Yogsamriddhi

Yogsamriddhi Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Yogsamriddhi, Yoga studio, SONARPUR, KOLKATA.

We provided
Yoga, Yoga, , Therapy, Months Yoga Certificate Course, and Months Advance Yoga Certificate Course.

পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি হল একটি প্রাচীন উৎসব যা ভারত উপমহাদেশে উদযাপিত হয়। এই উৎসবটি সূর্যের রাশিচক্রে ধনু থেক...
14/01/2026

পৌষ সংক্রান্তি বা মকর সংক্রান্তি হল একটি প্রাচীন উৎসব যা ভারত উপমহাদেশে উদযাপিত হয়। এই উৎসবটি সূর্যের রাশিচক্রে ধনু থেকে মকর রাশিতে প্রবেশের চিহ্ন হিসেবে পালন করা হয়।

*পৌষ সংক্রান্তির তাৎপর্য:*

- এটি একটি ফসল কাটার উৎসব, যা নতুন শস্য ঘরে তোলার উদযাপন।
- এটি সূর্যের উত্তরায়ণের সূচনা, যা দিনের আলো বৃদ্ধির প্রতীক।
- এই উৎসবটি সূর্যদেবকে উৎসর্গ করা হয়, যিনি জীবনের জন্য অপরিহার্য।

*পৌষ সংক্রান্তির উদযাপন:*

- *পিঠা উৎসব:* বাঙালিরা এই দিনে বিভিন্ন ধরনের পিঠা তৈরি করে।
- *ঘুড়ি উড়ানো:* ঘুড়ি উড়ানো এই উৎসবের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
- *পটকা ফাটানো:* পটকা ফাটানো উৎসবের একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
- *ফানুস উড়ানো:* ফানুস উড়ানো এই উৎসবের একটি বিশেষ আকর্ষণ।
- *মেলা ও ভোজ:* বিভিন্ন অঞ্চলে মেলা ও ভোজের আয়োজন করা হয়।

*অন্যান্য নাম:*

- মকর সংক্রান্তি
- উত্তরায়ণ
- সংক্রান্তি
- সাকরাত
- তিল সাকরাত
- মাঘা
- ভোগী
- পোঙ্গল
- সাকরাইন

এই উৎসবটি বিভিন্ন অঞ্চলে বিভিন্নভাবে উদযাপিত হয়। তবে সর্বত্রই এটি একটি উৎসবের দিন, যা মানুষকে আনন্দ ও মিলনের বার্তা দেয়।

পিঠেপুলি উৎসব হল একটি ঐতিহ্যবাহী বাঙালি উৎসব যা পৌষ সংক্রান্তির দিন পালিত হয়। এই দিনে বাঙালিরা বিভিন্ন ধরনের পিঠে তৈরি করে, যা এক ধরনের ঐতিহ্যবাহী বাঙালি মিষ্টি। পিঠে তৈরির জন্য চালের গুঁড়ো, নারকেল কোরা, চিনি, নলেনগুড়, মুগডাল বা বিউলির ডাল, পোস্ত এবং সুজি ইত্যাদি উপকরণ ব্যবহার করা হয়।

*পিঠেপুলি উৎসবের তাৎপর্য:*

পিঠেপুলি উৎসবের সাথে বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য জড়িত। এই উৎসবটি বাঙালির সামাজিক ও পারিবারিক জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দিনে পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়ে পিঠে তৈরি করে এবং তা ভাগ করে খায়।

*পিঠেপুলি উৎসবের উদযাপন:*

- পৌষ সংক্রান্তির আগের দিন থেকে পিঠে তৈরির প্রস্তুতি শুরু হয়।
- সংক্রান্তির দিন সকালে স্নান সেরে পরিষ্কার কাপড় পরে পিঠে তৈরি করা হয়।
- বিভিন্ন ধরনের পিঠে তৈরি করা হয়, যেমন মুগের পুলি, ভাজা পুলি, দুধ পুলি, চন্দ্র পুলি, সেদ্ধ পুলি, পাটিসাপটা, গোকুল পিঠে, পোস্তর পিঠে, নারকেল পিঠে ইত্যাদি।
- পিঠে তৈরি করার সময় পরিবারের সদস্যরা একত্রিত হয়ে গল্প করে এবং আনন্দ করে।
- পিঠে তৈরি করার পর পরিবারের সদস্যরা তা ভাগ করে খায় এবং উৎসব উদযাপন করে।

তবে আধুনিকতার প্রভাবে এই উৎসবের ধরন কিছুটা পরিবর্তিত হয়েছে। এখন অনেকেই পিঠে তৈরি করার বদলে বাইরে থেকে কিনে আনে। তবুও পিঠেপুলি উৎসব বাঙালির সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে রয়েছে।

এছাড়াও, পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন অঞ্চলে এই উৎসবটি ভিন্ন ভিন্নভাবে উদযাপিত হয়। কোন কোন অঞ্চলে এই উৎসবটি বেশ জমকালোভাবে উদযাপিত হয়, যেখানে প্রচুর মানুষের সমাগম হয়। কিন্তু ভিড়ের কারণে অনেক সময় সমস্যাও তৈরি হয়, যেমন কালনার পিঠেপুলি উৎসবে হয়েছিল।
মকর সংক্রান্তির দিন প্রাচীন সনাতন ধর্ম অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করে।

*মকর সংক্রান্তির দিনের বিধি:*

- *স্নান:* মকর সংক্রান্তির দিন সকালে উঠে স্নান করা বিধেয়। স্নান করার সময় তিল এবং গঙ্গাজল ব্যবহার করা হয়।
- *তিল দান:* মকর সংক্রান্তির দিন তিল দান করা খুবই পুণ্যের কাজ। তিল দান করলে পাপ ক্ষয় হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয়।
- *দান-খয়রাত:* এই দিনে দান-খয়রাত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দান-খয়রাত করলে পুণ্য লাভ হয় এবং মনের শান্তি পাওয়া যায়।
- *সূর্যকে অর্ঘ্য:* মকর সংক্রান্তির দিন সূর্যকে অর্ঘ্য দেওয়া হয়। সূর্যকে অর্ঘ্য দিলে সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয় এবং পাপ ক্ষয় হয়।
- *পূজা-অর্চনা:* এই দিনে পূজা-অর্চনা করা হয়। পূজা-অর্চনা করলে দেবতা প্রসন্ন হন এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয়।

*মকর সংক্রান্তির দিনের মন্ত্র:*

- *সূর্য মন্ত্র:* "ওঁ সূর্যয় নমঃ"
- *মকর সংক্রান্তি মন্ত্র:* "ওঁ মকর সংক্রান্তি নমঃ"

*মকর সংক্রান্তির দিনের গুরুত্ব:*

- *পুণ্য লাভ:* মকর সংক্রান্তির দিন পুণ্য লাভ হয়।
- *সুখ-সমৃদ্ধি লাভ:* এই দিনে সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয়।
- *পাপ ক্ষয়:* মকর সংক্রান্তির দিন পাপ ক্ষয় হয়।

মকর সংক্রান্তির দিন প্রাচীন সনাতন ধর্ম অনুযায়ী একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন। এই দিনে আচার-অনুষ্ঠান পালন করলে পুণ্য লাভ হয় এবং সুখ-সমৃদ্ধি লাভ হয়।

মকর সংক্রান্তি হল একটি গুরুত্বপূর্ণ হিন্দু উৎসব যা সূর্যের মকর রাশিতে প্রবেশের সাথে সাথে পালিত হয়। এই দিন থেকে সূর্য উত্তর দিকে যেতে শুরু করে, যা উত্তরায়ণের সূচনা করে। জ্যোতিষশাস্ত্র অনুসারে, মকর সংক্রান্তিতে কিছু কাজ করলে জীবনে সুফল পাওয়া যায়।

*মকর সংক্রান্তিতে কী কী করলে সুফল পাওয়া যায়?*

- দান করা: মকর সংক্রান্তিতে দানের বিশেষ গুরুত্ব রয়েছে। এই দিনে মিষ্টি, খিচুড়ি, কাপড়, চিনাবাদাম দান করা শুভ বলে মনে করা হয়। দান করলে জীবনে সফলতা লাভ হয় এবং আর্থিক দিকে লাভ হয়।
- সূর্য পূজা: মকর সংক্রান্তিতে সূর্যকে অর্ঘ্য দেওয়ার প্রথা রয়েছে। রাশি অনুযায়ী সূর্যকে অর্ঘ্য দিলে এবং মন্ত্র জপ করলে শুভ ফল পাওয়া যায়।
- ব্রাহ্মণদের খাওয়ানো: মকর সংক্রান্তিতে ব্রাহ্মণদের খাওয়ানো শুভ বলে মনে করা হয়। এতে ভগবানের কৃপা লাভ হয়।

*মকর সংক্রান্তিতে রাশি অনুযায়ী কী কী করণীয়?*

- মেষ ও বৃষ রাশি: মকর সংক্রান্তিতে সূর্যকে অর্ঘ্য দেওয়ার জন্য একটি তামার লোটায় জল ভরে তাতে তিল, গড়, লাল জবা ফুল মিশিয়ে নিন। ওম নিত্যানন্দায় নমঃ মন্ত্র জপ করে সেই জলের অর্ঘ্য দিন।
- মিথুন রাশি: মিথুন জাতকরা মকর সংক্রান্তিতে ওম ভাস্করায় নমঃ মন্ত্র জপ করতে পারেন। জলের মধ্যে তিল, দূর্বা ও অষ্টগন্ধ মেশানো থাকে।
- কর্কট রাশি: কর্কট জাতকরা মকর সংক্রান্তিতে ওম আদি ভূতায় নমঃ মন্ত্র জপ করতে পারেন।

মকর সংক্রান্তি হল একটি গুরুত্বপূর্ণ উৎসব যা জীবনে সুফল লাভের জন্য পালিত হয়। এই দিনে দান, সূর্য পূজা, এবং ব্রাহ্মণদের খাওয়ানো শুভ বলে মনে করা হয়। রাশি অনুযায়ী মন্ত্র জপ করলে এবং সূর্যকে অর্ঘ্য দিলে শুভ ফল পাওয়া যায়।

" কিছুই আকাঙ্ক্ষা করিও না, প্রতিদানে কিছুই চাহিও না। যাহা তোমার দিবার আছে দাও; ইহা তোমার নিকট ফিরিয়া আসিবে, কিন্তু সে ব...
12/01/2026

" কিছুই আকাঙ্ক্ষা করিও না, প্রতিদানে কিছুই চাহিও না। যাহা তোমার দিবার আছে দাও; ইহা তোমার নিকট ফিরিয়া আসিবে, কিন্তু সে বিষয়ে এখন চিন্তা করিও না।
সহস্রগুণ বর্ধিত হইয়া ইহা ফিরিয়া আসিবে, কিন্তু ইহার উপর মনোনিবেশ মোটেই করিবে না। দানের শক্তি লাভ কর; দাও-ব্যাস, সেখানেই শেষ। উদারতা এমন একটি ভাষা যা বধির শুনিতে পায় এবং অন্ধ দেখিতে পায়...!!!"

--- স্বামী বিবেকানন্দ।

📚 2026 সালের প্রথম সপ্তাহে “অ্যাটমিক হ্যাবিটস” বইটি পড়ে যা কিছু বুঝলাম।"ভালো অভ্যাস করে তুলুন, খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করুন।...
06/01/2026

📚 2026 সালের প্রথম সপ্তাহে “অ্যাটমিক হ্যাবিটস” বইটি পড়ে যা কিছু বুঝলাম।
"ভালো অভ্যাস করে তুলুন, খারাপ অভ্যাস ত্যাগ করুন।"

📖 “Atomic Habits” বইটি হল James Clear-এর একটি অতি জনপ্রিয় এবং প্রভাবশালী আত্মউন্নয়ন মূলক বই, যা অভ্যাসের গঠন এবং জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন আনার পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করে।

🕰️ বইটি ২০১৮ সালে প্রকাশিত।

💡বইয়ের প্রেক্ষাপট ও উদ্দেশ্য
হলো, কিভাবে ছোট ছোট অভ্যাস এবং তাদের ধারাবাহিকতা জীবনের বড় বড় ফলাফল আনতে পারে। James Clear বইটিতে একাধিক প্রমাণ, গবেষণা এবং বাস্তব জীবনের উদাহরণের মাধ্যমে শিখিয়েছেন, কিভাবে অভ্যাসের মাধ্যমে মানুষের জীবন পরিবর্তন করা যায়। এই বইটি অভ্যাসের গুরুত্ব এবং তার প্রভাবের উপর বিশদ আলোচনা করে, এবং একটি সুনির্দিষ্ট পদ্ধতি প্রদান করে, যার মাধ্যমে যে কেউ তার অভ্যাস পরিবর্তন করতে পারে এবং ইতিবাচক ফলাফল পেতে পারে।

🕯️অভ্যাসের শক্তি:
James Clear বইটির শুরুতেই একটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট তুলে ধরেন—অভ্যাস ছোট হলেও তাদের শক্তি এবং প্রভাব অসীম। Clear জানান যে, অভ্যাস স্রেফ আমাদের দৈনন্দিন জীবনযাত্রার একটি অংশ নয়, বরং তারা আমাদের ব্যক্তিগত, পেশাগত এবং মানসিক উন্নতির মূল চাবিকাঠি। একটি ভালো অভ্যাস তৈরি করা বা খারাপ অভ্যাস পরিবর্তন করা, আমাদের জীবনের এক নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে।

🪔 বইটিতে ব্যাখ্যা করেছেন, “অ্যান্টোমিক” শব্দের অর্থ “ছোট”, অর্থাৎ এই বইয়ের মূল কথাই হল যে, ছোট ছোট অভ্যাস তৈরি করে জীবনের বড় পরিবর্তন আনা সম্ভব। একটি অভ্যাস একদিনে পরিবর্তন হতে পারে না, বরং তা ধীরে ধীরে এবং নিয়মিতভাবে তৈরি হতে থাকে।

🕯️অভ্যাসের গঠন: “4 স্টেপ মডেল”
James Clear তার বইয়ে অভ্যাস গঠনের একটি চমৎকার মডেল দিয়েছেন, যা তিনি “4 স্টেপ মডেল” হিসেবে উপস্থাপন করেছেন। এই মডেলটির মধ্যে চারটি ধাপ রয়েছে:

1. সঙ্কেত (Cue): এটি একটি ট্রিগার যা আপনাকে অভ্যাস শুরু করতে উদ্বুদ্ধ করে। সঙ্কেত হতে পারে কোনো নির্দিষ্ট স্থান, সময়, পরিস্থিতি বা অনুভূতি।
2. চেষ্টা (Craving): সঙ্কেতের পর, আপনি অভ্যাসের ফলস্বরূপ কিছু পাওয়ার প্রত্যাশা করেন। এটি আপনার আগ্রহ এবং আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে, যা আপনাকে অভ্যাসটি সম্পন্ন করার জন্য প্ররোচিত করে।
3. প্রতিক্রিয়া (Response): এখানে আপনি আপনার অভ্যাসটি সম্পাদন করেন, যেমন ধূমপান বা খাওয়ার সময় একটি নির্দিষ্ট ধরনের খাবার খাওয়া। এটি অভ্যাসের কাজের অংশ।
4. পুরস্কার (Reward): প্রতিটি অভ্যাসের শেষে একটি পুরস্কার থাকে, যা আপনি অনুভব করেন। এটি আপনার মস্তিষ্কে সুখী অনুভূতি তৈরি করে, যার ফলে আপনি পরবর্তীতে সেই অভ্যাসটি পুনরায় করতে আগ্রহী হন।

🪔 এই চারটি ধাপ একে অপরের সাথে সম্পর্কিত এবং একে অপরকে উৎসাহিত করে, যার ফলে অভ্যাসের চক্রটি চলতে থাকে। James Clear এই চক্রটির গুরুত্ব ব্যাখ্যা করেছেন এবং জানান যে, যেহেতু মস্তিষ্ক সুখী অনুভূতি পায়, তাই অভ্যাস গঠন সহজ হয়ে যায়।

🕯️অভ্যাসের পরিবর্তন: “4 টি নিয়ম”
Clear বইটিতে আরো একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আলোচনা করেছেন, যেটি হলো “অভ্যাস পরিবর্তন”। তিনি অভ্যাস পরিবর্তনের জন্য 4টি গুরুত্বপূর্ণ নিয়ম দিয়েছেন:

1. স্পষ্ট করুন (Make it obvious): আপনার অভ্যাস যাতে স্পষ্ট এবং সহজ হয়, সেজন্য একটি সঙ্কেত তৈরি করুন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি সকালে জল খেতে চান, তবে নিজের পাশে একটি গ্লাস জল রেখে দিন, যাতে আপনি মনে রাখেন।
2. আকর্ষণীয় করুন (Make it attractive): অভ্যাসটিকে আকর্ষণীয় এবং মজাদার করতে হবে, যাতে আপনি এটি করতে আগ্রহী হন। উদাহরণস্বরূপ, আপনি যদি দৌড়াতে চান, তবে সেই সময় আপনার পছন্দের গান শুনতে পারেন।
3. সহজ করুন (Make it easy): অভ্যাসটি যতটা সম্ভব সহজ এবং অল্প সময়ে করা যায়, তা নিশ্চিত করুন। এর ফলে আপনি অভ্যাসটির প্রতি একটি ইতিবাচক দৃষ্টিভঙ্গি তৈরি করতে পারবেন।
4. পুরস্কৃত করুন (Make it satisfying): অভ্যাসটি করার পর, একটি প্রতিক্রিয়া বা পুরস্কার নিজের জন্য নিশ্চিত করুন, যা আপনাকে আনন্দিত করবে এবং পরবর্তীতে এটি করতে উৎসাহিত করবে।

🕯️অভ্যাসের ক্ষুদ্র পরিবর্তন: ১% উন্নতি। James Clear বইটিতে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ধারণা দিয়েছেন, সেটি হলো “১% উন্নতি”। তিনি বলেন, ছোট ছোট পরিবর্তনগুলো যদি আমরা নিয়মিতভাবে করি, তবে তা দীর্ঘ সময় পর বড় পরিবর্তনে পরিণত হয়। এমনকি যদি আপনি প্রতিদিন শুধুমাত্র ১% উন্নতি করেন, তবুও এক বছর শেষে এটি প্রায় ৩৭ গুণ উন্নতি হবে। এর মানে হলো, এক দিনের পরিবর্তন ক্ষুদ্র হলেও তা যদি নিয়মিত হয়, তবে এটি আমাদের জীবনে অত্যন্ত বড় প্রভাব ফেলতে পারে।

🕯️অভ্যাসের সঙ্কট:
যখন আমরা নতুন কোনো অভ্যাস গঠন করার চেষ্টা করি, তখন প্রাথমিক কিছু সমস্যা এবং সঙ্কট আসতে পারে। Clear জানিয়েছেন, নতুন অভ্যাস গঠন করতে কিছু দিন সময় লাগে এবং এই সময়ে অনেক ধরনের বাধা আসতে পারে। তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, “অভ্যাসের স্থিতিশীলতা”। অভ্যাস যদি একদিনও না ভাঙে, তবে তা দীর্ঘ সময় ধরে চলতে থাকে। এবং আপনি যদি কিছু সময়ের জন্য অভ্যাসটি না করেও থাকেন, তবে আপনি তা আবার শুরু করতে পারবেন। এর জন্য James Clear “হ্যাবিট স্ন্যাকিং” বা অভ্যাসকে ছোট ছোট সেশনে বিভক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন।

🕯️অভ্যাস এবং পরিচয়:
James Clear বইয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তুলে ধরেছেন, যা হলো “অভ্যাস এবং পরিচয়ের সম্পর্ক”। তিনি জানান যে, একটি অভ্যাস সৃজনশীল এবং দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে, যদি সেটি আমাদের পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত হয়। যদি আপনি নিজেকে একজন লেখক হিসেবে ভাবেন, তবে নিয়মিতভাবে লেখার অভ্যাস গড়ে তুলতে পারেন। একইভাবে, আপনি যদি নিজেকে একজন স্বাস্থ্য-conscious ব্যক্তি হিসেবে ভাবেন, তবে নিয়মিতভাবে ব্যায়াম এবং স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়ার অভ্যাস গঠন করতে পারবেন।

🕯️পরিশেষ:
James Clear এর “Atomic Habits” বইটি শুধুমাত্র একটি অভ্যাস গঠনের বই নয়, এটি একটি জীবনযাত্রার মানসিকতা এবং দৃষ্টিভঙ্গি বদলানোর বই। এটি প্রমাণ করে যে, ছোট পরিবর্তনগুলি আমাদের জীবনে বিশাল পরিবর্তন নিয়ে আসতে পারে। এটি আমাদের শেখায় কিভাবে আমাদের দৈনন্দিন জীবনের ছোট অভ্যাসগুলিকে পরিবর্তন করে আমাদের জীবনে উন্নতি এবং সাফল্য আনতে পারি।

🪔 মোট কুড়িটি অধ্যায়:

1. পারমাণবিক অভ্যাসের বিস্ময়কর শক্তি
2. আপনার অভ্যাসগুলি কিভাবে আপনার পরিচয়কে আকৃতি দেয়
3. চারটি সহজ ধাপে কিভাবে আরো ভালো অভ্যাস তৈরি করা যায়
4. দ্য ম্যান হু ডিড নট রাইট
5. নতুন অভ্যাস শুরু করার সেরা উপায়
6. প্রেষণা ওভারেটেড হয়; ছরিয়ে দেওয়া হয়; পরিবেশ প্রায়শই বেশি বিবেচ্য
7. আত্মনিয়ন্ত্রণের সিক্রেট
8. কিভাবে একটি ভালো অভ্যাস তৈরি করা যায়
9. আপনার অভ্যাস গঠনে পরিবার ও বন্ধুদের ভূমিকা
10. আপনার খারাপ অভ্যাসের কারণ গুলো কিভাবে সন্ধান এবং সঠিক করতে হয়
11. আস্তে আস্তে চলুন, তবে কখনোই পিছিয়ে নেই
12. সর্বনিম্ন প্রয়াস এর বিধি
13. কিভাবে দুই মিনিটে নিয়মটি ব্যবহার করে গড়িমসি করা বন্ধ করবেন
14. কিভাবে ভালো অভ্যাসগুলো অনিবার্য এবং খারাপ অভ্যাসগুলো অসম্ভব করে তুলবেন
15. আচরণের পরিবর্তনের কার্ডিনাল বিধি
16. প্রতিদিন ভালো অভ্যাসের সঙ্গে কিভাবে লেগে থাকবেন
17. কিভাবে একাউন্টটিবিলিটি পার্টনার সবকিছু পরিবর্তন করতে পারে
18. প্রতিভা সম্পর্কে সত্য
19. দ্য গোল্ডিলোকস বিধি: কিভাবে জীবন ও কর্মে অনুপ্রাণিত থাকবেন
20. ভালো অভ্যাস তৈরির ক্ষতি

🕯️ উপসংহার:
“Atomic Habits” বইটি প্রতিটি পাঠককে অনুপ্রাণিত করে তাদের অভ্যাসগুলো পুনরায় মূল্যায়ন করতে এবং একে অপরকে পরিবর্তন করার জন্য শক্তিশালী পদক্ষেপ নিতে। এটি একটি কার্যকরী গাইড যা ছোট, সহজ, এবং নিয়মিত অভ্যাস গঠনের মাধ্যমে জীবনে বড় পরিবর্তন আনতে সাহায্য করে। James Clear এর এই বইটি আপনাকে শিখাবে কিভাবে আপনার প্রতিদিনের অভ্যাসগুলিকে পরিবর্তন করে আপনার লক্ষ্য অর্জন করা যায় এবং সাফল্যের পথে এগিয়ে যাওয়া যায়।

🌳চড়ুইভাতি হল একটি বাঙালি লোকজ সংস্কৃতির অংশ, যেখানে ১৮০০ বা ১৯ এর দশকে মূলত বাঙালি মেয়েরা এবং মহিলারা একটি নির্দিষ্ট দ...
04/01/2026

🌳চড়ুইভাতি হল একটি বাঙালি লোকজ সংস্কৃতির অংশ, যেখানে ১৮০০ বা ১৯ এর দশকে মূলত বাঙালি মেয়েরা এবং মহিলারা একটি নির্দিষ্ট দিনে পিকনিক বা ভ্রমণের জন্য বের হতেন। এই অনুষ্ঠানে তারা খাবার, গান, নাচ এবং অন্যান্য আনন্দের সাথে সময় কাটাতেন।

🌱 চড়ুইভাতি সাধারণত বসন্তকালে বা শীতের শেষে অনুষ্ঠিত হয়। এই অনুষ্ঠানে মহিলারা তাদের পরিবারের বাইরে গিয়ে বন্ধু-বান্ধব এবং আত্মীয়স্বজনের সাথে মিলিত হন এবং আনন্দ করেন।

প্রশ্নটি ১৮০০/১৯০০ সাল এবং ২০২৬ সালের চড়ুইভাতির মধ্যে পার্থক্য বোঝাতে হলে সাধারণভাবে বলা যায়, চড়ুইভাতি একটি বাঙালি লোকজ সংস্কৃতির অংশ হলেও এবং সময়ের সাথে সাথে এর রূপ ও প্রেক্ষাপটে পরিবর্তন আসতে শুরু করেছে।

যদি আমরা ১৮০০/ ১৯ -এর দশক এবং ২০২৬ সাল এই দুই সময়ের চড়ুইভাতির মধ্যে পার্থক্য দেখতে চাই তাহলে বলতে হয়...

- *সামাজিক প্রেক্ষাপট:* আঠেরোশ/উনিশশো সালের চড়ুইভাতি সম্ভবত আরও ঐতিহ্যবাহী এবং গ্রামীণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হতো। অন্যদিকে, ২০২৬ সালের চড়ুইভাতি আরও আধুনিক এবং শহুরে পরিবেশে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

- *প্রযুক্তির ব্যবহার:* আধুনিক চড়ুইভাতিতে প্রযুক্তির ব্যবহার অনেক বেশি। স্মার্টফোন, ড্রোন, এবং সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে মানুষ তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নেওয়ায় যান্ত্রিক এবং আপাত দৃষ্টিতে আধুনিক জীবনযাত্রায় ব্যস্ত হওয়ার কারণে সৌভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে ওঠার সম্ভাবনা তুলনামূলক যথেষ্টই কমেছে।

- *খাদ্যাভ্যাস:* উনিশশো সালের চড়ুইভাতিতে ঐতিহ্যবাহী বাঙালি খাবার বেশি পরিবেশন করা হতো। ২০২৬ সালের চড়ুইভাতিতে বৈচিত্র্যময় খাবার পরিবেশন করার প্রবণতা বেড়েছে, "কি খাওয়ানো হচ্ছে" সেটার উপর "অংশগ্রহণ করা বা না করার" সিদ্ধান্ত নির্ভর করছে এমন মানুষজনেরও সাক্ষাৎ পাওয়া যাচ্ছে।

- *অংশগ্রহণ:* উনিশশো সালের চড়ুইভাতিতে সম্ভবত পরিবার এবং ঘনিষ্ঠ আত্মীয়স্বজনরা অংশগ্রহণ করতেন। ২০২৬ সালের চড়ুইভাতিতে বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীরাও অংশগ্রহণ করতে পারেন, এটি সামাজিকতার অগ্রগতি এমনটা বলা যেতে পারে।

এই পার্থক্যগুলো অনুমাননির্ভর এবং নির্দিষ্ট সময়কাল ও প্রেক্ষাপটের ওপর নির্ভরশীল। (ব্যক্তি বিশেষে)

২০২৬ সালে অনুষ্ঠিত যোগসমৃদ্ধি পরিবার থেকে আয়োজিত চড়ুইভাতি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার জন্য সকলকে অসংখ্য ধন্যবাদ। কিছু ভুল ত্রুটি হলে মার্জনা করবেন।🙏🏻

সব খাবারের ছবি তোলা সম্ভব হয়নি, কেননা ছবিতে তো আর পার্সেল করা সম্ভব হয় না।
তাই...
🌿 মেনু:-

🍃প্রাতঃরাশ---
1. পাউরুটি
2. কলা
3. ডিম সিদ্ধ
4. মোয়া

🍃 দিনের মাঝামাঝি সময়---
1. কফি
2. ভেজ পাকোড়া

🍃মধ্যাহ্নভোজ---
1.সাদা ভাত... ধনেপাতার চাটনি।
2.মুগের ডাল সবজি দিয়ে (মুড়িঘন্ট)
3.আলু ভাজা
4.সবজি (ছ্যাচড়া)
5.চিকেন আলু কষা
6.চাটনি
7.পাপড়
8.রসগোল্লা
9.হজমি

আগামী বছর চড়ুইভাতি অনুষ্ঠানে আরো বেশি সংখ্যক ক্রিড়া প্রতিযোগিতা রাখার ইচ্ছা প্রকাশ করে এই বছর অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন করা হলো।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত উপস্থিত থাকার আর্জি জানিয়ে আগামী বছর সকলকে আমন্ত্রণ জানালাম।🙏🏻

চড়ুইভাতি অনুষ্ঠানের কিছু মুহূর্ত সকলের সাথে ভাগ করে নিলাম।

31/12/2025

🎙️ আপনার ভিতরে বোঝা হালকা করে বছরটি শেষ করুন।🙏🏻

🎤 নতুন অধ্যায়ে পা রাখার আগে, পুরনো অধ্যায় থেকে মানসিক ভাবে মুক্ত হতে চেষ্টা করুন।🙏🏻

🍃 অব্যক্ত বিরক্তি, অমীমাংসিত অপরাধবোধ, এবং অহেতুক ভয়ের অনুভূতি আপনার এগিয়ে যাওয়ার পথকে নীরবে কাঁকড়ার প্রজাতির মত নিচের দিকে নামিয়ে আনে।
🌱 তাই ভিতরের জায়গা পরিষ্কার করার অর্থ অতীত ভুলে যাওয়া নয় - বরং অতীতকে বহন করা থেকে নিজেকে মুক্ত করা।
🌿 যখন নিজের বিবেকের কাছে হালকা বোধ হয় তখন চেতনা শক্তি মনোমুগ্ধকর হয়।
☘️ আসুন প্রতিটা পরিবর্তনকে গ্রহণ করি, প্রতিটি প্রতিকূল অবস্থাকে স্বাগত জানাই।
🍀 নিজের সঙ্গে প্রতিটা দিন জীবন যুদ্ধে জয়ী হওয়ার সংকল্প নিয়ে এগিয়ে চলি।

🌳 চলুন একসাথে বলি, আমি মানসিক ভাবে, শারীরিক ভাবে, আত্মিক ভাবে, পারিবারিক ভাবে, আর্থিক ভাবে, সামাজিক ভাবে, আধ্যাত্মিকতার পথে সচেতন হয়ে জীবনযাপন করার প্রতিশ্রুতি প্রার্থনা করলাম।🤲🏻















যোগসমৃদ্ধি থেকে ২০২৫ সালে প্রথমবার যোগাসন কম্পিটিশনে অংশগ্রহণকারী কম্পিটিটারদের কিছু মুহূর্ত, যোগসমৃদ্ধি ফেসবুক পেজে সংয...
30/12/2025

যোগসমৃদ্ধি থেকে ২০২৫ সালে প্রথমবার যোগাসন কম্পিটিশনে অংশগ্রহণকারী কম্পিটিটারদের কিছু মুহূর্ত, যোগসমৃদ্ধি ফেসবুক পেজে সংযোজন করা হল।

🌿যোগাসন কম্পিটিশন:
একটি প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান যেখানে প্রতিযোগীরা তাদের যোগাসনের দক্ষতা প্রদর্শন করে। এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের যোগাসন প্রদর্শন করে এবং বিচারকরা প্রদর্শনের ভিত্তিতে তাদের মূল্যায়ন করে।

🌿যোগাসন কম্পিটিশনের উদ্দেশ্য হল: প্রতিযোগীদের মধ্যে যোগাসনের প্রচার এবং তাদের দক্ষতা উন্নত করা। এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা তাদের শারীরিক এবং মানসিক শক্তি প্রদর্শন করতে পারে এবং তাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে।

🌿যোগাসন কম্পিটিশনের বিভিন্ন ধরন রয়েছে, যেমন:

- যোগাসন প্রতিযোগিতা: এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা বিভিন্ন ধরনের যোগাসন প্রদর্শন করে।
- যোগাসন পরিবেশন: এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা তাদের যোগাসনের দক্ষতা পরিবেশন করে।
- যোগাসন নৃত্য: এই প্রতিযোগিতায় প্রতিযোগীরা যোগাসন এবং নৃত্যের সমন্বয় করে।

🌿যোগাসন কম্পিটিশনের সুবিধাগুলি হল:

- শারীরিক এবং মানসিক শক্তি বৃদ্ধি
- আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
- যোগাসনের প্রচার
- প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব বৃদ্ধি

🌿তবে যোগাসন কম্পিটিশনের কিছু অসুবিধাও রয়েছে, যেমন:

- অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা
- আঘাতের ঝুঁকি
- যোগাসনের প্রকৃত উদ্দেশ্য ভুলে যাওয়া

সারমর্মে, যোগাসন কম্পিটিশন একটি প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান; যা প্রতিযোগীদের মধ্যে যোগাসনের প্রচার এবং তাদের দক্ষতা উন্নত করতে সাহায্য করে। তবে প্রতিযোগীদের যোগাসনের প্রকৃত উদ্দেশ্য মনে রাখতে হবে এবং অতিরিক্ত প্রতিযোগিতা এড়িয়ে চলতে হবে।

🌿যোগাসন প্রতিযোগিতা বিভিন্ন স্তরে হয়, যা স্থানীয় (জেলা ও রাজ্য) থেকে শুরু করে জাতীয় এবং আন্তর্জাতিক পর্যায় পর্যন্ত বিস্তৃত, এবং এটি সাধারণত বয়স ও লিঙ্গ অনুসারে বিভিন্ন বিভাগে বিভক্ত থাকে (যেমন: সাব-জুনিয়র, জুনিয়র, সিনিয়র, U-14, U-17, U-19, U-25), যেখানে একক (Traditional, Artistic, Rhythmic) ও দলগত উভয় ইভেন্ট থাকে।

🌿প্রতিযোগিতার স্তর:

🥇প্রাথমিক স্তর (Local/District Level): স্কুল ও জেলার মধ্যে প্রতিযোগিতা দিয়ে শুরু হয়, যেমন জেলা যোগাসন চ্যাম্পিয়নশিপ।

🥈রাজ্য স্তর (State Level): জেলার বিজয়ীরা রাজ্য স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, যেমন ওয়েস্ট বেঙ্গল যোগাসন প্রতিযোগিতা।

🥉জাতীয় স্তর (National Level): রাজ্য থেকে নির্বাচিত প্রতিযোগীরা জাতীয় স্তরের প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়, যেমন ন্যাশনাল স্কুল গেমস, ন্যাশনাল যোগাসন স্পোর্টস ফেডারেশনের প্রতিযোগিতা, এবং ফেডারেশন কাপ।

🏅আন্তর্জাতিক স্তর (International Level): বিশ্ব যোগাসন স্পোর্টস ফেডারেশন (IYSF) বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক চ্যাম্পিয়নশিপ আয়োজন করে।

🌿বয়স ভিত্তিক বিভাগ (সাধারণত):

🌱সাব-জুনিয়র (যেমন: 8-10 বছর, 10-12 বছর)

🌱জুনিয়র (যেমন: U-14, U-17, U-19)

🌱সিনিয়র (যেমন: U-25, 36-50 বছর)

🌱মাস্টার/প্রফেশনাল (যেমন: ৫০+ বছর)

🌿ইভেন্টের প্রকার:

🌱ঐতিহ্যবাহী যোগাসন (Traditional Yogasana): নির্দিষ্ট আসনগুলির প্রদর্শন (একক ও দলগত)।

🌱শৈল্পিক যোগাসন (Artistic Yogasana): সৃজনশীল ও শৈল্পিক ভঙ্গি (একক)।

🌱ছন্দময় যোগাসন (Rhythmic Yogasana): ছন্দ ও তালের সাথে আসনগুলির সমন্বয় (একক)।

🌱ফ্রি-ফ্লো যোগাসন (Free-Flow Yogasana): দলগতভাবে একটি নির্দিষ্ট থিমের উপর ভিত্তি করে আসন করা।

🎤 এই প্রতিযোগিতাগুলিতে অংশগ্রহণকারী ও বিজয়ীদের বয়স ও পারফরম্যান্স অনুযায়ী বিভিন্ন স্তরে পুরস্কৃত করা হয়।🙏🏻

🌿 ২৫ শে ডিসেম্বর কেন তুলসী গাছকে পুজো করবেন? প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বজুড়ে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন উৎসব পালিত...
25/12/2025

🌿 ২৫ শে ডিসেম্বর কেন তুলসী গাছকে পুজো করবেন?

প্রতি বছরের মতো এবারও বিশ্বজুড়ে যিশু খ্রিস্টের জন্মদিন বা বড়দিন উৎসব পালিত হচ্ছে প্রবল উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে।

গত কয়েক বছর ধরে ভারতে এই দিনটিতে আরও একটি বিশেষ দিন পালিত হচ্ছে, তা হলো ‘তুলসী পূজন দিবস’। হিন্দু ধর্মে তুলসী কেবল একটি সামান্য গাছ নয়, বরং তাঁকে ‘মা’ হিসেবে গণ্য করা হয়। হিন্দু ধর্মের বিশ্বাস অনুযায়ী, জগতের পালনকর্তা ভগবান শ্রীহরি বিষ্ণুর অত্যন্ত প্রিয় হওয়ায় তুলসীকে ‘হরিপ্রিয়া’ও বলা হয়।

শাস্ত্র মতে, তুলসী গাছে দেবী লক্ষ্মী বাস করেন। তাই নিয়মিত তুলসী পূজা করলে ভগবান বিষ্ণু ও মাতা লক্ষ্মীর আশীর্বাদ পাওয়া যায় এবং সংসারে সুখ-সমৃদ্ধি বজায় থাকে।

🌿কবে থেকে শুরু হলো এই রীতি?

বড়দিনের উৎসবের দিন অর্থাৎ ২৫ ডিসেম্বরে ‘তুলসী পূজন দিবস’ পালনের সূচনা হয়েছিল ২০১৪ সালে। পৌষ মাসের কৃষ্ণপক্ষের দশমী তিথি আজ সন্ধ্যা থেকেই শুরু হয়ে যাচ্ছে, তবে উদয়া তিথি মেনে উদযাপন করা হয়।
ভারতের সাধু-সন্তরা তুলসীর ধর্মীয় ও ঔষধি গুরুত্ব বিচার করে এই দিনটিকে পূজার জন্য নির্ধারিত করেন। এর পর থেকেই প্রতি বছর হিন্দু ধর্মাবলম্বীরা এই দিনে তুলসী মাতার বিশেষ আরাধনা করে আসছেন। মনে করা হয়, এই দিনে ভক্তিভরে পূজা করলে মা লক্ষ্মীর কৃপায় ঘরে কখনও ধন-ধান্যের অভাব হয় না।

🌿কীভাবে পালিত হয় এই দিনটি?

২৫ ডিসেম্বর ঘুম থেকে উঠে সকালে তুলসী মঞ্চ বা টব পরিষ্কার করতে হবে।

অনেকে শ্রদ্ধাভরে তুলসীর টবটিকে বিভিন্ন রঙ বা আল্পনা দিয়ে সাজিয়ে তোলেন।

সন্ধ্যায় শুভ মহূর্তে নিয়ম মেনে তুলসী মাতার পূজা করা হয়।

পূজার সময় তুলসী মন্ত্র জপ করা অত্যন্ত শুভ বলে মনে করা হয়।

মাতার সামনে ঘিয়ের প্রদীপ জ্বালিয়ে আরতি করতে হয়।

ভোগ হিসেবে মিষ্টি বা পায়েস নিবেদন করা হয় এবং শেষে তুলসী গাছকে প্রদক্ষিণ করার রীতি রয়েছে।

🌿তুলসী গাছকে ঔষধি গাছ বলা হয় কারণ এতে প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি এবং অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল গুণ রয়েছে, যা সর্দি, কাশি, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, মানসিক চাপ এবং হজমের সমস্যা সহ বিভিন্ন রোগ নিরাময়ে সাহায্য করে; এটি রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানো, বিষাক্ত পদার্থ দূর করা এবং সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করার ক্ষমতার কারণে "প্রকৃতির মা ওষুধ" হিসাবে পরিচিত।

🍀তুলসীর ঔষধি গুণের কারণ:
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি: তুলসীতে থাকা ভিটামিন A, C এবং অন্যান্য ফাইটোকেমিক্যালস শরীরকে ফ্রি র‍্যাডিক্যাল থেকে রক্ষা করে এবং প্রদাহ কমায়।
🍃অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বৈশিষ্ট্য: এর মধ্যে ব্যাকটেরিয়া ও ভাইরাস প্রতিরোধী ক্ষমতা আছে, যা সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে।
মানসিক চাপ ও উদ্বেগ হ্রাস: এটি নার্ভ শান্ত করে, রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে এবং মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে।
🍃শ্বাসযন্ত্রের উপকারিতা: সর্দি, কাশি, হাঁপানি ও ব্রঙ্কাইটিসের মতো সমস্যায় এটি খুব উপকারী।
🍃ডিটক্সিফিকেশন: এটি শরীর থেকে বিষাক্ত পদার্থ দূর করতে এবং কিডনিকে সুস্থ রাখতে সাহায্য করে।
🍃হজমশক্তি বৃদ্ধি: এটি হজমশক্তি উন্নত করতে এবং পেটের সমস্যায় আরাম দিতে পারে।
🍃রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা: তুলসী শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে তোলে।
এই সব গুণের কারণে আয়ুর্বেদিক ও লোকজ চিকিৎসায় তুলসী একটি অপরিহার্য ঔষধি গাছ হিসেবে বিবেচিত হয়।

🌱ব্যবহারের পদ্ধতি:
সকালে কয়েকটি তুলসী পাতা চিবিয়ে বা মধু ও জলের সাথে মিশিয়ে খাওয়া যায়।
তুলসী পাতা ও এলাচ দিয়ে জল ফুটিয়ে পান করা যায়।
তুলসীকে আয়ুর্বেদে 'প্রকৃতির মা ও ভেষজের রানী' বলা হয়, যা এর বহুমুখী ঔষধি গুণের পরিচায়ক।

শীতের রাত, কনকনে হাওয়া বইছে। বড়দিন প্রায় এসেই গেছে। শহর জুড়ে সাজ সাজ রব, আলো ঝলমলে ক্রিসমাস ট্রি, আর সবার মনে খুশির ...
25/12/2025

শীতের রাত, কনকনে হাওয়া বইছে। বড়দিন প্রায় এসেই গেছে। শহর জুড়ে সাজ সাজ রব, আলো ঝলমলে ক্রিসমাস ট্রি, আর সবার মনে খুশির জোয়ার। ছোট্ট টুম্পারও খুব আনন্দ। সে তার নতুন লাল ফ্রকটা পরে বারবার আয়নায় নিজেকে দেখছে আর ভাবছে, "সান্তা ক্লজ কি আজ রাতে আসবে? আমার জন্য কি উপহার আনবে?"
টুম্পার মা-বাবা তাকে অনেক খেলনা কিনে দিয়েছেন, কিন্তু তার সবথেকে প্রিয় ছিল তার পুরনো পুতুলটা, যার নাম ছিল 'শুক্তো'। শুক্তোর একটা হাত একটু আলগা হয়ে গিয়েছিল, কিন্তু টুম্পা ওটা খুব যত্ন করে রাখত।
বড়দিনের আগের দিন সন্ধ্যায়, টুম্পা তার জানলার পাশে বসে ছিল। হঠাৎ সে দেখল, তাদের বাড়ির উল্টো দিকের বস্তির পাশ দিয়ে এক ছোট্ট ছেলে হেঁটে যাচ্ছে, তার পরনে ছেঁড়া জামা আর খালি পা। ছেলেটার মুখটা খুব মনমরা।
টুম্পার খুব মায়া হলো। সে দৌড়ে তার ঘরে গেল, শুক্তোকে হাতে নিয়ে সে ভাবল, "ইস! যদি এই ছেলেটা আমার শুক্তোটা পেত, তাহলে কত খুশি হতো!"
পরের দিন সকালে, টুম্পা ঘুম থেকে উঠেই দেখল, তার ঘরের দরজায় একটা ছোট ব্যাগ রাখা। ব্যাগটা খুলে সে অবাক! ভেতরে একটা নতুন পুতুল আর কিছু চকলেট! কিন্তু তার থেকেও বড় অবাক করা ব্যাপার হলো, তার পুরনো শুক্তোটাও ব্যাগের মধ্যে ছিল, আর তার আলগা হাতটা যেন নতুন করে জোড়া লাগানো!
টুম্পা বুঝল, এটা সান্তা ক্লজেরই কাজ। সে দৌড়ে গেল সেই ছেলেটার কাছে, যার মনমরা মুখ সে দেখেছিল। ছেলেটা তখন তার নতুন পুতুলটা নিয়ে খেলছে আর হাসছে। টুম্পা তাকে চকলেটগুলো দিল আর বলল, "শুভ বড়দিন!" ছেলেটা অবাক হয়ে টুম্পার দিকে তাকিয়ে রইল।
টুম্পার মনে হলো, সান্তা ক্লজের উপহারের চেয়েও বড় আনন্দ সে আজ পেল। কারণ, সে শুধু উপহারই পেল না, বরং একটা মনকে খুশি করার আনন্দও পেল। সেই দিন থেকে টুম্পা বুঝল, বড়দিনের আসল আনন্দ শুধু নতুন খেলনা পাওয়া নয়, বরং অন্যকে খুশি করার মধ্যেই লুকিয়ে আছে।

একাকীত্ব হলো অস্তিত্বের উপহার, নিঃসঙ্গতা হলো সমাজের চাপানো যন্ত্রণা। আপনি যদি সমাজের কাঠামোতে বাঁচেন তাহলেই আপনি একা থাক...
21/12/2025

একাকীত্ব হলো অস্তিত্বের উপহার, নিঃসঙ্গতা হলো সমাজের চাপানো যন্ত্রণা। আপনি যদি সমাজের কাঠামোতে বাঁচেন তাহলেই আপনি একা থাকলেই নিঃসঙ্গতা অনুভব করবেন। কিন্তু যদি আপনি নিজের অন্তরের সত্যকে গ্রহণ করেন তবে একাকীত্বই হবে আপনার জীবনের সবচেয়ে বড় আশীর্বাদ।
নিঃসঙ্গতা মানে আপনি কাউকে চান। আর একাকীত্ব মানে আপনি কাউকেই চান না; আপনি নিজেই সম্পূর্ণ। যে মানুষ নিজের সঙ্গে স্বস্তিতে থাকতে পারে সেই প্রকৃত ধ্যানের প্রথম ধাপ পার করেছে।

মানুষের জীবনে একা থাকার ভয়টাই সবচেয়ে বড় কারাগার। মানুষ সবসময় ভিড়ের মধ্যে থাকতে চায়, সবার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে চায়। কিন্তু যত বেশি মানুষের ভিড়...তত বেশি ঈর্ষা-দ্বন্দ্ব; তত বেশি প্রতিযোগিতা। যদি আপনি একা থাকতে পারেন, নিজের সঙ্গে সময় কাটানো শিখতে পারেন; তখনই জীবনের সত্যিকারের আনন্দ এবং মুক্তি আপনার মনে আসবে। একা থাকলে তখনই বুঝতে পারবেন কোনটা আপনার ইচ্ছা আর কোনটা সমাজ আপনার উপর চাপিয়ে দিয়েছে।

সমাজ আপনার স্বাধীনতাকে ভয় পায়; কারন আপনি একা হয়ে গেলে... তাহলে আর তাদের নিয়ম মানবেন না। জন্মের পর থেকে সমাজ- ধর্ম- পরিবার -শিক্ষা আমাদের জীবনকে গড়ে দেয়, আমরা নিজেদের আসল রূপ ভুলে যাই। সত্যিকারের ধর্ম হলো ব্যক্তির স্বাধীনতা, সমাজের চাপ নয়। একা থাকা মানে সমাজকে অস্বীকার করা নয় বরং নিজের শক্তিকে খুঁজে পাওয়া।

মানুষ সবচেয়ে বেশি পালিয়ে যায় বাস্তবতা থেকে... আমরা চাই নিরাপত্তা, চাই নিশ্চয়তা, চাই সবাই আমাদেরকে ভালোবাসুক। কিন্তু বাস্তবতা অনিশ্চিত, সেই বাস্তবতাকে গ্রহণ করতে পারলেই আপনি মুক্ত।
জীবন কোনো সংগ্রাম নয়; এই দুনিয়ায় কোন না কোন ভাবে সকলেই আপনাকে ব্যবহার করছে। কেউ আপনার টাকা চাইছে, কেউ আপনার সময়, কেউ আপনার শক্তি। জন্মের সময় ভিতরে ছিল আনন্দের স্রোত কিন্তু সমাজ সেই আনন্দকে ঢেকে দিয়েছে ভয় আর পাপের ধারণা দিয়ে।

মানব জীবনকে পূর্ণ করতে হলে আপনাকে আবার নিজের ভিতরে ফিরে যেতে হবে। আনন্দকে জোর করে আনা যায় না, তাকে স্বাভাবিক ভাবে প্রবাহিত হতে দিন। ভালোবাসা মানে দখল নয়, ভালবাসা মানে স্বাধীনতা। কিন্তু আমরা সম্পর্ককে কারাগার বানিয়ে ফেলেছি। আমরা চাই আমাদের প্রিয় মানুষ আমাদের মত চলুক, আমাদের মত ভাবুক, আমাদের মতো বলুক, তখন সম্পর্ক হয়ে যায় যন্ত্রণার উৎস।
যদি সত্যিকারের ভালবাসতে হয় তাহলে একা থাকতে শিখুন; যিনি একা হতে পারেন, তিনিই ভালবাসতে পারেন। মানুষ সবচেয়ে বেশি ভয় পায় মৃত্যুকে; কিন্তু মৃত্যুই হলো সবচেয়ে বড় উৎসব কারণ মৃত্যু মানে শেষ নয়, মৃত্যু মানে এক নতুন রূপান্তর।

একা বসে ধ্যান করুন, নিজের ভেতরের কন্ঠস্বর শুনুন। ধ্যান মানে নিজের অন্তরে ফিরে যাওয়া, সেখানে আপনি দেখবেন; আপনি আসলেই সম্পূর্ণ, আপনার মাঝে কোনো কিছুই কমতি নেই।
ধ্যান করলে একা থাকার ভয় চলে যায়, একা থাকা আনন্দময় হয়ে ওঠে। কারণ তখন আপনি দেখতে পাবেন, আপনি কারোর ওপর নির্ভরশীল নন, আপনি নিজেই পূর্ণ, আপনার ভিতরেই সমস্ত উত্তর আছে।
ধ্যান মানে নীরবতার দিকে ফিরে আসা। আপনি যদি নিজের গভীরতাকে উপলব্ধি করতে শেখেন, তবেই আপনি বুঝবেন নিঃসঙ্গতা নেই, একমাত্র আপনি আছেন, যার কোন সীমা নেই, যার কোন ছায়া নেই, কোন ভয় নেই। প্রেম তখনই জন্ম নেয়, যখন আপনি নিজেকে ভালবাসতে শেখেন। তখন একে অপরের
নির্ভরতা ভিত্তিক প্রেম হয় না; তখন প্রেম হয়, স্বাধীনতা প্রশান্তি এবং সম্মানের গন্ধে ভরা অলৌকিক প্রেম। একাকীত্বই প্রকৃত প্রেমের ভিত্তি। নিজেকে জানুন, নিজের সাথে বন্ধুত্ব করুন, যদি আপনি নিজেকে ভালবাসতে না পারেন; তবে আপনি কখনো কাউকে ভালবাসতে পারবেন না। একা থাকার সাহস করুন, কারণ তবেই ঈশ্বর আপনার মধ্যে কথা বলতে শুরু করবে, তবেই প্রকৃতি আপনাকে নিজের রহস্য খুলে দেখাবে, তবেই ধ্যান আপনাকে ছুঁতে পারবে।


🧘🏻‍♀️মেডিটেশন সম্পর্কে কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।🙏🏻 🪔 প্রথমত, পেশী এবং স্নায়ু শিথিল হলে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে কিন্তু...
21/12/2025

🧘🏻‍♀️মেডিটেশন সম্পর্কে কয়েকটি বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো।🙏🏻
🪔 প্রথমত, পেশী এবং স্নায়ু শিথিল হলে মানুষ ঘুমিয়ে পড়ে কিন্তু মেডিটেশন অবস্থায় পেশী এবং স্নায়ু শিথিল হলেও সেই সময় চেতনা জাগ্রত থাকে।
🪔 দ্বিতীয়তঃ, মানুষ অতীত এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় ব্যস্ত থাকে, বর্তমানে মানুষ বাঁচতেই পারে না। একমাত্র মেডিটেশন মানুষকে বর্তমানে বাঁচতে শেখায়।
🪔 তৃতীয়ত, মেডিটেশনই একমাত্র নিজের অন্তর্গত শক্তিকে উপলব্ধি করতে শেখায় অর্থাৎ ব্যক্তি আত্মনিমগ্ন হয়ে নিজের মধ্যে ডুবে যেতে সক্ষম হয়।

🧘🏻‍♀️মেডিটেশন বিভিন্ন ধরনের হতে পারে-
মাইন্ডফুলনেস, স্পিরিচুয়াল, ফোকাস, মুভমেন্ট, ভিজুয়ালাইজেশন ইত্যাদি।

🧘🏻‍♀️তবে প্রথম অবস্থায় চোখ বন্ধ করে, শিরদাঁড়া সোজা রেখে বসে, নিঃশ্বাস-প্রশ্বাসের উপর মনসংযোগ করার পদ্ধতিটি একমাত্র সহজ পথ।

🧘🏻‍♀️গ্রিক 'মেডেরি' অর্থাৎ নিরাময় শব্দ থেকেই মেডিটেশন শব্দটির উৎপত্তি। এই নিরাময় ক্ষমতার কারণে অতীতের মুনি ঋষিদের ঔষধ-পথ্যের দারস্ত হতে হত না।

🕯️মেডিটেশন মানসিক উদ্বেগ, বিষন্নতা এবং অস্থিরতা কমায়। কাঠবাদামের মতো দেখতে ব্রেনের একটি অংশ "এমিগডালা" (আবেগকেন্দ্র) নামে পরিচিত। এটি নিয়ন্ত্রণ করে মানুষের ভয় উদ্বেগের মতো অনুভূতিগুলো। নিয়মিত মেডিটেশনে এই এমিগডালার সংকোচন হয় বলেই ভয় উদ্বেগ হ্রাস পায়।
🕯️শরীরের ব্যাথা কমায় মেডিটেশন।
🕯️মেডিটেশনে স্মৃতিশক্তি বৃদ্ধি ও দ্রুত শেখার প্রবণতা বাড়ে। ব্রেনের মধ্যে "হিপোক্যাম্পাস" অংশের ঘনত্ব বাড়লে স্মরণশক্তি এবং শেখার ক্ষমতা নিয়ন্ত্রিত হয়।
🕯️নিয়মিত মেডিটেশন করলে "টেলোমারেজ এনজাইম" এর সক্রিয়তা বেড়ে যায় ফলে ত্বকের বুড়িয়ে যাওয়া রোধ হয়।
🕯️মেডিটেশন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায় এবং আলঝেইমার রোগের ঝুঁকি কমায়।

🌿ব্রহ্ম মুহূর্ত অর্থাৎ ভোরের আলো ফোটার আগে যখন সারা পৃথিবী ঘুমিয়ে থাকে তখনই মেডিটেশন করার সর্বোত্তম সময়। সূর্য ওঠার আগে "১ ঘন্টা ৩৬ মিনিট যে সময়" ওই সময়ে বাতাসে সর্বোচ্চ প্রাণশক্তি থাকার কারণে ভোরবেলার মেডিটেশনের গুরুত্ব অনেক বেশি।

🧘🏻‍♀️মেডিটেশন আধ্যাত্মিক পথ প্রশস্ত করে ঠিকই তবে দৈনন্দিন জীবনযাপনে আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি পাল্টে জীবনকে আরো সহজ সরল প্রাণোজ্জ্বল সচেতন মানুষে পরিণত করে।

🗓️'একুশে ডিসেম্বর'
"ওয়ার্ল্ড মেডিটেশন ডে"🧘🏻‍♀️

🧠🫀আমরা নিজেদের আত্মার কাছে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হবো, প্রত্যেকদিন মেডিটেশন অভ্যাস করবো।🌞

সপ্তচক্র সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য আলোচনা করা হল।🧿 মানব শরীরের মূলাধার চক্র (Root Chakra) হল প্রথম চক্র... এটি মলদ্বার এব...
04/12/2025

সপ্তচক্র সম্পর্কে বিশেষ কিছু তথ্য আলোচনা করা হল।

🧿 মানব শরীরের মূলাধার চক্র (Root Chakra) হল প্রথম চক্র... এটি মলদ্বার এবং যৌনাঙ্গের মাঝে অবস্থিত। চিকিৎসা শাস্ত্রে জায়গাটিকে পেরিনিয়াম বলা হয়।
যদি আপনার শক্তি মূলাধরে প্রবল হয় তাহলে খাওয়া এবং ঘুম এই দুটোই জীবনের প্রধান গুণ হবে।
নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা, বেঁচে থাকার অনুভূতি, গ্রাউন্ডিং এবং শরীরের শক্তির ভিত্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
যখন মূলাধার চক্র সক্রিয় বা জেগে ওঠে তখন যেসব অনুভূতি হয়।
✅ শারীরিক অনুভূতি
মেরুদণ্ডের গোড়ায় (ককসিক্স অঞ্চলে) ঝিনঝিন, কাঁপুনি, তাপ বা কম্পন অনুভূতি।
পায়ে ও পায়ের পাতায় ভারী বা শক্ত অনুভূতি।
শরীরে উষ্ণতা বা শক্তির প্রবাহ।
স্থিতিশীল থাকার অনুভূতি।
✅ মানসিক/আবেগিক অনুভূতি।
হঠাৎ আত্মবিশ্বাস বেড়ে যাওয়া।
অকারণ ভয় বা দুশ্চিন্তা কমে যাওয়া।
জীবনে নিরাপত্তা অনুভব করা।
সিদ্ধান্ত নেওয়া সহজ হওয়া।
✅ জীবনে ইতিবাচক পরিবর্তন -
কাজে মনোযোগ বাড়ে।
অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বা উন্নতি।
শারীরিক শক্তি ও স্ট্যামিনা বাড়ে।
সম্পর্কগুলোতে স্থিরতা।
🧘🏻‍♀️মূলাধার চক্রের মন্ত্র:
“লাম্” (LAM)
মনের মধ্যে বা উচ্চারণ করে দিনে ১০৮ বার জপ করুন।
অনেক দ্রুত চক্র পরিষ্কার ও সক্রিয় হয়।
🧘🏻‍♀️মেডিটেশন:-
মূলাধার চক্র মেডিটেশনে—
চোখ বন্ধ করুন ককসিক্স অংশে লাল আলো কল্পনা করুন দিনে 10 মিনিট।
✅ জীবনযাপনে কিছু পরিবর্তন:-
খালি পায়ে মাটিতে হাঁটা,
প্রকৃতির মাঝে সময় কাটানো, ঘর গোছানো ও নিজের জায়গা পরিষ্কার রাখা, নিরাপত্তা ও স্থিরতা বাড়ানো কাজ করা।

🧿স্বাধিষ্ঠান চক্র (Sacral Chakra)সম্পর্কে ব্যাখ্যা করা হল-
নাভির ঠিক নিচে, যৌনাঙ্গের ঠিক ওপরে ... নাভি–যৌনেন্দ্রিয় অঞ্চলে অবস্থিত। এটি সক্রিয় হলে আপনি হয়ে উঠতে পারেন সুখ সন্ধানী, অর্থাৎ যে পৃথিবীকে উপভোগ করতে চায়।
এটি সৃজনশীলতা, আবেগ, আনন্দ, সম্পর্ক, যৌনশক্তি ও প্রাণশক্তি নিয়ন্ত্রণ করে।
🌟 স্বাধিষ্ঠান চক্র জেগে গেলে যে অনুভূতিগুলো হয়
🔶 ১. আবেগে স্বচ্ছতা
মনের ভেতরের দুঃখ, রাগ, ভয় কমতে থাকে।
আবেগগুলো পরিষ্কারভাবে বোঝা ও সামলানো সহজ হয়।
🔶 ২. সৃজনশীল শক্তি বৃদ্ধি
শিল্প, গান, নাচ, লেখালিখি বা নতুন কিছু করার ইচ্ছা বাড়ে।
🔶 ৩. জীবনে আনন্দের অনুভূতি
যেকোনো কাজেই আনন্দ ও তৃপ্তি পাওয়া যায়।
🔶 ৪. সম্পর্কের ক্ষেত্রে সৌহার্দ্য
সম্পর্ক আরও স্নেহময়, বোঝাপড়াপূর্ণ হয় |
🔶 ৫. শরীরে শক্তি প্রবাহ টের পাওয়া
নাভির নিচে হালকা উষ্ণতা
তরল ঢেউয়ের মতো হালকা কম্পন
নীচের পিঠে শক্তি বা হালকা শিহরণ।
🧘‍♀️ ধ্যান (বিশেষ মন্ত্র সহ)
স্বাধিষ্ঠান চক্রের বীজ মন্ত্র: “বাম্ (VAM)”
নাভির নিচে কমলা রঙের আলো কল্পনা করুন
ধীরে ধীরে “বাম্… বাম্… বাম্…” জপ করুন।
✅ সৃজনশীল কাজে অংশ নেওয়া
আঁকা, নাচ, গান, রান্না, লেখালিখি—যা হৃদয়কে স্বচ্ছন্দ করে।
✅ ৬. আবেগ প্রকাশের অভ্যাস
নিজের অনুভূতি দমিয়ে না রাখা
কারো সাথে কথা বলা, জার্নাল লেখা।

🧿মানব শরীরের মনিপুর চক্র(Solar Plexus Chakra) — যাকে নাভি চক্র বলা হয়। এটির শক্তি জাগরণে একজন প্রকৃত কর্মী হয়ে ওঠা সম্ভব, আত্মবিশ্বাস, ইচ্ছাশক্তি, সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও ব্যক্তিত্বে গভীর প্রভাব ফেলে।
মনিপুর চক্র জেগে গেলে যা কিছু অনুভূতি হয়-
✅ ১. আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি
নিজের সিদ্ধান্তে দৃঢ়তা আসে
ভয় কমে যায়
কাজ করার উদ্যম বাড়ে
✅ ২. শক্তির প্রবাহ বৃদ্ধি
পেটের এলাকায় উষ্ণতা অনুভব
শরীরে হালকা কম্পন বা টান অনুভব
মন খুশি ও স্থির থাকে
✅ ৩. ইচ্ছাশক্তি ও কাজের প্রতি উৎসাহ
কাজ করতে মন চায়
দীর্ঘদিনের আলসেমি কেটে যায়
✅ ৪. ব্যক্তিত্বে আকর্ষণীয় শক্তি
কথা বলার ক্ষমতা বাড়ে
নেতৃত্বের গুণ প্রকাশ পায়
✅ ৫. হজম শক্তি উন্নত হয়
গ্যাস্ট্রিক, অম্বল কমে
খাবার সহজে হজম হয়
🧘‍♀️মন্ত্র: “রাম” (RAM)
চোখ বন্ধ করে 108 বার জপ
নাভির ওপর মনোযোগ
মন্ত্রের কম্পনে নাভি চক্র খুব দ্রুত শক্তি পায়।

🧿অনাহত চক্র (Heart Chakra / হৃদয় চক্র) মানব শরীরের চতুর্থ চক্র, যার স্থান বুকের মাঝামাঝি। এটি ভালোবাসা, করুণা, ক্ষমা, মানসিক ভারসাম্য ও আত্মিক সংযোগ নিয়ন্ত্রণ করে।
🌿 অনাহত চক্র জাগ্রত হলে যে অনুভূতিগুলো হয়
যখন অনাহত চক্র সঠিকভাবে সক্রিয় বা জাগ্রত হয়, তখন শরীর-মনে যেসব অভিজ্ঞতা দেখা যায়—
১. গভীর শান্তি ও মানসিক স্থিরতা
অকারণে মন ভালো থাকা
রাগ কমে যাওয়া
সবাইকে ক্ষমা করতে ইচ্ছে হওয়া
২. ভালোবাসার শক্তি বৃদ্ধি
নিজের প্রতি ভালোবাসা বাড়ে
মানুষের প্রতি সহানুভূতি, দয়া তৈরি হয়
সম্পর্কের টানাপোড়েন কমে
৩. বুকের মধ্যে উষ্ণতা
বুকের মাঝখানে মৃদু উষ্ণতার অনুভূতি
ধ্যানের সময় ভিতর থেকে আলো বা হালকা কম্পন অনুভব
৪. স্বাস্থ্যগত ইতিবাচকতা
শ্বাস নেওয়া সহজ লাগে
স্ট্রেস কম
ঘুম ভালো হয়
🧘‍♀️মন্ত্র: “যং” (YAM)
বারবার মন্থরভাবে উচ্চারণ
বুকের কম্পন অনুভব হবে

🧿বিশুদ্ধ চক্র( Throat Chakra)
🟦 মানব শরীরের ‘বিশুদ্ধ চক্র’ জাগ্রত হলে, ব্লক হলে এবং জাগ্রত করার উপায়।
📍 মূল শক্তি: প্রকাশ, সত্য, যোগাযোগ, আত্মবিশ্বাস
✅ বিশুদ্ধ চক্র জেগে গেলে যে অনুভূতিগুলো দেখা যায়
১) কথা বলায় স্বচ্ছতা
নিজের অনুভূতি খুব সহজে প্রকাশ করতে পারবেন
কথা বলতে ভয়, দ্বিধা বা জড়তা থাকবে না
২) সত্যের প্রতি দৃঢ়তা
মিথ্যাকে সহ্য করতে পারবেন না
নিজের সত্য কথা দৃঢ়ভাবে বলতে পারবেন
৩) সৃজনশীলতা বৃদ্ধি
গান, কবিতা, লেখা, অভিনয় ইত্যাদিতে প্রতিভা বৃদ্ধি
কথা বলা বা শেখানোর ইচ্ছে বাড়ে
৪) শরীরে অনুভূতি
গলায় একটা হালকা উষ্ণতা বা কম্পন
শ্বাস-প্রশ্বাস স্বাভাবিক ও গভীর মনে হবে
৫) আত্মবিশ্বাস
মানুষের সামনে বক্তব্য রাখতে সাহস
সম্পর্কের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি কমে যায়
🧘‍♀️মন্ত্র জপ
Seed Mantra → “হাম্ (HAM) |
গভীর শ্বাস নিয়ে
“হা-আ-আম”
এইভাবে কম্পন তৈরি করে উচ্চারণ করুন।
দিনে ১০–১৫ মিনিট খুব উপকারী।

🔮 আজ্ঞা চক্র (Third Eye Chakra)
অবস্থান: দুই ভ্রূর মাঝখানে
মূল শক্তি: অন্তর্দৃষ্টি, ধ্যান, বুদ্ধি, কল্পনা, সিদ্ধান্তক্ষমতা
✅ আজ্ঞা চক্র জেগে গেলে যে অনুভূতিগুলো হয়
আজ্ঞা চক্র জাগৃত হলে মানুষ মানসিকভাবে ও আত্মিকভাবে অনেক পরিষ্কার অনুভব করে—
১. ভেতরের অন্তর্জ্ঞান/ইনটুইশন খুব তীক্ষ্ণ হয়ে যায়
যে সিদ্ধান্ত নিলে লাভ হবে বা ক্ষতি হবে—মন আগে থেকেই বুঝিয়ে দেয়।
২. মন অত্যন্ত শান্ত থাকে
অকারণ দুশ্চিন্তা বা ভয় কমে যায়।
৩. ধ্যান করতে অসাধারণ সহজ লাগে
মনের ভেতর অস্থিরতা কমে গিয়ে গভীর নীরবতা আসে।
৪. কল্পনাশক্তি ও সৃষ্টিশক্তি বৃদ্ধি পায়
যারা আধ্যাত্মিক, শিল্পী, লেখক, সৃজনশীল—তাদের জন্য বিশেষ উপকারী।
৫. ঘুমের গভীরতা বাড়ে
🧘‍♀️মন্ত্র জপ
ওঁ (ॐ) অথবা ওঁ হ্রীং
গভীর শ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে উচ্চারণ করলে আজ্ঞা চক্র সক্রিয় হয়।
১–২ মিনিট কপালের মাঝখানে মনোযোগ দিন।

🧿সহস্রার চক্র(Crown Chakra) “সপ্তম চক্র” বা “শীর্ষ চক্র” বলা হয়। এটি মাথার মুকুটস্থানে থাকে এবং আধ্যাত্মিক জাগরণ, চেতনাবৃদ্ধি, ঈশ্বরিক সংযোগ ও উচ্চতর উপলব্ধির সাথে যুক্ত। নিচে সহজ ভাষায় সব বিস্তারিত দিলাম:
✅ সহস্রার চক্র জেগে গেলে যে অনুভূতিগুলো দেখা যায়
১. গভীর শান্তি ও পরমানন্দ |
মনে হয় মন পুরোপুরি শান্ত।
ভেতরে এক ধরনের Bliss বা পরমানন্দ অনুভূত হয়।
২. উচ্চতর চেতনাবোধ
নিজের অস্তিত্ব, জীবন, প্রকৃতি সবকিছু আরও স্পষ্টভাবে বোঝা যায়।
Ego (অহং) কমে যায়।
৩. শক্তির প্রবাহ অনুভূত হওয়া
মাথার উপরে যেন হালকা কম্পন, শিরশিরানি বা রোমাঞ্চ।
অনেকেই বলেন মাথার ওপরে “জ্যোতি” বা “শক্তি প্রবাহ” অনুভব হয়।
৪. অন্তর্জ্ঞান বৃদ্ধি
হঠাৎ সমস্যা সমাধানের ক্ষমতা বেড়ে যাওয়া।
ঘটনার পূর্বাভাস বা অন্তরের নির্দেশ শক্তিশালী হওয়া |
৫. ভয় কমে যাওয়া
মৃত্যু, ভবিষ্যত, ব্যর্থতার ভয় কমে যায়।
জীবনে এক ধরণের নিরাপত্তার অনুভূতি আসে |
৬. প্রেম, দয়া ও মানবিকতা বৃদ্ধি
সকল জীবের প্রতি করুণা বাড়ে |
নিজের ও অন্যদের প্রতি ভালোবাসা আরো শুদ্ধ হয়ে ওঠে।
🧘‍♀️মন্ত্র: “ॐ” (ওঁ) অথবা “सोऽहम्” (সোহম)
প্রতিদিন ১০–১৫ মিনিট চোখ বন্ধ করে মাথার ওপরে সাদা আলো কল্পনা করুন |
মাথার মুকুটস্থানে আলোকচিত্র কল্পনা |
কল্পনা করুন মাথার ওপরে সাদা/বেগুনি আলো ঘুরছে। আলো শরীরকে পূর্ণ করছে।

🎙যদি মন্ত্র প্রয়োগ করা হয় তাহলে অবশ্যই গুরুর সানিধ্যে করা উচিত |

Address

SONARPUR
Kolkata
700150

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Yogsamriddhi posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram

Category