Miracle Healing

  • Home
  • Miracle Healing

Miracle Healing Healing Through Iman
(2)

16/02/2026

সহস্র বছরের পুরনো পৌরাণিক রিচুয়াল যেসব আমরা লোককথা বা কাল্পনিক গল্প হিসেবে জানি। সেসবের সাথে এই সময়ের কিছু শ্রেণীর মানুষদের সাথে মিলে যাচ্ছে। কাদের সাথে??

যারা দুনিয়ার উল্লেখযোগ্য আসনে বসে আছে আর পুরো বিশ্বকে নিয়ন্ত্রণ করছে। কিভাবে? চলুন জেনে আসি...

পূরাণশাস্ত্র যখন বাস্তব।

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ডাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দূর পুতুল উদ্ধার করে...
14/02/2026

পশ্চিমা দেশগুলোতেও যা*দু চলে রীতিমত। একজন স্কুবা ডাইভার লন্ডনের এক এলাকা থেকে পানির নিচে থেকে এই যা*দূর পুতুল উদ্ধার করে। দেখে বুঝাই যাচ্ছে এটা বশ করার যা*দু।

শারঈ পরিভাষায় 'আতফ এবং সারফ শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয় মোটা অংশে স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রেম-ভালোবাসা বাড়ানো, ব*শ করা, স্বামীকে স...
12/02/2026

শারঈ পরিভাষায় 'আতফ এবং সারফ শব্দদ্বয় ব্যবহৃত হয় মোটা অংশে স্বামী স্ত্রীর মাঝে প্রেম-ভালোবাসা বাড়ানো, ব*শ করা, স্বামীকে স্ত্রীর প্রতি আবিষ্ট করে অন্য নারীদের থেকে বিমুখ করা('আতফ) কিংবা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বি*চ্ছেদ করা(সারফ) এই দুই কাজে। এবং শরীয়ত এই কাজকে যা*দুর কাতারে ফেলে দেয়। শুধু স্বামী স্ত্রী না দুই বা ততোধিক ব্যক্তির মাঝে সম্পর্ক তৈরি করা কিংবা শ*ত্রুতা,ঘৃ*না, বি*চ্ছেদ ঘটানোও 'আতফ এবং সারফ।

قال الإمام محمد بن عبدالوهاب رحمه الله: الس حر، ومنه الصرف والعطف، فمن فعله أو رضي به كف*ر، والدليل قول الله تعالى: {وَمَا يُعَلِّمَانِ مِنْ أَحَدٍ حَتَّى يَقُولاَ إِنَّمَا نَحْنُ فِتْنَةٌ فَلاَ تَكْفُ*ر} [البقرة:102].

ইমাম মুহাম্মাদ ইবন আব্দিল ওয়াহহাব রাহিমাহুল্লাহ বলেন, " সারফ এবং 'আতফ যা*দুর অন্তর্ভুক্ত। অতএব যারা এ কাজ করে ও এতে সন্তুষ্ট থাকে সে কু*ফরি করলো। এর দলীল হলো আল্লাহর কালাম," আর তারা কাউকে শেখাত না যে পর্যন্ত না বলত যে, ‘আমরা তো পরীক্ষা, সুতরাং তোমরা কু*ফরী করো না। "(বাক্বারাহ:১০২)

উম্মুল মু'মিনীন 'আঈশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে এক মহিলা এসে বললো, " হে উম্মুল মু'মিনীন, এমন মহিলা কেমন যে তার উটকে বেধে রাখে?" 'আঈশা রা বুঝতে পারেননি মহিলার কথা, তিনি বললেন, "এতে তো কোনো সমস্যা নেই।" মহিলাটি বললো, "আমি আমার স্বামীকে অন্য মহিলাদের থেকে বিমুখ করে আমার প্রতি আবিষ্ট করে রেখেছি।" 'আঈশা রা বলেন, "তোমরা এই ডা*ইনি(যা*দুকর) কে এখান থেকে বে*র করে দাও"

وقد روي أن امرأة جاءت إلى عائشة ﵂ فقالت: يا أم المؤمنين، ما على المرأة إذا عقلت بعيرها؟ فقالت عائشة ﵂ ولم تفهم مرادها: ليس عليها شيء، فقالت: إني عقلت زوجي عن النساء، فقالت عائشة ﵂: أخرجوا عني هذه الساح*رة.

ص612 - كتاب غربة الإسلام - الصرف والعطف من السح*ر الفاشي في هذه الأزمان - المكتبة الشاملة

'আতফ কিংবা সারফ উভয়টির জন্য যা*দুকর গিটের উপর ফু দিয়ে তাতে গিট দেয়, কিংবা শি*রকি ঝাড়ফুক করে অথবা খাবারের সাথে মিশিয়ে যা*দুগ্রস্থ ব্যক্তিকে খাওয়ায়, কিংবা ধোয়ার মাধ্যমে ঘ্রান নেয়া ইত্যাদি কাজ যা*দুকর করে যা শাইত্বান তাকে শিক্ষা দেয়।

এতে দুই ব্যক্তি যা*দুগ্রস্থ হয়ে, এবং শাইত্বান তাদের শরীরে আশ্রয় নেয়। ধীরে ধীরে শাইত্বান একে অন্যের প্রতি আবেগ, সীমাহীন আকর্ষণ কিংবা ঘৃ*ণা-বি*দ্বেষ তৈরি করে। বস্তুতঃ অই ভালোবাসা বা অই ঘৃ*ণা মূলত শাইত্বান থেকেই যদিও ভুক্তভোগী ভাবে এটা তার নিজের অন্তরেরই আবেগ। কারণ শাইত্বান তার মাঝে বিপরীত আবেগ তৈরি করছে।

এর ফলে অই ব্যক্তির মস্তিষ্ক অসুস্থ হয়ে যায়, জ্ঞানবুদ্ধি লোপ পায়, অন্তরে ভালোবাসা বা ঘৃ*না তৈরি হয়, শরীর অসুস্থ হয়, যন্ত্রনা হয়। অবশেষে মৃ*ত্যুর দিকেও নিয়ে যেতে পারে।

শাইখ ইবনু বায রাহিমাহুল্লাহ বলেন, যে ব্যক্তি তাবিজ লিখে স্বামী স্ত্রীকে কাছাকাছি আনার জন্য, ভালোবাসা তৈরির জন্য, সে যা*দুকর। যে এর বিপরীত(সারফ) করবে সেও যা*দুকর।

مجموع فتاوى سماحه الشيخ ابن باز ج ٢ ،ص ٦٩٣

শাইখ ডক্টর উছমান আলখামীছ বলেন, স্বামী স্ত্রীর মাঝে মুহাব্বত তৈরি বা বি*চ্ছেদ ঘটানো বা যে কারো মাঝে কিংবা পরিবারের সদস্যদের মধ্যে এরূপ কাজ করা শি*রক আকবর।

** অতএব কোনো আলিম, মুফতি, ইসলামি জ্ঞানসম্পন্ন কোনো ব্যক্তি যদি আপনাকে বলে অমুক ব্যক্তির মাঝে ভালোবাসা বা স্বামীকে স্ত্রীর কাছে ফিরিয়ে এনে দিতে পারবে তাবিজ দিয়ে বা যেকোনো কিছুর মাধ্যমে, বা আপনার শত্রুর সাথে আপনার আপনজনকে বি*চ্ছেদ ঘটাতে পারবে কিংবা স্বামী স্ত্রীর মাঝে বি*চ্ছেদ ঘটাতে পারবে, বুঝে রাখবেন সে যা*দুকর, সে মুসলিম না। যা*দু ছাড়া উক্ত কাজ কখনোই শারঈভাবে করা সম্ভব নয়। ইমান হারিয়ে ধোকায় পড়বেন না। **

আর স্বামী স্ত্রী বি*চ্ছেদের যা*দুতে আক্রান্ত হলে তাদের উচিৎ রুক্বইয়াহ করা।

এক বোনের দু-আড়াই বছরের মেয়ের জিন-যা*দূর সমস্যা আছে। তিনি এক রাক্বীর কাছে রুক্বইয়াহ করতেন, উনি বলেছিলেন বাচ্চাকে রুক্বইয়া...
08/02/2026

এক বোনের দু-আড়াই বছরের মেয়ের জিন-যা*দূর সমস্যা আছে। তিনি এক রাক্বীর কাছে রুক্বইয়াহ করতেন, উনি বলেছিলেন বাচ্চাকে রুক্বইয়াহ না করতে। বাচ্চাদের নাকি রুক্বইয়াহ করা উচিৎ না।

অথচ এটি পরিপূর্ণ হাদীসের মূলনীতি বিরোধী কথা।

উম্ম সালামাহ রা. বলেন,
নবী ﷺ তার স্ত্রী উম্মু সালামাহ্ (রাঃ)-এর গৃহে একটি বালিকার মুখমন্ডলে (কালো বা হলুদ) দাগ লক্ষ্য করে বললেন, তার কু*দৃষ্টি লেগেছে,

َ ‏ "‏ اسْتَرْقُوا لَهَا، فَإِنَّ بِهَا النَّظْرَةَ ‏"‏‏

তাকে ঝাড়ফুঁক করাও, কেননা তার উপর নযর লেগেছে। (এখানে জ্বিনের বদনজরের কথা বলা হয়েছে)
-বুখারী ও মুসলিম



জাবির ইবনু ‘আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ রসূলুল্লাহ ﷺ হাযম পরিবারকে সাপের ছোবলে আঘা*তপ্রাপ্ত রোগীকে ঝাড়ফুঁক করার অনুমতি দেন এবং আসমা বিনতু ‘উমায়স (রাঃ) -কে বললেন, আমার ভাই [জা‘ফার (রাঃ)] এর ছেলে-মেয়েদের কি হলো যে, তাদের শরীর আমি দুর্বল দেখতে পাচ্ছি? তাদের কি অভাব দেখা দিয়েছে? তিনি (আসমা) বললেন, না কিন্তু তাদের উপর তাড়াতাড়ি কু*নযর লেগে যায়। তিনি বললেন, তুমি তাদের ঝাড়-ফুঁক কর। তিনি বললেন, তখন আমি তাঁর নিকট (দু‘আটি) উপস্থাপন করলাম। তিনি বললেন, (ঠিক আছে) তুমি তাদের ঝাড়ফুঁক করে দাও।

-মুসলিম

এপিলেপ্সি (খিচুনী) কলেজে পড়তো এক মেয়ে। তার প্রতি সকালে ঘুম ভাঙ্গতো খিচুনী হয়ে। যাদের খিচুনী হয় বা যারা দেখেছে তারা জানে ...
06/02/2026

এপিলেপ্সি (খিচুনী)

কলেজে পড়তো এক মেয়ে। তার প্রতি সকালে ঘুম ভাঙ্গতো খিচুনী হয়ে। যাদের খিচুনী হয় বা যারা দেখেছে তারা জানে কি বিদ*ঘুটে দৃশ্য। ইউটিউবে সার্চ করলেও দেখা যাবে। দুই বছরের বেশি এই সমস্যা। বাংলাদেশ সব নিউরোস্পেশালিস্ট আর ভারতের বড় হসপিটাল দেখানো শেষ। রোগ ডায়াগনোসিস হয়েছে কি হয় নি খেয়াল নাই। মেডিক্যাশন চলতো। কিন্তু উন্নতি নেই।

রুক্বইয়াহ তিন সেশন আর দুই/তিন সেশন হিজামা নেয়া হলো। প্রথম রুক্বইয়াহতেই জিন এক্সপোজ হয়ে দেয়ালে ঘু*ষি মেরেছিলো একাধারে।

দেড় থেকে দুই মাস পর মেয়ের মা জানায়, আমি প্রতিদিন সকালে ভয়ে ভয়ে ঘুম থেকে উঠতাম, না জানি উঠেই দেখি মেয়ের খিচুনী। এবং প্রতিদিনই এমন হতো।

এখন প্রায় বছরখানেক পার হয়ে গেলো, যেই খিচুনী হতো তা আর হচ্ছে না।


Syncope (frequent fainting) বা ঘন ঘন অ*জ্ঞান হয়ে যাওয়া

এক ভাই তার আহলিয়াকে নিয়ে এসেছিলেন। তিনি প্রতি দিন তো হুটহাট অ*জ্ঞান হয়ে যেতেনই, দিন ৩/৪ বারও হতো। সিটি স্ক্যান, এমআরআই সহ অন্যান্য স্বাভাবিক সব টেস্ট করানো শেষ। মাথায় বিন্দুমাত্র সমস্যা নেই। তবুও অজ্ঞান হয়ে যাচ্ছে! মেডিসিন তবুও ডাক্তার প্রেসক্রাইব করলো। তাতেও কোনো উপকার পাচ্ছে না।

প্রথম রুক্বইয়াহ সেশন চলাবস্তায়ই অজ্ঞান হলেন। সেদিন থেকে দুই সপ্তাহে কেবল অ*জ্ঞান হলেন মাত্র দুবার। আস্তে আস্তে অ*জ্ঞান হয়ে যাওয়া টা নাই এর পথে।


একই রোগে আক্রান্ত এক ডাক্তার আসলেন। তিনি মেডিসিনের ডক্টর। হঠাৎ কথা নেই বার্তা নেই অ*জ্ঞান হয়ে যান। দাঁড়ানো অবস্থায় জ্ঞান হারিয়ে ফ্লোরে আ*ছড়ে পড়েন। যেহেতু স্বামী স্ত্রী উভয়ই ডাক্তার, ক্লিনিকাল সকল টেস্ট করানো শেষ।

সব শেষে রুক্বইয়াহ করতে আসলেন। রুক্বইয়াহ করার পর তার এই সমস্যা আর দেখা দেয় নি।

এরকম অনেক রোগ যা শারীরিক রোগ ধরেই আমরা অনেকে বসে থেকে একের পর এক ডাক্তার দেখাচ্ছি, ক্লিনিক্যালি ডায়াগনোসিস হয়ত হয়েছে কিংবা হয়নি উভয়টিই বিদ্যমান, তবে সুস্থতার দেখা আসে না।

আপনি কি জানেন?ম্যাগনাস হার্শফিল্ড যে উনবিংশ-বিংশ শতাব্দীতে সম*কামিতার অধিকার নিয়ে যে সব চাইতে বেশি ও প্রভাবশালী এডভোক্যা...
05/02/2026

আপনি কি জানেন?

ম্যাগনাস হার্শফিল্ড যে উনবিংশ-বিংশ শতাব্দীতে সম*কামিতার অধিকার নিয়ে যে সব চাইতে বেশি ও প্রভাবশালী এডভোক্যাসি করেছে জার্মানে। সে সময় সম*কামিদের প্রতি সাধারণের দৃষ্টিভঙ্গি বর্তমানের মতই ঘৃন্য ছিলো।

হার্শফিল্ড উনবিংশ শতাব্দির শেষ দিকে কিছু পুস্তিকা জারি করে সম*কামি ভালোবাসা নিয়ে। হার্শফিল্ড বার্লিনে একটি কমিটি গঠন করে সাইন্টিফিক হিউম্যানিটেরিয়ান কমিটি (Wis*sensch*aftlich-humanitäres Komitee) নামে, যার কাজ হলো সম*কামি অধিকারকে ডিফেন্ড করা ও সামাজিকভাবে সম*কামিদের যেভাবে হ্যেয় করে দেখা হয় তা নির্মূল করা।

কমিটির কিছু সদস্য পরবর্তীতে হার্শফিল্ডের ফিলোসফিকে অস্বীকার করে। কারণ প্রাকৃতিকভাবে পুরুষে পুরুষে যৌ*নাচার আনএক্সেপ্টেবল। হার্শফিল্ড এই কমিটিতে তৎকালীন ছয় হাজার বিশিষ্ট জার্মান ব্যক্তিত্বদের সাক্ষর সমন্বয় করে সম*কামীদের পক্ষে পিটিশনের উপর। পিটিশনটি ছিলো Paragraph 175 এর বিরুদ্ধাচারণে, যারা "পুরুষ পুরুষ যৌ*নসম্পর্ক একটি ক্রাইম" হিসেবে বিধান জারি করে।

যেই সাক্ষরদাতার মধ্যে দুজন শ্রেষ্ঠ পদার্থবিজ্ঞানী ছিলো, একজন আলবার্ট আইন্সটাইন আরেকজন বেনডিক্ট ফ্রাইডল্যান্ডার। ¹

এই বিজ্ঞানী ফ্রাইডল্যান্ডার হার্শফিল্ড কে বিপুল ফাইনেনশিয়াল সাপোর্ট দিয়েছিলো। সে নিজেই Gem*einsc*haft der Eigenen (GdE) নামে একটি এনজিও বা হো*মোসে*ক্সুয়াল অর্গানাইজেশন গঠন করে সম*কামিদের রাইটস নিয়ে। সে একটি বইও লিখে Die Renaissance des Ero*s Ura*nios নামে যাকে আখ্যায়িত করা হয় "Revival of gree*k love বা গ্রীক ভালোবাসার পুনরুজ্জীবন" ²

পরবর্তীতে দুজন আলাদা হয়ে যায় যার একটি কারণ ছিলো হার্শফিল্ড "ট্রা*ন্সজেন্ডার" তত্ত্বে বিশ্বাসী ছিলো। সে ভাবতো একটি পুরুষ নিজেকে নারী মনে করলে সে তখন নারী, এবং তখন নারী হিসেবে পুরুষের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করতে পারে। ফ্রাইডল্যান্ডার হয়ত সেটা গ্রহণ করে নি। সে বলতো পুরুষ চাইলেই পুরুষের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করতে পারবে। নিজেকে নারী ভাবার প্রয়োজন নেই।

(নর্থইস্টার্ন মেডিটেরিয়ান সভ্যতার ১২০০-৮০০ খৃষ্টপূর্ব সময়কে বলা হতো Gree*k Da*rk Ages. প্রাচীন গ্রিস ও রোমে পুরুষে পুরুষে সম*কামিতা এবং পেডারাস্টি (বৃদ্ধ পুরুষের সাথে সাবালকের যৌ*নাচার) খুব বেশি চর্চা ছিলো। এটাকেই Gree*k Love বলা হয়) ³

আইনস্টাইনের যে এই একটাই খারাপ দিক ছিলো না, তা না। আমরা এর আগেও বিভিন্ন আর্টিক্যেলে বিভিন্ন বিজ্ঞানীর নাম উল্লেখ করে বলেছিলাম তারা অকাল্ট, নস্টিসিজম, মিস্টিসিজম (গুপ্তবিদ্যা, যা*দুবিদ্যা) এ লিপ্ত ছিলো। তারা জীবনের লম্বা সময় বিভিন্ন কু*ফরি আক্বীদা ও বিশ্বাস লালন করে চলতো, বৌ*দ্ধ ধর্মের আদর্শ অনুসরণ করতো। পরবর্তী পর্বে আমরা বিভিন্ন বিজ্ঞানীর এরকম সংক্ষিপ্ত ইতিহাস নিয়ে জানতে থাকবো। ইন শা আল্লাহ।

২৫ বছর আগে বিল গেইটস খুব সুন্দর করে বলছিলো, "এই পৃথিবীতে জনসংখ্যা খুব বেড়ে চলছে, প্রায় ৯ বিলিয়নের দিকে যাচ্ছে। এতে CO2 এ...
04/02/2026

২৫ বছর আগে বিল গেইটস খুব সুন্দর করে বলছিলো, "এই পৃথিবীতে জনসংখ্যা খুব বেড়ে চলছে, প্রায় ৯ বিলিয়নের দিকে যাচ্ছে। এতে CO2 এর পরিমাণও বাড়ছে। গ্লোবাল ওয়ার্মিং বাড়ছে। এখন আমরা যদি ভ্যাক্সিনেশন,হেলথকেয়ার, জন্মনিয়ন্ত্রন পদ্ধতি নিয়ে ভালো মত কাজ করতে পারি আমরা তাহলে সেটাকে ১০-১৫% কমিয়ে নিয়ে আসতে পারবো!" ¹

বর্তমানে গ্লোবাল ভ্যাক্সিন ইনিশিয়েটিভের সব চাইতে বড় প্রাইভেট ডোনার এই বিল গেইটসের Bill gates and malinda foundation. ২০০০ সাল থেকে এই তক বিল গেইটস 30,000,000,000 ডলার ডোনেট করছে। (৩০ বিলিয়ন বললে কম লাগে এজন্য সংখায় দিলাম বিষ্ময়বোধ ভালো কাজ করবে)। ৩০ বিলিয়ন ডলার!!!

এবং তার টার্গেট হচ্ছে পৃথিবীর দরিদ্র দেশ গুলো। যেসব দেশের শিশুরা ভ্যাক্সিনাইজ হতে পারছে না তাদেরকে ভ্যাক্সিন দেয়ার উদ্যোগ বিল গেইটসের মত প্রাইভেট ফাউন্ডেশনের সমপর্যায়ে অন্য কেউ নেই।

আমরা এপস্টিনের ফাইল দেখলাম, দুই একটা বিষয় FBI tips হতে পারে তবে স্পষ্ট পিডিএফ ইমেইজ, বিভিন্ন ছবিতে আমরা সুস্পষ্ট প্রমাণ দেখি। এটা বাস্তব যে এপস্টিন একেবারে নিচু মানের পেডোফাইল, চাইল্ড মলেস্টার, চাইল্ড প্রিডেটর, হেবেফাইল (১১–১৪ বছরের কিশোর-কিশোরীদের প্রতি যৌ*ন আকর্ষণ) ছিলো। ইউএস গভ.-র ওয়েবসাইটে আমরা অনেক ছবি দেখলাম যেখানে বাথটাবে, সুইমিং পুলে, ব্যক্তিগত কক্ষে এপস্টিন ৭-১৬/১৭ কিশোরী, শিশুদের সাথে অ*শ্লীল অঙ্গভঙ্গি করে শরীরের সাথে মিশে ছবি তুলছে, তাদের ন*গ্ন বা অর্ধো*লঙ্গ অবস্থায় গোসল করছে। এই এপস্টিন সম*কামিও ছিলো। তার এক পার্টিতে দেখা যায় এক ৬৫ বছরের বৃদ্ধ নাচছে। নাচতে নাচতে তার কাপড় খুলতে থাকে, আর দেখা যায় সে বুকের ওপর বক্ষবন্ধনী আর নিচে মেয়েদের মত আন্ডারওয়্যার পড়া। এখানে একটা কথা বলা বাহুল্য, এইযে এত পৈশাচিক কাজ এসব যে স্বেচ্ছায়ই করছে এমনও না, এসব কাজই স্যাটানিক রিচুয়াল। এই সেইম কাজগুলো যা*দুকররাও করে। আমরা এরকম ঘটনা এর আগেও শেয়ার করেছি।

এই এপস্টিন আইল্যান্ডে প্রচুর যাতায়াত ছিলো বিল গেইটসের। খুবই ভালো সখ্যতা ছিলো এপস্টিনের সাথে।

যেই লোক হিউম্যান ট্রাফিকিং(শিশু-কিশোর পাচার) এর সাথে জড়িত, রাশিয়ান পতিতাদের সাথে যৌ*নসম্পর্ক করে শরীরে এসটিডি নিয়ে ভুগছে, আবার এই খবর ফাঁশ না করার জন্য জেফ্রি এপস্টিনকে প্রেশারাইজ করলো, এই লোক একেবারে এত মানবদরদী কবে হলো যে পৃথিবীর থার্ড কান্ট্রিসে (আফ্রিকা, ভারতোয় উপমহাদেশ) সে ফ্রি ভ্যাক্সিনেশন ক্যাম্প করতেছে, কোটি কোটি ভ্যাক্সিন ফ্রিতে দিচ্ছে??

একদিকে শিশুদের রক্ষায় কোটি টাকা ব্যয় অন্যদিকে শিশুদের সাথে Or*gy (নি*কৃষ্ট যৌ*নাচার) তে লিপ্ত হওয়া। একদিকে শিশুদের প্রতি সিম্প্যাথি শো করা অন্যদিকে শিশুদের মেরে ফেলা। তার রিয়েল ফেইস আসলে কোনটা??

আমাকে এখন বুঝিয়ে বলুন, এই লোকটির এত সিম্প্যাথাইজার হওয়াকে কিভাবে আমি পজিটিভলি দেখবো??

আর এই ব্যক্তি কেবল মাইক্রোসফট অপারেটিং সিস্টেম আবিষ্কার করেই এত বড়লোক হয় নাই, যা আমরা এতকাল জানতাম। এর পেছনে রয়েছে অনেক গোপন স্টেকহোল্ডার্স আর যেই স্টেকহোল্ডার্সদের বাপ দাজ্জা*ল।

These are not all conspiracies!! Nor even absurd speeches!!

আমরা যখন এই ভ্যাক্সিনেশনের বিপক্ষে বলি তখন জেনারেল ডাক্তার তো আছেই, অনেক দ্বীনি ডাক্তাররাও আমাদের নিয়ে কৌতুক করে, আমরা নাকি উন্মা*দ কন্সপিরেসিস্ট, সারাদিন এইসব নিয়েই থাকি।

জ্বি না আমরা আল্লাহর সেই কালামের উপর ইমান এনেছি বলেই আমাদের তাদের প্রতিটি কর্মকান্ডের প্রতি সন্দেহ জাগে, অবিশ্বাস আসে।

"হে ঈমানদারগণ, যদি কোন ফাসিক তোমাদের কাছে কোন সংবাদ নিয়ে আসে, তাহলে তোমরা তা যাচাই করে নাও।" হুজুরাত - ৬

Note: সব ভ্যক্সিনের বিরোধীতার পক্ষে নই। বিল গেইটস মূলত সব ভ্যক্সিন নিয়েও কাজ করতো না। পোলিও, টাইফয়েড,করোনা ভ্যক্সিন এখানে হাইলাইটেড। র‍্যাবিস বা এ ধরনের ভ্যাক্সিন প্রয়োজন অন্যযায়ী দেয়া যায়।

এখানে শুধু একটা ইস্যুর ওপর ভিত্তি করে বিল গেইটসের কিছু বিষয় নিয়ে আসা হয়েছে। আল্লাহ চাইলে WHO নিয়েও বেশ কিছু বিষয় তুলে ধরা হবে, বিল গেইটসের অনেক সন্দেহজনক ফিরিস্তিও তুলে ধরা হবে।ওয়েস্টার্ন এসব এজেন্সিগুলোর শেকড় সব একদিকেই যায়। উত্থান হয় এক জায়গা থেকেই। সেটা হলো ওয়ান ওয়ার্ল্ড অর্ডার। দা*জ্জাল।

01/02/2026

স্টিফেন হকিংস ইজ ইন এপস্টিন ফাইল ট্যু। সে নিয়মিত জেফ্রি এপস্টিনের সাথে মিট করতো। অধিকাংশই হতো মেয়ে শিশু।

অনেক বিজ্ঞানীরা আসলে স্যাটানিজমে লিপ্ত ছিলো। একদম শুরুর দিকের ধরেন পিথাগোরাস, এরিস্টটল।, কেপলার, গ্যালিলিও ইত্যাদি।

উনিশ শতকের এলজিবিটিকিউ+ এর মুভমেন্টের জনক ড. ম্যাগনাস হার্শফিল্ড। তখন জার্মানিতে এলজিবিটিকিউ+ ব্যান করার প্রক্রিয়া শুরু হয়। সেই নিষেধাজ্ঞা ফিরিয়ে নিতে ৫০০০ জন হার্শফিল্ডের পিটিশনে সাইন দিয়েছিলো, যার একজন বিজ্ঞানী এলবার্ট আইন্সটাইন।

৯৯% প্রভাবশালী ও জনপ্রিয় বিজ্ঞানীদের একেকটা জীবনী একেকটা এপস্টিন ফাইলস হবে। আপনি কাউন্ট করে ধরে রাখেন দুই তিন হাজার বছর আগে থেকে যেসব প্রাচীন বিজ্ঞানী ছিলো তা থেকে বর্তমান প্রথিতযশা অনেক বিজ্ঞানী একই ক্যাটাগরির। এর আগেও পেইজে আমরা এসব নিয়ে আলোচনা করেছিলাম।

2800 BC অর্থাৎ ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের ২৮০০ বছর পূর্বে, চীনের Henan এর luoyang এর কাছে এক নদী ছিলো, নাম বা Luo river ...
31/01/2026

2800 BC অর্থাৎ ঈসা আলাইহিস সালামের জন্মের ২৮০০ বছর পূর্বে, চীনের Henan এর luoyang এর কাছে এক নদী ছিলো, নাম বা Luo river (the yellow river).

একবার সেই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে বন্যা শুরু হয়। গ্রামের ফসলাদি, জমি নষ্ট হতে লাগলো, স্বাভাবিক জীবনে ধ্বস পড়ে গেলো। গ্রামের লোকজন নদীর প্রভুর এই রাগ ভাঙ্গাতে প্রতিনিয়ত নদীর পাশে বলিদান করতো নদীর প্রভুর রাগ ভাঙ্গাতে যেন পানি আর না বাড়ে। কিন্তু প্রতিবার পানি বেড়ে যেতো আর একটা কচ্ছপ এসে সেই বলিদানের চারপাশে ঘুরতো। হঠাৎ একদিন এক শিশু দেখতে পায় কচ্ছপের পিঠে কিছুর প্যাটার্ন, বা নকশা। নকশায় ৯ টি ঘরের মত ছিল যার প্রতিটি ঘরে কিছু সংখ্যক বিন্দু দেয়া, এবং বিন্দুগুলো আড়াআড়ি, কোণাকুণি, কিংবা সমান যেভাবেই দেখা হোক না কেনো এর যোগফল দাঁড়ায় ১৫ এবং ৩×৩ গ্রিড প্যাটার্নে সাজানো।যাইহোক, সে গ্রামের সর্দারের কাছে যায়, গ্রামের লোকজন মিলে স্বিদ্ধান্ত নেয় এবার ১৫ টা বলি দিতে হবে।

এরপর আবার পরদিন কচ্ছপ আসলো এবং তাদের দেয়া বলির চারপাশে ১৫ বার ঘুরলো। এরপর নদীর পানি কমে গিয়ে বন্যা থেমে গেলো।

এই পৌরাণিক অকা*ল্ট হিস্ট্রি(গুপ্ত যা*দুর ইতিহাস) আর শি*রকি গল্পের ইতিহাস বলার কারণ হলো 3×3 স্কয়ার (Luo shu magic square) এটার অকা*ল্ট রূট সম্পর্কে জানা। কেনো জানা?

যেই ঘটনা টা বললাম এটা পুরা স্যা*টানিস্ট দের বানানো। এটাই ছিল একটি স্কয়ার(বর্গ) যাতে ৯ টা ঘর যেখানে ১-৯ সংখ্যা এমনভাবে বসে যে যেকোনো দিক থেকেই যোগ করা হোক না কেনো যোগফল হবে ১৫। এটাকে 3×3 luo shu magic square বলে। এছাড়াও 4×4, 6×6....32×32 ও আছে। সব গুলোই ম্যা*জিক স্কয়ার। এবং এদের প্রত্যেকটা রূট অ*কাল্ট, কিংবা যেই ব্যক্তি যেই নির্দিষ্ট ম্যা*জিক স্কয়ার আবিষ্কার করেছে সে কোনো না কোনোদিক দিয়ে স্যা*টানিস্ট বা ম্যা*জিশিয়ান ছিলো। যেমন 4×4 magic square তৈরি করেছে জার্মান দার্শনিক Albrecht durer. (প্রায় সব দার্শনিকই অ*কাল্টিজম নিয়ে পড়ে থাকতো)

কিছু তাবিজের ছবি দিলাম, এটায় যে সংখ্যার ছক গুলো দেখা যাচ্ছে তা অনেকের তাবীজেই পাওয়া যায়, অনেক আলেম, উস্তাদ কিংবা মাদ্রাসার মুহতামিম এই ধরনের তা*বিজ দেয়। তা*বিজের একটা কমন চিত্র এটা। আশ্চর্যজনকভাবে এসব তা*বিজেও ৩×৩ ঘর থাকে এবং প্রতি ঘরের নির্দিষ্ট দিকের যোগফলও ১৫ হয়। ১৫ না হলেও একই সংখ্যা আসে।

রুক্বইয়াহ একমাত্র শারঈ সন্দেহমূক্ত ট্রিটমেন্ট প্রসিডিউর। এর বাইরে যত হালাল বা মুবাহ এর মধ্যে থাকার চেষ্টা করা হোক না কেনো, কোনো না কোনোভাবে এর রূট গুপ্তবিদ্যার দিকেই যাবে। আর আমাদের আলিম মহোদয়গণও এসব জায়েজের মাসআলা দিয়ে যাবে।

বিদ্র: এ-তো জানলাম শুধু সংখ্যার একটি অ*কাল্ট রুট সম্পর্কে। কিন্তু এই সংখ্যার সাথে যাদু কিভাবে করা হয়, কিভাবে যা*দুর মাধ্যমে ছকের মাঝে তা*বিজে এই সংখ্যা বসানো হয়, কিভাবে আবজাদ সংখ্যার সাথে এস্ট্রলজিকে মেশানো হয়, কিভাবেই বা এই সংখ্যা থেকে আবজাদ সংখ্যা বের করা হয় এভাবে একে একে নানান যা*দুর সাথে এই সংখ্যার সন্নিবেশ; ইত্যাদি নিয়ে আমরা ইন শা আল্লাহ পরবর্তীতে জানবো।

কিশোর বয়সে তিনি গোসল করতে নেমেছিলেন বাড়ির পাশের পুকুরে। অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিকভাবে গোসল করে ফিরে আসেন। কিন্তু রাতে...
28/01/2026

কিশোর বয়সে তিনি গোসল করতে নেমেছিলেন বাড়ির পাশের পুকুরে। অন্যান্য দিনের মতই স্বাভাবিকভাবে গোসল করে ফিরে আসেন। কিন্তু রাতের দিকে শরীর খারাপ শুরু হতে থাকে তার। খুব একটা পাত্তা দেন নি। আস্তে আস্তে বিভিন্ন জায়গায় ব্যাথা হতে শুরু করে। প্রচন্ড ব্যাথা নিয়ে কবিরাজ, ডাক্তারের কাছে ছুটেছেন। আস্তে আস্তে শারীরিক অবস্থার অবনতি হতে থাকে। বিছনায় পড়ে যেতে থাকেন; বিভিন্ন জয়েন্টে ব্যাথা শুরু হতে থাকে।

ধীরে ধীরে শরীরে জড়তা আসা শুরু হয়। হাটুতে, কোমরে, পায়ের পাতায়, মেরুদন্ডের নিচে জড়তা আসতে থাকে।

১০ বছর পর, এখন তার শরীরের নিচের অংশ পুরোই অবশ। কোমর থেকে পা অবধি প্রতিটা জয়েন্টের ফাঁকে ফাঁকে মাংস জমে গিয়েছে। অর্থাৎ এই অসাড়তা এখন স্থায়ী পর্যায়ে চলে গিয়েছে।


পরিবারসহ সাভারে গ্রামের বাড়ি ঘুরতে গেলেন। সাথে তাদের পিচ্চি ছেলেবাবু। বয়স ৩-৪। আত্মীয় স্মজন সবাই যখন সাক্ষাৎ আর কুশল বিনিময়ে ব্যস্ত, ভর দুপুরে সেই ছেলেকে খুজে পাচ্ছে না কেউ; অথচ তাদের পাশেই ছিল। খোজাখুজি করতে করতে দেখা গেলো পাশের পুকুরের ঠিক মাঝখানে শিশুটি। সবাই হতবাক, বাচ্চাটি কিভাবে সেখানে গেলো, কে নিয়ে গেলো, আর পুকুরের মাঝেই কিভাবে ভেসে আছে??

পরে একজন সাঁতরে গিয়ে বাচ্চাটিকে উদ্ধার করে।

আজও সেই রহস্য বের করা যায় নি।


স্কুল থেকে ফিরে প্রতিদিনই নদীতে গোসল করতে নামে কিশোর ছেলেটা। সেদিন ছুটি শেষে ক্রিকেট খেলতে খেলতে আছর হয়ে যায়। বাড়ি ফেরার আগে নদীতে দু-তিনটা ঝাপ দিয়ে বাড়ির দিক চললো। হাটতে হাটতে খেয়াল করলো দুই পা প্রচুর চুলকাচ্ছে আর জ্বলছে। ঘরে ফিরে মা খেয়াল করলো ছেলের দুই পা নখের মত আচড় দিয়ে ভরে গেছে।


আগে আমাদেরকে বলা হতো পুকুরে, নদীতে জ্বিন থাকে। সন্ধায় সেখানে যেন গোসল করতে না নামি। তখন রূপকথার গল্প ভেবে উড়িয়ে দিতাম। আবার ভাবতাম জ্বিন যদি হইয় আগুনের, পানিতে থাকবে কিভাবে। নিভেই তো যাবে!

কিন্তু বাস্তবতা ভিন্ন।

الجنيُّ مشتق من أجنَّ الشيء، أي أكنَّه وأخفاه .

الجن يسكنون الأماكن التي لا يسكنها البشر، أو يقلُّ تردُّدهم عليها. الصحاري والخلاء والخرائب

والمساحات غير المأهولة من البحر

অর্থাৎ, জ্বিন শব্দটি এসেছে আজান্না, অর্থাৎ কোনোকিছুকে গোপন করা বা লুকিয়ে রাখা। জ্বিন সেসব জায়গায় থাকে যেখানে মানুষ থাকে না, কিংবা জনসাধারণের চলাফেরা একেবারেই কম। যেমন, মরূভুমি, নির্জন-প্রাপ্ত এলাকা, সমুদ্রের জনবসতহীন অংশ বা দ্বীপ।

পানিতে যে জ্বিন থাকে এ নিয়ে আমরা ক্বুরআনেই সরাসরি পাই। আল্লাহ ﷻ বলেন,

‎وَٱلشَّيَٰطِي نَ كُلَّ بَنَّآءٍ وَغَوَّاصٍ

"আর (অনুগত করে দিলাম) প্রত্যেক প্রাসাদ নির্মাণকারী ও ডুবুরী শাইত্বান [জ্বিন] সমূহকেও"

Saad -37

আয়াতের غواص শব্দের তাফসীরে,

ইবন কাসীর রা. বলেন,

أي منهم من هو مستعمل في الأبنية الهائلة من محاريب وتماثيل وجفان كالجواب وقدور راسيات إلى غير ذلك من الأعمال الشاقة التي لا يقدر عليها البشر وطائفة غواصون في البحار يستخرجون ما فيها من اللآلئ والجواهر والأشياء النفيسة التي لا توجد إلا فيها.

অর্থাৎ, তাদের(শাইত্বানদের) মধ্যে এমন কিছু ছিল যাদের ব্যবহার করে তিনি(সুলাইমান আ.) উঁচু কক্ষ, আকৃতি, জলাশয়ের মতো বিশাল পাত্র, এবং দৃঢ়-স্থির কড়াই তৈরি করতেন, এবং অন্যান্য কঠিন কাজ করতেন যা মানুষ করতে অক্ষম ছিল। এবং আরেকটি দল ছিল, যারা সমুদ্রে ডুব দিয়ে মুক্তা, রত্ন এবং অন্যান্য মূল্যবান জিনিসপত্র উদ্ধার করতো যা অন্য কোথাও পাওয়া যেতো না।

তাফসীর ক্বুরতুবিতে বলা আছে,

"وغواص " يعني في البحر يستخرجون له الدر . فسليمان أول من استخرج له اللؤلؤ من البحر .

""আর ডুবুরি" বলতে বোঝায় যে সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করে। তাই, সুলাইমান আলাইহিসসালামই প্রথম যিনি সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করেছিলেন।"

ইমাম সাদিক্ব হাসান খান তার তাফসীর জামি'ঊল ক্বুরআনে বলেন,

ويغوصون في البحر فيستخرجون له الدّر منه. وهو أول من استخرج اللؤلؤ من البحر.

"তারা(শাইত্বানরা) সমুদ্রে ডুব দিয়ে তার জন্য মুক্তা বের করত। তিনিই(সুলাইমান আ.) প্রথম যিনি সমুদ্র থেকে মুক্তা বের করেন।"

অর্থ্যাৎ, আল্লাহ ﷻ সুলাইমান আলাইহিসসালামের অধীনস্ত করে দিয়েছিলেন জ্বিন ও শাইত্বানদেরকে। এদের বিভিন্ন ক্যাটাগরি ছিলো। আরো ছিলো শক্তিশালী ইফরিত জ্বিন। আর কিছু জ্বিন তৈরি করতো বিশাল অট্টালিকা। কিছু জ্বিন শাইত্বান সমুদ্রের তলদেশে ডুব দিয়ে রত্ন-মুক্তা নিয়ে আসতো। এরা শুধু সমুদ্রেই যেতো, পানির মাঝে চলাফেরা করতে পারতো।

জনপ্রিয় ইসলামিক সাইট ইসলাম ওয়েবে বলা আছে,

فلا يبعد أن تكون البحار مأوى للشياط*ين، لأنها غيرعامرة بالبشر، ومن المعروف أنهم يسكنون الخرب والخلوات، قال الدكتورعمرالأشقر في ـ عالم الجن والشيا*طين: يكثر تجمعهم في الخراب والفلوات، ومواضع النجاسات كالحمامات والحشوش والمزابل والمقابر. اهـ.

ومما يقوي هذا أن إبلي*س يضع عرشه على الماء، فقد روى الإمام مسلم في صحيحه من حديث جابر قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: إن إبلي*س يضع عرشه على الماء ثم يبعث سراياه، فأدناهم منه منزلة أعظمهم فتنة

"এটি অসম্ভব নয় যে সমুদ্র শাইত্বানদের আশ্রয়স্থল, যেহেতু সেখানে মানুষের বিচরণ খুবই কম। এবং জানা যায় তারা ধ্বংসাবশেষ এবং নির্জন স্থানে বাস করে। ড: ঊমর আল-আশক্বার তার " জ্বিন ও শাইত্বানের জগৎ " বইতে বলেছেন "তারা প্রায়শই ধ্বংসস্তূপ এবং জনশূন্য স্থানে এবং স্নানঘর, পায়খানা, আবর্জনা ফেলার স্থান এবং কবরস্থানের মতো ময়লা-আবর্জনাপূর্ণ স্থানে জড়ো হয়।"

রাসূল ﷺ এর হাদীস আরো সত্যায়িত করে, রসূলুল্লাহ ﷺ বলেন, ইবলীস পানির উপর তার আরশ স্থাপন করতঃ তার বাহিনী প্রেরণ করে। তন্মধ্যে তার সর্বাধিক নৈকট্য অর্জনকারী সে-ই যে সবচেয়ে বেশী ফিতনাহ সৃষ্টিকারী। " সহীহ মুসলিম ২৮১৩

وإذا احتاج الإنسان للسباحة في وقت أو مكان يُظَن فيه انتشار الشياطي*ن، فليتحصن بذكر الله والاستعاذة به وقراءة آية الكرسي ونحو ذلك.

তাই, যদি কেউ এমন সময় বা এমন স্থানে সাঁতার কাটতে হয় যেখানে জ্বিনের প্রাদুর্ভাব বা অস্তিত্বের লক্ষণ থাকে, তার উচিত নিজেকে আল্লাহর স্মরণ করে তার কাছে আশ্রয় চেয়ে, আয়াতুল কুরসি পড়ে নিজেকে সুরক্ষিত করে এরপর যাওয়া।

অতএব, পানিতে জ্বিন থাকে, এটি বাস্তব ও সত্য।

27/01/2026

কুইজ: সর্বপ্রথম কোন মানুষ সমুদ্রের তলদেশ থেকে মণি-মুক্তা বের করেছেন?

আচ্ছা!! ধরুন আপনি এমন জায়গায় গেলেন, যেটা একেবারেই নতুন। কিন্তু হঠাৎ আপনার কল্পনায় কিছু চিন্তা আসলো, যেটা অই জায়গা নিয়ে। ...
25/01/2026

আচ্ছা!! ধরুন আপনি এমন জায়গায় গেলেন, যেটা একেবারেই নতুন। কিন্তু হঠাৎ আপনার কল্পনায় কিছু চিন্তা আসলো, যেটা অই জায়গা নিয়ে। আপনি তেমন পাত্তা দিলেন না...

অনেকদিন পার হয়ে গেলো, আপনি একদিন কোনোভাবে বুঝলেন আপনি সেইযে অনেক আগে এক জায়গায় গিয়েছিলেন? তখন অবচেতন মস্তিষ্কে কিছু চিন্তা এসেছিলো কল্পনায়!!... তা মূলত কয়েকশো বছর আগে অই জায়গায় ঘটে যাওয়া কিছু ঘটনার দৃশ্য যা কল্পনায় এসেছিলো।

এই ফেনোমেনাকে Retrocognition রেট্রোকগনিশন বলে। এটা কিভাবে হয়?

জিনের মাধ্যমে....কিভাবে??

তার আগে এরকম একটি ঘটনা চলুন জেনে নেই।

১৯০১ সাল। ব্রিটিশ কোনো এক স্কুলের একাডেমিক স্কলার এনি মবার্লি এবং এলিনর জর্ডেইন। তাদের দৃঢ় ইচ্ছা জাগলো তারা ফ্রেঞ্চ রাজা লুইসের শেষ স্ত্রী ম্যারি এন্তইনেত এর ব্যক্তিগত অট্টালিকার অবস্থান খুজে বের করবে। ম্যারি এন্তইনেত তার স্বামী রাজা লুইসের মৃত্যুর পর রাণী হয়ে ক্ষমতায় বসে। ১৭৯৩ সালে ম্যারি এন্তইনেত কে কিছু অভিযোগের ভিত্তিতে বন্দি রাখার পর হ - ত্যা করা হয়েছিলো।

যাই হোক ১৭৯৩ থেকে ১৯০১। একশো বছর পর সেই দুই ব্রিটিশ স্কলার ম্যারির সেই অট্টালিকায় যাওয়ার পর এনি মবার্লি এবং এলিনর জর্ডেইন সাক্ষাৎ পায় সেই রাণী ম্যারির। একশো বছর পর! ম্যারি কিরকম জামা পরিধান করতো, কিভাবে কথা বলতো, চলতো এবং মৃ*ত্যু - দন্ডের পূর্বে কি অবস্থায় ছিল তা সব তারা দেখতে পায়। তারা এ নিয়ে এক বইও লিখে ফেলে। অর্থাৎ তাদের এই রেট্রোকগনিশন সত্যই ছিলো!

এই ঘটনা পড়তে গেলে মিল পাবেন জা /দুকরদের সাথে। তাদের কাছে গেলেই তারা আপনাকে না চিনলেও আপনার অতীত কিভাবে বলে দেয়??

এখন কথা হচ্ছে স্বাভাবিক মানুষ, তার সাথে কিভাবে ঘটে এরূপ ঘটনা?

ব্যাখ্যা হচ্ছে, আমরা জানি জ্বিনরা অনেক বছর বাচে। শত-সহস্র বছর। এখন কোনো নির্দিষ্ট জায়গায় যদি কোনো জিন থাকে বা কোনো ব্যক্তির শরীরে কোনো জিনের আছর থাকে, অনেক সময় পর সেই জায়গায় কেউ আসলে, বা জ্বিন যেই শরীরে আছর করে ছিলো অই ব্যক্তি মারা গেলে সেই জিন অন্য ব্যক্তির শরীরে পজেস করে তাকে সেই জায়গা বা অই ব্যক্তির ব্যাপারে নানান তথ্য দেয়; কল্পনার মাধ্যমে, স্বপ্নের মাধ্যমে।

এইরকম আরো কিছু বিষয় নিয়ে কমেন্টে দুটি আর্টিক্যাল দিচ্ছি। পড়ুন, (কমেন্টে)

Address

375 No. House, Near Puratan Fulkuri School, West Sanarpar, Demra, Dhaka

1361

Telephone

+8801883395011

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Miracle Healing posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Miracle Healing:

  • Want your practice to be the top-listed Clinic?

Share

Share on Facebook Share on Twitter Share on LinkedIn
Share on Pinterest Share on Reddit Share via Email
Share on WhatsApp Share on Instagram Share on Telegram