত বীর্য পতন হয়ে যায় তারা ৩-৪ টি লবঙ্গ সহবাস...
01/07/2025

লবঙ্গের জাদু: শরীরের জন্য অপরিহার্য উপকারিতা ও খাওয়ার সঠিক নিয়ম‼️

যাদের দ্রুত বীর্য পতন হয়ে যায়
তারা ৩-৪ টি লবঙ্গ সহবাস করার ১ ঘন্টা আগে চুষে খাবেন তা হলে আপনি দীর্ঘ সময় সহবাস করতে পারবেন
এর কারণ হলো লবঙ্গ আমাদের মানসিক চাপ দ্রুত কমাতে সাহায্য করে
এবং পুরুষের নার্ভ সিস্টেম গুলা স্ট্রং রাখে
এবং আমাদের মনোযোগ ও কাম উদ্দীপনা বাড়ানোর জন্য গুরুত্বপূর্ণ কার্যকর

লবঙ্গের রহস্যে বিশেষ গুনাগুন
লবঙ্গ, যা আমাদের রান্নাঘরের একটি পরিচিত উপাদান, শুধু খাবারের স্বাদ বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে না, বরং এটি বিভিন্ন স্বাস্থ্যগত উপকারিতাও প্রদান করে। লবঙ্গ একটি প্রাকৃতিক অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ফাঙ্গাল এবং অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি উপাদান হিসেবে পরিচিত। এতে থাকা গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টিগুণগুলি আমাদের শারীরিক সুস্থতা বজায় রাখতে সহায়তা করে। চলুন জেনে নেওয়া যাক লবঙ্গ খাওয়ার উপকারিতা, গুনাগুন এবং কিভাবে খেতে হবে।

লবঙ্গের উপকারিতা এবং গুনাগুন
পাকস্থলীর স্বাস্থ্য বজায় রাখা
লবঙ্গে থাকা ইউজেনল নামক উপাদান পাকস্থলীর হজম প্রক্রিয়া উন্নত করতে সাহায্য করে। এটি পেটের গ্যাস, অম্বল, পেটব্যথা এবং বদহজমের সমস্যা দূর করতে কার্যকর। এছাড়া, এটি অম্লতার সমস্যা দূর করতে সহায়তা করে।

রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি
লবঙ্গ শক্তিশালী অ্যান্টি-অক্সিডেন্টসমৃদ্ধ, যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা শক্তিশালী করতে সাহায্য করে। এটি শরীরকে বিভিন্ন ধরণের সংক্রমণ থেকে রক্ষা করে এবং রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা শক্তিশালী করে।

দাঁতের সুরক্ষা এবং মুখের স্বাস্থ্য
লবঙ্গের অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল বৈশিষ্ট্য দাঁতের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটি দাঁতের ব্যথা, মাড়ির প্রদাহ এবং মাকড়া দূর করতে সাহায্য করে। এছাড়া মুখের দুর্গন্ধ দূর করতে এবং মুখের আলসার নিরাময়ে সাহায্য করে।

হৃদযন্ত্রের স্বাস্থ্যের উন্নতি
লবঙ্গের মধ্যে থাকা উপাদানগুলি রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে এবং হৃদরোগের ঝুঁকি কমাতে সহায়ক। এটি রক্তের শর্করা নিয়ন্ত্রণে রাখতে এবং কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে।

শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা নিরাময়
লবঙ্গের অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি এবং অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল গুণাবলী শ্বাসতন্ত্রের বিভিন্ন সমস্যা যেমন সর্দি, কাশি, ঠান্ডা এবং ব্রঙ্কাইটিসের উপশমে সহায়ক। এটি শ্বাসনালীর প্রদাহ কমাতে এবং শ্বাসকষ্টের সমস্যা নিরাময়ে সাহায্য করে।

চুলের স্বাস্থ্য
লবঙ্গ চুলের স্বাস্থ্যেও উপকারী। এটি মাথার ত্বকে রক্ত সঞ্চালন উন্নত করে এবং চুলের বৃদ্ধিতে সহায়ক। এছাড়া, এটি খুশকি দূর করতে এবং চুলের ঝরঝর অবস্থা রোধ করতে সাহায্য করে।

মানসিক চাপ ও উদ্বেগ কমানো
লবঙ্গ মানসিক চাপ এবং উদ্বেগ কমাতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা নির্দিষ্ট উপাদানগুলো মস্তিষ্কের স্নায়ু সংক্রান্ত সমস্যাগুলোর সমাধান করতে এবং মানসিক শান্তি বজায় রাখতে সহায়করে

কিভাবে লবঙ্গ খেতে হবে❓
লবঙ্গ খাওয়ার কয়েকটি সহজ পদ্ধতি রয়েছে:

চায়ে লবঙ্গ ব্যবহার
এক কাপ গরম চায়ে ১-২টি লবঙ্গ দিয়ে দিন। এটি শরীরকে গরম রাখবে এবং হজম ব্যবস্থাকে ভালো করবে।

গরম পানি ও লবঙ্গ
গরম পানির মধ্যে ১-২টি লবঙ্গ ফেলে কিছু সময় রেখে পান করুন। এটি গলা ও শ্বাসতন্ত্রের জন্য উপকারী।

লবঙ্গ ও মধু
১-২টি লবঙ্গ গুঁড়া করে মধুর সাথে মিশিয়ে খেতে পারেন। এটি দাঁতের ব্যথা কমাতে এবং পেটের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে।

লবঙ্গ ও দারুচিনি
লবঙ্গ এবং দারুচিনির মিশ্রণ শরীরের জন্য খুবই উপকারী। এটি হজম প্রক্রিয়া উন্নত করে এবং শরীরকে ডিটক্সিফাই করতে সাহায্য করে।

সুস্বাদু খাবারে লবঙ্গ
বিভিন্ন ধরনের রান্নায়, বিশেষত মিষ্টি এবং ঝাল খাবারে লবঙ্গ ব্যবহার করা যেতে পারে। এটি খাবারের স্বাদ বাড়াতে সাহায্য করে।

লবঙ্গ একটি শক্তিশালী প্রাকৃতিক উপাদান যা আমাদের শরীরের বিভিন্ন সমস্যার সমাধানে সহায়ক। এর অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল, অ্যান্টি-ইনফ্লামেটরি, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট গুণাগুণ আমাদের শারীরিক সুস্থতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তবে, সঠিকভাবে এবং পরিমিত পরিমাণে এটি খাওয়ার মাধ্যমে আমরা এর উপকারিতা উপভোগ করতে পারি।

শেয়ার করে ছড়িয়ে দিন।

09/06/2025

#চোখ_থেকে_পানি_ঝরা_সংক্রান্ত_বিভিন্ন_রোগের_নানাবিধ_হোমিও_চিকিৎসা
-------------------------------
👁️ চোখ বেদনা ছাড়া পানি ঝরে - Cochleria.
👁️ চোখ বেদনা সহ পানি ঝরে - Mag phos/ Cinnabaris.
👁️ চোখ লাল হয়, পানি ঝরে ,কড় কড় করে ,চোখে বালি পড়া বোধ - Zincum Met.
👁️ চোখ থেকে অজস্র পানি ঝরে - Sabadilla.
👁️ মাথা ব্যথাসহ ডান চোখ হতে পানি ঝরে - Chelidonium.
👁️ কেবল পড়তে গেলে চোখে পানি আসে - Oliender.
👁️ চোখ এমন দেখায় যে একটু আগেই কান্নাকাটি করেছে - Crocus Sat.
👁️ চোখে পিচুটি থাকা বোধসহ চোখ হতে পানি ঝরে - Crocus Sat
👁️ সকাল ও সন্ধ্যায় চোখ থেকে পানি ঝরে - Sepia.
👁️ সকালে ও খোলা বাতাসে চোখ হতে পানি ঝরে - Sabadilla.
👁️ চোখ হতে ঝাঁঝালো পানি ঝরে - China.
👁️ সর্বদা চোখ হতে পানি ঝরে - Euphrasia .
👁️ হাসির সাথে চোখে পানি - Natrum Mur.
👁️ অশ্রুর সাথে রক্ত মিশ্রিত থাকে - Crotelus.
👁️ চোখের সামনে আলোকচক্র দেখে - Chloralum.
👁️ চোখ খুললেই বিভীষিকা দেখে - Cal Carb.
👁️ যতবার ঠান্ডা লাগে ততবার চোখ আক্রান্ত হয়, তাছাড়া সর্বদা চোখ হতে পানি ঝরে - Dulcamara.
👁️ চোখের তারকায় ব্যথা সহ চোখ হতে পানি ঝরে - Ustilago 3

#বি: #দ্র: পোস্টটি হোমিওপ্যাথি শিক্ষানুরাগীদের জন্য। হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা রোগীর রোগ ও রোগের লক্ষণ সাদৃশ্যে চিকিৎসা করতে হয়

25/04/2025

🌳অতিরিক্ত হাত ঘামা ও হোমিও চিকিৎসা -

🧨অতিরিক্ত হাত ঘামাকে চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় বলে হাইপারহাইড্রোসিস (hyper = বেশি; hydro = পানি)। এটি নিজেই একটা রোগ হিসেবে দেখা দিতে পারে যাকে বলে প্রাইমারি হাইপারহাইড্রোসিস; কিংবা অন্য কোনো রোগের (যেমন: হাইপারথাইরয়েডিজম বা থাইরয়েড গ্রন্থির অতি-সক্রিয়তা) লক্ষণও হতে পারে যাকে বলে সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস।
Hyperhydrosis এর ক্ষেত্রে দুই ধরনের গ্রন্থি থেকেই ঘাম বাহির হয়ে থাকে।।

🎋প্রকারভেদ :
Hyperhydrosis কে প্রধানত দুইভাগে ভাগ করা হয়ে থাকে,

🎊১। প্রাইমারি অথবা ফোকাল হাইপারহাইড্রোসিস :

🎄এইক্ষেত্রে শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশ থেকে ঘাম বাহির হয়, যথা হাতের তালু, পায়ের পাতা, বগল এবং মাথা থেকে ঘাম বের হয়। প্রাইমারি হাইপারহাইড্রোসিস মূলত ফিজিওলজিক্যাল । রাগের সময়, ভয়ের সময় anxiety, ও stress, এর সময় অঅধিকহারে Sympathetic সিস্টেম stimulation এর কারণে ঘর্মগ্রন্থি গুলি অধিকহারে active হয়ে যায়। আর তখন
ফোকাল হাইপারহাইড্রোসিস তথা মাথা, মুখ, হাত, পা, থেকে অতিরিক্ত ঘাম বের হতে পারে।। এইটার জন্য ভয়ের কোনো কারণ নাই। প্রাইমারী হাইপারহাইড্রোসিস অনেকের ক্ষেত্রে ফ্যামিলিগত ভাবে
ট্রান্সমিশন হতে পারে

🎐২। সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস বা জেনারেলাইজড হাইপারহাইড্রোসিস :

🎽কোন সিস্টেমিক রোগের কারণে যদি সারা শরির থেকে অস্বাভাবিক হাতে ঘাম বের হয়, তখন এইটাকে সেকেন্ডারি হাইপার হাইড্রোসিস বলা হয়।।

🧿সেকেন্ডারি হাইপারহাইড্রোসিস এর কারণ সমূহ:

🔮এ ধরনের সমস্যা আমাদের সমাজের অনেকের মধ্যেই রয়েছে। এই অতিরিক্ত ঘামা একটা রোগ।এই রোগের কারনে জামা-কাপড়, জুতা-মোজা পরার অসুবিধা, গায়ে প্রচন্ড দুর্গন্ধ, সামাজিক সম্পর্ক, বন্ধুত্ব স্থাপন, মানসিক অশান্তি সহ দাম্পত্য জীবনেও বাজে প্রভাব পরে। এছাড়া গরমের দিনে অতিরিক্ত ঘাম শরীরের পানি শূন্যতার ফলে হিট স্ট্রোকের মত নানাবিধ মারাত্মক সমস্যারও সম্মুখীন হতে পারে।
অতিরিক্ত ঘামার এই রোগকে মেডিকেলের ভাষায় হাইপার হাইড্রোসিস বা পলি হাইড্রোসিস বা সিউডোরিয়া বলা হয়।
সাধারনত কারও কারও দুই হাতের তালু বা দুই পায়ের তালু, বগলের নীচ, দুপায়ের কুচকি ইত্যাদি জায়গা গুলোতে বেশী ঘাম হয় আবার কারও কারও সারা শরীরেও প্রচুর ঘাম হয়।
অনেক কারনেই এই সমস্যা গুলো হয়ে থাকে। তার মধ্যে অতিরিক্ত কাঁচা লবন খাওয়া, অতিরিক্ত মোটা বা ওবেসিটি, গাউট, মনোঃপজ, টিউমার, মারকারি পয়জনিং, ডায়াবেটিস মেলাইটাস ও হাইপারথাইরোডিজম ইত্যাদি।
ঘামের হোমিওপ্যথিক চিকিৎসা

🕹️ঘর্ম চিকিৎসায় হোমিওপ্যাথি ঃ
রোগ বিবরণঃ-
ঘর্ম নিজে কোন রোগ নয়। অন্য কোন রোগের উপসর্গ মাত্র। সাইকোটিস দোষাশ্রিত রোগীদের ঘর্মে দুর্গন্ধ হয়। জ্বরে অন্যান্য লক্ষণে হ্রাসের সঙ্গে ঘর্ম হইতে থাকিলে শুভ লক্ষণ। আপদ কালীন অন্যান্য উপসর্গ হ্রাস না হইয়া ঘর্ম হইতে থাকিলে কুলক্ষণ। সামান্য পরিশ্রমে অধিক ঘাম হইলে দুর্বলতার লক্ষণ।

⛳ঘর্মের হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ সমুহের লক্ষণভিত্তিক আলোচনা ঃ

🎉 #সাইলেসিয়াঃ- শীত কাতরে রোগী হাত ও পায়ের তলায় দুর্গন্ধ ঘাম। মাথার সম্মুখ ভাগ অর্থাৎ মুখমন্ডলের ঘামেও সাইলেসিয়া উপকারী।

🎏 #ক্যালেডিয়ামঃ- ঘাম মিষ্টি, শরীর ঘামিলেই গায়ে মাছি বসে, তাদের জন্য ক্যালাডিয়াম সেগা উপযোগী।

🧨 #এসিড নাইটঃ- শীত কাতর, ক্রুদ্ধ স্বভাবের, ভীরু, প্রস্রাবে তীব্র গন্ধ, হাতে, পায়ে, বগলে দুর্গন্ধ ঘাম। পায়ের ঘামে আঙ্গুলের ফাকে ঘায়ের রোগীর জন্য উপযোগী।

🎈 #ক্যালকেরিয়া কার্বঃ- মোটা থল থলে মেদপুর্ণ রোগীদের সমস্হ শরীর ঘামে। টক গন্ধযুক্ত মাথার ঘামে বালিশ ভিজে, সেই রোগীর জন্য ক্যালকেরিয়া কার্ব উপযোগী।

🧵 #এসিড ল্যাকটিকঃ- হাত বা পায়ের তালু অত্যন্ত ঘামে, ঘামে কোন রুপ গন্ধ না থাকিলে ইহা উপকারী।

🎍 #ভেরেট্রাম এলবঃ- কপালে ঠান্ডা ঘাম। নতুন, পুরাতন, জটিল, কঠিন যে কোন রোগই হোক কপালে ঠান্ডা ঘাম থাকিলে ভিরেট্রাম তা আরোগ্য করিতে পারে।

🎀 #বোভিষ্টাঃ- শীত কাতুরে রোগীর বগলের ঘামে রসুনের গন্ধের মত গন্ধ হইলে ইহা উপযোগী।

🎋 #সোরিনামঃ- অপরিস্কার, নোংরা, ময়লা হাতে খাদ্য খায়। ধুলা বালি পায়ে বিছানায় শুইতে যায়। শীত কাতর, স্নান করিতে চায় না। এই ধাতুর রোগীদের শরীরে দুর্গন্ধ ঘাম, লোক কাছে বসিতে চায় না।

🎊 #কোনিয়ামঃ- ঘুমের জন্য চক্ষু মুদিত করিলে ঘুমের তন্দ্রা আসিলে সমস্ত শরীর ঘামিয়া যায়।

🎄 #থুজাঃ- বদ মেজাজী, নাতিশীতোষ রোগীর নিদ্রা অবস্হায় শরীর ঘামে। ঘুম ভাঙ্গিলে ঘাম বন্ধ সেই রোগীর জন্য থুজা উপযোগী।

🧨 #স্যাম্বুকাসঃ- ঘুমের সময় শরীর শুস্ক, ঘুম থেকে জাগিলে শরীরে ঘর্ম। উক্ত ঘর্মের লক্ষণে ঔষধ প্রয়োগ করিলে নতুন, পুরাতন, জটিল বা কঠিন পীড়া আরগ্য হইতে পারে

জরায়ুর টিউমার কি এবং কি কি সমস্যা হতে পারেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।Uterine Fibroids (জরায়ুর টিউমার) কী?Uterine Fibroids হ...
14/04/2025

জরায়ুর টিউমার কি এবং কি কি সমস্যা হতে পারেও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা।
Uterine Fibroids (জরায়ুর টিউমার) কী?

Uterine Fibroids হলো জরায়ুর পেশীর মধ্যে গঠিত non-cancerous (সাধারণত অ-বিষাক্ত) টিউমার। এগুলোকে Leiomyomas বা Myomas-ও বলা হয়।

এই টিউমারগুলো একটির বেশি হতে পারে এবং আকার হতে পারে খুব ছোট থেকে শুরু করে অনেক বড় পর্যন্ত। কখনও কখনও এত বড় হয়ে যায় যে এটি পুরো জরায়ু ফোলাতে পারে।

---

ফাইব্রয়েড কোথায় গঠিত হয়?

1. Intramural fibroids

🔴জরায়ুর প্রাচীরের ভেতরে গঠিত হয়।

2. Submucosal fibroids

🔴জরায়ুর অভ্যন্তরীণ আস্তরণের নিচে গঠিত হয় (যা মাসিক রক্তপাতকে প্রভাবিত করে)।

3. Subserosal fibroids

🔴জরায়ুর বাইরের দিকে গঠিত হয়, পেট বা কোমরে চাপ সৃষ্টি করতে পারে।

4. Pedunculated fibroids

🔴 একটি ডাঁটা বা স্টেম-এর মাধ্যমে জরায়ুর সঙ্গে যুক্ত থাকে।

---

Uterine Fibroids কেন হয়? (কারণসমূহ)

🔹 হরমোনের প্রভাব:

Estrogen ও Progesterone নামক হরমোনের মাত্রা বাড়লে ফাইব্রয়েড বাড়তে পারে।

🔸 জেনেটিক কারণ:

পরিবারে কারও ফাইব্রয়েড থাকলে অন্য সদস্যেরও হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

🔹 মোটা শরীর (Obesity):

ফ্যাট টিস্যু estrogen উৎপন্ন করে, যা ফাইব্রয়েড বৃদ্ধি করতে পারে।

🔸 খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপন:

অতিরিক্ত প্রক্রিয়াজাত খাবার, চিনি, মাংস খাওয়া, কম ফলমূল ও সবজি খাওয়ার অভ্যাস।

🔹 বিবাহিত না হওয়া বা দেরিতে সন্তানধারণ:

গর্ভধারণ জরায়ুকে একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য হরমোনের ভারসাম্য দেয়, যা ফাইব্রয়েডের ঝুঁকি কমায়।

---

লক্ষণসমূহ (Symptoms)

সবসময় উপসর্গ দেখা নাও দিতে পারে, তবে যখন দেখা দেয়, তখন সাধারণত নিচের মতো হয়:

🩸 অতিরিক্ত ও দীর্ঘদিন ধরে মাসিক রক্তপাত
🌪️ নিচের পেট বা পিঠে চাপ বা ভার অনুভব
❗ ঘন ঘন প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবে কষ্ট
🥱 রক্তশূন্যতা বা ক্লান্তি
🤰 বন্ধ্যাত্ব বা গর্ভধারণে সমস্যা
⚡ যৌনমিলনে ব্যথা
🔁 মাসিকের সময় অনিয়ম

হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা (সাধারণভাবে ব্যবহৃত রেমেডিগুলি)

1. Calcarea Carbonica

🟢 স্থূলতা ও অতিরিক্ত ঘাম, অতিরিক্ত রক্তপাত হলে।

2. Sepia

🟤 নিচের দিকে টান টান ব্যথা, মনমরা ভাব, সন্তানধারণে সমস্যা।

3. Lachesis

🔴 বাম দিকের ফাইব্রয়েড, গরমে বেশি কষ্ট, রক্তপাত সহজে বন্ধ না হলে।

4. Belladonna

🔵 হঠাৎ শুরু হওয়া তীব্র ব্যথা ও রক্তপাত।

5. Aurum Mur Natronatum

🟡 বড় সাইজের ফাইব্রয়েড ও চাপজনিত উপসর্গে।

নোট:

রোগীর মানসিক ও শারীরিক লক্ষণের ভিত্তিতে ওষুধ নির্বাচন করা উচিত। অভিজ্ঞ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শে ওষুধ গ্রহণ করুন।

Address

Karimganj

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hanif Homoeo Hall posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hanif Homoeo Hall:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram