WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front

WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front This is the official page of West Bengal Junior Doctors' Front (WBJDF). All the official updates and announcements will be notified here.
(5)

পুরুলিয়া স্টেশন থেকে টাটানগর যাওয়ার রেলপথের মাঝে ছোট্ট স্টেশন টামনা। স্টেশনের কাছে বিস্তৃত রুক্ষ পতিত জমি, সেখানেই ২০০...
15/03/2026

পুরুলিয়া স্টেশন থেকে টাটানগর যাওয়ার রেলপথের মাঝে ছোট্ট স্টেশন টামনা। স্টেশনের কাছে বিস্তৃত রুক্ষ পতিত জমি, সেখানেই ২০০৪ তৈরি হয় বিদ্যাসাগর আবাসিক বালিকা বিদ্যালয়।
মানভূম অঞ্চলের তথাকথিত 'পিছিয়ে পড়া' জনগোষ্ঠীর মেয়েদের শিক্ষার আলোয় আলোকিত ও প্রতিষ্ঠিত করার কঠিন কর্মযজ্ঞ শুরু হওয়ার পর বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে আজও ধারাবাহিক ভাবে বহমান। শুরু হয়েছিল খুব অল্প সংখ্যক মেয়ে কে নিয়ে, সেটা বাড়তে বাড়তে আজ ৫৫০ এর কাছাকাছি ছাত্রী। গোটা স্কুল ক্যাম্পাস জুড়ে ফুল ফলের গাছ। রুক্ষ জমিকে সমস্ত ছাত্রীরা মিলে দায়িত্ব নিয়ে সবুজে সবুজে ভরিয়ে তুলেছে। কঠিন অনুশাসনের পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধের অনুশীলন - এভাবেই আস্তে আস্তে নতুন মানুষ তৈরির এই মন্দির ভবিষ্যতের উজ্জ্বল সম্ভাবনার পথে যাত্রা চালিয়ে যাচ্ছে।

এই স্কুলের উদ্যোগেই স্কুল লাগোয়া প্রাঙ্গণে চলছে
বিদ্যাসাগর মেলা। সেখানে একদিকে চলছে বিজ্ঞান, ভূগোল, অঙ্কের নানান মডেল ও ব্যাখ্যা, অন্যদিকে মঞ্চে নাচ, গান, আবৃত্তি সহ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। সবটাই স্কুলের ছাত্রীদের অয়োজনে ও অংশগ্রহণে।

এখানেই ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্ট এর উদ্যোগে আয়োজিত হল অভয়া ক্লিনিক। আগে থেকে স্ক্রিনিং এর মাধ্যমে যে ছাত্রীদের স্বাস্থ্যপরীক্ষা প্রয়োজন তাদের বেছে নিয়েছিলেন শিক্ষিকারা। তারা বাদেও স্কুলের অন্যান্য কর্মচারী, স্থানীয় মানুষেরা দেখালেন স্বাস্থ্য শিবিরে। প্রয়োজনীয় ওষুধ দেওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্য সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য কিছু সাধারণ রোগ নিয়ে সহজ ভাষায় আলোচনা করা হল ছাত্রীদের সাথে। পুরুলিয়া দেবেন মাহাত মেডিকেল কলেজের ছাত্রছাত্রীরাও যোগ দিলেন অভয়া ক্লিনিকে।

স্বাস্থ্যশিবিরের পাশাপাশি অভয়া আন্দোলন নিয়ে আলোচনা, ও তাতে একসাথে থাকার অঙ্গীকার নেওয়া হলো সকলে মিলে। এই স্কুল থেকে বেরিয়ে মেয়েরা যখন নিজ নিজ ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত হবে তখনও এই লড়াই এর আঁচ সমাজের নানান কোণে ছড়িয়ে দেবে এই আশা নিয়েই এবারের এই অভয়া ক্লিনিক শেষ হল। আগামীতেও এভাবেই আমরা স্বাস্থ্যশিবিরের পাশাপাশি লড়াই এর অঙ্গীকার কে বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে দেওয়ার কাজ চালিয়ে যাব।

“কথোপকথন with WBJDF”- এর প্রথম এপিসোডে, পশ্চিমবঙ্গে উচ্চ শিক্ষা, তার পরিসরকে টিকিয়ে রাখতে এবং কলেজ ইউনিভার্সিটিগুলিকে দ...
15/03/2026

“কথোপকথন with WBJDF”- এর প্রথম এপিসোডে, পশ্চিমবঙ্গে উচ্চ শিক্ষা, তার পরিসরকে টিকিয়ে রাখতে এবং কলেজ ইউনিভার্সিটিগুলিকে দলীয় পার্টি অফিস হয়ে যাওয়া থেকে রুখতে কলেজ অধিকর্তাদের কর্তব্য এবং ছাত্রছাত্রীদের অধিকারের রাজনীতির গুরুত্ব সম্পর্কে খোলামেলা আলোচনায় কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ও ক্ষমতার বিরুদ্ধে নির্ভীক প্রত্যুত্তর, ডা শান্তা দত্ত দে ম্যাডাম।
🔗 লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে

সম্মিলিত প্রতিবাদের ফলাফল:২০২২–২০২৫ ব্যাচের সিনিয়র রেসিডেন্টদের জন্য জারি হওয়া নতুন SOP-এর মাধ্যমে মেধাভিত্তিক কাউন্সে...
14/03/2026

সম্মিলিত প্রতিবাদের ফলাফল:

২০২২–২০২৫ ব্যাচের সিনিয়র রেসিডেন্টদের জন্য জারি হওয়া নতুন SOP-এর মাধ্যমে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং প্রক্রিয়া কার্যত বাতিল করে প্রশাসনিক ইচ্ছাধীন পোস্টিং ও যেকোনো সময় ট্রান্সফারের একতরফা বিধান চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে। একইসঙ্গে সেখানে স্পষ্টভাবে উল্লেখ ছিল যে পোস্টিং চলাকালীন উচ্চতর ডিগ্রি, (DrNB সহ বিভিন্ন ডিগ্রি ও ফেলোশিপ) করার জন্য কোনো NOC প্রদান করা হবে না। এই সিদ্ধান্ত শুধু সিনিয়র রেসিডেন্টদের একাডেমিক ও পেশাগত ভবিষ্যৎকে বিপন্ন করেনি, বরং রাজ্যের স্বাস্থ্যব্যবস্থায় দক্ষ মানবসম্পদ গঠনের পথেও গুরুতর অন্তরায় সৃষ্টি করেছে।

এই অন্যায় ও অযৌক্তিক সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে গত সপ্তাহে সিনিয়র রেসিডেন্টদের প্রতিনিধি দল ও WBJDF Director of Medical Education (DME)-এর কাছে ডেপুটেশন দিতে গেলে স্বাস্থ্য ভবনের সামনে নজিরবিহীনভাবে ব্যারিকেড ও বিশাল পুলিশ বাহিনী মোতায়েন করা হয়। প্রতিনিধিদের প্রবেশে বাধা দেওয়া হয় এবং পরবর্তীতে তাঁদের সঙ্গে ঔদ্ধত্যপূর্ণ ও অগণতান্ত্রিক আচরণ করা হয়েছে, যা একটি দায়িত্বশীল প্রশাসনের কাছ থেকে মোটেই প্রত্যাশিত নয়। এই ঘটনায় চিকিৎসক সমাজের মধ্যে গভীর ক্ষোভ ও উদ্বেগের সৃষ্টি হয়েছে।

পরবর্তীতে স্বাস্থ্য ভবনের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত নতুন নোটিসে জানানো হয়েছে যে SOP-এর নির্দিষ্ট অংশে DM/MCh-এর পাশাপাশি DrNB-এর বিষয়টিও অন্তর্ভুক্ত করা হবে এবং সেই অনুযায়ী NOC প্রদানের বিষয়টি সংশোধন করা হচ্ছে। এটি স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে চিকিৎসকদের ঐক্যবদ্ধ ও দৃঢ় প্রতিবাদ প্রশাসনকে তাদের পূর্ববর্তী সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য করেছে।

তবে এখানে উল্লেখ করা জরুরি যে প্রাথমিক SOP-এ DrNB সহ বিভিন্ন উচ্চতর ডিগ্রি ও ফেলোশিপের ক্ষেত্রেই NOC প্রদান করা হবে না বলে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছিল। ঐক্যবদ্ধ প্রতিবাদের মুখে প্রশাসন আংশিক পিছু হটে কেবল DrNB-এর ক্ষেত্রে NOC দেওয়ার নোটিস জারি করেছে। কিন্তু অন্যান্য উচ্চতর ডিগ্রি ও ফেলোশিপের ক্ষেত্রে একই নিষেধাজ্ঞা বহাল রাখা হয়েছে, যা চিকিৎসকদের একাডেমিক অধিকার ও পেশাগত অগ্রগতির উপর অযৌক্তিক হস্তক্ষেপ।

সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মূল সমস্যা হল মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংয়ের মাধ্যমে স্বচ্ছ, ন্যায্য ও যুক্তিসঙ্গত পোস্টিং ব্যবস্থা, যা এখনো পর্যন্ত অমীমাংসিত রয়ে গেছে। আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই যে এই মৌলিক দাবি উপেক্ষা করে কোনো একতরফা নীতি চাপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হলে তা চিকিৎসক সমাজ মেনে নেবে না। স্বাস্থ্য পরিষেবার মান, চিকিৎসকদের একাডেমিক অগ্রগতি এবং কর্মপরিবেশের ন্যায্যতা নিশ্চিত করার স্বার্থে অবিলম্বে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং পুনর্বহাল করা জরুরি।

রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রশাসনের কাছে আমাদের দৃঢ় দাবি, এই বিষয়ে দ্রুত ইতিবাচক ও লিখিত সিদ্ধান্ত গ্রহণ করতে হবে। অন্যথায় চিকিৎসক সমাজ বৃহত্তর গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথে যেতে বাধ্য হবে, যার সম্পূর্ণ দায় প্রশাসনকেই বহন করতে হবে।

14/03/2026

“কথোপকথন with WBJDF”- এর প্রথম এপিসোড আসছে আগামীকাল সকাল ১০ টায়। এই আলোচনা দেখতে ও ভবিষ্যতের কথোপকথন শুনতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের YouTube চ্যানেল। Link in first comment 🔗

13/03/2026

১৫ই মার্চ, রবিবার আসছে “কথোপকথন with WBJDF”- এর প্রথম পর্ব আমাদের Youtube channel-এ। সঙ্গে থাকবেন কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য ডা: শান্তা দত্ত দে ম্যাডাম। এই কথোপকথন শুনতে ও ভবিষ্যতে আমাদের সাথে জুড়তে আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করে নোটিফিকেশন অন করুন। চ্যানেল লিঙ্ক প্রথম কমেন্টে।

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বারের ও বেশি তালিকাভুক্ত হলেও একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে...
12/03/2026

গত নভেম্বর থেকে কলকাতা হাইকোর্টে অভয়ার মামলা ৩৫ বারের ও বেশি তালিকাভুক্ত হলেও একবারও কার্যকর শুনানি হয়নি। দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা অসহ্য বিলম্ব ও দীর্ঘসূত্রিতার বিরুদ্ধে, যাতে অভয়ার মামলায় বিচার পেতে আর দেরি না হয়, সেই দাবিতে সম্প্রতি বিশেষত মহিলা জুনিয়র ডাক্তারদের একটি প্রতিনিধিদল মাননীয় প্রধান বিচারপতির উদ্দেশ্যে ৩০০-রও বেশি মহিলা চিকিৎসকের স্বাক্ষর সম্বলিত স্মারকলিপি জমা দিয়েছিল। সেখানে স্পষ্টভাবে তুলে ধরা হয়েছিল আমাদের সহপাঠীর জন্য দ্রুত ও নিরপেক্ষ বিচার পাওয়ার দাবিকে।

কিন্তু আজ আদালতে যা ঘটল, তা আমাদের উদ্বেগকে আরও বাড়িয়ে দিল। বিচারপতি দেবাংশু বসাকের ডিভিশন বেঞ্চ এই মামলার শুনানি থেকে সরে দাঁড়িয়েছে এবং জানিয়েছে যে এই বেঞ্চ নিয়মিত ক্রিমিনাল অ্যাপিল বেঞ্চ নয়, ফলে এই মামলার দ্রুত বা নিয়মিত শুনানি তাদের পক্ষে সম্ভব নয়। ফলে মামলাটি আবার প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়েছে, যিনি পরবর্তী বেঞ্চ নির্ধারণ করবেন।

আমরা স্পষ্টভাবে জানাতে চাই—এক বছরেরও বেশি সময় ধরে চলতে থাকা এই মামলায় তদন্তের গতি ও বিচার প্রক্রিয়ার এই বিলম্ব ভুক্তভোগী পরিবারের জন্য যেমন মানসিক যন্ত্রণার, তেমনই গোটা চিকিৎসক সমাজের কাছে অত্যন্ত হতাশাজনক। একজন কর্তব্যরত চিকিৎসকের নির্মম মৃত্যুর ন্যায়বিচার বারবার প্রক্রিয়াগত জটিলতায় আটকে থাকা অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক শুধু নয় বিচার ব্যবস্থার প্রতি প্রশ্ন চিহ্ন তৈরি করে।

আর কতোদিন এভাবে প্রতীক্ষার দিন গুনতে হবে, আর কতোদিন বিচারের জন্য এই কোর্ট থেকে ওই কোর্ট আর এই বেঞ্চ থেকে ওই বেঞ্চ ছুটতে হবে অভয়ার পরিবার সহ আপামর প্রতিবাদী মানুষদের? এই দীর্ঘসূত্রিতা শুধু লজ্জাজনক নয়,এ এক চরম বিচারবিভাগীয় অব্যবস্থার প্রতিচ্ছবি সাথে এই বৃহত্তম গণআন্দোলনের সাথে সম্পৃক্ত প্রতিটি মানুষের আবেগের সাথে অপমানসূচক আচরণ বলে west bengal junior doctors’ front মনে করে।

𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙪𝙡𝙚𝙨, 𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙚𝙬𝙖𝙧𝙙𝙨: 𝙒𝙝𝙚𝙣 𝙋𝙤𝙬𝙚𝙧 𝘿𝙚𝙘𝙞𝙙𝙚𝙨 𝙋𝙤𝙨𝙩𝙞𝙣𝙜𝙨!Tufail Reza Choudhury is a name long associated with int...
10/03/2026

𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙪𝙡𝙚𝙨, 𝙎𝙚𝙡𝙚𝙘𝙩𝙞𝙫𝙚 𝙍𝙚𝙬𝙖𝙧𝙙𝙨: 𝙒𝙝𝙚𝙣 𝙋𝙤𝙬𝙚𝙧 𝘿𝙚𝙘𝙞𝙙𝙚𝙨 𝙋𝙤𝙨𝙩𝙞𝙣𝙜𝙨!

Tufail Reza Choudhury is a name long associated with intimidation and threat culture within medical campuses in West Bengal. An undergraduate from Malda Medical College, he built a reputation as one of the central figures behind the culture of coercion and political muscle on campus. Stories of his activities still circulate widely in the corridors there. He is also the son of a notorious ruling party leader from Malda, though it is his own notoriety within the campus ecosystem that made him widely known.

At the time of the Abhaya incident, he was a Diploma Postgraduate Trainee in Orthopedics at Kolkata Medical College.

What followed after 9 August 2024 was striking. For nearly three months he was effectively missing from duty, absent from campus, hospital and hostel alike. Though, to be fair, even before that he was rarely seen on regular duty, protected as he was by strong political patronage.
The last confirmed sighting of him was on 9 August at RG Kar Medical College.

That day, when Abhaya’s body was being surrounded by the Sandip Ghosh network and its loyalists, several individuals from different medical colleges across the state appeared there with remarkable speed. Even before the junior doctors of RG Kar could gather after hearing the news, this group had already arrived. Among them were figures like Abhik, Birupaksha and Tufail Reza Choudhury.
Later, Swasthya Bhavan offered a curious explanation. According to their dubious claim, many of these individuals were already at R.G.kar for an "Independence Day parade rehearsal" and rushed to the spot receiving the news. Tufail, we are told, was one of the organisers of that programme.

Why revisit this today?

Because the recently imposed Senior Resident SOP, widely criticised as illegal and undemocratic, is now revealing its real purpose.

The posting list of diploma-qualified Senior Residents shows 49 specialists from departments like Gynecology, Orthopedics, Anesthesia and Ophthalmology being sent to district hospitals, super-speciality facilities and even rural hospitals, often without the infrastructure or departments necessary for their training. Not a single one among them has been posted to a medical college or teaching institute.

Except one. Tufail Reza Choudhury, who alone received a Senior Resident posting at Malda Medical College.
What exceptional merit separates him from the other 48 specialists hardly requires explanation. The intention behind this SOP crafted at Swasthya Bhavan now stands exposed.

Preparations are already underway to challenge this unethical SOP and these arbitrary postings legally. But if citizens, doctors and all people of conscience do not raise their voices together in anger and protest, the consequence will be clear.

This ecosystem of intimidation and threat culture will only strengthen further. And in its shadow, many more Abhayas will remain vulnerable.

{Please Don't react 'angry'. It'll supress the reach as per algorithm rule. 'Share' for passing the information to more people}

"রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!"তুফায়েল রেজা চৌধুরী, মালদার কুখ্যাত তৃণ নেতার ততোধিক কুখ্যাত ছেলে। ...
10/03/2026

"রাস্তায় মানুষের ভিড় কমলে শ্বাপদের চলাফেরা বাড়ে!"

তুফায়েল রেজা চৌধুরী, মালদার কুখ্যাত তৃণ নেতার ততোধিক কুখ্যাত ছেলে। আন্ডার গ্রাজুয়েট মালদা মেডিকেল কলেজ থেকে, সেখানকার থ্রেট কালচারের কিং পিন। কলেজের আনাচে কানাচে এখনও তার কুকর্মের কাহিনী অনুরণিত হয়।

এবার আসা যাক, অভয়ার ঘটনায় তার কী ভূমিকা ছিল সে প্রসঙ্গে। সেই সময় সে কলকাতা মেডিকেল কলেজে অর্থোপেডিক বিভাগের ডিপ্লোমা পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ট্রেনি।

হঠাৎ ৯ই আগস্ট,২০২৪ এর পর থেকে দীর্ঘ তিনমাস নিখোঁজ। ডিউটিতে নেই,( অবশ্য তার আগেও প্রভাবশালী 'ক্যাচ' থাকার কারণে ডিউটিতে কমই পাওয়া যেত তাকে) নেই কলেজ ক্যাম্পাসে, হাসপাতালে, হোস্টেলে - কোথাও খুঁজে পাওয়া যায় নি।

শেষ তাকে দেখা গেছিল ৯ই আগষ্ট আর জি কর মেডিকেল কলেজে। সন্দীপ ঘোষ বাহিনীর যে মাফিয়ারা ঘিরে রেখেছিল হতভাগ্য অভয়ার মৃতদেহ, অভীক বিরূপাক্ষ সহ পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তের মেডিকেল কলেজ থেকে জাদুমন্ত্রবলে যারা আর জি করে পৌঁছে গেছিল, আর জি করের জুনিয়র ডাক্তাররা খবর পেয়ে জড়ো হওয়ার আগেই, তার মধ্যেই ছিল এই তুফায়েল। কীভাবে পৌঁছে গেছিল সে প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে স্বাস্থ্যভবনের এক চমকপ্রদ অ্যালিবাই সামনে এসে, বলা হয় স্বাধীনতা দিবসের প্রস্তুতির জন্য নাকি এই গোটা থ্রেট কালচার মাফিয়া গ্যাং নাকি ওইদিন ময়দানে প্যারেড প্র্যাকটিস করতে এসেছিল, (ছবি ১) সেখান থেকে খবর পেয়েই সকলে আর জি কর পৌঁছায় বাকি কেউ জানার আগেই! এই তুফায়েল নাকি ছিল সেই প্যারেড প্রোগ্রামের অন্যতম আয়োজক! এতদূর পড়ে অনেকের প্রশ্ন জাগবে কেন এত ইতিহাসের অবতারণা?

অবতারণা এই কারণে যে আপনারা সকলেই সিনিয়র রেসিডেন্টদের নতুন বেআইনি, অগণতান্ত্রিক SOP ও তাকে কার্যকরী করে ভয়ানক স্বৈরতান্ত্রিক ও টার্গেটেড প্রতিহিংসামূলক পোস্টিং সম্পর্কে অবগত। সেই SOP এর আসল উদ্দেশ্য ধীরে ধীরে পর্দার আড়াল থেকে প্রকাশ্যে আসছে! আসলে যে বেছে বেছে থ্রেট কালচারের কিংপিন দের আবার স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠিত করার চেষ্টা চলছে সে তো ইতিমধ্যে দেখেছিলাম সাসপেন্ডেড বিরূপাক্ষ বিশ্বাস কে এসিস্ট্যান্ট প্রফেসর হিসেবে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি দেখে। ( যদিও প্রবল জনরোষে সেই নোটিশ আপাতত স্থগিত রয়েছে। ) এবার আরো নির্লজ্জ নগ্ন ক্ষমতা প্রদর্শন শুরু হল এই সিনিয়র রেসিডেন্ট দের SOP ও পোস্টিং এর জায়গায় যার উদাহরণ হচ্ছে এই তুফায়েল।

কীভাবে? ছবি ২ দেখুন। এটি পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ডিপ্লোমা পাশ করে যে সিনিয়র রেসিডেন্টরা পোস্টিং পেলেন তার লিস্ট। গাইনি, অর্থোপেডিক, এনেস্থেসিয়া, অপথ্যালমোলজি সহ সমস্ত বিষয়ের স্পেশালিস্ট ডাক্তার দের ৪৯ জনের প্রত্যেককে কোনো না কোনো জেলা হাসপাতাল, সুপার স্পেশালিটি হাসপাতাল , এবং বহুজনকে গ্রামীণ হাসপাতালে পোস্টিং দেওয়া হয়েছে (যেখানে ডিপার্টমেন্ট তো দূর, অপারেশন থিয়েটার অবধি নেই!)- কাউকে কোনো মেডিকেল কলেজ বা টিচিং ইনস্টিটিউট এ পোস্টিং দেওয়া হয়নি!

কিন্তু এই নিয়মের একটিমাত্র উজ্বল ব্যতিক্রম এই তুফায়েল রেজা চৌধুরী। আবার কোনো বিশেষ দক্ষতায় ৪৯ জনের মধ্যে বিশেষ ভাবে নির্বাচিত হয়ে একমাত্র সিনিয়র রেসিডেন্ট হিসেবে মালদা মেডিকেল কলেজে পোস্টিং পেয়েছে! কোন দক্ষতার অধিকারী হয়ে সে বাকি ৪৮ জনের থেকে আলাদা প্রমাণিত হয়ে স্পেশালি এই পোস্টিং পেল সেটা বুঝতে কোনো রকেট সায়েন্স বুঝতে হয় না, এবং কী উদ্দেশ্যে এই SOP স্বাস্থ্য ভবন বানিয়েছে সেটা দিনের আলোর মতো পরিষ্কার হয়ে গেছে!

এবার প্রশ্ন হল, এই অনৈতিক পোস্টিং ও SOP এর বিরুদ্ধে আইনি লড়াই এর প্রস্তুতি তো চলছেই কিন্তু আমরা মনে করি বিচারব্যবস্থার যে চিত্র আমরা এতদিনে দেখতে পাচ্ছি, তাতে সমস্ত শুভবুদ্ধিসম্পন্ন মানুষ যদি একসাথে প্রতিবাদে রাগে ক্ষোভে গর্জে উঠতে না পারে, তাহলে এই শ্বাপদদের রাজত্ব ই প্রতিষ্ঠিত হবে, আর তাদের দাঁতে নখে ছিন্নভিন্ন হবে আরো হাজার হাজার অভয়া!

আজ ৮ই মার্চ, International working women's day! আজকের দিন কেবল উদযাপনের নয়, লিঙ্গসাম্যের বহুবিধ  সংগ্রামের ইতিহাস কে আর...
08/03/2026

আজ ৮ই মার্চ, International working women's day! আজকের দিন কেবল উদযাপনের নয়, লিঙ্গসাম্যের বহুবিধ সংগ্রামের ইতিহাস কে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকারের দিনও বটে।

আবার, অভয়া আন্দোলনের পরিপ্রেক্ষিতে ভাবলে ২০২৪ এর ৯ই আগস্ট আর.জি.কর হাসপাতালের ভিতরে কর্মরতা অবস্থায় নারকীয় অত্যাচার এর শিকার হয়ে প্রাণ হারান, আমাদের যে সহকর্মী, অভয়া, তার প্রাথমিক পরিচয়ও একজন Working Woman-ই বটে।

আজ তাই এই দিনটা আমরা অন্যভাবে পালন করলাম দুটি আলাদা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণের মাধ্যমে। দুটি ক্ষেত্রেই আমরা যদিও কেবল অংশগ্রহণকারী, মূল আয়োজক ছিলেন অন্যান্য সহযোদ্ধা সংগঠনেরা।

প্রথম কর্মসূচি ছিল, চেতলায়। সেখানে অভয়া স্বাস্থ্যশিবিরে রোগী পরিষেবা, বিভিন্ন প্রাথমিক পরীক্ষা নিরীক্ষার ব্যবস্থা, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়ার পাশাপাশি চলল রক্তদান শিবির। মূল আয়োজন সিনিয়র ডাক্তারদের সংগঠন ওয়েস্ট বেঙ্গল ডক্টরস ফোরাম। সাথেই আরেকটি অত্যন্ত প্রয়োজনীয় কর্মসূচি হিসেবে অঙ্গদান ও দেহদান বিষয়ক সচেতনতা ও সাহায্য শিবির চলল।

অন্যদিকে আরেকটি অভয়া স্বাস্থ্য শিবির আয়োজিত হয় হাওড়া জেলার আমতা অঞ্চলের কাঁকরোল গ্রামে। এখানে মূল আয়োজক ছিলেন সাঁতরাগাছি, রামরাজাতলা নাগরিক মঞ্চ সহ আরও স্থানীয় সংগঠকেরা যারা মূলত হাওড়া অভয়া মঞ্চের অংশ। স্বাস্থ্যপরীক্ষা, সুগার প্রেসার ইসিজি ইত্যাদি প্রাথমিক পরীক্ষা, প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র দেওয়ার পাশাপাশি চলল অভয়ার ন্যায়বিচারের লড়াই, আর একটাও অভয়া না হতে দেওয়ার লড়াই এর প্রচার ও অঙ্গীকার।

দুটি কর্মসূচিতেই আমাদের, অর্থাৎ ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টরস ফ্রন্টের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করলেন এবং এই ধারাবাহিক লড়াইকে আরও এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার শপথ নেওয়া হল আন্তর্জাতিক শ্রমজীবী নারী দিবসের প্রাক্কালে।


06/03/2026

আজ আমাদের প্রতিনিধি সহ বাকি বিভিন্ন সিনিয়র রেসিডেন্টরা যখন স্বাস্থ্যভবনে পৌঁছলেন, সেই এক চেনা ছবি, সেটাকে স্বাস্থ্যভবন কর্তৃপক্ষ আপাতত রুটিন বানিয়ে ফেলেছেন। স্বাস্থ্যভবনের গেট বন্ধ! বিশাল ব্যারিকেড, আর বিশাল পুলিশবাহিনী!

স্বাস্থ্যভবনের অধিকর্তারা এতটাই নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন যে নিজেদের রাজ্যের ডাক্তারদের সাথে দেখা করতে যাতে না হয় তাই স্বাস্থ্যভবনের সামনে পাহাড়প্রমাণ পুলিশি প্রহরা বসিয়ে রাখেন। এখন দেখার বিষয় একটাই, কতদিন তারা পুলিশি প্রহরায় আরামের জীবনযাপন করতে পারেন, কতদিন সমস্ত চিকিৎসক সমাজের বিরুদ্ধে অনৈতিক প্রতিহিংসা ও ক্ষমতার পেশীশক্তি চরিতার্থ করতে পারেন কেবল মাথায় দুর্নীতিবাজ হাইয়ার অথরিটির স্নেহশীতল পরশ থাকার সুবাদে!

