15/01/2026
এমন সাদামাটা জলখাবারও আমার কাছে পরম তৃপ্তিদায়ক। সকাল সকাল নিয়ে বসেছি, মুড়ি ,ঘুগনি, কচি নারকেল সাথে ক্ষীর গোকুল পিঠে।
আমার কাছে পিঠে পুলি একটা চরম ভালবাসার জায়গা। তবে সেসব খাওয়ার জন্য কখনোই পরনির্ভরশীল নই।যত ঝামেলাই হোক,প্রত্যেক বছর চেষ্টা করি একটু আধটু টুকটাক পিঠে বানাতে।এটা আমার নেশা। মেয়ের আবদারে আরও উৎসাহ পাই বানানোর।
পাটিসাপটা,দুধ পুলি, চুশির পায়েস,গোকুল পিঠে এগুলো তো হয়ই সাথে তালের সিজনে তালের বড়া,তাল ক্ষীর,তালের চুশী এসবও বানাই। লিখতে লিখতেই জিভে জল চলে এল।
এসব বানানোর জন্য আজকাল আর উনুন জ্বেলে বসে থাকা ঠাকুমা,দিদিমার অপেক্ষা করে বসে লাভ নেই। "আমরাই শেষ প্রজন্ম যারা এই পিঠে পুলির স্বাদ পেলাম, পরের প্রজন্ম এসব কি আর বানাবে?" এসব বলে দুঃখের পাঁচালি গেয়েও লাভ নেই। ভাই সোজা কথা,যদি খুব খেতে ভালোবাসো ইউটিউব,ইনস্টা, ফেবু থেকে রেসিপি দেখে ঝপ করে বানিয়ে টপ করে খেয়ে নাও। প্রথমে একটু যদি খারাপও হয়, ২ ৩ বার করলে ঠিক হবেই।আর একান্তই যদি সময়ের অভাব হয়, দোকান তো আছেই। যদিও সব জায়গার পিঠে পুলি সবসময় টেস্টি হয়না।
ছেলেরা কেন এসব বানাবে আর বাড়ির বউ কেন বানাবে না এসব ভুলভাল তর্ক করে লাভ নেই। রান্না জানাটা একটা বেসিক লাইফ স্কিল। ছেলে যদি আজ পড়াশুনো বা চাকরিসূত্রে দূর দেশে থাকে, তার খেতে ইচ্ছে হলে বানাতে তো হবেই। মেয়েকেও যদি একা কোথাও গিয়ে থাকতে হয় তখন তো তাকেও নিজেই রেঁধে বেড়ে খেতে হবে।নাকি?
তবে যাই করো আমাকে কেউ এটা বলে লজ্জা দিওনা "এই তুমি কবে বানালে? আমাদের পাঠিয়ে দাও"। খুবই লজ্জার সাথে জানাচ্ছি যে, আর কিছু অবশিষ্ট নেই😂😂। খেয়ে হজম করে তবেই পোস্টাচ্ছি।দিনকাল বড্ড খারাপ বুঝলেন, আগে খাও .. পরে পোস্টাও 😂😂
#পিঠে #পিঠা #পৌষপার্বণ