Syed Ahmed Tanshir Uddin

Syed Ahmed Tanshir Uddin I want lead a simple life.

04/27/2026

২০২৬ সালের আন্তর্জাতিক নার্স দিবসের প্রতিপাদ্য বা থিম—"Our Nurses. Our Future. Empowered Nurses Save Lives"—মূলত তিনটি বিষয়ের ওপর জোর দেয়:

১. নার্সদের ক্ষমতায়ন: স্বাস্থ্যখাতে নার্সদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা এবং ক্লিনিকাল স্বায়ত্তশাসন বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দেওয়া। কারণ, একজন দক্ষ ও ক্ষমতায়িত নার্স আরও কার্যকরভাবে জীবন বাঁচাতে পারেন।

২. ভবিষ্যতের স্বাস্থ্য সুরক্ষা: ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক স্বাস্থ্য চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় নার্সিং পেশাকে শক্তিশালী করা। আজ নার্সদের পেছনে বিনিয়োগ করার অর্থ হলো ভবিষ্যতের একটি নিরাপদ স্বাস্থ্য ব্যবস্থা গড়ে তোলা।

৩. পেশাগত উন্নয়ন ও মর্যাদা: নার্সদের কাজের পরিবেশ উন্নত করা, পর্যাপ্ত জনবল নিশ্চিত করা এবং তাদের মানসিক ও শারীরিক সুস্থতার দিকে নজর দেওয়া যাতে তারা পূর্ণ সক্ষমতায় সেবা দিতে পারেন।

সহজ কথায়, থিমটি এটিই বোঝাতে চায় যে—নার্সরা কেবল সেবিকা নন, তারা স্বাস্থ্য ব্যবস্থার মূল চালিকাশক্তি। তাদের আধুনিক প্রশিক্ষণ ও সঠিক মর্যাদা দিলে তারা আরও বেশি মানুষের জীবন বাঁচাতে সক্ষম হবেন।

প্রতি আটটি শিশুর মধ্যে একটি শিশু (১২.৯ শতাংশ) অপুষ্টিতে ভুগছে, এবং পাঁচ বছরের নিচে দুই-তৃতীয়াংশ শিশু (৬৪.৮ শতাংশ) পর্যাপ...
04/23/2026

প্রতি আটটি শিশুর মধ্যে একটি শিশু (১২.৯ শতাংশ) অপুষ্টিতে ভুগছে, এবং পাঁচ বছরের নিচে দুই-তৃতীয়াংশ শিশু (৬৪.৮ শতাংশ) পর্যাপ্ত পুষ্টি পাচ্ছে না। গর্ভবতী নারীদের অর্ধেকের বেশি রক্তস্বল্পতায় ভুগছেন, এবং ৪৩.৪ শতাংশ নবজাতক স্তন্যপান পাচ্ছে না, যা মা ও শিশুকে ঝুঁকিতে ফেলছে।

সবচেয়ে ছোট ও ঝুঁকিপূর্ণ শিশুদের কাছে পৌঁছায় এমন সামাজিক সুরক্ষা অত্যন্ত জরুরি।

একসাথে আমরা পরিবারগুলোকে সহযোগিতা করতে পারি এবং প্রতিটি শিশুকে সুস্থভাবে বেড়ে উঠতে সহায়তা করতে পারি।

বাংলাদেশের লাখ লাখ শিশু, কিশোরী ও মা অপুষ্টির শিকার।অপর্যাপ্ত সেবা ও বারবার সংক্রমণের প্রভাব এবং সেইসাথে শাকসবজি, ফলমূল ...
04/23/2026

বাংলাদেশের লাখ লাখ শিশু, কিশোরী ও মা অপুষ্টির শিকার।

অপর্যাপ্ত সেবা ও বারবার সংক্রমণের প্রভাব এবং সেইসাথে শাকসবজি, ফলমূল এবং প্রোটিন যেমন ডিম, মাছ, মাংস এবং ডাল থেকে পর্যাপ্ত পুষ্টি না পাওয়ার কারণে অপুষ্টি দীর্ঘস্থায়ী হতে পারে। এটি বৃদ্ধি এবং বিকাশকে বাধাগ্রস্ত করার মাধ্যমে মানুষকে প্রতিবন্ধীত্বের দিকে ঠেলে দিতে পারে। এই অবস্থাটি "খর্বকায়" নামে পরিচিত। অপুষ্টির কারনে অনেকে বেশিমাত্রায় পাতলা হয়ে যেতে পারে, যা "কৃশকায়" নামে পরিচিত। অপুষ্টির অন্য পিঠে রয়েছে, অতিরিক্ত ওজন এবং স্থূলতা। শিশু এবং কিশোর-কিশোরীদের জীবনকে এটি ক্রমবর্ধমান হারে ব্যাহত করছে।

বাংলাদেশে, ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ২৮ শতাংশ খর্বকায় এবং ১০ শতাংশ কৃশকায়তায় ভোগে। যেসব শিশু অপুষ্টিতে ভোগে তাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম এবং তাদের অন্যান্য রোগের সংক্রমণের ঝুঁকিও বেশি। তারা প্রায়শই একাগ্রতার সমস্যায় ভোগে এবং কোনো কিছুতে বেশি মনোযোগ দিতে পারে না। একারনে তাদের শিক্ষা ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

কিছু শিশুর অন্যদের তুলনায় অপুষ্টির ঝুঁকি বেশি থাকে। শহরের বস্তিতে, চা বাগানে বা রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরে, দরিদ্র পরিবারে এবং অশিক্ষিত মায়েদের ঘরে যেসব শিশু জন্মগ্রহণ করে, তাদের খর্বকায় এবং কৃশকায় হওয়ার আশঙ্কা বেশি থাকে।

বাংলাদেশে ১৮ বছর বয়সের আগেই ৫১ শতাংশ নারী ও মেয়ের বিয়ে হয় । বাল্যবিবাহের উচ্চমাত্রার ফলে পরিণত বয়সের আগে গর্ভধারণের সম্ভাবনা উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পায়। অকালে গর্ভাধারণের ফলে প্রায়ই কম ওজনের শিশুর জন্মদানের আশঙ্কা থাকে। এই হার বাংলাদেশে এখনও ১৫ শতাংশের বেশি।

জন্মের প্রথম ঘন্টার মধ্যে নবজাতককে মায়ের দুধ খাওয়ানোর সুপারিশ করা হয়। তবে বাংলাদেশে জন্মের প্রথম ঘন্টার মধ্যে নবজাতকদের মায়ের দুধ খাওয়ানোর হার মাত্র ৪৭ শতাংশ। ছয় মাসের কম বয়সী শিশুদের মধ্যে মাত্র ৬৩ শতাংশ শুধুমাত্র মায়ের দুধ পান করে। এছাড়া ছয় মাসের বেশি বয়সী শিশুদের মধ্যে মাত্র ২৮ শতাংশ পযা©প্ত সুষম খাদ্য পায়। পরিবারগুলো হয় অতি দারিদ্র অথবা অজ্ঞতার কারণে জানেনা কীভাবে তাদের সন্তানদের স্বাস্থ্যকর খাদ্য দিতে হয়। কম ওজন নিয়ে জন্মানো শিশু এবং নবজাতক ও ছোট শিশুদের সুষম খাদ্য অভ্যাসের অপর্যাপ্ততার সংমিশ্রণে শিশুদের খর্বকায় এবং কৃশকায় হয়ে বেড়ে ওঠার আশঙ্কা বেড়ে যায়।

অনুপুষ্টির ঘাটতি এখনও ছোট শিশু এবং গর্ভবতী মায়েদের ক্ষেত্রে একটি জনস্বাস্থ্য সমস্যা হিসাবে বিবেচিত হয়। মা এবং তাদের শিশুদের স্বাস্থ্য ও পুষ্টির জন্য মায়ের রক্তস্বল্পতা প্রতিরোধ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তারপরও বাংলাদেশে গর্ভবতী কিশোরীদের মধ্যে দুই শতাংশেরও কম স্বাস্থ্যকর গর্ভধারণ নিশ্চিত করতে আয়রন এবং ফলিক অ্যাসিড ট্যাবলেট গ্রহণ করে।

উন্নত পুষ্টি অর্থনৈতিক উন্নয়নের অন্যতম ভিত্তি। খর্বকায় রোগ দেশের ভবিষ্যত এবং অর্থনীতির কাঠামো সুদৃঢ় করতে প্রয়োজনীয় 'ধূসর পদার্থের অবকাঠামো' কিংবা মস্তিষ্কের বিকাশকে ব্যাহত করে। এক্ষেত্রে বিনিয়োগ করা হলে তা সারাজীবন মানব উন্নয়নে সহায়তা করে, মানসিক ও উৎপাদন ক্ষমতা বাড়ায়, এবং প্রতি এক ডলার বিনিয়োগের বিপরীতে ১৬ ডলারের সমান রিটার্ন পাওয়া যায়। জাতীয় প্রবৃদ্ধি বাড়ার সাথে পুষ্টি সংযুক্ত: মাথাপিছু আয় প্রতি ১০ শতাংশ বৃদ্ধির হলে কৃশকায়তার প্রবণতা আনুমানিক ৩.২ শতাংশ হ্রাস পায়। এছাড়াও, মাথাপিছু আয়ের ১০ শতাংশ বৃদ্ধি হলে খর্বকায় হওয়ার প্রবণতা ৭.৪ শতাংশ কমে যায়।

04/10/2026

দেশের বর্তমান পরিবেশ রক্ষা ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনা আইনগুলোতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল বা অ্যান্টিবায়োটিক বর্জ্য নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আরো সুনির্দিষ্টভাবে অন্তর্ভুক্ত করা এখন সময়ের দাবি। বিদ্যমান আইনগুলোতে সাধারণ বর্জ্যের কথা থাকলেও অ্যান্টিবায়োটিকের মতো অত্যন্ত স্পর্শকাতর উপাদানের জন্য বিশেষায়িত নির্দেশনার অভাব রয়েছে। তাই অ্যান্টিবায়োটিকযুক্ত বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য একটি স্বতন্ত্র ও বিস্তারিত ‘জাতীয় গাইডলাইন’ প্রণয়ন করা জরুরি। এ জাতীয় বিপজ্জনক বর্জ্য এক স্থান থেকে অন্য স্থানে পরিবহন, নিরাপদ স্থানে সংরক্ষণ এবং চূড়ান্তভাবে ধ্বংস বা ডিসপোজাল করার জন্য যে প্রটোকল বা নীতিমালা রয়েছে, সেগুলোকে আরো আধুনিক ও শক্তিশালী করা প্রয়োজন।

বাংলাদেশের নদী, খাল ও ড্রেনের মতো জলাশয়গুলোতে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার উপস্থিতি শনাক্ত এবং তা নিয়মিত নজরদারির আওতায় আনা জনস্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

04/09/2026

২০২৩ সালে প্রকাশিত রোগতত্ত্ব, রোগনিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এএমআর সার্ভিল্যান্স ডাটা অনুযায়ী, দেশের হাসপাতালগুলোয় সার্জিক্যাল সাইট ইনফেকশনের (এসএসআই) ৪০-৬০ শতাংশ ক্ষেত্রে শনাক্ত হওয়া ব্যাকটেরিয়া—যেমন: ক্লেবসিয়েলা, ই. কোলাই ও অ্যাসিনেটোব্যাক্টর—ঢাকার নদী, খাল ও ড্রেনের পানিতে পাওয়া অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল-রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর সঙ্গে জেনেটিক্যালি মিল রয়েছে। এ তথ্য ইঙ্গিত দেয়, হাসপাতালের সংক্রমণের একটি বড় অংশ পরিবেশ থেকে আগত রেজিস্ট্যান্ট জীবাণু দ্বারা ঘটছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অপর্যাপ্ত স্যানিটেশন, অপরিশোধিত হাসপাতাল ও শিল্পবর্জ্য এবং নগরের নর্দমা ব্যবস্থা এএমআর বিস্তারের প্রধান পরিবেশগত চালক হিসেবে কাজ করছে। ওয়াসা ও পরিবেশ অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের যৌথ পানি মান পর্যবেক্ষণ প্রতিবেদনে দেখা যায়, ঢাকার নদীগুলোর পানির প্রায় ৭০ শতাংশ নমুনায় ইএসবিএল ও Carbapenem-resistant ই. কোলাই শনাক্ত হয়েছে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানে ‘লাস্ট লাইন’ অ্যান্টিবায়োটিককেও অকার্যকর করে তুলছে।

0013
পরিবেশের সঙ্গে খামার ব্যবস্থাপনাও এএমআর বিস্তারে বড় ভূমিকা রাখছে। আন্তর্জাতিক উদরাময় গবেষণা কেন্দ্র, বাংলাদেশের (আইসিডিডিআর’বি) ২০২২ সালের এক গবেষণায় দেখা যায়, দেশের ১০টি জেলার পোলট্রি খামারের ৮০ শতাংশ নমুনায় এমন ব্যাকটেরিয়া পাওয়া গেছে, যেগুলো মানুষের হাসপাতালে পাওয়া রেজিস্ট্যান্ট জীবাণুর মতো একই জিন (ESBL, mcr-1) বহন করে। এসব জীবাণু খামারের বর্জ্যের মাধ্যমে খাল ও নদীতে গিয়ে আবার মানুষের খাদ্য ও পানির মাধ্যমে শরীরে প্রবেশ করছে।

খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও) জানায়, বাংলাদেশে প্রায় ৬৫ শতাংশ খামারে মানুষের চিকিৎসায় ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক যেমন: সিপ্রোফ্লক্সাসিন, অ্যাজিথ্রোমাইসিন ও কোলিস্টিন প্রাণী চিকিৎসকের তত্ত্বাবধান ছাড়াই পশুপাখিতে ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে মানুষ-প্রাণী-পরিবেশ এ তিন খাতের মধ্যে এক ধরনের ‘এএমআর চক্র’ তৈরি হয়েছে।

04/09/2026

তরুণ প্রজন্ম শুধু ভবিষ্যৎ নয়; বর্তমানেরও শক্তি। স্বাস্থ্য অধিকার, পুষ্টি, প্রজনন ও মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সচেতনতা তৈরি এবং সামাজিক মাধ্যমে ইতিবাচক প্রচারণায় তরুণ প্রজন্ম উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখতে পারে।

আমরা এমন একটি বাংলাদেশ চাই যেখানে স্বাস্থ্যসেবা কোনো বিলাসিতা নয়, বরং সাংবিধানিক অধিকার হিসেবে বাস্তবে প্রতিষ্ঠিত হবে। যেখানে একজন দরিদ্র কৃষক, একজন গার্মেন্ট শ্রমিক কিংবা একজন শহুরে শিশু সবার জন্য সমান মানের চিকিৎসা নিশ্চিত হবে। যেখানে চিকিৎসা নিতে গিয়ে পরিবারকে সর্বস্বান্ত হতে হবে না এবং কোনো মা তাঁর শিশুকে বিনা চিকিৎসায় হারাবে না। কিশোর-কিশোরী, নারী এবং বয়স্ক জনগোষ্ঠীর চিকিৎসার জন্য সব সেবাকেন্দ্র প্রস্তুত থাকবে। নাগরিক অংশগ্রহণ ও নাগরিক নজরদারি স্বাস্থ্যসেবাকে স্বচ্ছ, জবাবদিহিমূলক ও মানবিক করে তুলবে। অতএব, টেকসই ও মানসম্মত স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে হলে রাষ্ট্রের পাশাপাশি নাগরিক সমাজকে সক্রিয় অংশীদার হিসেবে যুক্ত করাই হবে বাংলাদেশের জন্য সবচেয়ে কার্যকর পথ।

04/08/2026

Great distance between the want and the need

Nationwide statistics highlight the scale of the problem. According to a survey on mental healthcare in Bangladesh, about one in six adults and more than one in eight children are living with mental illnesses. These figures alone are enough to raise concern. Yet, what is even more alarming is that the vast majority of those in need do not receive care.

The availability of mental health services is both limited and unevenly distributed, with trained professionals and facilities largely concentrated in major cities. For many individuals—particularly those in rural or disaster-affected areas—counseling or psychological services are either unavailable or unaffordable. Public investment in mental health remains very low compared to the scale of need.

As a result, psychological distress often goes unaddressed in professional or community-based support systems and instead becomes a private matter within families. While families can be sources of strength, they can also be environments where distress is silently transmitted.

The consequences of untreated psychological distress in parents are far-reaching. Homes where parents struggle with unresolved mental health issues are often marked by emotional dysregulation, poor relationships, persistent anxiety, and irritability. Children raised in such environments learn from an early age to cope with stress—whether by concealing their emotions or remaining constantly vigilant. These coping mechanisms, developed over time, can become enduring behavioral patterns.

04/07/2026

রাতের শিফটে কাজ করা কর্মীদের জন্য উপকারী হচ্ছে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং(Intermittent Fasting)
🔬 কী বলছে সাম্প্রতিক গবেষণা?
অস্ট্রেলিয়ার MonashUniversity পরিচালিত একটি গবেষণায় দেখা গেছে যে, ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং (বিশেষ করে ৫:২ পদ্ধতি – সপ্তাহে ২ দিন কম খাওয়া) রাতের শিফটে কাজ করা কর্মীদের জন্য ওজন কমানো, ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ানো ও রক্তচাপ কমানোর ক্ষেত্রে কার্যকর।
গবেষণায় কী পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়েছিল?২৫০ জন রাতের শিফট কর্মী অংশ নিয়েছিলেন তারা ২৪ সপ্তাহ ধরে ৩টি পদ্ধতির মধ্যে একটিতে অংশ নেন:
সপ্তাহে ২ দিন কেবল ২৫% ক্যালোরি খাওয়া (ফাস্টিং) রাতে ফাস্টিং, দিনে খাওয়া প্রতিদিন সমানভাবে কম ক্যালোরি খাওয়া।
📈 কী ফলাফল পাওয়া গেছে?
যারা সপ্তাহে ২ দিন ফাস্টিং করছিলেন, তাদের ওজন বেশি কমেছে রক্তচাপ এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণে এসেছে
রাতে না খাওয়ার ফলে শরীরের গ্লুকোজ মেটাবলিজম উন্নত হয়েছে
🕒 কখন খাওয়া এবং কখন না খাওয়া – ব্যাপারটি গুরুত্বপূর্ণ
অন্যান্য গবেষণাও বলছে: রাত ১২টার পরে খেলে রক্তে চিনি (blood sugar) এবং ইনসুলিন বেড়ে যায়
দিনে খাওয়ার অভ্যাস রাখলে এমনটা হয় না—even যদি আপনি রাত জেগে কাজ করেন অর্থাৎ, দিনে খাওয়া + রাতে না খাওয়া = ভালো স্বাস্থ্য
⚠️ কিছু সতর্কতা
শুরুতে খালি পেট লাগা, মাথাব্যথা বা ক্লান্তি হতে পারে – তবে সময়ের সঙ্গে মানিয়ে নেয় শরীর
যাদের ডায়াবেটিস, গর্ভাবস্থা, বা খাওয়ার অসুবিধা আছে, তাদের ক্ষেত্রে এটা উপযুক্ত নয় দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব জানতে আরও গবেষণা প্রয়োজন।
তাই, যদি আপনি নাইট শিফটে কাজ করেন, তবে ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং – বিশেষ করে রাতের বেলায় না খাওয়া এবং দিনের বেলায় খাওয়া – আপনার স্বাস্থ্যের জন্য অনেক উপকারী হতে পারে।

04/04/2026

৩০ উপজেলা দিয়ে শুরু হচ্ছে
হামের টিকা কার্যক্রম

১৮ জেলার ৩০ উপজেলা রোববার শুরু হচ্ছে হামের জরুরি টিকাদান কর্মসূচি।

উপজেলাগুলো হচ্ছে– বরগুনা সদর, বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ ও বাকেরগঞ্জ, চাঁদপুরের হাইমচর ও সদর, কক্সবাজারের মহেশখালী ও রামু, ঢাকার নবাবগঞ্জ, গাজীপুর সদর, যশোর সদর, ঝালকাঠির নলছিটি, মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের লৌহজং, সদর ও শ্রীনগর, ময়মনসিংহের ত্রিশাল, সদর ও ফুলপুর, নাটোর সদর, নেত্রকোনার আটপাড়া, নওগাঁর পোরশা, চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ, সদর ও ভোলাহাট, পাবনার ঈশ্বরদী, সদর, আটঘরিয়া ও বেড়া, রাজশাহীর গোদাগাড়ী এবং শরীয়তপুরের জাজিরা।

04/04/2026

স্বাস্থ্যব্যবস্থার পাঁচটি উপাদান রয়েছে—১. রোগ প্রতিরোধ, ২. স্বাস্থ্য উন্নয়ন, ৩. চিকিৎসা (যাকে স্বাস্থ্যব্যবস্থার হৃৎপিণ্ড বলা হয়), ৪. পুনর্বাসন (সুস্থ হওয়ার পর রোগীকে দেওয়া প্রয়োজনীয় সহায়তা) এবং ৫. উপশমমূলক সেবা বা প্যালিয়েটিভকেয়ার (দুরারোগ্য ব্যাধিতে আক্রান্তদের বেদনাবিহীন জীবনযাপনের সহায়তা)। এগুলো একসঙ্গে করে আমরা যদি স্বাস্থ্যব্যবস্থাকে পুনর্গঠন না করি, শুধুমাত্র রোগ হলো, হাসপাতালে রোগীর চাপ হলো এবং রোগীকে সুস্থ করার জন্য ওষুধের, হাসপাতালের ও ডাক্তারের পেছনে দৌড়াতে থাকি, সেই দৌড় কখনো আমরা কিন্তু শেষ করতে পারব না।

আরেকটি সমস্যা হচ্ছে, বর্তমানে আমাদের স্বাস্থ্যব্যবস্থা অতিমাত্রায় কেন্দ্রীভূত। সবাই ঢাকায় থাকতে পছন্দ করে, ঢাকাতেই সব সমাধানের আশা করে। অর্থনীতির বড় বড় কেন্দ্রও এখানে। কিন্তু ঢাকাতেও স্বাস্থ্যসেবার নিরাপত্তা পাওয়া যাচ্ছে না, নিরাপদ থাকছে না। সবকিছু ঢাকাকেন্দ্রিক হওয়ায় ঢাকার হাসপাতালগুলো ওভারফ্লো হয়ে যাচ্ছে।

Address

Coxs Bazar Chittagong
Santa Barbara, CA
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Ahmed Tanshir Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Syed Ahmed Tanshir Uddin:

Featured

Share