এবং সেই প্রহরা পেরিয়ে যে কয়েকজন প্রতিনিধিদল স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা ডাঃ ইন্দ্রজিৎ সাহার অফিস অবধি পৌঁছান তাদের রীতিমতো অপমান করে ঘর থেকে বের করে দেওয়া হয়! এবং যে দুজন এর সাথে শেষ অবধি কথা বলেন তার ঔদ্ধত্যের পরিমাপ শুনলে বিস্মিত হতে হয়!

তিনি বলেন এই SOP নাকি উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে এসেছে, তাই এই বিষয়ে তিনি কোনো কথা বলতে পারবেন না! সাফ কথা কোনো কাউন্সেলিং হবে না এবং যদি পোস্টিং পছন্দ না হয় তাহলে ৩০ লক্ষ টাকা দিয়ে বন্ড ছেড়ে দাও! আরও বলেন বন্ড চলাকালীন কোনো ফেলোশিপ, বা উচ্চতর ডিগ্রি করেতে তারা ছাড়পত্র দেবেন না, DM বা Mch এর জন্যে যে ছাড়পত্র দেওয়া হচ্ছে সেটা নেহাতই ওনাদের নিতান্ত দয়ার শরীর তাই!

স্যার, সবিনয়ে জানিয়ে রাখি, এই উচ্চশিক্ষায় শিক্ষিত হতে যে পরীক্ষা দিতে হয়, তাতে র‍্যাংক করতে হয় সেটা আমরা নিজেরা পড়াশোনা করে পেয়েছি! আপনার স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিকর্তা হওয়ার জন্যে যে পদলেহন করার পদ্ধতি, সেই পদ্ধতিতে এই ডিগ্রি গুলো করার যোগ্যতা অর্জন করা যায়না। ফলে আপনার/ আপনাদের দয়ার বশবর্তী হয়ে তারপর আমরা উচ্চতর ডিগ্রি করতে যেতে পারব, এই ভুল ধারণায় বাঁচবেন না, এটা আমাদের অধিকার!এটা কেড়ে নেওয়ার অধিকার আপনাদের কেউ দেয় নি, যতই ক্ষমতাশালী আপনারা ও আপনাদের যারা পুষছে তারা হয়ে থাক না কেন!

নির্লজ্জ স্বাস্থ্য প্রশাসন, শেষ অবধি নাকে দড়ি দিয়ে কোর্টের কাঠগড়া অবধি টেনে না আনলে আপনাদের বোধহয় শান্তি নেই! যদি তাই ই হয়, তাহলে বৃহত্তর আন্দোলনের পাশাপাশি সেরকম আইনি লড়াইএর প্রস্তুতির দিকেও আমরা নজর দিচ্ছি।

শুধু অনুরোধ করব, নিরাপত্তার ঘেরাটোপ আর সাতমহলা স্বাস্থ্য ভবনের এসি রুমের হাওয়া থেকে খানিক বাইরে বেরোন, আপনাদের তুঘলকিপনার বিরুদ্ধে কতটা ক্ষোভের উত্তাপ জমা হচ্ছে আঁচ পাবেন সহজেই!

05/03/2026

স্বাস্থ্য দফতর তথা রাজ্য সরকারের অনৈতিক ও তুঘলকি SOP এবং সিনিয়র রেসিডেন্ট পোস্টিং এর ক্ষেত্রে স্বচ্ছ মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিং এর বদলে প্রতিহিংসামূলক যথেচ্ছাচার লাগু করার বিরুদ্ধে প্রতিবাদে সোচ্চার হোন।

স্বচ্ছ কাউন্সেলিং এর দাবিতে ও কোন ভিত্তিতে এই পোস্টিং দেওয়া হল তার উত্তর চাইতে স্বাস্থ্যভবন চলো! আগামীকাল ৬ই মার্চ, শুক্রবার, দুপুর ১২টায়!

সরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় খুন ও ধর্ষিতা হওয়া সহকর্মীর মৃত্যুর প্রেক্ষিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর ফ্রন্ট ...
05/03/2026

সরকারি হাসপাতালে কর্তব্যরত অবস্থায় খুন ও ধর্ষিতা হওয়া সহকর্মীর মৃত্যুর প্রেক্ষিতে ওয়েস্ট বেঙ্গল জুনিয়র ডক্টর ফ্রন্ট যে বৃহত্তর আন্দোলন সংগঠিত করেছিল তাতে আমরা দেখেছিলাম স্বাস্থ্য ব্যবস্থার ভগ্নদশা ও পাহাড় প্রমাণ দুর্নীতি। আর তার প্রতিবাদে স্বাস্থ্য ভবন সাফাই অভিযান করা হয়েছিল ২০২৪ সালে, তারপর দীর্ঘ প্রায় এক বছর পরে প্রতিহিংসার এক নগ্ন প্রতিচ্ছবি আমরা আগেই দেখেছি।
নতুন পাশ করা সিনিয়র রেসিডেন্ট ডাক্তারদের পোস্টিং প্রায় সাড়ে তিন মাস ধরে আটকে রেখে কিছুদিন আগে হঠাৎ করেই নিজেদের ক্ষমতা বলে নতুন নিয়োগ পদ্ধতি সৃষ্টি করে আরও বিভ্রান্তিকর ভাবে পরিচালনা করার চেষ্টা করল স্বাস্থ্য দপ্তর।
এই নতুন নিয়োগ প্রক্রিয়াতে বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর এবং অনৈতিক ক্ষমতা প্রয়োগের ইঙ্গিত রয়েছে যা আমরা আগেও তুলে ধরেছি:

প্রথমত, স্বাস্থ্য দপ্তরের দুটি ছুটির দিন পেরিয়ে হঠাৎ করে তাদের নির্দিষ্ট ওয়েবসাইটে আসার আগেই লোকমুখে পোস্টিং এর তালিকা বিভিন্ন সূত্রে ছড়িয়ে দেওয়া হয়, যেখানে মেধাভিত্তিক কাউন্সেলিংকে সম্পূর্ণরূপে উপেক্ষা করে নিজেদের ইচ্ছেমতো, স্বাস্থ্য দপ্তর এই বন্ডেড SR দের পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে পোস্টিং দিয়েছে। মেধাকে সম্পূর্ণরূপে বুড়ো আঙ্গুল দেখিয়ে কেবলমাত্র নিজেদের ক্ষমতা প্রকাশ করাই স্বাস্থ্য দপ্তরের মূল লক্ষ্য বলে আমরা মনে করছি। এবং এই পোস্টিং তিন বছরের জন্য স্থায়ী না আবার পরিবর্তন হবে এবং হলেও কিসের ভিত্তিতে, তার কোনো স্পষ্ট ব্যাখ্যা দেওয়া হয়নি।

দ্বিতীয়তঃ, আরজিকর আন্দোলনের আন্দোলনকারী ডাক্তারদের হেনস্তা করবার রাজনৈতিক প্রতিহিংসা এবং ইচ্ছাকৃতভাবে বিশেষ বিশেষ কিছু জায়গা চিহ্নিত করে পাঠানো হয়েছে যেখানে পাশ করা বিশেষজ্ঞ ছাত্রদের কাজের কোন অবকাশ নেই শুধুমাত্র পরিকাঠামোর অভাবে।

তৃতীয়ত একথা স্পষ্ট ভাবে জানিয়ে দেওয়া দরকার পশ্চিমবঙ্গের কোন স্থানেই বিশেষজ্ঞ পাস করা ছাত্র চিকিৎসকদের কাজ করতে অসুবিধা নেই কিন্তু একজন ক্যান্সার চিকিৎসককে যদি একটি প্রত্যন্ত গ্রামীণ হাসপাতালে পাঠানো হয় যেখানে ক্যান্সার চিকিৎসার কোন পরিকাঠামোই নেই, সেখানে তার মেধা কে অবমাননা করা হবে বলেই আমরা মনে করছি। সেই জায়গায় স্বাস্থ্য দপ্তর যদি GDMO ডাক্তার সাথে অন্যান্য স্বাস্থ্যকর্মীদের শূন্যপদ দ্রুত নিয়োগ প্রক্রিয়াদ্বারা সম্পন্ন করে পাঠায় তাহলে সেখানে সাধারণ গ্রামীণ মানুষদের অনেক বেশি উপকার হবে বলে আমরা মনে করি।
গতবছর আসফাকুল্লাহ নাইয়া, দেবাশিস হালদার এবং অনিকেত মাহাতো র অনৈতিক পোস্টিং নিয়েও সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনার কালিমা লেগেছে স্বাস্থ্যদপ্তরের গায়ে।

তাই ছাত্রদের অনৈতিকভাবে তুঘলকি প্রক্রিয়ায় এই ধরনের এইরূপ অনৈতিক পোস্টিং এর উত্তর খুঁজতে আগামীকাল ৬ মার্চ, ২০২৬ স্বাস্থ্য ভবন যাওয়া হবে, দুপুর ১২টায়। দিকে দিকে সরকার তার ক্ষমতা বলে মেধা কে চূর্ণ করা ও তার সাথে প্রতিবাদে গর্জে ওঠা কণ্ঠ গুলোকে স্তব্ধ করার নোংরা খেলায় মাতোয়ারা হয়ে উঠেছে । তাই হাতে হাত রেখে অন্যায়ের বিরুদ্ধে আমাদের সাথে প্রতিবাদে সামিল হোন ও বৃহত্তর আন্দোলনে আমাদের সাথে ঐক্যবদ্ধ হয়ে উঠুন!

Address

Satara

Website

https://youtube.com/@westbengaljuniordoctorsfro-w2r?si=Ydr8sv-ztKUhtsAC

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to WBJDF - West Bengal Junior Doctors' Front:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram