CURE with CARE by Homoeopathy

CURE with CARE by Homoeopathy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from CURE with CARE by Homoeopathy, Medical and health, 28/2 Taramonighat Road, Keorapukur Bazar, KOLKATA.

🛑In the pursuit of health.
life line to better health.
✅Healing families naturally.
❇️A balanced approach to health.
through Homoeopathy.
well stay well.

21/11/2025
17/11/2025



ক্যাট্রিনা কাইফ ৪২ বছর বয়সে মা হয়েছেন,
দীপিকা পাড়ুকোন ৩৮ বছর বয়সে।

এমন আরও অসংখ্য বলিউড,
হলিউড তারকা আছেন যারা ৪০ বছর
বয়সের পরে মা হয়েছেন।

এটা দেখে আমাদের দেশের সাধারণ
নারী সমাজ অনেক উৎফুল্ল।

অনেক বড় বড় ইনফ্লুয়েন্সার রা ভিডিও বানিয়েছেন,
লেখালেখি করেছেন
ওরা পারলে আপনিও পারবেন।

ইটস নেভার টু লেইট।
আগে তোমার ক্যারিয়ার গড়ো,
শখ পূরণ করো এরপরে বাচ্চা।

এই লেখা ভিডিও দেখে অনেকেই ইন্সপায়ার্ড হয়।
কিন্তু আসলে বাস্তবতা ভিন্ন।

আমাদের দেশের এভারেজ মেয়েদের
মেনোপজ আসে ৪২/৪৩ বছর বয়সে।
বা মেনোপজ না আসলেও সিম্পটম শুরু হয়ে যায়।

AMH কমে যায় ৩৫ এর পরেই।
অনেক মেয়েদের পিসিওএস থাইরয়েড
সহ অনেক সমস্যা থাকে।

এর কারন কি?
কেন ওরা ৪২ এও মা হতে
পারলে আমরা পারবো না।

- উত্তর টা খুবই সিম্পল। আমাদের লাইফস্টাইল।

আমি বেশ কিছু ইন্টারভিউ তে
দেখেছি তারা কি পরিমান মেইনটেইন করে।
খাবার রুটিন তো আছেই এর
সাথে সাথে ওয়ার্ক আউট।

এরা রেগুলার জিমে যায়।
ওয়েট লিফটিং, পিলাটে, ইয়োগার মত এক্সারসাইজ এদের নিত্য সঙ্গী।

ইভেন ভ্যাকেশনে এমন হোটেল বুক করেন যেখানে জীম আছে।

আমাদের দেশে কয়জন নারী
বলতে পারবেন তারা রেগুলার টানা ৬ মাস জীম করেছেন??

তারা নিজেদের মেইনটেইনের পিছনে যে পরিমান ইফোর্ট দিয়ে থাকেন,
যে পরিমান খরচ করেন,
তার সিকিভাগও আমরা করি না।

করিনা বলেই ক্যাট্রিনা কাইফ ৪২ এ মা হতে পারলেও আমরা সেই পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারি না।

Tara egg freezing o koran.এরপরেও ব্যার্থতার গল্প আছে। তারাও সারোগেসি করেন,আইভিএফ এর হেল্প নেন।

সব কিছু প্রকাশ্যে আসে না।
Onek নারী আছেন
যারা ৪০ এর পরে মা হয়েছেন।

কিন্তু এই সংখ্যা টা অনেক কম।
আর এখন দিন দিন আরো কমছে।
চেম্বারে আসা একটা বড় অংশের মেয়েদের মধ্যে ৩৬/৩৭ বছর বয়সেই মেনোপজের উপসর্গ চলে আসে।

এতদিন বাচ্চা নিতে চাননি এখন অনেক ট্রাই করেও কনসিভ হচ্ছে না। LH, FSH অনেক বেশি।

বিশেষ করে স্ট্রেস আর বাজে লাইফস্টাইল এর প্রধান কারন।

নিজেদের শরীরের যত্ন নিন।
ক্যারিয়ার, বাচ্চা, ফ্যামিলি সব এক সাথে হয়তো হবে না। কিন্তু প্রায়োরিটি সেট করুন।

আপনি কোনটা চান। ক্যারিয়ার চাইলে নিজের শরীরকে এমন ভাবে ফিট রাখুন যাতে ৪০ এও
আপনার কোন সমস্যা না থাকে।

ওরা যেভাবে নিজেদের যত্ন করে,
আপনি সেভাবে যত্ন করলে আপনিও এই বয়সে মা হতে পারবেন।

ক্লিন ইটিং করুন। রেগুলার ওয়ার্কআউট করুন।স্ট্রেস ম্যানেজমেন্ট করার ট্রাই করুন।

নায়িকাদের দেখে নিজেদের জীবনের ডিসিশন নেয়াটা বোকামি। নিজের শরীর এবং পারিপার্শ্বিক অবস্থার উপর বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নিবেন। যাতে ভবিষ্যতে দেরি করার জন্য পস্তাতে না হয়। 😊

15/11/2025
অর্ক ক্লাস এইটে পড়ে। চোখে এখনো শিশুসুলভ স্বপ্নের আভাস, কিন্তু তার বইয়ের পাতায় মন বসে না। সেদিন রাত্রে, বাবার সামনের ডেস্...
10/11/2025

অর্ক ক্লাস এইটে পড়ে। চোখে এখনো শিশুসুলভ স্বপ্নের আভাস, কিন্তু তার বইয়ের পাতায় মন বসে না। সেদিন রাত্রে, বাবার সামনের ডেস্কে বসে বই খুলে বসেছিল। দু’মিনিটের মধ্যে বইয়ের জায়গা করে নিল ইনস্টাগ্রামের স্ক্রল। পরক্ষণেই গিটারটা হাতে তুলে নিল—নতুন একটা টিউন শিখেছে। তারও পাঁচ মিনিট পর মা ডাক দিল, “তুই পড়ছিস তো ঠিক করে?” সে যেন জেগে উঠে এল এক ঘোরের মধ্য থেকে।

“হ্যাঁ, পড়ছি তো,” বলে আবার বইয়ে চোখ রাখে। তবে মন পড়ে না—কারণ সে নিজেই জানে না, কেন পড়ছে।

এই গল্পটা শুধু অর্কর নয়। এটা ওইসব কিশোর-কিশোরীদের মস্তিষ্কের একটি টানেল ভ্রমণ—যারা হঠাৎ করেই পড়াশোনা থেকে মন সরিয়ে ফেলে, অথচ তারা বোকা নয়, অসৎ নয়, অলসও নয়।

🔹 মস্তিষ্কের নির্মাণকাল

আধুনিক স্নায়ুবিজ্ঞান বলে, বয়ঃসন্ধিকাল হল মানুষের দ্বিতীয় জন্ম। প্রথম জন্ম শারীরিক, দ্বিতীয় জন্ম মানসিক।

এই সময়ে প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স, অর্থাৎ যুক্তি, পরিকল্পনা, মনোযোগ আর নিয়ন্ত্রণের কেন্দ্র, নির্মাণাধীন থাকে। আবার লিম্বিক সিস্টেম, যেটা আবেগ, ঝুঁকি নেওয়া, আর তাৎক্ষণিক আনন্দের জন্য দায়ী—তা পূর্ণগতিতে সক্রিয়।

এই জটিল অবস্থায়, টেক্সটবুকের প্যারা পড়া, অংকের অদৃশ্য সূত্র খুঁজে পাওয়া বা ইতিহাসের রাজাদের নাম মুখস্থ করা—সব কিছুই হয়ে ওঠে একঘেয়ে, বিবর্ণ।

🔹 হরমোনের হুলস্থূল এবং ডোপামিনের খিদে

একবার একজন ছেলেকে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল, “তোমার পড়তে ভালো লাগে না কেন?”

সে উত্তর দিয়েছিল, “কারণ পড়লে মনে হয় যেন একঘেয়ে সিনেমা দেখছি, আর মোবাইলে ভিডিও দেখলে মনে হয় অ্যাকশন সিনেমা চলছে।”

এটা কোনও বাহানা নয়। বিজ্ঞান বলছে, বয়ঃসন্ধির সময় ডোপামিন রিসেপ্টর-এ পরিবর্তন হয়। ডোপামিনই আমাদের “আনন্দ” অনুভব করায়।

পড়াশোনা তখন আর আনন্দের উৎস নয়। বরং গান, ভিডিও, চ্যাট, মেমে—এসবই সে রস দিয়ে দেয়।

🔹 তাকে কে বলেছে সে কে?

এই বয়সে একটা মূর্ত প্রশ্ন ঘুরতে থাকে মনের ভিতরে:

“আমি কে?”

সে হয়তো ছোটবেলা থেকে ‘ভালো ছাত্র’ নামে পরিচিত ছিল। কিন্তু এখন সে এই ট্যাগ থেকে বেরোতে চাইছে। হয়তো সে চায় চিত্রশিল্পী হতে, কিংবা কোডার, কিংবা মোটেই কিছু না হয়ে শুধু নিজেকে চিনতে চায়।

আপনি যদি তাকে জিজ্ঞেস করেন, “এত পড়ছো না কেন?”
সে হয়তো বলবে, “আমি জানি না।”

আর ঠিক এই “জানি না”-র মধ্যে দিয়েই একটা নতুন মানুষ জন্ম নিচ্ছে—যার জন্ম ব্যথাহীন নয়।

🔹 ঘুমে বিঘ্ন আর শরীরের লড়াই

রাতে পড়তে বসলে চোখে ঘুম আসে না। সকালে উঠতে পারে না। কারণ তার সার্কেডিয়ান রিদম (দৈনিক ঘুমের ঘড়ি) ২ ঘণ্টা পিছিয়ে যায় এই বয়সে।

তবুও স্কুল সকাল আটটায় শুরু হয়। ফলাফল? সে ক্লাসে বসে থাকলেও, মস্তিষ্ক তখন ঘুমিয়ে আছে।

🔹 সামাজিক চাপ আর “দেখে রাখিস” সংস্কৃতি

পাশের বন্ধু ফেসবুকে নতুন শার্ট পরে ছবি দিচ্ছে, কেউ প্রেম করছে, কেউ ভিডিও এডিট করছে, কেউ গান গাইছে—এসব কিছু তাকে বলে দেয়, “তুই কোথায় পিছিয়ে আছিস।”

এই হীনমন্যতাই আবার পড়ার প্রতি একরকম বিতৃষ্ণা তৈরি করে। কারণ, সেখানে সে নিজেকে “কিছু না” মনে করে।

🔹 শেষ কথা: সে অলস নয়, সে রাস্তায় হাঁটছে

তিন বছর আগে যার পছন্দ ছিল ছবি আঁকা,বা নাচ করা বা গান শেখা সে আজ চুপচাপ দেয়ালে তাকিয়ে থাকে। আপনি ভাবছেন—সে কিছুই করছে না।

কিন্তু সে আসলে নিজের ভেতরের একটা ঘূর্ণিপাকে আটকে আছে।
কখনো সেটা অবসাদ, কখনো আত্মদ্বন্দ্ব, কখনো ভবিষ্যতের ধোঁয়াটে ভয়।

✅ এ অবস্থায় বাবা-মা যা করতে পারেন:

ওকে বোঝানোর বদলে শোনার চেষ্টা করুন।

পড়াশোনা বাদ দিয়ে ছোট কাজে জয় আনতে দিন (যেমন: রান্না, সাজানো, গান শোনা, লিখে ফেলা)।

ওর মনোযোগের ধরন বুঝে আলাদা স্টাডি রুটিন তৈরি করুন।

প্রয়োজনে একজন কাউন্সেলর বা শিশু মনোবিদের সাহায্য নিন—এটা লজ্জার নয়, সচেতনতার প্রমাণ।

চেকভ বলেছেন, “A man is what he believes.”
এই বয়সে তারা নিজের ওপর বিশ্বাস হারিয়ে ফেলে। আপনি যদি বিশ্বাস রাখেন, তবেই সে একদিন নিজের মধ্যে বিশ্বাস ফিরিয়ে আনবে।

07/11/2025
30/10/2025
  is a blessing
30/10/2025

is a blessing

02/10/2025
  puja
26/09/2025

puja

   for heart diseases
25/09/2025


for heart diseases

Address

28/2 Taramonighat Road, Keorapukur Bazar
Kolkata
700041

Telephone

+918100313153

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when CURE with CARE by Homoeopathy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to CURE with CARE by Homoeopathy:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram