Syed Ahmed Tanshir Uddin

Syed Ahmed Tanshir Uddin I want lead a simple life.

12/16/2025

নারীবান্ধব পেশা হওয়ার ক্ষেত্রে নার্সদের কর্মঘন্টা বড় বাঁধা:

হাসপাতালে যেহেতু ২৪ ঘন্টা চিকিৎসা সেবা চালু রাখতে হয় তাই নার্সদের রোষ্টার অনুযায়ী মাসে চারদিন ছুটি বাদে বাকী দিন ডিউটি করতে হয়। মাসে ২৬ দিন ডিউটি করতে হয়। নাইট শিফট( ৬×১২)= ৭২ ঘন্টা ২০ দিন সকাল বিকাল( ২০×৬) =১২০ ঘন্টা কাজ করেন চাকুরী বিধি অনুযায়ী সপ্তাহে ৪০ ঘন্টা কাজ করবেন। সে হিসেবে তিনি মাসে অতিরিক্ত ৩২ ঘন্ট ডিউটি বেশী করেন সেটার কোন পারিশ্রমিক পাননা।
এক্ষেত্রে যেহেতু নারীর আধিক্য বেশী তাই অতিরিক্ত কর্মঘন্টা বিবেচনায় অতিরিক্ত ডিউটি গুলো ওভারটাইম এলাউন্স ( ১. ঠিক ওই পরিমান কর্মঘন্টা বিনিময়ে দিগুণ বেতন ভাতা প্রদান করা।

12/14/2025

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জিডিপির মাত্র শূন্য দশমিক ৬৭ শতাংশ স্বাস্থ্য খাতে ব্যয় হওয়ায় রাষ্ট্রীয় স্বাস্থ্যব্যবস্থা কাক্সিক্ষত সক্ষমতা অর্জন করতে পারছে না। বাংলাদেশে বর্তমানে প্রতি ১ হাজার জনের বিপরীতে হাসপাতালের শয্যা মাত্র শূন্য দশমিক ৮৮টি, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড তিনটি। এ ছাড়াও প্রতি ৮৩০ জনে মাত্র একজন ডাক্তার, প্রতি ১১ হাজার ৫৩১ জনে একজন ডেন্টিস্ট, প্রতি ৫৬, ৫৯৯ জনে একজন মেডিকেল অ্যাসিস্ট্যান্ট। বিশেষ করে নার্স ও টেকনোলজিস্টের সংকট ভয়াবহ।

প্রতি ১০ হাজার জনের বিপরীতে নার্সের সংখ্যা ছয়জনেরও কম, যেখানে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ড অনুযায়ী ৭০ জন থাকার কথা। ঢাকাকেন্দ্রিক সেবাব্যবস্থা গড়ে ওঠায় স্বাস্থ্য খাতে বিরাজ করছে চরম বৈষম্য। দেশের মোট বিশেষায়িত হাসপাতালের ৫৩ শতাংশ ঢাকা বিভাগে অথচ দেশের ৭০ শতাংশ মানুষ গ্রামে থাকে।

12/09/2025

বাংলাদেশে চর্মরোগের প্রকোপ দ্রুত বাড়ছে। বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হেলথ অ্যান্ড মরবিডিটি স্ট্যাটাস সার্ভে (এইচএমএসএস) ২০২৫ অনুযায়ী, প্রতি ১ হাজার জনে মধ্যে গড়ে ৩৭.২৩ জন চর্মরোগে ভোগেন।

শহরাঞ্চলের তুলনায় গ্রামাঞ্চালে এই হার আরও বেশি। শহরে যেখানে প্রতি হাজারে আক্রান্তের সংখ্যা ৩৪.৪৬, সেখানে গ্রামে এই হার ৩৯.৯২।

চিকিৎসকরা বলছেন, পরিবেশ দূষণ, অধিক জনবসতির কারণে অপরিচ্ছন্নতা, পুষ্টির ঘাটতি, অ্যান্টিফাঙ্গাল ওষুধের প্রতি শরীরে তৈরি হওয়া প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ বিভিন্ন কারণে দেশে চর্মরোগের এই ব্যাপক বিস্তার দেখা যাচ্ছে।

12/08/2025

বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) গত এক বছরে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজি বিভাগের উদ্যোগে বিভিন্ন রোগীর ৪৬ হাজার ২৭৯টি নমুনা বিশ্লেষণ করা হয়। বিশ্লেষণে দেখা যায় ব্যাকটেরিয়া, ভাইরাস ও ছত্রাকের বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিকের যথেচ্ছ ব্যবহারের কারণে সিপ্রোফ্লোক্সাসিন, অ্যামোক্সিসিলিন, সেফট্রিয়াক্সোন, জেন্টামাইসিন, মেরোপেনেম, টিগেসাইক্লিনসহ বহু ওষুধ আর কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। রোগীর দেহে রেজিস্ট্যান্স তৈরি হওয়ায় এসব অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়ছে। এর ফলে রোগ নিরাময়ে সময় দীর্ঘ হচ্ছে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে রোগীর মৃত্যুঝুঁকি পর্যন্ত তৈরি হচ্ছে।

12/07/2025

এক হাজার রোগীর বিপরীতে একজন নার্স
ডব্লিউএইচওর মানদণ্ড অনুযায়ী প্রতি ১,০০০ জনে অন্তত ৩ জন নার্স থাকা প্রয়োজন। এই মানদণ্ডের ভিত্তিতে বিভিন্ন দেশের নার্সের প্রাপ্যতা বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি ১,০০০ জনে ১১.৭ জন নার্স রয়েছে, যা ডব্লিউএইচওর মানদণ্ডের তুলনায় অনেক বেশি এবং উন্নত স্বাস্থ্যসেবার ইঙ্গিত দেয়। কিউবায় নার্সের সংখ্যা প্রতি ১,০০০ জনে ৭.৬ থেকে ৮.২ জন, যা বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মানদণ্ডের উপরে এবং এই দেশের স্বাস্থ্যসেবা ব্যবস্থার শক্তিশালী অবস্থানকে তুলে ধরে। ভারতের অবস্থান তুলনামূলকভাবে দুর্বল, যেখানে প্রতি ১,০০০ জনে ১.৯৬ জন নার্স রয়েছে—ডব্লিউএইচওর মানদণ্ডের নিচে। বাংলাদেশে এ চিত্র সবচেয়ে উদ্বেগজনক, যেখানে প্রতি ১,০০০ জনে মাত্র ০.২ জন নার্স রয়েছে। এটি ডব্লিউএইচও’র মানদণ্ডের তুলনায় অনেক নিচে এবং বাংলাদেশের স্বাস্থ্যসেবা খাতে গুরুতর জনবল সংকটের বিষয়টি নির্দেশ করে। এই পরিসংখ্যানগুলো স্পষ্টভাবে দেখায়, নার্সের পর্যাপ্ত সরবরাহ একটি দেশের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে কতটা গুরুত্বপূর্ণ।
কোনো দেশ গরিব না ধনী তার ওপর স্বাস্থ্যনীতি নির্ভর করে না। স্বাস্থ্যনীতি নির্ভর করে জনগণের প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে সুতরাং স্বাভাবিকভাবেই কিউবাকে কারও আমলে নেয়ার কথা নয়। কিন্তু জনগণের রাষ্ট্র বিবেচনায় সেই দেশটিকে অবজ্ঞা করার কোনো সুযোগ নেই, যা একটি পরিকল্পিত স্বাস্থ্যব্যবস্থার ধারক। একজন চিকিৎসকের পাশাপাশি তিনজন নিবন্ধিত নার্স প্রয়োজন। বাংলাদেশে ১ লাখ ৩৪ হাজার চিকিৎসকের বিপরীতে নার্স প্রয়োজন ৪ লাখ ২ হাজার। অথচ বর্তমানে ১ লাখ ১7 হাজার নিবন্ধিত নার্স রয়েছেন। এই হিসাবে দেশে নার্স সংকট প্রায় ২ লাখ ৯ হাজার। নার্স সংকটে রোগীরা পর্যাপ্ত সেবা পাচ্ছেন না। অন্যদিকে নার্সদের বেতন কাঠামো নিুমানের। উন্নত বিশ্বের তুলনায় এ দেশের নার্সদের বেতন প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ কম। তাই এদেশের নার্সরা মানসিক ও শারীরিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত। নার্সদের প্রতি অবহেলা এজন্য দায়ী।

11/28/2025

√নার্সিং পেশাকে জনবান্ধব, টেকসই স্বাস্থ্য ব্যবস্থা এবং অর্থনীতিকে শক্তিশালী করতে নিম্নোক্ত সুপারিশ তুলে ধরা হল:
১. কার্যকরী সেবা পাওয়ার জন্য পর্যাপ্ত প্রমানভিত্তিক জনবল ( চাহিদাও আদর্শমানের উপর) দক্ষ নার্সিং জনবল তৈরী ও নিয়োগ করা।
২.প্রয়োজনীয় আধুনিক নার্সিং ইকুইপমেন্ট ও রিসোর্স জন্য বিনিয়োগ করা।
৩. নার্সিংয়ে বৈষম্যহীন,নিরাপদ ও শালীন কর্ম পরিবেশ প্রদান করা।
৪. চতুর্থ শিল্প বিল্পব উপযোগী উচ্চ মানের নার্সিং শিক্ষা, পেশার মানোন্নয়ন এবং দক্ষতা ও অনুশীলনের সর্বোত্তম সুযোগ প্রদান করা।
৫. নার্সদের মধ্যে সঠিক মেন্টরশীপ,নেতৃত্ব ও সিদ্ধান্ত গ্রহনকারী তৈরি করা এবং কার্যকর,সহায়ক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক সাংগঠনিক সংস্কৃতি প্রচলন করা।
৬. নার্সদের চাহিদার ভিত্তিতে যথা সময়ে সুস্থতা ও স্বাস্থ্য সেবা গ্রহনের বিদ্যমান বাঁধা গুলো স্ট্রীমলাইনের মাধ্যমে দূর করে প্রয়োজনীয় প্রিভেন্টিভ কেয়ার,চিকিৎসা ও অন্যন্য চিকিৎসা সহায়তা প্রদান করা।
৭. নার্সদের সুনির্দিষ্ট বেতনকাঠামো,ভাতা,ক্ষতিপূরণ, কর্মঘন্টা নির্ধারন ন্যয্যাতা ও অন্যন্য পেশার সাথে প্রতিযোগীতামূলক ভিত্তিতে নির্ধারন করে সুন্দর কর্ম পরিবেশ তৈরি করা।
পরিশেষে, অধ্যাপক ইউনূস ও আইসিএন প্রেসিডেন্ট যে গুরুত্বপূর্ণ সমস্যা তুলে ধরেছেন নার্সিং খাতের সেগুলো দূর করতে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। নার্সিং শিক্ষাকে আন্তর্জাতিক করন ও কাজের দক্ষতার পর্যাপ্ত স্বীকৃতিসহ অন্যান্য কাঠামোগত সংস্কারের মাধ্যমে বিশ্ববাজার উপযোগী দক্ষ নার্স তৈরি করতে পারলে বিদেশের শ্রমবাজারে আমাদের জন্য রয়েছে অপার সম্ভাবনা।
লেখক : নার্স ও পুষ্টিবীদ, কক্সবাজার
syedahmedtanshiruddin@gmail.com

11/26/2025

এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার বন্ধ করুন—ঝুঁকি কমান
লেখক ছৈয়দ আহমদ তানশীর উদ্দীন
এন্টিবায়োটিক বিজ্ঞানের বিস্ময়কর আবিস্কার: ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ ঠেকাতে আবিস্কার হয়েছিল এন্টিবায়োটিক। জীবাণুনাশক ঔষধকে বলা হয় এন্টিমাইক্রোবিয়াল এজেন্ট বলা হয়। এর মধ্যে এন্টিবায়োটিক একটি। প্রথম আবিস্কৃত এন্টিবায়েটিক দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্যি যে, পেনিসিলিন আবিষ্কারের ১০ বছরেরও কম সময়ে, এমনকি স্যার আলেকজান্ডার ফ্লেমিং পেনিসিলিন আবিষ্কারের জন্য পাওয়া নোবেল পুরস্কার গ্রহণের আগেই এক প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া হয়ে ওঠে পেনিসিলিন-প্রতিরোধী। সেই থেকে গত ৭০ বছর ধরে ব্যাকটেরিয়া অার মানুষে চলছে ‘ইঁদুর-বেড়াল খেলা’। আবিষ্কৃত হয়েছে নতুন প্রজন্মের নতুন প্রজাতির অ্যান্টিবায়োটিক। তার সঙ্গে তাল রেখে ব্যাকটেরিয়াও গড়ে তোলে নতুন নতুন প্রতিরোধী ক্ষমতা।অ্যান্টিবায়োটিকের সঙ্গে খাপ খাইয়ে বেঁচে থাকা অথবা প্রতিরোধী ক্ষমতা অর্জন করা ব্যাকটেরিয়ার একটি সহজাত প্রক্রিয়া। এটি মূলত শুরু হয় ব্যাকটেরিয়ার জেনেটিক পরিবর্তনের মাধ্যমে। এটি তখনই ঘটে যখন কোনো এক প্রজাতির ব্যাকটেরিয়া কোনো এক সুনির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিকের সম্মুখীন হয়। অ্যান্টিবায়োটিক থেকে নিজেদের বাঁচাতে ব্যাকটেরিয়া হয় নিজেদের কোনোভাবে পাল্টে ফেলে, অথবা এমন সব রাসায়নিক পদার্থ নিঃসরণ করে যা দিয়ে অ্যান্টিবায়োটিককে নিষ্ক্রিয় করে ফেলা যায়।
যদিও এটা অবধারিত যে, অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলে এর বিরুদ্ধে একসময় না একসময় প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হবেই। কিন্তু আমাদের অসচেতনতা, স্বভাব এবং অবহেলার কারণে এসব প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হচ্ছে হাজার হাজার গুণ দ্রুতগতিতে।
আপনার সচেতনতাই পারে এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধ করতে:
আমরা না জেনে, না বুঝে যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিক সেবন করছি, এমনকি ডাক্তারের প্রেসক্রিপশন ছাড়াই। ডাক্তাররাও প্রায়শই যথাযথ ল্যাব টেস্ট না করে অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশনে লিখে দিচ্ছেন অবলীলায়। ল্যাব টেস্টের মাধ্যমে রোগের প্রকৃত কারণ বের না করে অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রিপশন দিলে তাতে চিকিৎসায় ভুল হওয়ার অনেক বেশি আশঙ্কা থাকে। আর অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনাও বেড়ে যায়।
আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপার হল, অ্যান্টিবায়োটিকের কোর্স সম্পূর্ণ না করা। গবেষণায় দেখা গেছে, অল্পমাত্রার অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার ব্যাকটেরিয়াকে প্রতিরোধী হয়ে উঠতে সহযোগিতা করে এবং পরবর্তীতে বেশি মাত্রায় অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার করলেও তাতে প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া বেঁচে থাকতে পারে। কাজেই অ্যান্টিবায়োটিকের সুপারিশকৃত ডোজ সম্পূর্ণ করা উচিত যাতে ব্যাকটেরিয়া সহজে প্রতিরোধী হয়ে উঠতে না পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহার ব্যতীত আরও যেসব দৈনন্দিন চর্চা অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার বিস্তৃতিতে সহায়ক তা হল, ল্যাব টেস্টিং এবং মনিটরিংয়ের অভাব। হাসপাতালে বা নিজের বাড়িতে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার অভাব, রোগ সংক্ৰমণে যথাযথ নিয়ন্ত্রণ না থাকা, ঘন ঘন হাত না ধোয়ার অভ্যাস, হাত ধুতে সাবানের ব্যবহার না করা, ঠিকভাবে হাত ধুতে না জানা, অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ বিষয়ে জনসচেতনতার অভাব ইত্যাদি।
গবেষনা বলছে শীঘ্রই প্রচলিত এন্টিবায়োটিক অকার্যকর হয়ে পড়বে :
দেশে অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল প্রতিরোধ ক্ষমতা (এএমআর) বিপজ্জনক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ ও গবেষণা ইনস্টিটিউট (আইইডিসিআর) জানিয়েছে, দেশের আইসিইউতে ভর্তি রোগীর ৪১ শতাংশ কোনো অ্যান্টিবায়োটিকে সাড়া দিচ্ছে না। ২৪ নভেম্বর ২০২৫ আইইডিসিআর ন্যাশনাল এএমআর সার্ভেলেন্স রিপোর্ট ২০২৫' প্রকাশ করা হয়। প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে ২০২৫ সালের জুন মাস পর্যন্ত দেশের ৯৬,৪৭৭ জন রোগীর নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। পাঁচটি আইসিইউতে ৭১ ধরনের অ্যান্টিবায়োটিকের কার্যকারিতা পরীক্ষা করা হলে দেখা গেছে, অনেক ক্ষেত্রে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। প্রতিবেদন অনুযায়ী, প্যান-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (পিডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৭ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৪১ শতাংশ পাওয়া গেছে। মাল্টি-ড্রাগ-রেজিস্ট্যান্ট (এমডিআর) জীবাণু সব নমুনার ৪৬ শতাংশ এবং আইসিইউতে ৮৯ শতাংশ দেখা গেছে। এছাড়া, হু ওয়াচ-গ্রুপ অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার বেড়ে ৭৭ শতাংশ থেকে ৯০.৯ শতাংশ হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত অ্যান্টিবায়োটিক ছিল সেফট্রিয়াক্সোন (৩৩ শতাংশ) এবং মেরোপেনেম (১৬ শতাংশ)।
২০২৩ সালের পর থেকে গাজায় পাঁচ বছরের কম বয়সী শিশুদের মৃত্যুহার দশগুণ বেড়েছে; এবং মৃত্যুর প্রায় ৫৫ শতাংশই নবজাতক। জীবাণুনাশক যন্ত্রপাতি, অ্যান্টিবায়োটিক, এমনকি ক্লোরিন পর্যন্ত গাজায় প্রবেশে বাধা দেওয়ায় সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে—এমন পরিবেশ তৈরি হয়েছে যেখানে অত্যন্ত অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধী জীবাণু ও তথাকথিত সুপারবাগ ছড়িয়ে পড়ার ঝুঁকি ব্যাপক। ২০২৩ সালের এক জরিপে বলা হয়, পরীক্ষাগারে নিশ্চিত হওয়া ছয়টির মধ্যে একটি সংক্রামক রোগ অ্যান্টিবায়োটিকে সারানো যাচ্ছে না। রক্ত, অন্ত্র, মূত্রনালি এবং যৌন সংক্রমণের মতো সাধারণ সংক্রামক রোগে ৪০ শতাংশ অ্যান্টিবায়োটিক অকার্যকর। সবচেয়ে উদ্বেগের কারণ হলো, গ্রাম নেগেটিভ ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে বেশির ভাগ অ্যান্টিবায়োটিক কার্যকারিতা দেখাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞদের ধারণা, ২০৫০ সাল নাগাদ অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স ৭০ শতাংশে পৌঁছাবে।
যুক্তরাষ্ট্রের মতো উন্নত দেশে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়া দ্বারা সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বছরে দুই লক্ষাধিক, যার মধ্যে ২৩ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। বিশ্বজুড়ে সাত লক্ষাধিক লোক মৃত্যুবরণ করে একই কারণে।বিশেষজ্ঞদের হিসাবে এখনই সাবধান না হলে ২০৫০ সালের মধ্যে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার কারণে প্রতি বছর এক কোটির বেশি লোক মারা যাবে এবং ১০০ ট্রিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি আর্থিক ক্ষতি হবে।
অ্যান্টিবায়োটিক সংরক্ষণ করুন, নিজের জীবন রক্ষা করুন:
বাজারে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক প্রচলিত আছে, তার বেশির ভাগই এখন অকার্যকর হয়ে পড়েছে। যে হারে জীবাণুর বিরুদ্ধে অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট হচ্ছে, সে হারে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আবিষ্কৃত হচ্ছে না। যে গতিতে পৃথিবী থেকে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক নিঃশেষ হচ্ছে, তাতে অচিরেই চিকিৎসকদের সংক্রামক রোগ চিকিৎসায় হাত গুটিয়ে বসে থাকতে হবে।
২০১৭ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অ্যান্টিবায়োটিক সম্পর্কে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা একইভাবে উদ্বেগজনক সংবাদ প্রচার করেছিল। দ্য ওয়ার্ল্ড ইজ রানিং আউট অব অ্যান্টিবায়োটিকস শিরোনামের খবরে বলা হয়, অতি দ্রুত পৃথিবী থেকে কার্যকর অ্যান্টিবায়োটিক নিঃশেষ হচ্ছে। অ্যান্টিব্যাকটেরিয়াল এজেন্টস ইন ক্লিনিক্যাল ডেভেলপমেন্ট পাইপলাইন ইনক্লুডিং টিউবারকিউলোসিস শীর্ষক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার এক রিপোর্টে বলা হয়, বাজারে নতুন অ্যান্টিবায়োটিক আসা স্থবির হয়ে গেছে। রেজিস্ট্যান্ট জীবাণু সংক্রমণের ভয়ে অতি ছোট সার্জারি করতেও চিকিৎসকেরা সাহস পাবেন না। বর্তমানে বাজারে যেসব অ্যান্টিবায়োটিক পাওয়া যাচ্ছে, তা পুরোনো বা প্রচলিত অ্যান্টিবায়োটিকের সংক্ষিপ্ত রাসায়নিক রূপান্তরমাত্র। এসব অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে সাময়িক সুবিধা পাওয়া গেলেও দীর্ঘস্থায়ী সমস্যা সমাধানে কোনো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারছে না বা পারবে না।
বাংলাদেশে জাতীয় পর্যায়ে অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধ বিষয়ক এবারে IEDCR গবেষণা করেছে । সীমিত গবেষণাপত্রে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী বিভিন্ন ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে যার মধ্যে বহু অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী সুপারবাগ রয়েছে। ২০২০ সালে বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটির আইসিইউতেই শতকরা ২৫ ভাগ ব্যাকটেরিয়া হল সুপারবাগ, যা কিনা সব ধরনের অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী। এসব তথ্য নিঃসন্দেহে প্রকৃত চিত্রের খুব সামান্য প্রকাশ, কিন্তু আতংকিত হওয়ার জন্য যথেষ্ট।
এএমআর( এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স) সম্মিলিত প্রয়াসে প্রতিরোধ করা সম্ভব:
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই এর সমাধানও হতে হবে বৈশ্বিকভাবে। সত্যি বলতে কী, কোনো এক দেশ এককভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। কেননা উন্নত যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সারা বিশ্বের মানুষ এখন একই সূত্রে বাঁধা। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতই নিশ্ছিদ্র হোক না কেন, সাদা চোখে অদৃশ্য, এসব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সুপারবাগের প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। এর প্রমাণ হল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে পৃথিবীর খুব কম দেশই আছে যেখান থেকে কোনো না কোনো অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী সুপারবাগের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। সুপারবাগরবাগ ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের বিরুদ্ধে এখনই তাই যুদ্ধ ঘোষণার সর্বশেষ সময়। এ যুদ্ধ কোনো সুনির্দিষ্ট পেশাজীবীদের নয়। এ যুদ্ধে সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ, গণমাধ্যম, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, বিজ্ঞানী এবং ডায়াগনস্টিক ল্যাবসহ সবারই কিছু না কিছু করার আছে। আশার কথা হল, ২০২০ জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়ে লড়তে একমত হয়েছে এবং একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সুপারবাগ বনাম মানুষ– এ লড়াইয়ে মানুষ জিততে পারবে কি?

নার্স ও পুষ্টিবিদ, কক্সবাজার
syedahmedtanshiruddin@gmail.com

11/25/2025

বাংলাদেশে নার্সিং অটোনমি প্রতিষ্ঠার ৮টি মূল পথ:
1. আইনগত স্বীকৃতি
2. উন্নত নার্সিং শিক্ষা
3. পাইলট NP/Advanced Nursing প্রকল্প
4. নার্সিং প্রশাসন শক্তিশালী করা
5. ক্যারিয়ার পথ স্পষ্ট করা
6. সামাজিক ও পেশাগত মর্যাদা বৃদ্ধি
7. গবেষণা ও প্রমাণভিত্তিক নার্সিং
8. সরকার-সংগঠন-একাডেমিয়ার সমন্বয়

11/24/2025

এএমআর( এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্টেন্স) সম্মিলিত প্রয়াসে প্রতিরোধ করা সম্ভব:
অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধ একটি বৈশ্বিক সমস্যা। তাই এর সমাধানও হতে হবে বৈশ্বিকভাবে। সত্যি বলতে কী, কোনো এক দেশ এককভাবে এই সমস্যার সমাধান করতে পারবে না। কেননা উন্নত যাতায়াত ও যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে সারা বিশ্বের মানুষ এখন একই সূত্রে বাঁধা। দেশের নিরাপত্তা ব্যবস্থা যতই নিশ্ছিদ্র হোক না কেন, সাদা চোখে অদৃশ্য, এসব ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র সুপারবাগের প্রবেশ ঠেকিয়ে রাখতে পারবে না। এর প্রমাণ হল, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যে পৃথিবীর খুব কম দেশই আছে যেখান থেকে কোনো না কোনো অ্যান্টিবায়োটিক-প্রতিরোধী সুপারবাগের রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। সুপারবাগরবাগ ও অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের বিরুদ্ধে এখনই তাই যুদ্ধ ঘোষণার সর্বশেষ সময়। এ যুদ্ধ কোনো সুনির্দিষ্ট পেশাজীবীদের নয়। এ যুদ্ধে সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থাসমূহ, গণমাধ্যম, চিকিৎসক, স্বাস্থ্যসেবাকর্মী, বিজ্ঞানী এবং ডায়াগনস্টিক ল্যাবসহ সবারই কিছু না কিছু করার আছে। আশার কথা হল, ২০২০ জাতিসংঘের ১৯৩টি দেশ অ্যান্টিবায়োটিক প্রতিরোধের বিরুদ্ধে একাট্টা হয়ে লড়তে একমত হয়েছে এবং একটি চুক্তি স্বাক্ষর করেছে।
সুপারবাগ বনাম মানুষ– এ লড়াইয়ে মানুষ জিততে পারবে কি?

নার্স ও পুষ্টিবিদ, কক্সবাজার
syedahmedtanshiruddin@gmail.com

11/24/2025

আমরা স্বায়ত্তশাসনে নার্সিংয়ের উপর জোর দিই
সৈয়দ আহমেদ তানশির উদ্দিন
রোগীর ফলাফল, কাজের সন্তুষ্টি এবং পেশাদার বিকাশ উন্নত করার জন্য নার্সদের স্বায়ত্তশাসিত হতে হবে, নার্সদের তাদের সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং ক্লিনিকাল বিচার ব্যবহার করে তাদের অনুশীলনের পরিধির মধ্যে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নেওয়ার অনুমতি দিয়ে। এই স্বাধীনতার মধ্যে রয়েছে রোগীদের পক্ষে ওকালতি করা, সময়োপযোগী সিদ্ধান্ত নেওয়া এবং স্বাস্থ্যসেবা নীতি ও অনুশীলনের উন্নতিতে অবদান রাখা। নার্সিংয়ে স্বায়ত্তশাসন নির্দেশিকা ছাড়া কাজ করার বিষয়ে নয় বরং প্রতিষ্ঠিত প্রোটোকল অনুমতি দিলে নিজের জ্ঞান এবং দক্ষতার উপর ভিত্তি করে কাজ করার কর্তৃত্ব থাকা সম্পর্কে।

নার্সিং স্বায়ত্তশাসনের সুবিধা
•উন্নত রোগীর যত্ন: স্বায়ত্তশাসিত নার্সরা তাদের জ্ঞান এবং রোগীর নির্দিষ্ট চাহিদার উপর ভিত্তি করে অবহিত, স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিয়ে আরও অনুকূলিত এবং রোগী-কেন্দ্রিক যত্ন প্রদান করতে পারে।

বর্ধিত পেশাদার বৃদ্ধি: সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা সমালোচনামূলক চিন্তাভাবনা এবং পেশাদার বিকাশকে উৎসাহিত করে, যার ফলে আরও দক্ষ এবং আত্মবিশ্বাসী নার্সিং কর্মীবাহিনী তৈরি হয়।

বর্ধিত কাজের সন্তুষ্টি: যখন নার্সদের তাদের দক্ষতা ব্যবহার করার জন্য আস্থা রাখা হয়, তখন এটি উচ্চতর কাজের সন্তুষ্টি এবং পেশাদার মূল্যবোধের বৃহত্তর অনুভূতির দিকে পরিচালিত করে।
•রোগীর ফলাফল উন্নত: স্বাধীন সিদ্ধান্ত গ্রহণ, বিশেষ করে সময়-সংবেদনশীল পরিস্থিতিতে, রোগীদের জন্য আরও ভাল এবং দ্রুত ফলাফলের দিকে পরিচালিত করতে পারে।

বর্ধিত দক্ষতা: একটি ব্যবস্থা যা নার্সদের স্বায়ত্তশাসিতভাবে কাজ করার ক্ষমতা দেয়, প্রতিটি সিদ্ধান্তের জন্য ধ্রুবক পরামর্শের প্রয়োজন হ্রাস করে আরও দক্ষ হতে পারে।

নার্সিং স্বায়ত্তশাসন কীভাবে অনুশীলন করা হয়
•ক্লিনিকাল সিদ্ধান্ত গ্রহণ: নার্সরা রোগীর যত্নের বিষয়ে স্বাধীন সিদ্ধান্ত নিতে পারেন, যেমন কখন ওষুধ খাওয়াবেন বা জরুরি পরিস্থিতিতে সাড়া দেবেন।

রোগীর পক্ষে সমর্থন: স্বায়ত্তশাসিত নার্সরা তাদের রোগীদের অধিকার এবং ইচ্ছার পক্ষে জোরালোভাবে সমর্থন করতে পারেন, নিশ্চিত করতে পারেন যে তাদের নিজস্ব পছন্দ করার জন্য তথ্য রয়েছে।

নীতি এবং অনুশীলনের উন্নতি: তারা স্বাস্থ্যসেবা নীতি গঠনে এবং অনুশীলনের পরিবেশের জন্য উন্নতির পরামর্শ দিতে অবদান রাখতে পারেন, যেমন কর্মপ্রবাহ বা সরবরাহ ব্যবস্থাপনা উন্নত করা।

অনুশীলনের সম্পূর্ণ সুযোগ: এটি নার্সদের তাদের লাইসেন্স, দক্ষতা এবং শিক্ষার সম্পূর্ণ পরিমাণে অনুশীলন করার অনুমতি দেয়।

11/23/2025

জনগণের সেবা প্রাপ্তি সহজ করতে ও নার্সদের চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের (অটোমেশন) সময়োপযোগী দক্ষ ও আধুনিক জ্ঞান সমৃদ্ধ করতে, এ পেশায় প্রশাসনিক সক্ষমতা ও পদবিন্যাস বা উচ্চতর গ্রেডের নতুন পদ সৃজন অনেকটা সময়ের দাবি হয়ে দাঁড়িয়েছে।

সুতরাং বলা যায়, স্বাস্থ্য সেবার মান উন্নয়ন করতে হলে নার্সিং পেশার মান্নোয়নে প্রয়োজন। নার্সদের সুষ্ঠু জনবল কাঠামো বা পদসোপান তৈরির মাধ্যমে নার্সিং পেশার মান্নোয়ন সর্বোপরি স্বাস্থ্য সেবার মান বৃদ্ধি পাবে। তাই সময় এসেছে প্রিভেন্টিভ নার্সিং, কমিউনিটি নার্সিংয় ও সংক্রমণ বিধিমালার যথাযথ ব্যবহারের মাধ্যমে মানুষের প্রতিরোধযোগ্য রোগবালাই,রোগের প্রাদুর্ভাব, হাসপাতালে রোগীর ভর্তির হার কমানো যাবে। এতে অর্থনীতির নিরব বিপ্লব সংগঠিত হবে।

যদি আমরা সামগ্রিক সেবার মাধ্যমে রোগীদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিৎ করতে পারি তাহলে চিকিৎসা ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় অর্থব্যয় কমবে। তাই অর্থনৈতিক সক্ষমতা অর্জনে আরও বেশি বেশি নার্সিং সেবা জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেওয়া প্রয়োজন।

11/23/2025

Address

Coxs Bazar Chittagong
Santa Barbara, CA
4700

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Syed Ahmed Tanshir Uddin posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Syed Ahmed Tanshir Uddin:

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram